বিপ্লবের সুফল পেতে হলে বৈষম্য বিরোধীদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে

রক্তাক্ত জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্মরণে আলোচনা ও দোয়া মাহফিলে অধ্যক্ষ হেলালী

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রক্তাক্ত বিপ্লবের সুফল পেতে হলে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতা এবং সাংবাদিকসহ সকল পক্ষকে নিজেদের মধ্যে মতভেদ ভুলে ঐক্য ও সংহতি বাড়াতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী

গতকাল সোমবার বিকেল ৫টায় চট্টগ্রামের চেরাগী পাহাড় মোড়ে অনুষ্ঠিত ‘জুলাই বিপ্লবে শহীদদের স্মরণে আলোচনা ও দোয়া মাহফিলে’ প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, প্রকৃত উদ্দেশ্য এবং শহীদদের স্বপ্ন পূরণ করতে হলে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বৈষম্য এবং নির্যাতনের বিরুদ্ধে আমাদের সংগ্রামকে আরও সুসংগঠিত করতে হবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সাবেক সদস্য প্রবীণ সাংবাদিক মঈনুদ্দিন কাদেরী শওকত বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগ এবং তাঁদের অবদানকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে বলেন, ‘শহীদদের রক্তের বিনিময়ে আমরা যে স্বাধীনতা পেয়েছি, সেই স্বাধীনতাকে রক্ষা করতে হলে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।’

অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ছিল ২০২৪ সালের জুলাই মাসে সংঘটিত ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহীদ হওয়া সকলের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতা ও সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক কামরুল হুদার সভাপতিত্বে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার সঞ্চালক ছিলেন পরিষদের সদস্য সচিব এবিএম ইমরান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মুহাম্মদ শাহ নওয়াজ, সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মুহাম্মদ নাছির উদ্দিন, আইএইচআরসি’র প্রেসিডেন্ট ও বিএনপি নেতা এম এ হাশেম রাজু, পটিয়া ছালেহ আহম্মদ হাসান বানু ফাউন্ডেশন’র প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ডা: মুহাম্মদ শখাওয়াত হোসাইন হিরু, নাগরিক ঐক্য চট্টগ্রাম বিভাগ’র প্রধান সমন্বয়কারী নুরুল আবচার মজুমদার স্বপন, দৈনিক ভোরের ডাকের ব্যুরোচীফ কিরন শর্মা, দৈনিক দিনকালের ব্যুরোচীফ হাসান মুকুল, চট্টগ্রাম এডিটরস ক্লাবের সহ সভাপতি এম আলী হোসেন, অধ্যক্ষ মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক খোরশেদ আলম, এনডিএম কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির জনসংযোগ এবং সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি মোহাম্মদ এমরান চৌধুরী, মৎস্যজীবি দলের আহবায়ক হাজী নরুল হক, এডভোকেট আবদুল আজিজ, এলডিপি নেতা নুরুল আজগর চৌধুরী, স্পেশাল মনিটরিং মিশন, ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস কমিশন, চেকপ্রজাতন্ত্র ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন’র পিচ এম্বাসেডর ও ন্যাশনাল কর্ডিনেটর লায়ন মোহাম্মদ ইলিয়াছ সিরাজী, প্রবীণ সাংবাদিক মোহাম্মদ ছগীর আহমেদ এবং অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। তাঁরা সকলেই তাঁদের বক্তব্যে শহীদদের অবদানের কথা গভীরভাবে স্মরণ করেন এবং ভবিষ্যতের প্রজন্মের জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার প্রয়োাজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৈষম্য বিরোধী সাংবাদিক ঐক্য চট্টগ্রামের সমন্বয়ক আরিয়ান লেনিন, শফিকুল ইসলাম, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও ইসলামী চিন্তক মোহাম্মদ হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল হাসান রুমী, রাজনীতিবিদ নূর মোহাম্মদ, শিক্ষক প্রতিনিধি অপর্ণা চরণ স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যাপক আব্দুল হক, খুলশী থানা মহিলা দলের সভানেত্রী মনি আক্তার, সেলিম, সাংবাদিক খোরশেদ আলম, আবু হেনা খোকন, মো: ইসমাইল (ইমন), বজলুল হক, আমিনুল হক, এডভোকেট এহসানুল হক মিলন, হাফেজ মোহাম্মদ ফরহাদ, ইমতিয়াজ ফারুকী, ফয়জুল আজাদ চৌধূরী, আমান উল্লাহ, এম আর তৌহিদ, আশরাফ উদ্দিন, মো: আমজাদ, ছরওয়ার কামাল, আজম খান, সাইফি আনোয়ার, স¤্রাট, শহীদুল ইসলাম খোকন, সোহাগ ফরহাদ, আরাফাত রনি, প্রফেসর জিয়াউল হক, রাসেল, আলাউদ্দিন সহ আরও অনেকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করেন এডভোকেট জুনাইদ শিল্পী

অনুষ্ঠানের শেষাংশে দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন নেজাম ইসলামী পার্টি বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগরের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন রব্বানী। তিনি শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দেশের মঙ্গল এবং সকলের জন্য ঐক্য ও শান্তি কামনা করেন।

এই স্মরণসভা শহীদদের অবদানকে আবারও স্মরণ করিয়ে দেয় এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তাঁদের আদর্শে উদ্বুদ্ধ করে সমাজে বৈষম্য দূর করতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানায়। শহীদদের ত্যাগ ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে একত্রিত হয়ে কাজ করার গুরুত্বও তুলে ধরা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জনবান্ধব পুলিশ বাহিনী গঠনে সদস্যদের কল্যাণ নিশ্চিত করা জরুরি : পুলিশ সুপার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জনবান্ধব পুলিশ বাহিনী গঠনে সদস্যদের কল্যাণ নিশ্চিত করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের উদ্যোগে সিভিক সেন্টারে আয়োজিত মাসিক কল্যাণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন। সভায় পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ, উন্নত কর্মপরিবেশ, শারীরিক সক্ষমতা ও মানসিক প্রশান্তি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। সভায় পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ, কর্মপরিবেশের উন্নয়ন ও বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়।

পুলিশ সুপার পুলিশ লাইন্সের অব্যবহৃত ও পরিত্যক্ত স্থান সংস্কার করে ব্যবহার উপযোগী করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি এসব জায়গায় শাকসবজি ও ফলমূল চাষের উদ্যোগ নিতে পুলিশ সদস্যদের উদ্বুদ্ধ করেন।এতে অব্যবহৃত জমির সঠিক ব্যবহার, পুষ্টির চাহিদা পূরণ ও স্বনির্ভরতা বাড়বে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
পুলিশ সদস্যদের শারীরিক সক্ষমতা, মনোবল ও কর্মস্পৃহা বাড়াতে নিয়মিত খেলাধুলা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজনের নির্দেশ দেন পুলিশ সুপার।
এ ছাড়া প্রতিটি থানায় প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সরঞ্জাম ও উপকরণ সরবরাহের বিষয়েও নির্দেশনা দেন।

সভায় পেশাগত দক্ষতা ও বিশেষ সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের পুরস্কার, সম্মাননা সনদ ও ক্রেস্ট দেওয়া হয়। ওয়ারেন্ট তামিল, মাদকদ্রব্য উদ্ধার, গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদ্ঘাটন এবং অপরাধী ও পলাতক আসামি গ্রেপ্তারে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখায় তাঁদের এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

এ সময় পুলিশ সদস্যদের উত্থাপিত বিভিন্ন সমস্যা ও অভিযোগ মনোযোগ দিয়ে শোনেন পুলিশ সুপার। সেগুলো সমাধানে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেন তিনি। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রচলিত নীতিমালা অনুসরণ এবং পেশাগত শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশনা দেন।

সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সার্কেল অফিসার, কোর্ট ইন্সপেক্টর, টিআই (অ্যাডমিন), ডিআইও-১, আরআই, বিভিন্ন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), বিভিন্ন ইউনিটের ইনচার্জসহ বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

দোকান ঘর-সীমানাপ্রাচীর ভেঙে ব্যবসায়ীর জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে এক ব্যবসায়ীর পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের চেষ্টায় দোকান ঘর ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে মো. সফি উল্যাহ চৌধুরী (৭০) নামে এক প্রবাসীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী নূর নবী (৬০)। এ ঘটনায় তিনি কোম্পানীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নূর নবী ও তার ভাই-বোনেরা পৈত্রিক সূত্রে ১৩ নম্বর চরপার্বতী মৌজার সিএস ৯৯১ নম্বর খতিয়ানের ১২০৮ নম্বর দাগে নকশা অনুযায়ী ৩৮ দশমিক ৯০ শতাংশ জমির মধ্যে পাঁচ শতাংশের মালিক ও দখলদার। দীর্ঘদিন ধরে তারা ওই জমি ভোগদখল করে আসছেন।

অভিযোগে বলা হয়, গত বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে বসুরহাট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের করালিয়া এলাকায় ওই জমি দখলের উদ্দেশ্যে সফি উল্যাহ চৌধুরী অজ্ঞাতনামা দুই-তিনজনকে নিয়ে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা জমিতে থাকা দোকান ঘর ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুর করে আনুমানিক ১০ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করেন। পরে সেখানে মাটি ভরাট করে চলাচলের রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু করেন।

এতে নূর নবী ও তার পরিবারের সদস্যরা বাধা দিলে অভিযুক্তরা তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং মারধরের জন্য তেড়ে আসেন। একই সঙ্গে রাস্তা নির্মাণের কাজে বাধা দিলে মারধরের হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় সংঘর্ষ ও শান্তিশৃঙ্খলা ভঙ্গের আশঙ্কা করছেন অভিযোগকারী।

নূর নবী বলেন, তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের উদ্দেশ্যে বসতবাড়ি ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুর করা হয়েছে। বিষয়টি স্থানীয় লোকজন ও আত্মীয়স্বজনকে জানানোর পর তাদের পরামর্শে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।তবে অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা দাবি করে সফি উল্যাহ চৌধুরী বলেন, ‘সেটি প্রমাণের জন্য আমি আমার প্রতিনিধির মাধ্যমে ওসির কাছে উপস্থাপন করব।’
এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবীবুর রহমান বলেন, প্রতিদিন অনেক অভিযোগ জমা পড়ে। লিখিত অভিযোগ দিয়ে থাকলে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ