আজঃ বুধবার ৬ মে, ২০২৬

ভিশন ড্রাগস লিমিটেড এর বার্ষিক বিক্রয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত

মশিউর রহমান রাসেল,নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের অন্যতম ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি ভিশন ড্রাগস লিমিটেড এর বাৎসরিক বিক্রয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কুয়াকাটার বীচ হ্যাভেন এর হলরুমে অনুষ্ঠিত হয় ২২ এবং ২৩ সালের বিক্রয় সম্মেলন।

বাৎসরিক বিক্রয় সম্মেলনে ২০ অক্টোবর সারা বাংলাদেশের বিক্রয় ও বিপণন কর্মচারী এবং কর্মকর্তারা কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে আসেন।
তাদের জন্য ৫ টি আবাসিক হোটেল কোম্পানি কর্তৃক অগ্রীম বুকিং করে রাখা হয়। ২০,২১,২২ অক্টোবর ৩ দিন ব্যাপী হয় নানা আয়োজন।

ভিশন ড্রাগস লিমিটেড এর এসিস্ট্যান্ট সেলস ম্যানেজার (সাউথ জোন) মোঃ আজাদুর রহমান খান এর সঞ্চালনায় শুরু হয় বাৎসরিক বিক্রয় সম্মেলন। কোম্পানির সকল মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ, এরিয়া ম্যানেজার,জোনাল ম্যানেজার ও রিজিওনাল ম্যানেজারদের স্কীল ডেভেলপমেন্ট এর জন্য ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর কোম্পানির উর্ধতন কর্মকর্তারা বিভিন্ন বিষয়ের উপর আলোকপাত করেন। এরপর শুরু হয় কোম্পানির প্রতিনিধিদের সেলস এচিভমেন্টের মূল্যায়ন ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠান। এবছর ভিশন ড্রাগস লিমিটেড এর বিক্রয় প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে প্রায় ২০ জন বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ পেয়েছেন।
এছাড়াও ১০ জন পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন নগদ অর্থ। সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলে রাত ৯ টা পর্যন্ত।

ভিশন ড্রাগস লিমিটেড যাত্রা শুরু করেন প্রানী মেডিসিন উৎপাদন ও বাজারজাত করনের মাধ্যমে সুনামের সাথেই পরিচালিত হয়ে আসছে কোম্পানিটি। গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন প্রানীসম্পদ সেবায়। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই মানুষের ঔষধ প্রস্ততকারক হিসেবেও নাম লেখাতে যাচ্ছেন ভিশন ড্রাগস লিমিটেড।

ভিশনের সারা বাংলাদেশে বিক্রয় প্রতিনিধি রয়েছেন প্রায় ৩০০জন। ২৪-২৫ অর্থবছরে আরও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র বাড়াতে কাজ করে যাচ্ছেন কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।

ভিশন ড্রাগস লিমিটেড এর এত দ্রুত গ্রো করার কারন জানতে চাইলে প্রতিনিধিরা জানান। আমাদের কোম্পানির পন্যের গুনগত মান ও কোম্পানির বিক্রয় পলিসি নিয়ে ডাক্তার,কেমিস্ট খামারীগন খুবই খুশি। তাছাড়াও কোম্পানির ম্যানেজমেন্টে যারা রয়েছেন তারা যথেষ্ট আন্তরিক ও মানবিক। তাই সকল সহকর্মীরা নিজের কোম্পানি ভেবেই তার সঠিক মূল্যায়নটা করছেন বলেই কোম্পানি প্রতিনিয়ত গ্রো করছেন।

এসময় বক্তব্য রাখেন ভিশন ড্রাগস লিমিটেড এর ন্যাশনাল সেলস ম্যানেজার (NSM) মোঃ আবু হাসান, বিজনেস ম্যানেজার ডাঃ সৌমেন্দ্রনাথ সিকদার,মার্কেটিং ম্যানেজার মোঃ আহসান হাবীব, এসিস্ট্যান্ট সেলস ম্যানেজার (ASM) আজাদুর রহমান খান, মোঃ আঃ কাদের, ন্যাশনাল ডিস্ট্রিবিউশন ম্যানেজার (NDM) মোঃ আলমগীর হোসেন, প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট (PD) মোঃ মোস্তাক হোসেন, প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার (PMD) ফার্মাসিস্ট ফারহান উদ্দিন, ও মোটিভেশনাল স্পীকার মোঃ খালিদ হোসেন প্রমুখ।

এসময় ভিশন ড্রাগস লিমিটেড এর ন্যাশনাল সেলস ম্যানেজার (NSM) মোঃ আবু হাসান বলেন। ভিশন ড্রাগস লিমিটেড এর সকল কর্মকর্তা কর্মচারী সকলেই ভিশন পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। আমাদের সহকর্মীরা প্রতিনিয়তই কোম্পানিকে আন্তরিকতার সাথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। আমরাও তাদের সকল কাজে আন্তরিকতার সাথে সাপোর্ট দেবার চেস্টা করে যাচ্ছি, আমরা সবসময় চেস্টা করছি গুনগত মানসম্পন্ন পন্য উৎপাদন ও বাজারজাত করার। ফার্মাসিউটিক্যালসে প্রচুর প্রতিযোগিতা রয়েছে তা সত্ত্বেও আমরা খুব অল্প সময়ের মধ্যে অনেকটা পথ সফলতার সাথে পারি দিয়েছি। আমাদের কোম্পানিকে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য আমাদের সহকর্মী, সম্মানিত ডাক্তার,কেমিস্ট ও খামারিদের যথেষ্ট অবদান রয়েছে তাই আমরা সবসময়ই তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। এসময় তিনি আরো বলেন আগামী ৩ মাসের মধ্যে ইনজেকশন, ট্যাবলেট,লিকুইড সহ আরও নতুন ২৭ টি প্রোডাক্টস মার্কেটে দিতে পারবো। আমাদের লক্ষ্য আমরা আগামী কয়েক বছরের মধ্যে সেরা দশের তালিকায় অবস্থান করবো ইনশাআল্লাহ। আগামী ২৪-২৫ অর্থ বছরে আমাদের কোম্পানির লক্ষ্য ৬০ কোটি টাকা নির্ধারন করেছি। লক্ষ্য অর্জন হলে কোম্পানির মাঠপর্যায়ের সকল সহকর্মীই বিদেশ ভ্রমনের সুযোগ পাবেন এবং আগামী বছর বাৎসরিক বিক্রয় সম্মেলন দেশের বাহিরেই অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ভিশন ড্রাগস লিমিটেড এর সকল মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ (ME), এরিয়া ম্যানেজার (AM), জোনাল ম্যানেজার (ZM), রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার (RSM) সহ হেড অফিস ও ফ্যাক্টরীর কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

উপকূলে বাড়ছে বজ্রপাতের তাণ্ডব: জীবন রক্ষায় চাই বিশেষ সতর্কতা ও সচেতনতা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

​দক্ষিণাঞ্চলের শস্যভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত খুলনা জেলার পাইকগাছাসহ উপকূলীয় উপজেলাগুলোতে এখন বোরো ধান কাটার মহোৎসব চলছে। তবে এই উৎসবের আমেজকে বিষাদে রূপ দিচ্ছে আকাশের ‘অগ্নিঝলক’ বা বজ্রপাত। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এই অঞ্চলে বজ্রপাতের প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যার প্রধান শিকার হচ্ছেন খোলা মাঠে কর্মরত কৃষকরা।

​পাইকগাছার বিস্তীর্ণ ফসলি মাঠ এবং লোনা পানির ঘের সংলগ্ন এলাকায় কোনো বড় গাছপালা বা উঁচু স্থাপনা নেই। ফলে বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠে থাকা কৃষকরাই সরাসরি এর লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছেন। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, বঙ্গোপসাগর থেকে আসা গরম ও আর্দ্র বাতাসের সাথে উত্তরের ঠান্ডা বাতাসের সংঘর্ষে এই উপকূলীয় অঞ্চলে মেঘের ঘর্ষণ বেশি হয়, যার ফলে বজ্রপাতের তীব্রতা ও সংখ্যা দুই-ই বাড়ছে।

​সাধারণত চৈত্র-বৈশাখ মাসে খুলনা অঞ্চলে দুপুরের পর থেকেই কালবৈশাখী ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকে। ঠিক এই সময়েই কৃষকরা ধান কাটা ও শুকানোর কাজে ব্যস্ত থাকেন। পাইকগাছার অনেক কৃষকের মতে, হঠাত মেঘ জমলে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার আগেই বজ্রপাত শুরু হয়ে যায়। কাছাকাছি কোনো পাকা দালান বা উঁচু গাছ না থাকায় তারা চরম জীবনের ঝুঁকিতে থাকেন।

​বজ্রপাত থেকে বাঁচতে উপকূলীয় এলাকার মানুষের জন্য বিশেষ কিছু পরামর্শ , আকাশে ঘন কালো মেঘ বা বিদ্যুৎ চমকানো শুরু করলে দ্রুত পাকা দালান বা টিনের চালের নিচে আশ্রয় নিন, বজ্রপাতের সময় মাছের ঘের, নদী বা খোলা ধানখেত থেকে দ্রুত সরে আসতে হবে, বড় গাছ বা বিদ্যুতের খুঁটির নিচে দাঁড়ানো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ,ছাতা বা কাস্তের মতো ধাতব হাতলযুক্ত কোনো কিছু এ সময় ব্যবহার করবেন না, .কাজ করার সময় রাবারের জুতো বা গামবুট ব্যবহার করলে কিছুটা সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব, বজ্রপাতের সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন।

​বজ্রপাতকে বর্তমানে জাতীয় দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারি উদ্যোগে তালগাছ রোপণের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ এখন সময়ের দাবি। পাইকগাছাসহ দক্ষিণাঞ্চলের কৃষকদের জীবন সুরক্ষায় মাঠ পর্যায়ে ব্যাপক সচেতনতামূলক প্রচার চালানোর জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশবিদরা।

কলমাকান্দায় ক্ষতিগ্রস্ত হাওর ও খাল পরিদর্শনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় ভারী বৃষ্টিপাতজনিত পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হাওর ও খাল এলাকা পরিদর্শন করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমান।৫ মে (মঙ্গলবার) দুপুরে তিনি উপজেলার খারনৈ ইউনিয়নের চিকন মাটিয়া, তেলেঙ্গা ও মেদি বিলসহ দমদমা খাল এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখেন এবং ক্ষয়ক্ষতির চিত্র পর্যবেক্ষণ করেন।

পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম মিকাইল ইসলাম, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম, খারনৈ ইউপি চেয়ারম্যান ওবায়দুল হক, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মমিনুল ইসলাম, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান, সমাজসেবক মজিবুর রহমান এবং প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ শামীমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমান জানান, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ইতোমধ্যে সরকারি সহায়তা কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে তা আরও জোরদার করা হবে।

তিনি বলেন, “আমরা শুরু থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের পাশে আছি। ভারী বৃষ্টিপাত শুরুর দিন থেকেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও নেত্রকোনাসহ ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জিআর ক্যাশ ও চাল বিতরণের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। আজ থেকেই এসব সহায়তা কার্যক্রম বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হাওর ও খালের পুনর্বাসন এবং কৃষকদের সহায়তায় সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

আলোচিত খবর

ক্রুড অয়েলের সরবরাহ স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরবে একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আমদানি ব্যাহত হওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির ক্রুড অয়েল প্রসেসিং ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে পুরো রিফাইনারিতে। ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) সংকট কেটে যাওয়ায় উৎপাদনে ফিরছে রিফাইনারিটি।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৭ মে থেকে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। এদিকে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও আরও এক লাখ টন ক্রুড অয়েল আসার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, রিফাইনারিতে সাধারণত সৌদি আরবের এরাবিয়ান লাইট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারবান ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা হয়। প্রতিবছর চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়ে থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো ক্রুড অয়েল দেশে আসেনি।

এতে করে প্রথমবারের মতো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি, যা ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর নজিরবিহীন ঘটনা।পরবর্তীতে বিকল্প রুট ব্যবহার করে তেল আমদানির উদ্যোগ নেয় বিপিসি। এর অংশ হিসেবে লোহিত সাগর হয়ে সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে আনা হচ্ছে। জাহাজটি ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে এবং ৬ মে থেকে তেল খালাস শুরু হবে। ইস্টার্ন রিফাইনারির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিপিং) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা এক লাখ টন ক্রুড অয়েলবাহী একটি জাহাজ ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। জাহাজ থেকে তেল খালাস শেষে ৭ মে থেকে পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ক্রুড অয়েলের বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। চলতি মাসেই আরও একটি জাহাজ তেল নিয়ে দেশে আসার কথা রয়েছে, ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ