আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

ভিশন ড্রাগস লিমিটেড এর বার্ষিক বিক্রয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত

মশিউর রহমান রাসেল,নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের অন্যতম ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি ভিশন ড্রাগস লিমিটেড এর বাৎসরিক বিক্রয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কুয়াকাটার বীচ হ্যাভেন এর হলরুমে অনুষ্ঠিত হয় ২২ এবং ২৩ সালের বিক্রয় সম্মেলন।

বাৎসরিক বিক্রয় সম্মেলনে ২০ অক্টোবর সারা বাংলাদেশের বিক্রয় ও বিপণন কর্মচারী এবং কর্মকর্তারা কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে আসেন।
তাদের জন্য ৫ টি আবাসিক হোটেল কোম্পানি কর্তৃক অগ্রীম বুকিং করে রাখা হয়। ২০,২১,২২ অক্টোবর ৩ দিন ব্যাপী হয় নানা আয়োজন।

ভিশন ড্রাগস লিমিটেড এর এসিস্ট্যান্ট সেলস ম্যানেজার (সাউথ জোন) মোঃ আজাদুর রহমান খান এর সঞ্চালনায় শুরু হয় বাৎসরিক বিক্রয় সম্মেলন। কোম্পানির সকল মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ, এরিয়া ম্যানেজার,জোনাল ম্যানেজার ও রিজিওনাল ম্যানেজারদের স্কীল ডেভেলপমেন্ট এর জন্য ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর কোম্পানির উর্ধতন কর্মকর্তারা বিভিন্ন বিষয়ের উপর আলোকপাত করেন। এরপর শুরু হয় কোম্পানির প্রতিনিধিদের সেলস এচিভমেন্টের মূল্যায়ন ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠান। এবছর ভিশন ড্রাগস লিমিটেড এর বিক্রয় প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে প্রায় ২০ জন বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ পেয়েছেন।
এছাড়াও ১০ জন পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন নগদ অর্থ। সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলে রাত ৯ টা পর্যন্ত।

ভিশন ড্রাগস লিমিটেড যাত্রা শুরু করেন প্রানী মেডিসিন উৎপাদন ও বাজারজাত করনের মাধ্যমে সুনামের সাথেই পরিচালিত হয়ে আসছে কোম্পানিটি। গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন প্রানীসম্পদ সেবায়। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই মানুষের ঔষধ প্রস্ততকারক হিসেবেও নাম লেখাতে যাচ্ছেন ভিশন ড্রাগস লিমিটেড।

ভিশনের সারা বাংলাদেশে বিক্রয় প্রতিনিধি রয়েছেন প্রায় ৩০০জন। ২৪-২৫ অর্থবছরে আরও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র বাড়াতে কাজ করে যাচ্ছেন কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।

ভিশন ড্রাগস লিমিটেড এর এত দ্রুত গ্রো করার কারন জানতে চাইলে প্রতিনিধিরা জানান। আমাদের কোম্পানির পন্যের গুনগত মান ও কোম্পানির বিক্রয় পলিসি নিয়ে ডাক্তার,কেমিস্ট খামারীগন খুবই খুশি। তাছাড়াও কোম্পানির ম্যানেজমেন্টে যারা রয়েছেন তারা যথেষ্ট আন্তরিক ও মানবিক। তাই সকল সহকর্মীরা নিজের কোম্পানি ভেবেই তার সঠিক মূল্যায়নটা করছেন বলেই কোম্পানি প্রতিনিয়ত গ্রো করছেন।

এসময় বক্তব্য রাখেন ভিশন ড্রাগস লিমিটেড এর ন্যাশনাল সেলস ম্যানেজার (NSM) মোঃ আবু হাসান, বিজনেস ম্যানেজার ডাঃ সৌমেন্দ্রনাথ সিকদার,মার্কেটিং ম্যানেজার মোঃ আহসান হাবীব, এসিস্ট্যান্ট সেলস ম্যানেজার (ASM) আজাদুর রহমান খান, মোঃ আঃ কাদের, ন্যাশনাল ডিস্ট্রিবিউশন ম্যানেজার (NDM) মোঃ আলমগীর হোসেন, প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট (PD) মোঃ মোস্তাক হোসেন, প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার (PMD) ফার্মাসিস্ট ফারহান উদ্দিন, ও মোটিভেশনাল স্পীকার মোঃ খালিদ হোসেন প্রমুখ।

এসময় ভিশন ড্রাগস লিমিটেড এর ন্যাশনাল সেলস ম্যানেজার (NSM) মোঃ আবু হাসান বলেন। ভিশন ড্রাগস লিমিটেড এর সকল কর্মকর্তা কর্মচারী সকলেই ভিশন পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। আমাদের সহকর্মীরা প্রতিনিয়তই কোম্পানিকে আন্তরিকতার সাথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। আমরাও তাদের সকল কাজে আন্তরিকতার সাথে সাপোর্ট দেবার চেস্টা করে যাচ্ছি, আমরা সবসময় চেস্টা করছি গুনগত মানসম্পন্ন পন্য উৎপাদন ও বাজারজাত করার। ফার্মাসিউটিক্যালসে প্রচুর প্রতিযোগিতা রয়েছে তা সত্ত্বেও আমরা খুব অল্প সময়ের মধ্যে অনেকটা পথ সফলতার সাথে পারি দিয়েছি। আমাদের কোম্পানিকে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য আমাদের সহকর্মী, সম্মানিত ডাক্তার,কেমিস্ট ও খামারিদের যথেষ্ট অবদান রয়েছে তাই আমরা সবসময়ই তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। এসময় তিনি আরো বলেন আগামী ৩ মাসের মধ্যে ইনজেকশন, ট্যাবলেট,লিকুইড সহ আরও নতুন ২৭ টি প্রোডাক্টস মার্কেটে দিতে পারবো। আমাদের লক্ষ্য আমরা আগামী কয়েক বছরের মধ্যে সেরা দশের তালিকায় অবস্থান করবো ইনশাআল্লাহ। আগামী ২৪-২৫ অর্থ বছরে আমাদের কোম্পানির লক্ষ্য ৬০ কোটি টাকা নির্ধারন করেছি। লক্ষ্য অর্জন হলে কোম্পানির মাঠপর্যায়ের সকল সহকর্মীই বিদেশ ভ্রমনের সুযোগ পাবেন এবং আগামী বছর বাৎসরিক বিক্রয় সম্মেলন দেশের বাহিরেই অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ভিশন ড্রাগস লিমিটেড এর সকল মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ (ME), এরিয়া ম্যানেজার (AM), জোনাল ম্যানেজার (ZM), রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার (RSM) সহ হেড অফিস ও ফ্যাক্টরীর কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার গুঁড়া দুধ আমদানি করে : প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রেড চিটাগাং ক্যাটল (আরসিসি)-এর গুরুত্ব তুলে ধরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, লাল গরুর দেশ চট্টগ্রাম। দুধ হয়তো কিছুটা কম দেয়, কিন্তু মাংসের দিক থেকে এবং জাতগত বৈশিষ্ট্যে রেড চিটাগাং ক্যাটলের তুলনা পৃথিবীর কোথাও নেই। তাই এই জাত সংরক্ষণ করা আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। উপদেষ্টা বুধবার সকালে কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা এ কে এগ্রো এন্ড ডেইরি হাব সংলগ্ন মাঠে “চট্টগ্রাম অঞ্চলে ডেইরি খাতের উন্নয়ন: সম্ভাবনা ও করণীয়” -শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপষ্টো বলেন, বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে গুঁড়া দুধ আমদানি করে। এই টাকা যদি দেশীয় দুধ উৎপাদন বাড়াতে ব্যয় করা হয়, তাহলে আমদানির প্রয়োজন কমবে। গুঁড়া দুধ তরল দুধে ভেজালের ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে। তাই আমাদের শপথ নিতে আমদানি কমিয়ে দেশীয় তরল দুধের উৎপাদন বাড়াতে হবে।

বিদ্যুৎ বিল ও ভর্তুকি প্রসঙ্গে উপষ্টো বলেন, ব্যাপক আলোচনা ও প্রচেষ্টার পর মৎস্য ও প্রাণিসম্প খাতে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ বিল রেয়াত এবং ১০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়া সম্ভব হয়েছে। এটি প্রাথমিক উদ্যোগ হলেও ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে। তিনি খামারি নিবন্ধনের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, নিবন্ধন ছাড়া প্রকৃত চিত্র জানা সম্ভব নয়। অনলাইনে নিবন্ধন হলে সব তথ্য এক জায়গায় পাওয়া যাবে এবং নীতিনির্ধারণ সহজ হবে।

উপদেষ্টা বলেন, প্রাণিসম্প ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি)-এর মাধ্যমে খামারিরা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন, পিজি গ্রুপ গড়ে উঠেছে এবং অনেকের জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে ডেইরি কার্যক্রম। তিনি বলেন, অনেকে বলছেন, লাভ-ক্ষতির হিসাব না করেও এটি এখন তাদের জীবনের অংশ। এর মানে ভবিষ্যতে এখান থেকেই তারা টেকসইভাবে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবেন।
নারীরে উদ্দেশে তিনি বলেন, দুধ শুধু উৎপানের পরিসংখ্যান নয়-মানুষ কতটা দুধ গ্রহণ করছে সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য দুধ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, যা হাড়ের রোগ ও অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে সহায়ক।

এলডিডিপি’র মাধ্যমে স্কুল ফিডিং প্রোগ্রামের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, স্কুলে দুধ সরবরাহ শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের মেধা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দরিদ্র ও শহুরে শিশুদের জন্য যা কার্যকর উদ্যোগ। তিনি বলেন, বাংলাশে তরুণদের দেশ। ডেইরি ইন্ডাস্ট্রিতে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে। সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে। আমরা সংগ্রামী জাতি-দেশের উন্নয়নের জন্য এই সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে।

সেমিনারে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবু সুফিয়ানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাংলাশে ডেইরি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক মিজ শাহীনা ফেরদৌসী, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (কৃত্রিম প্রজনন) মোঃ শাহজামান খান তুহিন, পরিচালক (সম্প্রসারণ) ডা. বেগম শামছুননাহার, চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (পরিচালক) ডা. মোঃ আতিয়ার রহমান এবং এ কে এগ্রো এন্ড ডেইরি ফার্মের পরিচালক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেইন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোঃ বয়জার রহমান। এছাড়া এলডিডিপিথর আওতায় ডেইরি হাব কার্যক্রম: বাস্তবায়ন, অগ্রগতি ও সম্ভাবনা শীর্ষক উপস্থাপনা ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করেন প্রকল্প পরিচালক ডা. মোঃ মোস্তফা কামাল।

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমী ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমীতে উৎসব মূখর পরিবেশে ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া, নবীন বরণ, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণ-২০২৬ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দিনব্যাপী এ আয়োজনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আতিকুজ্জামান।

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং এমন আয়োজন নিয়মিতভাবে অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে শিক্ষার্থীরা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে অংশগ্রহণ করে এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য রাখেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আলহাজ্ব মোঃ হেদায়েতুল তিনি অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র প্রতিষ্ঠানের সকল ছাত্র-ছাত্রী,অভিভাবক এবং শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ