আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

বগুড়ায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলি করে হত্যা মামলার প্রধান আসামী বেলাল গ্রেফতার

বগুড়া সংবাদদাতা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গত ১৬ জুলাই কোটা বিরোধী ছাত্র আন্দোলন শুরু হয়। কোটা বিরোধী আন্দোলনকে সমর্থন করে আবু রায়হান ওরফে রাহিম (২৯) (হাক্কানী টিস্যু কোম্পানীর সেলসম্যান) কোটা বিরোধী আন্দোলনে ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মিছিল করার জন্য দুপচাঁচিয়া পৌরসভাস্থ বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কে আওয়ামীলীগ পার্টি অফিসের সামনে আনুমানিক সকাল ১১ টার সময় পৌছালে পূর্বপরিকল্পিতভাবে আসামীগন পরস্পর যোগসাজসে দুপচাঁচিয়া থানা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মোঃ বেলাল হোসেন এর নেতৃত্বে নাশকতা সহ দাঙ্গাহাঙ্গামা, খুন, জখম করার জন্য দলবদ্ধ হয়ে হাসুয়া, লোহার রড, লাঠি ও আগ্নেয়াস্ত্র সহ অতর্কিত ভাবে কোটা বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলের উপর হামলা করে। মোঃ বেলাল হোসেন আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে ভিকটিম আবু রায়হান ওরফে রহিম এর ডান পায়ে পরপর কয়েকটি গুলি করলে ভিকটিম রাস্তায় পড়ে যায়। তখন অন্যান্য আসামীগন ভিকটিমকে লাঠি ও লোহার রড দিয়ে এলোপাথারীভাবে মারপিট করে এবং কোটা বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-ছাত্রী সহ অন্যান্য লোকজনদেরকে এলোপাথারীভাবে মারপিট করে ঘটনাস্থল হতে চলে যায়। পরবর্তীতে ভিকটিম আবু রায়হান ওরফে রাহিমকে উদ্ধার করে প্রথমে দুপচাঁচিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কতর্ব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে রেফার্ড করেন। শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালের জরুরী বিভাগের ডাক্তার পরীক্ষা নিরীক্ষা করে আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, শেরে বাংলা নগর, ঢাকায় রেফার্ড করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কোটা বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ ভিকটিম আবু রায়হান ওরফে রাহিম (২৯) মৃত্যুবরণ করেন। আবু রায়হান রাহিমের মা মোছাঃ রওশন আরা বেগম বাদী হয়ে দুপচাঁচিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
উক্ত মামলার প্রেক্ষিতে সোমবার ২৮ অক্টোবর সাড়ে ৬ সাড়ে টায় র‌্যাব সদর দপ্তর ইন্ট উইং এর সহযোগিতায় র‌্যাব-১২, সিপিএসসি, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর থানার জামালগঞ্জ বাজারে অভিযান পরিচালনা করে মামলার প্রধান আসামী দুপচাঁচিয়া থানা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও জেলা আওয়ামীলীগের সক্রিয় কর্মী এবং দুপচাঁচিয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র মোঃ বেলাল হোসেন (৪৮) গ্রেফতার। গ্রেফতারকৃত আসামি হলেন দুপচাঁচিয়া উপজেলার পিতা-মৃত ছৈমুদ্দীন পুত্র মোঃ বেলাল হোসেন গ্রাম পাইকপাড়া, থানা-দুপচাঁচিয়া, আসামীর নিকট হতে ১টি মোবাইল ও ১টি সীম জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামীকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুপচাঁচিয়া থানা এর নিকট হস্তান্তর করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বাল্কহেড থেকে সাড়ে ৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ গ্রেফদার-৫।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানার ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭। বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকার মো. ইমরান (২১), আনোয়ারার পূর্ব গহিরা এলাকার মো. আনিস (২৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ভাঙ্গারা এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫), আনোয়ারার করুশকুল এলাকার মো. আলী (৪৭) এবং লক্ষীপুরের রামগতি উপজেলার চর কলাকুপা এলাকার মো. রুবেল (২৭)।
র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে কয়েকজন মাদক কারবারি মিয়ানমার থেকে সমুদ্রপথে একটি বাল্কহেডে করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা চট্টগ্রাম মহানগরীতে নিয়ে আসছে। খবর পেয়ে র‌্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল বাল্কহেডটির পিছু নেয়।

এক পর্যায়ে বাল্কহেডটি ১৫ নম্বর ঘাটে নোঙর করে কয়েকজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে আটক করেন। পরে বাল্কহেডে তল্লাশি চালিয়ে ইঞ্জিন রুমে রাখা দুটি প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের লাশ মিলল ডোবায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের
লাশ মিলল ডোবায়
ছবি-৭
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগরের বন্দর থানা এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম (৪৬) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত মঞ্জুর আলম ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কলসিদিঘির পাড় আলী মিয়া চেরাগের বাড়ির বাদশা মিয়ার ছেলে। তিন গাড়িচালক ছিলেন। বুধবার সকাল ১১টায় কলসিদিঘির পাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহতের শ্যালক মো. হাসান বলেন, গত ৬ মার্চ থেকে আমার দুলাভাই নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় আমরা থানায় জিডিও করেছিলাম। আমার দুলাভাইকে কেউ পরিকল্পিতভাবে কেউ মেরে ফেলে চলে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তোফাজ্জল হোসাইন বলেন, কলসিদিঘির পাড় এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, গত শুক্রবারে তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানতে পেরেছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে কাজ চলছে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ