আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদের নাকের ডগায় সেতুর বেহাল দশা, দূর্ঘটনার আশংকা

আলমগীর হোসেন প্লাবন সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড, পঙ্খীরাজ খালের উপর নির্মিত সেতুটি বহুদিন ধরেই ধসে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে যেন দেখার কেউ নেই। ব্যস্ততম এই রাস্তা দিয়ে চলছে ভারি যানবাহন। যেকোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা। এমনটাই শংকা করছেন স্থানীয় বাসিন্দাসহ উপজেলায় আগত বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ । এ দূরাবস্থা সত্বেও সেতুর পূর্ব পাশের অংশের মাঝের অংশে ধস পড়ায় ঝুঁকি নিয়ে ছোট বাহন ও কোম্পানীর ভারি লড়ি,ট্রাক ও পিকআপ চলাচল করছে। ধসে যাওয়ার পর সড়ক ও জনপথ বিভাগ বড় দুইটি লোহার পাত ধসে পড়া স্থানে অস্থায়ীভাবে দিলেও গত বৃহস্পতিবার রাতে এলাকার ছিচকে চোর তিনটি পাত থেকে ২টি পাত চুরি করে নিয়ে যায়। চুরি হওয়ার পর থেকে সেতুটি আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেছে। তাই যেকোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। দ্রুত সেতুটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা।

এই সেতুটি দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করে বেশ কয়েকটি থানার হাজার হাজার লোকজন। সোনারগাঁ উপজেলার সন্নিকটে হওয়ার কারণে এর গুরুত্বও অনেক। এ সেতু দিয়ে সোনারগাঁ থানা, মেঘনা থানা ও আড়াই হাজার থানার লোকজন চলাচল করে। এছাড়াও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দফতরে যেতে সেতুটি ব্যবহার হয়। সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স , রেজিষ্ট্রি অফিস,সোনালী ব্যাংক , কর্মসংস্থান ব্যাংক,কৃষি ব্যাংক,মুকিযোদ্ধা কমপ্লেক্স, থানা, ভূমি অফিস,বারদী লোকনাথ ব্রহ্মচারী সহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ দফতরে যেতে হলে ব্যবহার করতে হবে এই সেতুটি। বিশেষ করে ঢাকাগামী জনসাধারনকেও এ পথেই যেতে হয়।
শনিবার (১৯ অক্টোবর) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কোম্পানী থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত এক ট্রাফিক সেতুর মাঝখানে দাড়িয়ে সর্তক করে দিচ্ছে যানবাহনকে । তার নির্দেশনার দূর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাচ্ছে অনেক যানবাহন।

উপজেলা গেট সংলগ্ন সামিয়া লাইব্ররীর স্বাধিকারী শফিকুল ইসলাম জানান, উপজেলা প্রশাসনের নাকের ডগায় হলেও অনেক দিন ধরেই এই সেতুটির বেহাল দশা যেন দেখার কেউ নেই। যেকোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা। তাই অতি দ্রুত এই সেতুটি মেরামত করার জন্য দাবি জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সোনারগাঁ উপজেলা প্রকৌশলী গনমাধ্যমকে বলেন, এ সড়কটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতায় রয়েছে। এ সড়কে আমাদের দফতরের কিছু করার নেই। তবে সড়ক ও জনপথ বিভাগকে ঝুঁকিপূর্ণ সেতু সম্পর্কে অবগত করা হয়েছে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী শাহান ফোরদৌস বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি সম্পর্কে আমরা অবগত আছি। সেতুটি নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট দফতরে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর ডিসি হিলে এই কার্যক্রমে অংশ নেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সামনে বর্ষাকাল আসছে। তার আগেই যদি আমাদের শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে পারি তাহলে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসী উপকৃত হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধটাই সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। সরকার এ কাজে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম মাসব্যাপী চলছে। এ কাজে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে মানুষকে সচেতন করা ও পরিষ্কার করা। চট্টগ্রামে যেসব জায়গা বেশি অরক্ষিত, যেখানে ডেঙ্গু বেশি বিস্তার ঘটতে পারে সেগুলো আমরা পরিষ্কার করব এবং নিরাপদ ও সুস্থ চট্টগ্রাম আমরা গড়ে তুলব।
বেলুন উড়িয়ে মাসব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে প্রশাসনের কর্মকর্তারা, স্কাউটের সদস্য এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীরা অংশ নেন। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

চট্টগ্রামে রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে আগুন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম
নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে আগুন
ছবি-৩
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগরে বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের (সিসিএস) কার্যালয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। পাহাড়তলী এলাকায় অবস্থিত এই কার্যালয়ে শুক্রবার রাতে কার্যালয়ের একটি অংশে হঠাৎ করে আগুন লাগে। খবর পেয়ে রাত ১১টা ২৫ মিনিটে আগ্রাবাদ ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স চট্টগ্রাম কন্ট্রোল রুম। এদিকে প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেননি সংশ্লিষ্টরা।
পাহাড়তলীতে অবস্থিত প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের এই কার্যালয় থেকে বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভিন্ন সরঞ্জাম, যন্ত্রপাতি ও প্রয়োজনীয় মালামাল সংরক্ষণ ও সরবরাহ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ