আজঃ বুধবার ৬ মে, ২০২৬

বিশ্বে প্রতি ৪ দিনে একজন সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিশ্বে প্রতি ৪ দিনে একজন সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন।এমনটাই জানিয়েছেন -জাতিসংঘের বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো। সংস্থাটির প্রতিবেদনে ২০২২-২০২৩ সালে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এসব হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শাস্তি হয়নি।
এক প্রতিবেদনে ইউনেস্কো জানায়, বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকদের হত্যার ঘটনা আগের দুই বছরের তুলনায় ২০২২-২০২৩ সালে ৩৮% বেড়েছে।
এই সময়ে ১৬২ জন সাংবাদিককে হত্যার নিশ্চিত তথ্য দিয়েছে সংস্থাটি। এক বিবৃতিতে ইউনেস্কোর মহাপরিচালক অড্রে আজোলে বলেন-২০২২ এবং ২০২৩ সালে প্রকৃত সত্য খুঁজে বের করার মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনকালে প্রতি ৪ দিনে একজন সাংবাদিক হত্যার শিকার হয়েছেন।২০২২ এবং ২০২৩ সালে সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের অর্ধেকেরও বেশি সংগঠিত হয়েছে সংঘাত ও সহিংসতা প্রবণ অঞ্চলে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সাংবাদিকরা তাদের নিজ দেশেই হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন।প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সংগঠিত অপরাধ বা দুর্নীতি নিয়ে কাজ করার সময় কিংবা বিক্ষোভের প্রতিবেদন করার সময় হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন সাংবাদিকরা।
২০২২ সালে মেক্সিকোতে সর্বোচ্চ ১৯ জন সাংবাদিককে হত্যা করা হয়েছে। আর ২০২৩ সালের সর্বোচ্চ ২৪ জন সাংবাদিক হত্যার শিকার হয়েছেন ফিলিস্তিন অঞ্চলে।প্রতিবেদনটিতে সাংবাদিকদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক এলাকা হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে ল্যাটিন আমেরিকা, ক্যারিবীয় অঞ্চল এবং আরব দেশগুলোকে।পরিসংখ্যান বলছে , উত্তর আমেরিকা এবং পশ্চিম ইউরোপ সাংবাদিকদের জন্য সবচেয়ে কম বিপজ্জনক অঞ্চল ছিল। এসব অঞ্চলে মোট ছয়জন সাংবাদিক হত্যার শিকার হয়েছেন।

২০২২-২০২৩ সালে হত্যাকাণ্ডের শিকার সাংবাদিকদের মধ্যে নারী সাংবাদিক ছিলেন ১৪ জন (৯%)।
প্রতিবেদনে দেখা গেছে, অপরাধীরা শাস্তি না পাওয়ার কারণে এসব হত্যাকান্ড ঘটে চলেছে। ২০০৬ সাল থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সাংবাদিক হত্যা নিয়ে দায়ের করা মামলার ৮৫% এখনও অমীমাংসিত।
২০১৮ সালের হিসাবে দেখা গেছে, সংখ্যাটি ছিল ৮৯%। ২০১২ সালে দায়মুক্তির হার ছিল ৯৫%।
ইউনেস্কোর মহাপরিচালক অড্রে আজোলে বলেন, এই অপরাধগুলোর অবশ্যই শাস্তি হওয়া উচিত। কিন্তু বাস্তবতা হলো ৮৫% ঘটনা এখনও অমীমাংসিত রয়ে গেছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি বড় ব্যবধানে জিতার পর, তৃণমূলের মমতা ব্যানার্জির বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বড় ব্যবধানে এগিয়ে থাকার পর তৃণমূল প্রধান ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ
তুলেছেন। তিনি বলেছেন, বিজেপি একশ’র বেশি আসন চুরি করেছে, এই জয় অনৈতিক। সোমবার রাতে সাংবাদিকদের সামনে এই মন্তব্য করেন তিনি।

ট্রাম্পেরব মন্তব্যকে অসংলগ্ন অনুপযুক্ত এবং কুরুচিপূর্ণ বলেছেন জশওয়াল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শেয়ার করা একটি পোস্টের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে নয়াদিল্লি। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ট্রাম্পের এই মন্তব্যকে অসংলগ্ন অনুপযুক্ত এবং কুরুচিপূর্ণ বলে আখ্যা দিয়েছে।

গত বুধবার (২২ এপ্রিল) রাতে ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার আইন নিয়ে একটি দীর্ঘ পডকাস্ট শেয়ার করেন। সেখানে অভিযোগ করা হয়, ভারত ও চীনের মতো দেশগুলো থেকে আসা অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রে আসে সন্তান জন্ম দিতে। একই সঙ্গে তারা প্রযুক্তিখাত দখল করে নিচ্ছে ও শ্বেতাঙ্গ মার্কিনিদের কর্মসংস্থান নষ্ট করছে।

ওই পোস্টে আপত্তিকর ভাষায় বলা হয়, জন্মের পর একটি শিশু তাৎক্ষণিক নাগরিক হয়ে যায়। তারপর চীন, ভারত বা গ্রহের অন্য কোনো ‘জাহান্নাম’ থেকে তাদের পুরো পরিবারকে নিয়ে আসে।ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল এট প্রতিক্রিয়ায় বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শেয়ার করা এই মন্তব্যগুলো স্পষ্টতই তথ্যহীন এবং সুরুচিহীন। এটি ভারত-মার্কিন সম্পর্কের প্রকৃত প্রতিফলন নয়, যা দীর্ঘকাল ধরে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অভিন্ন স্বার্থের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য ও ভারতীয় বংশোদ্ভূত নেতা আমি বেরা এই পোস্টটিকে ‘আপত্তিকর ও অজ্ঞতাসূচিত’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন-প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মতো মানুষ, যিনি সম্পদ ও বিলাসিতার মধ্যে বড় হয়েছেন- তিনি কোনোদিন অভিবাসী পরিবারের সংগ্রাম বুঝতে পারবেন না।

আলোচিত খবর

ক্রুড অয়েলের সরবরাহ স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরবে একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আমদানি ব্যাহত হওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির ক্রুড অয়েল প্রসেসিং ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে পুরো রিফাইনারিতে। ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) সংকট কেটে যাওয়ায় উৎপাদনে ফিরছে রিফাইনারিটি।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৭ মে থেকে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। এদিকে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও আরও এক লাখ টন ক্রুড অয়েল আসার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, রিফাইনারিতে সাধারণত সৌদি আরবের এরাবিয়ান লাইট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারবান ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা হয়। প্রতিবছর চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়ে থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো ক্রুড অয়েল দেশে আসেনি।

এতে করে প্রথমবারের মতো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি, যা ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর নজিরবিহীন ঘটনা।পরবর্তীতে বিকল্প রুট ব্যবহার করে তেল আমদানির উদ্যোগ নেয় বিপিসি। এর অংশ হিসেবে লোহিত সাগর হয়ে সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে আনা হচ্ছে। জাহাজটি ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে এবং ৬ মে থেকে তেল খালাস শুরু হবে। ইস্টার্ন রিফাইনারির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিপিং) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা এক লাখ টন ক্রুড অয়েলবাহী একটি জাহাজ ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। জাহাজ থেকে তেল খালাস শেষে ৭ মে থেকে পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ক্রুড অয়েলের বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। চলতি মাসেই আরও একটি জাহাজ তেল নিয়ে দেশে আসার কথা রয়েছে, ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ