আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামে বেড়েছে জিপিএ-৫, পাসের হার পাঁচ বছরে সর্বনিম্ম

বিভাগভিত্তিক ফলাফলে এগিয়ে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে এইচ.এস.সি পাসের হার এবার গত ৫ বছরের তুলনায় সবচেয়ে কম। এ বছর পাসের হার ৭০ দশমিক ৩২ শতাংশ।এর আগে ২০২৩ সালে ৭৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ, ২০২২ সালে ৮০ দশমিক ৫০ শতাংশ, ২০২১ সালে ৮৯ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং ২০২০ সালে অটোপাস পদ্ধতিতে শতভাগ পাসের হার ছিল।
তবে পাসের হার কমলেও আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা। এবার জিপি-৫ পেয়েছে ১০ হাজার ২৬৯ শিক্ষার্থী। ২০২৩ সালে পেয়েছিল ৬ হাজার ৩৩৯ শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এ এম এম মুজিবুর রহমান এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, চট্টগ্রামে এবার মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৬ হাজার ২৯৮ জন। এর মধ্যে উপস্থিত ছিল ১ লাখ ৫ হাজার ৪১৬ শিক্ষার্থী। উপস্থিত ছাত্রের সংখ্যা ৪৮ হাজার ৮৩ এবং ছাত্রদের পাসের হার ৬৭ দশমিক ৭২ শতাংশ। উপস্থিত ছাত্রীর সংখ্যা ৫৭ হাজার ৩৩৩ এবং ছাত্রীদের পাসের হার ৭২ দশমিক ৪৯ শতাংশ। মোট ৪ হাজার ৫১০ ছাত্র ও ৫ হাজার ৭৪৯ ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছে।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন ২৮২ কলেজের শিক্ষার্থীরা ১১৫টি কেন্দ্রে এবার পরীক্ষায় অংশ নেয়। ১৩টি কলেজের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। গতবার এ সংখ্যা ছিল ১২টি। একজনও পাস করেনি এমন কলেজ পাঁচটি; গতবার এ সংখ্যা ছিল তিনটি। ২২ জন শিক্ষার্থীর ফলাফল স্থগিত করা হয়েছে।
এছাড়া তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে ফলাফলে রাঙামাটি এগিয়ে রয়েছে। জেলায় পাসের হার ৬০ দশমিক ৩২ শতাংশ। এছাড়া খাগড়াছড়িতে পাসের হার ৫৯ দশমিক ৬৩ শতাংশ এবং বান্দরবানে ৫৯ দশমিক ৯০ শতাংশ। কক্সবাজারে এ বছর পাসের হার ছিল ৬৩ দশমিক ১৯ শতাংশ।
বিভাগভিত্তিক ফলাফলে এ বছর এগিয়ে আছে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এবার বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৯১ দশমিক ৩৩ শতাংশ, মানবিকে পাসের হার ৫৭ দশমিক ১১ এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের পাসের হার ৭৩ দশমিক ৫২ শতাংশ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের পর সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে পাকিস্তানকে ১১ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের পর সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে পাকিস্তানকে ১১ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ইতিহাসও গড়েছে টাইগাররা। ২০১৫ সালে মাশরাফি বিন মর্তুজার পর নিজেদের ইতিহাসে মাত্র দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশ। এই সিরিজ জয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টপকে আইসিসি ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ের ৯ নম্বরেও উঠে এসেছে বাংলাদেশ দল।

মিরপুরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৯০ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ।   জবাবে ২৯১ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই  ধাক্কা৷ খায়  পাকিস্তান।

সালমানের ব্যাটে যখন পাকিস্তান জয়ের স্বপ্ন দেখছিল, ঠিক তখনই  তাসকিন আহমেদের  দুর্দান্ত এক স্লোয়ার ডেলিভারিতে পরাস্ত হয়ে সালমান সাজঘরে ফিরেন।পাকিস্তান শেষ হয়ে যায়।শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ২৭৯ রানে পাকিস্তান অলআউট হয়ে যায়।

 

মতিউর রহমান চৌধুরী নোয়াব সভাপতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী  মালিকদের সংগঠন- নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ