আজঃ বুধবার ১৩ মে, ২০২৬

চৌদ্দগ্রামে কনকাপৈত উন্নয়ন ফোরামের উদ্যোগে ডাকাতিয়া নদীর বর্জ্য অপসারণ কর্মসূচি পালিত

জহিরুল ইসলাম সুমন চৌদ্দগ্রাম ( কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে কনকাপৈত উন্নয়ন ফোরাম এর উদ্যোগে ডাকাতিয়া নদীতে জমাটবাঁধা কচুরিপানা, বিভিন্ন তরুলতা সহ আগাছা ও বর্জ্য অপসারণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এতে প্রায় দুই শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক কাজ করছেন। এ কর্মসূচি সপ্তাহব্যাপী চলবে বলে জানা যায়। উপজেলার কনকাপৈত ইউনিয়নের মরকটা স্টীল ব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কনকাপৈত ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো: ইকবাল হোসেন মজুমদার।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কনকাপৈত ইউপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান (প্যানেল চেয়ারম্যান-০১) মীর হোসেন, তারাশাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাস্টার নুরুল ইসলাম মজুমদার, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো: নাছির উদ্দিন মজুমদার, বিশিষ্ট সমাজ সেবক মো: আহসান উল্লাহ বেপারী, মো. রেজাউল করিম মোল্লা, ডা. জহিরুল ইসলাম মজুমদার, সাবেক ইউপি সদস্য তাজুল ইসলাম, যুবনেতা মো: শাহআলম মজুমদার, প্রবাসী মো: ইমাম হোসেন মজুমদার, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো: মনির হোসেন, মাওলানা রুহুল আমিন, যুবনেতা ফুয়াদ ইবনে মোস্তফা, নুরুল আলম, মো: ফারহান, হোসাইন মামুন, কাজী আরিফ হোসেন, আরাফাত, ইমন প্রমুখ।

সাবেক চেয়ারম্যান মো: ইকবাল হোসেন মজুমদার বলেন, কনকাপৈত ইউনিয়ন উন্নয়ন ফোরাম এর উদ্যোগে ইউনিয়ন বিভিন্ন গ্রামের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রায় ২০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ডাকাতিয়া নদীর বর্জ্য অপসারণ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। আজ মরকটা স্টীল ব্রীজ এলাকা থেকে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা হলো। সম্পূর্ণ বর্জ্য অপসারণ পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলবে। ডাকাতিয়ার বিভিন্ন স্থানে যেভাবে দীর্ঘদিন ধরে বর্জ্য জমাট বেঁধে রয়েছে, এগুলো অপসারণ করতে কমপক্ষে একসপ্তাহ সময় লাগবে। উন্নয়ন ফোরামের প্রায় দুই শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক নিরলসভাবে কাজ করছে এ কর্মসূচিতে। অপরিকল্পিত নগরায়ন, যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ফেলা, খাল ও নদীর অবৈধ দখলের ফলে পরিবেশ দূষণ সহ বিভিন্ন সময় প্রাকৃতিক দূর্যোগ দেখা দেয়। ২০২৪ সালের স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা আমাদেরকে দেখিয়ে দিয়েছে, নদীমাতৃক এ দেশে খাল ও নদীর গুরুত্ব কী? আশা করছি, ডাকাতিয়ার এ বর্জ্যগুলো অপসারিত হলে ডাকাতিয়া নদীর স্বাভাবিক পানি প্রবাহ চালুর পাশাপাশি ইউনিয়নে সাতাশটি গ্রাম সহ আশেপাশের এলাকার বিভিন্ন গ্রামের কৃষক সমাজ বেশ উপকৃত হবে। কনকাপৈত ইউনিয়নকে একটি কৃষি বান্ধব মডেল ইউনিয়নে রূপান্তরে কনকাপৈত উন্নয়ন ফোরাম নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ সময় তিনি ভবিষ্যতেও ইউনিয়নের সামগ্রীক উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে সকলের নিকট দোয়া প্রার্থনা করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

রমেশ শীলের নামে কমপ্লেক্সের পাশাপাশি লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার ঘোষণা সাংসদ এরশাদ উল্লাহর।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে “একুশে পদকপ্রাপ্ত” উপমহাদেশের প্রখ্যাত কবিয়াল রমেশ শীলের ১৪৯তম জন্ম উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত দুদিনব্যাপী অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিনে লোকসংস্কৃতি, স্মৃতিচারণ ও উন্নয়ন প্রতিশ্রুতিতে মুখর ছিল সমাধিস্থল প্রাঙ্গণ। রোববার (১০ মে) রাতে দ্বিতীয় দিনের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ বলেন, “রমেশ শীল আজ থেকে ১৪৯ বছর আগে মৃত্যুবরণ করলেও তিনি আজও আমাদের মাঝে বেঁচে আছেন। তিনি অমর হয়ে আছেন।যে আধ্যাত্মিক চেতনা রমেশ শীলের মনের মধ্যে জাগ্রত ছিল, সে চেতনার মাধ্যমে তাঁর গান ও ছন্দ তিনি মানুষের জন্য রেখে গেছেন।” তিনি আরও বলেন, বাংলার লোকসংস্কৃতি সমৃদ্ধ করতে রমেশ শীলের অবদান অনন্য। বোয়ালখালীকে তিনি তাঁর কর্মের মাধ্যমে শুধু বাংলাদেশ নয়, উপমহাদেশের মানুষের হৃদয়ে পৌঁছে দিয়েছেন।

রমেশ কমপ্লেক্স বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোরশেদ খান যে জায়গাটি নির্ধারণ করেছিলেন সেটি অর্পিত সম্পত্তি হওয়ায় কিছু জটিলতা রয়েছে। তবে কবিয়াল রমেশ স্মৃতি ট্রাস্টের দায়িত্বশীলদের সঙ্গে সমন্বয় করে তা সমাধানের চেষ্টা চলছে। জটিলতা না কাটলে সরকারি খাস জমিতে কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।এ সময় তিনি রমেশ শীলের নামে একটি লাইব্রেরি স্থাপনের উদ্যোগের কথাও জানান। পাশাপাশি বলেন, রমেশ শীলের কর্মকাণ্ড সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ের আওতায় আনার বিষয়ে সাংস্কৃতিক মন্ত্রী নিতাই রায়ের কাছে কবিয়াল রমেশ স্মৃতি ট্রাস্ট এর পক্ষ থেকে আবেদন করার প্রয়োজন রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “গুণী মানুষের স্মৃতিকে অম্লান করা আমাদের সামাজিক, রাজনৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব। রমেশ শীল মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন। তিনি গণমানুষের কবি। তাঁর জন্য কিছু করতে পারলে নিজেকে ধন্য মনে করবো।”এছাড়া তিনি এলাকাবাসীকে রমেশ শীলের স্মৃতি সংরক্ষণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
রমেশ শীল স্মৃতি ট্রাস্ট এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মানস চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং ট্রাস্টের সদস্য শিক্ষক, সাংবাদিক প্রলয় চৌধুরী মুক্তির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সম্মানিত প্রধান বক্তা ছিলেন শাহেনশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ট্রাস্ট এর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক এ ওয়াই এমডি জাফর। তিনি বলেন, রমেশ শীল ছিলেন লোকজ সংস্কৃতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, যাঁর গান ও কবিতা আজও মানুষের হৃদয়ে বেঁচে আছে।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন রমেশ শীল স্মৃতি ট্রাস্ট এর কোষাধ্যক্ষ কাজল শীল। মহান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অদুল-অনিতা ট্রাস্ট এর চেয়ারম্যান শ্রী অদুল কান্তি চৌধুরী।বিশেষ অতিথিদের মধ্যে ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক চেয়ারম্যান আজিজুল হক, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য শওকত আলম, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ইসহাক চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা বিএনপি নেতা মেহেদী হাসান সুজন, বোয়ালখালী পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি স্বপন শীল, সাবেক উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও বোয়ালখালী থানার ওসি মাহফুজুর রহমান।আয়োজকরা জানান, রমেশ শীলের জীবন ও কর্ম নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত করা হচ্ছে।দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে আলোচনা, স্মৃতিচারণ ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে তাঁকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করা হয়।

ঠাকুরগাঁওয়ে ফারিয়ার মানববন্ধন অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পেশার মর্যাদা রক্ষা ও ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিগণের নিরাপদ কর্ম পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবীতে মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিডগনের প্রতিবাদী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।সোমবার সকালে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সামনে জেলা ফারিয়া ও ম্যানেজার্স ফোরাম এর আয়োজনে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। 

এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন জেলা ম্যানেজার্স ফোরাম এর সভাপতি সালেহীন, সাধারণ সম্পাদক মোসাদ্দেক হোসেন, জেলা ফারিয়ার সাধারণ সম্পাদক মহিতোষ রায়সহ অনেকে।

সেখানে তারা বলেন অন্যান্যদের মতো দেশের শিক্ষিত ও প্রশিক্ষিত জনগোষ্ঠী তারা। একটি কুচক্রী মহল তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। মালিকপক্ষ এই বিষয়ে কিছুই বলছেন না। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় তারা লাঞ্ছিত হচ্ছে না। ঠিকমতো কাজ করতে পারছেন না। তাই দ্রুত এই বিষয়গুলো সমাধান না হলে, সামনে কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন তারা।

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম কাস্টমসে নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেয়া ২২০ কন্টেইনার পণ্য বিক্রি হবে নিলামে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া ২২০ টি কন্টেইনার নিলামে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের জট নিরসনে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। সর্বমোট ১৩৭টি লটে ২২০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে। বিশেষ করে আমদানির পর নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া এসব কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে।এই নিলাম প্রক্রিয়া অনলাইনে (ই-অকশন) সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, পুরো মে মাস জুড়ে দরদাতাদের জন্য সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সর্বোচ্চ দরদাতাদের পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর শর্তাবলী মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরকে কন্টেইনার জটমুক্ত করতে এবং ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের নিলাম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, আমদানিকৃত এসব পণ্য মাসের পর মাস বন্দরে পড়ে থাকায় একদিকে যেমন বন্দরের জায়গা দখল হয়ে আছে, অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আটকে রয়েছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সক্ষমতা কমছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে মে মাসে দুই ধাপে এই ই-অকশন অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিশেষ আদেশ অনুসারে ‘ই-অকশন-৪/২০২৬’-এর আওতায় ১২০টি লটে ১৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে।
এই তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, কাগজ, কাপড় (ফেব্রিক্স), গৃহস্থালির সামগ্রী এবং এসি পার্টস। বিশেষ বিষয় হলো, এই পণ্যগুলোর নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য থাকছে না। এই ধাপের দরপত্র আগামী ৯ জুন সকাল ১১টায় খোলা হবে। অন্যদিকে, স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী ‘ই-অকশন-৫/২০২৬’-এর আওতায় ১৭টি লটে আরও ৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে।

এর মধ্যে রয়েছে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, স্টিল স্ক্র্যাপ, গাড়ি এবং লবণ। এই ধাপের দরপত্র আগামী ১৪ মে দুপুর ৩টায় উন্মুক্ত করা হবে। নিলাম প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে। আগ্রহী ক্রেতারা ঘরে বসেই বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে দরপত্র দাখিল করতে পারবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ