আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

ভিশন ড্রাগস লিমিটেড এর বার্ষিক বিক্রয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত

মশিউর রহমান রাসেল,নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের অন্যতম ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি ভিশন ড্রাগস লিমিটেড এর বাৎসরিক বিক্রয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কুয়াকাটার বীচ হ্যাভেন এর হলরুমে অনুষ্ঠিত হয় ২২ এবং ২৩ সালের বিক্রয় সম্মেলন।

বাৎসরিক বিক্রয় সম্মেলনে ২০ অক্টোবর সারা বাংলাদেশের বিক্রয় ও বিপণন কর্মচারী এবং কর্মকর্তারা কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে আসেন।
তাদের জন্য ৫ টি আবাসিক হোটেল কোম্পানি কর্তৃক অগ্রীম বুকিং করে রাখা হয়। ২০,২১,২২ অক্টোবর ৩ দিন ব্যাপী হয় নানা আয়োজন।

ভিশন ড্রাগস লিমিটেড এর এসিস্ট্যান্ট সেলস ম্যানেজার (সাউথ জোন) মোঃ আজাদুর রহমান খান এর সঞ্চালনায় শুরু হয় বাৎসরিক বিক্রয় সম্মেলন। কোম্পানির সকল মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ, এরিয়া ম্যানেজার,জোনাল ম্যানেজার ও রিজিওনাল ম্যানেজারদের স্কীল ডেভেলপমেন্ট এর জন্য ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর কোম্পানির উর্ধতন কর্মকর্তারা বিভিন্ন বিষয়ের উপর আলোকপাত করেন। এরপর শুরু হয় কোম্পানির প্রতিনিধিদের সেলস এচিভমেন্টের মূল্যায়ন ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠান। এবছর ভিশন ড্রাগস লিমিটেড এর বিক্রয় প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে প্রায় ২০ জন বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ পেয়েছেন।
এছাড়াও ১০ জন পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন নগদ অর্থ। সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলে রাত ৯ টা পর্যন্ত।

ভিশন ড্রাগস লিমিটেড যাত্রা শুরু করেন প্রানী মেডিসিন উৎপাদন ও বাজারজাত করনের মাধ্যমে সুনামের সাথেই পরিচালিত হয়ে আসছে কোম্পানিটি। গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন প্রানীসম্পদ সেবায়। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই মানুষের ঔষধ প্রস্ততকারক হিসেবেও নাম লেখাতে যাচ্ছেন ভিশন ড্রাগস লিমিটেড।

ভিশনের সারা বাংলাদেশে বিক্রয় প্রতিনিধি রয়েছেন প্রায় ৩০০জন। ২৪-২৫ অর্থবছরে আরও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র বাড়াতে কাজ করে যাচ্ছেন কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।

ভিশন ড্রাগস লিমিটেড এর এত দ্রুত গ্রো করার কারন জানতে চাইলে প্রতিনিধিরা জানান। আমাদের কোম্পানির পন্যের গুনগত মান ও কোম্পানির বিক্রয় পলিসি নিয়ে ডাক্তার,কেমিস্ট খামারীগন খুবই খুশি। তাছাড়াও কোম্পানির ম্যানেজমেন্টে যারা রয়েছেন তারা যথেষ্ট আন্তরিক ও মানবিক। তাই সকল সহকর্মীরা নিজের কোম্পানি ভেবেই তার সঠিক মূল্যায়নটা করছেন বলেই কোম্পানি প্রতিনিয়ত গ্রো করছেন।

এসময় বক্তব্য রাখেন ভিশন ড্রাগস লিমিটেড এর ন্যাশনাল সেলস ম্যানেজার (NSM) মোঃ আবু হাসান, বিজনেস ম্যানেজার ডাঃ সৌমেন্দ্রনাথ সিকদার,মার্কেটিং ম্যানেজার মোঃ আহসান হাবীব, এসিস্ট্যান্ট সেলস ম্যানেজার (ASM) আজাদুর রহমান খান, মোঃ আঃ কাদের, ন্যাশনাল ডিস্ট্রিবিউশন ম্যানেজার (NDM) মোঃ আলমগীর হোসেন, প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট (PD) মোঃ মোস্তাক হোসেন, প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার (PMD) ফার্মাসিস্ট ফারহান উদ্দিন, ও মোটিভেশনাল স্পীকার মোঃ খালিদ হোসেন প্রমুখ।

এসময় ভিশন ড্রাগস লিমিটেড এর ন্যাশনাল সেলস ম্যানেজার (NSM) মোঃ আবু হাসান বলেন। ভিশন ড্রাগস লিমিটেড এর সকল কর্মকর্তা কর্মচারী সকলেই ভিশন পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। আমাদের সহকর্মীরা প্রতিনিয়তই কোম্পানিকে আন্তরিকতার সাথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। আমরাও তাদের সকল কাজে আন্তরিকতার সাথে সাপোর্ট দেবার চেস্টা করে যাচ্ছি, আমরা সবসময় চেস্টা করছি গুনগত মানসম্পন্ন পন্য উৎপাদন ও বাজারজাত করার। ফার্মাসিউটিক্যালসে প্রচুর প্রতিযোগিতা রয়েছে তা সত্ত্বেও আমরা খুব অল্প সময়ের মধ্যে অনেকটা পথ সফলতার সাথে পারি দিয়েছি। আমাদের কোম্পানিকে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য আমাদের সহকর্মী, সম্মানিত ডাক্তার,কেমিস্ট ও খামারিদের যথেষ্ট অবদান রয়েছে তাই আমরা সবসময়ই তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। এসময় তিনি আরো বলেন আগামী ৩ মাসের মধ্যে ইনজেকশন, ট্যাবলেট,লিকুইড সহ আরও নতুন ২৭ টি প্রোডাক্টস মার্কেটে দিতে পারবো। আমাদের লক্ষ্য আমরা আগামী কয়েক বছরের মধ্যে সেরা দশের তালিকায় অবস্থান করবো ইনশাআল্লাহ। আগামী ২৪-২৫ অর্থ বছরে আমাদের কোম্পানির লক্ষ্য ৬০ কোটি টাকা নির্ধারন করেছি। লক্ষ্য অর্জন হলে কোম্পানির মাঠপর্যায়ের সকল সহকর্মীই বিদেশ ভ্রমনের সুযোগ পাবেন এবং আগামী বছর বাৎসরিক বিক্রয় সম্মেলন দেশের বাহিরেই অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ভিশন ড্রাগস লিমিটেড এর সকল মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ (ME), এরিয়া ম্যানেজার (AM), জোনাল ম্যানেজার (ZM), রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার (RSM) সহ হেড অফিস ও ফ্যাক্টরীর কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

যশোরের চাড়াভিটায় কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


যশোরে বাঘারপাড়ার চাড়াভিটা ও তার পার্শ্বতি এলাকায়  হঠাৎ নেমে আসে কালবৈশাখী ঝড়। আকস্মিক ঝড় ও বজ্রপাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বেলা ২টার দিকে হঠাৎ আকাশ মেঘে ডেকে   মেঘা আচ্ছন্ন হয়ে ঝড় বাতাসের সাথে বজ্র বূষ্টি শুরু হয়ে

টানা আড়াই ঘণ্টারও বেশি সময় চলে এই ঝড়।চাড়াভিটা বাজারে পাশেই বজ্রপাতের ঘটনা ঘটলে ও কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি উপ জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ঝড়ের কারণে দুপুরের পর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।, গত কয়েক দিন ধরে যশোর অঞ্চলে  তাপমাত্রা অসহনীয় পর্যায়ে ছিল। বিশেষ করে খেটেখাওয়া মানুষ গরমে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। দুপুরের পর আকাশ কালো মেঘে গুমোট আকার ধারণ করে শুরু হয় প্রচণ্ড ঝড়। সেই সঙ্গে বজ্রপাত।

বাঘারপাড়া  উপজেলার বাসুয়াড়ী ইউনিয়নের চাড়াভিটা বাজার সহ কয়েকটি  এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ে তীব্র আঘাত হানে। বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে পড়ে এবং অনেকের ঘরের চালের টিন উড়িয়ে নিয়ে যায়। বিভিন্ন গাছ ভেঙ্গে আঁচড়ে পড়ে বৈদ্যুতিক খুঁটির উপরে।যে কারণে  বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় কয়েকটি এলাকায় ভূতুড়ে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

অন্যদিকে কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক জায়গায় গাছ ভেঙে পড়েছে, বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গেছে এবং অসংখ্য স্থানে তার ছিঁড়ে পড়েছে। আম ও কাঁঠালেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।  উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করা সম্ভব হয়নি।এলাকাবাসী জানান, এ ধরনের ঝড় অনেক দিন দেখা যায়নি।। একই সঙ্গে এলাকার কৃষকদের আম ও কাঁঠালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ভাঙ্গুড়ায় ন্যায্য মূল্যে কৃষকের ধান সংগ্রহের সময় শেষ, সরকারি মূল্য পাওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় চলতি বোরো মৌসুমে সরকারি খাদ্যগুদামের ধান সংগ্রহ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সরকারের নির্ধারিত মূল্যে ধান বিক্রির সুযোগ পেয়ে উপজেলার কৃষকদের মধ্যে সন্তোষ দেখা দিয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ৭৭৫ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা শতভাগ অর্জন করেছে খাদ্য বিভাগ।
খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি বোরো/২০২৬ মৌসুমে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ৭৭৫ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় কর্তৃক তালিকাভুক্ত কৃষকদের মধ্য থেকে আগে আসলে আগে বিক্রয় ভিত্তিতে ধান ক্রয় করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, কৃষি বিভাগের নিবন্ধিত কৃষকরা কৃষি কার্ড ও ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সরকারি খাদ্যগুদামে ধান বিক্রির সুযোগ পান। সংগ্রহ নীতিমালা অনুযায়ী কৃষকদের কাছ থেকে ধান গ্রহণের পর মূল্য সরাসরি তাদের ব্যাংক হিসাবে পরিশোধ করা হয়েছে। এতে মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমেছে এবং কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পেয়েছেন।
উপজেলায় প্রায় ৪ হাজার ৭০০ নিবন্ধিত কৃষকের কৃষি কার্ড ও কৃষক হিসাব রয়েছে। ধান বিক্রি করা অনেক কৃষক জানান, বাজারমূল্যের তুলনায় সরকারি মূল্য বেশি হওয়ায় তারা আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন। উৎপাদন খরচ মিটিয়ে অতিরিক্ত আয় করতে পারায় তাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

খাদ্যগুদাম কর্তৃপক্ষ জানায়, ধান সংগ্রহের ক্ষেত্রে সরকারি বিধিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। কৃষকদের পরিচয়, কৃষি কার্ড এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পরই ধান গ্রহণ করা হয়েছে। সব অর্থ সরাসরি কৃষকদের ব্যাংক হিসাবে পরিশোধ করা হয়েছে।ভাঙ্গুড়া খাদ্যগুদামের উপ-পরিদর্শক নিরঞ্জন কুমার ঘোষ বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকেই ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। সব ধরনের কাগজপত্র যাচাই করে ধান গ্রহণ করা হয়েছে এবং কৃষকদের নিজস্ব হিসাবেই অর্থ প্রদান করা হয়েছে।

ভাঙ্গুড়া এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম জানান, সরকার চলতি বোরো/২০২৬ মৌসুমে গত ৩ মে থেকে সারাদেশে কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ শুরু করে। ভাঙ্গুড়া উপজেলায় নির্ধারিত ৭৭৫ মেট্রিক টন ধান ইতোমধ্যে সংগ্রহ সম্পন্ন হয়েছে। তিনি বলেন, গত দুই সপ্তাহ ধরে বাজারে ধানের দাম কিছুটা কম থাকায় কৃষকরা প্রতি কেজি ৩৬ টাকা দরে সরকারি গুদামে ধান দিতে আগ্রহী হয়েছেন। ফলে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নিরবচ্ছিন্নভাবে ধান সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হয়েছে।
উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা কৃষ্ণপদ বর্ম্মন বলেন, ধান সংগ্রহ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কৃষকদের কৃষি কার্ড ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাইয়ের পরই বিল অনুমোদন করা হয়েছে। সরকারি মূল্য পাওয়ায় কৃষকরা উপকৃত হয়েছেন।
স্থানীয় কৃষকদের আশা, আগামী মৌসুমেও সরকার একইভাবে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ অব্যাহত রাখবে। এতে কৃষকরা উৎপাদনে আরও উৎসাহিত হবেন এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি দেশের খাদ্যশস্য সংগ্রহ ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী হবে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ