আজঃ শনিবার ৩০ মে, ২০২৬

স্বৈরাচারের ‘দোসর’ সাংবাদিকদের তালিকা প্রকাশ করলো কক্সবাজারের সমন্নয়করা!

কক্সবাজার প্রতিনিধি :

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পর্যটন নগরী কক্সবাজারে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে রক্ত ঝরানোর ইন্ধনদাতা ও বিগত স্বৈরাচার সরকারের ‘দোসর’ সাংবাদিকদের তালিকা ঘোষণা করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কক্সবাজারস্থ সমন্বয়ক ও ছাত্র প্রতিনিধিরা। রোববার (২০ অক্টোবর) রাতে কক্সবাজার প্রেসক্লাব কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়কালে লিখিত ওই তালিকা জমা দেন তারা। ওই তালিকায় কক্সবাজারে কর্মরত সিনিয়র সাংবাদিকসহ ৩৪ জন সাংবাদিক ও একটি অনলাইন নিউজ চ্যানেলের নাম রয়েছে। তালিকায় থাকা গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে ‘ইন্ধনদাতা’ ও স্বৈরাচারের দোসর সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ৭ দিনের সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়।

সমন্বয়ক ও ছাত্র প্রতিনিধিরা লিখিত একটি আবেদন কক্সবাজার প্রেসক্লাব সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের হাতে তুলে দেন।

এই সময় উপস্থিত ছিলেন, কক্সবাজার প্রেসক্লাব সভাপতি মাহবুবর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন বাহারী, সহ-সভাপতি ও সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজার সভাপতি জি এ এম আশেক উল্লাহ ছাড়াও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও ছাত্র প্রতিনিধিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রবিউল হোসেন, সাহেদ ওয়াহিদ সাহেদ, সাহেদ মোহাম্মদ লাদেন, আতাহার সাকিব, জিনিয়া শারমিন রিয়া, সাগর উল ইসলাম, রায়ান কাশেমী, ইউসুফ নূরী, সাহাব উদ্দিন, ফারিয়া রসিদ স্নেহা প্রমূখ।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের স্বৈরাচারী সরকারের ‘দোসর’ সাংবাদিকদের তালিকায় আছেন যারা- কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়ন সভাপতি আবু তাহের চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক জাহেদ সরওয়ার সোহেল, আয়াছুর রহমান, তোফায়েল আহমেদ, নজিবুল ইসলাম ও মুজিবুল ইসলাম।

এছাড়াও ছাত্রদের রক্ত ঝরানোর মতো অমানবিক কাজে জড়িত সাংবাদিকদের তালিকায় আছেন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ও সাংবাদিক ফরহাদ ইকবাল, দীপক শর্মা দীপু, রাসেল চৌধুরী, কামরুল ইসলাম মিন্টু, মোহাম্মদ আলী জিন্নাত, নুপা আলম, সওয়ার আজম মানিক, ওয়াহিদ রুবেল, সায়ীদ আলমগীর, সুজা উদ্দিন রুবেল, শফি উল্লাহ শফি, মহসিন শেখ, আবদুল আজিজ, আহসান সুমন, আইয়ুবুল ইসলাম, তৌফিক লিপু, নেজাম উদ্দিন (খোলা কাগজ), তানভীর শিপু, এইচ এম এরশাদ, মনতোষ বেদজ্ঞ, শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, সানজিদুল আলম সঞ্জিব, নজরুল ইসলাম, সাজন বড়ুয়া, শংকর বড়ুয়া রুমি, ইমরুল কায়েস চৌধুরী, জুনায়েদ ওরফে জুনাইদ স্যার ও তুষার তুহিন।

ছাত্র প্রতিনিধিরা লিখিত আবেদনে বলেন, ‘সাংবাদিকতার আঁড়ালে এদের কর্মকান্ড ছিল জাতীয় স্বার্থ ও রাষ্ট্রবিরোধী। ছাত্ররা এখন রাষ্ট্র সংস্কারের কাজে হাত দিযেছে। এসব জাতীয় দুশমনেরা জাতির এ মহান পেশার একমাত্র স্থান কক্সবাজার প্রেসক্লাব বা সাংবাদিকতার নাম ভাঙ্গিয়ে আর যাতে জাতির ক্ষতি করতে না পারে, সে জন্য তাদের প্রেসক্লাবের সদস্য পদ হতে বহিষ্কার (যাদের সদস্য পদ আছে) ও সাংবাদিক অঙ্গনে নিষিদ্ধ করার আবেদন জানাচ্ছি।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের ওই তালিকায় একটি অনলাইন নিউজ চ্যানেলের নাম উল্লেখ করে বলা হয়, ‘উক্ত বিপ্লবে স্থানীয় তথাকথিত অনলাইন মিডিয়া টিটিএন ও সিসিএন ছাত্র আন্দোলনের বিপক্ষে সরাসরি মাঠে ছিল এবং তারা আওয়ামী লীগের পক্ষ নিয়ে ছাত্রদের বিরুদ্ধে নানান অপপ্রচার চালিয়েছিল।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে জমিয়তুল ফালাহ্ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাতের নামাজ আদায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে জমিয়তুল ফালাহ্ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাতের নামাজ আদায় করেছেন হাজারো মুসল্লি। আজ বৃহস্পতিবার ২৮ মে সকাল ৭টায় প্রথম জামাতে ইমামতি করেন জমিয়তুল ফালাহ্ মসজিদের খতিব হযরতুল আল্লামা আলহাজ সৈয়দ আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দীন আল কাদেরী। নামাজ শেষে তিনি ঈদের খুতবা প্রদান করেন এবং কোরবানির তাৎপর্য, ত্যাগের শিক্ষা ও মাংস বণ্টনের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান তুলে ধরেন। নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি-সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

ঈদের প্রধান জামাতে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব সাবেক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিন, চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান, সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী এবং জাতীয় পার্টির নেতা সোলায়ামান আলম শেঠসহ বিশিষ্টজনরা উপস্থিত ছিলেন।

নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৩০টি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন করেন।একই স্থানে সকাল ৮টায় দ্বিতীয় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করবেন জমিয়তুল ফালাহ্ মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ আহমদুল হক।
এছাড়াও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে নগরের বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। নামাজ শেষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় পশু কোরবানি দেন।

পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ শেষে জিয়ারতকালীন অবস্থায় সৈয়দ শাহাদাত উদ্দিন মাইজভাণ্ডারীর ইন্তেকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ শেষে জিয়ারতকালীন অবস্থায় সৈয়দ শাহাদাত উদ্দিন মাইজভাণ্ডারীর ইন্তেকাল

আলোচিত খবর

আজ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি, স্বাধীনতার ঘোষক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র প্রতিষ্ঠাতা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী শনিবার (৩০ মে)। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশি-বিদেশি চক্রান্তে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্য তাকে হত্যা করে।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিএনপি গত ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত আট দিনব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত সারা দেশে বিশেষ পোস্টার প্রকাশ করা হচ্ছে এবং দলীয় নেতাকর্মীরা কালো ব্যাজ ধারণ করছেন। এছাড়া বিভিন্ন সংবাদপত্র ও অনলাইন পোর্টালে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে।

কর্মসূচিতে রয়েছে, ৩০ মে ভোর ৬টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের সব স্তরের দলীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা ও কালো পতাকা উত্তোলন করা। দেশের সব জেলা, মহানগর ও অন্যান্য ইউনিটেও একই কর্মসূচি রয়েছে। স্থানীয় সুবিধা অনুযায়ী আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল এবং দুঃস্থদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচিও পালন করা হবে।

একই দিন বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের জাতীয় নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জিয়ারত করবেন। জিয়ারত শেষে মাজার প্রাঙ্গণে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের প্রতিটি থানায় এবং দেশের অন্যান্য ইউনিটে অসচ্ছল ও দুঃস্থ মানুষের মধ্যে কাপড়, চাল, ডালসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।

পরদিন ৩১ মে দুপুর ২টায় রাজধানীর রমনায় ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে বিএনপির উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। তিনি দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা। তার প্রতিষ্ঠিত বিএনপি বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে।

জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করেন। এজন্য তাকে বহুদলীয় গণতন্ত্রের জনক বলা হয়। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশ নিয়ে গঠিত সার্ক প্রতিষ্ঠারও স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন তিনি। জাতীয়তাবাদভিত্তিক একটি কালজয়ী রাজনৈতিক দর্শন প্রতিষ্ঠা করে গেছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ