আজঃ বৃহস্পতিবার ১৮ জুন, ২০২৬

কুলাউড়ার জয়চন্ডীতে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

কুলাউড়া প্রতিনিধি :

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার জয়চন্ডী ইউনিয়নে শারদীয় দূর্গা পূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কুলাউড়া ক্যাম্পের তত্ত্বাবধানে চা-শ্রমিক ও সনাতন ধর্মাবলম্বী পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে জয়চন্ডী ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে ৩ শতাধিক পরিবারের মধ্যে এ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

জয়চন্ডী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রব মাহাবুবের সভাপতিত্বে এবং সাবেক ছাত্রনেতা, বিশিষ্ট সমাজসেবক রাহাত সিপারের সঞ্চালনায় উক্ত খাদ্য বিতরণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কুলাউড়া ক্যাম্পের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার সৈয়দ হাসানুজ্জামান, ওয়ারেন্ট অফিসার মাহবুব রহমনা এবং সার্জেন্ট আমিনুল ইসলাম।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জয়চন্ডী ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মোহাম্মদ আবদুল বারী, ওয়ার্ড সদস্য ফজলুল আউয়াল, মো: মনু মিয়া, বিমল দাস, আজমল আলী, শংকর উরাং, জাহাঙ্গীর হোসেন, মিলন বৈদ্য, আলিম আহমদ। সংরক্ষিত মহিলা সদস্য, নেহারুন বেগম, সীমা রানী চুনার প্রমুখ।

জয়চন্ডী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রব মাহাবুব জানান, ইউনিয়নের ৯ টি ওয়ার্ড থেকে চা-শ্রমিক ও সনাতন ধর্মাবলম্বী পরিবারের মধ্যে যারা একেবারে অসহায় তাদেরকে বাছাই করে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে প্রাপ্ত এই খাদ্য সহায়তাগুলো দেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মৌলভীবাজারে যুব ইউনিয়নের বিক্ষোভ;দেশীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার আহ্বান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মৌলভীবাজারে বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন জেলা কমিটির উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে এক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সভাপতি আয়কর আইনজীবী আবু রেজা সিদ্দিকি ইমন এবং পরিচালনা করেন যুবনেতা অ্যাডভোকেট আবুল হায়দার মোঃ তরিক।

বক্তারা অভিযোগ করেন, ড. মুহাম্মদ ইউনুছের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি বাণিজ্য চুক্তি করেছে, যা দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি। বিশেষ করে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের সময়ে তেল আমদানি করতে দেশকে মার্কিন অনুমতির ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি মৌলভীবাজার জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাসুক মিয়া, জেলা কমিটির সদস্য জহরলাল দত্ত, যুবনেতা অ্যাডভোকেট সুকান্ত নন্দি এবং ছাত্রনেতা জ্যোতিষ মোহন্ত। এছাড়া কমিউনিস্ট পার্টি, যুব ইউনিয়ন ও ছাত্র ইউনিয়নের জেলা শাখার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।বক্তারা চুক্তিটি বাতিলের দাবি জানান এবং সতর্ক করে বলেন,যদি তা না হয়, কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।

সুনামগঞ্জে মাদ্রাসায় পড়ুয়া শিশু কন্যাকে শ্রেণিকক্ষে ধর্ষণ চেষ্টা,অভিযুক্ত গ্রেফতার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মাদ্রাসায় পড়ুয়া নয় বছর বয়ষী এক শিশু কন্যাকে শ্রেণিকক্ষে ধর্ষণ চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার ভোররাতে এ ঘটনায় অভিযুক্ত সাবুল মিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।সাবুল সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার ভাতগাঁও ইউনিয়নের জহিরপুর গ্রামের ছমরু মিয়ার ছেলে।

শনিবার সকালে সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশের দায়িত্বশীল সুত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেন।শনিবার ছাতকের ভিকটিম শিশু কন্যার পারিবারীক সুত্র জানায়, শুক্রবার সকাল আটটার দিকে গ্রামের স্থানীয় মাদ্রাসায় পড়তে যায় ৯ বছর বয়সী শিশু কন্যা।

উপজেলার জহিরপুর গ্রামের বখাটে সাবুল ফাঁকা মাদ্রাসায় দ্বিতীয় তলার শ্রেণিকক্ষে জোর পূর্বক ওই শিশু কন্যাকে ধরে নিয়ে গিয়ে শ্রেণিকক্ষেই ধর্ষণ চেষ্টা চালায়।
চিৎকার করে কৌশলে শ্রেণিকক্ষ থেকে দৌড়ে পালিয়ে এসে পরিবারের সদস্যদের ঘটনাটি জানায় ওই শিশুকন্যা।
এরপর পরিবারের সদস্যরা মাদ্রাসা কতৃপক্ষ, শিক্ষকদের, গ্রামবাসীকে ঘটনাটি জানানোর পর তারাবির নামাজের পর ওই ঘটনায় গ্রামে সালিস বৈঠক ডাকা হয়।

তারাবির নামাজের পর রাত সাড়ে ৯টা থেকে দশটার ভেতর সালিসে কয়েক শতাধিক লোকজন উপস্থিত হন।
ঘটনা শুনে সালিসে উপস্থিত থাকা লোকজন উক্তেজিত হয়ে অভিযুক্ত’র গ্রামের বাড়িতে গিয়ে বসতবাড়িতে ভাংচুর চালায়।

এদিকে ছাতক থানার জাহিদপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রর ইনচার্জ এসআই নাজমুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে উপজেলার জহিরপুর এলাকা থেকে শনিবার ভোররাতে অভিযুক্ত সাবুল মিয়াকে গ্রেফতার করেন।
শনিবার সকালে ছাতক থানার ওসি মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান আকন্দ জানান, গ্রেফতার সাবুলকে ছাতক থানা পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ