আজঃ শনিবার ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬

রাজশাহীতে উদ্ভোধন হলো ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার বাইরে হৃদরোগের চিকিৎসা সহজলভ্য করার লক্ষ্যে রাজশাহীতে চালু হয়েছে ১০০ শয্যার ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট।
নগরীর লক্ষ্মীপুর বাকির মোড়ে হাসপাতালটির উদ্বোধন করা হয়।এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন।এ সময় অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন বলেন, দেশে হার্টের অপারেশনের ৯৫ ভাগই হয় ঢাকায়। যেখানে মোট জনসংখ্যার মাত্র ১০ ভাগ মানুষের বসবাস। সরকার সবার কাছে এই চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।

তিনি বলেন, পাঁচতলা বিশিষ্ট এই হাসপাতালে ১০০ শয্যার পাশাপাশি রয়েছে ৮ শয্যার আইসিইউ ও ১৪ শয্যার সিসিইউ এবং আধুনিক প্রযুক্তি ও দক্ষ চিকিৎসক সেবা দেবেন।

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, এখন এই অঞ্চলের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বল্প খরচে হৃদরোগের চিকিৎসাসেবা নিতে পারবেন। প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসাসেবা দেওয়া হলেও আউটডোর সার্ভিস চালু থাকবে সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। একবার ১০০ টাকা দিয়ে টিকেট কাটলে এক মাস চিকিৎসা নেওয়া যাবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোহা. জাওয়াদুল হক, ন্যাশানাল হার্ট ফাউন্ডেশনের সভাপতি খন্দকার আব্দুল আউয়াল (রিজভী), রাজশাহী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. খন্দকার মো. ফয়সাল আলম, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ রামেক হাসপাতালে পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এফ এম শামীম আহাম্মদ, রাজশাহী বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক সৈয়দ মোস্তাক হাসান, রাজশাহী জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) সরকার অসীম কুমার। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন রাজশাহীর সভাপতি আব্দুল মান্নান।

উল্লেখ্য, এর আগে নগরীর লক্ষ্মীপুর এলাকায় ১৯৮৪ সালে গড়ে ওঠে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন রাজশাহী।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে শতাধিক গণমাধ্যম কর্মচারীর মাঝে কম্বল বিতরণ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত শতাধিক কর্মচারীর মাঝে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক মিলনায়তনে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও পিস ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটসের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মুহাম্মদ আজাদ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন পিস ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটসের সহসভাপতি হেলাল সিকদার এবং সোনালী কণ্ঠের ব্যুরো প্রধান প্রণয় দাশ গুপ্ত শিমুল।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেক বলেন, শীতবস্ত্র বিতরণ একটি মহৎ ও মানবিক উদ্যোগ। যাদের মাঝে এই কম্বল বিতরণ করা হয়েছে, তা তাদের জন্য উপহারস্বরূপ। তীব্র শীতের এই সময়ে এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। সমাজ ও রাষ্ট্রের সর্বস্তরের মানুষ যদি এভাবে শীতার্তদের পাশে দাঁড়ায়, তাহলে মানবিকতার জয় হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, পিস ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটসের চেয়ারম্যান কামরুল কায়েস চৌধুরী এবং প্রেস ক্লাবের উপকমিটির উপদেষ্টা মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত। এছাড়া বক্তব্য দেন প্রেস ক্লাবের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ ও আজিজা হক পায়েল। অনুষ্ঠান শেষে শতাধিক গণমাধ্যম কর্মচারীর মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

চট্টগ্রামে বেথলেহেম এজি চার্চের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সারাদেশে এবার শীতের প্রকোপ বেশি। চট্টগ্রামেও স্মরণকালের তীব্র শীতল আবহাওয়া বিরাজমান। পথঘাটে ভাসমান দরিদ্র জনগণের কষ্টের কথা চিন্তা করে চট্টগ্রাম মহানগরের জামালখান বেথলেহেম চার্চ মানবিক কর্মসূচী কম্বল বিতরণ করছে শহরের বিভিন্ন এলাকায়।

চার্চের প্রতিনিধিরা জামালখান রোড, আশকারদীঘি, লালখানবাজার, গণিবেকারি এলাকায় ও গতরাতে চেরাগিপাহাড়, আন্দরকিল্লা, লালদীঘি এলাকাতে বিভিন্ন ভাসমান দরিদ্র পেশাজীবি ও ভিক্ষুকদের মাঝে প্রায় ১৩০টি কম্বল বিতরন করেন। সমগ্র কর্মসূচীটি বেথলেহেম চার্চের প্রিস্ট (পালক) বারনোবা গোমেজের তত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। তিনি জানান এই কর্মসূচীটি আরো শহরের বিভিন্ন জায়গায় চলমান থাকবে।

আলোচিত খবর

নতুন রাজনৈতিক মুভমেন্ট এনপিএ’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গণতন্ত্র, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং প্রাণ, প্রকৃতি ও পরিবেশ সুরক্ষা এই পাঁচ মূলনীতি নিয়ে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন-এনপিএ’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে।আজ ১৬ জানুয়ারি শুক্রবার বিকেল চারটায় রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্ল্যাটফর্মটির ১০১ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কাউন্সিল ঘোষণা করা হয়।

কাউন্সিলের মুখপাত্র হয়েছেন ফেরদৌস আরা রুমী, নাজিফা জান্নাত ও তুহিন খান। তারা একেকজন একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পালাক্রমে এই দায়িত্ব পালন করবেন।কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- অনার্য মুর্শিদ, অনিক রায়, অনিকেত চার্বাক, অনিন্দ্য পন্ডিত, অনিরুদ্ধ রতন দাস, অনুপম সৈকত শান্ত, অপু সাহা, অমর্ত্য রায়, অলিউর সান, অলিক মৃ, আফজাল হোসেন, আতিকুর রহমান আতিক, আদ্রিতা কবির, আলমগীর কবির মিথুন, আসাদ রেহমান, আশিকুর রহমান অনিক, আহমেদ আন-নাবা, ইমতিয়াজ নাদভী, ইরফান আহমেদ, ইলোরা সুলতানা, ঋভু রহমান, কাওসার শাকিল, কাওসার হামিদ, কে এম সুফিয়ান, কৌশিক আহমেদ, খালিদ হাসান আলো, জাকারিয়া হোসেইন, জান্নাতুল মাওয়া আইনান, জাহিদ জামিল, জাহিদ হোসেন ইনকিয়াদ, টিপু গোস্বামী, তসলিম আহমেদ, তাসলিমা মিজি, তাহমীদুর আর চৌধুরী, তাহসিন আহমেদ অমি, নজরুল ইসলাম, নাজমুল আহমেদ, নাফিসা রায়হানা, নাশাদ ময়ুখ, নাসিরউদ্দিন টগর, নিসর্গ নিলয়, নীলা চাকমা, নূমান আহমাদ চৌধুরী, পারভেজ আলম, পুন্নি কবির, ফজলে রাব্বী খান তাজ, ফয়জুল্লাহ আনান, ফরহাদ নাইয়া, ফারিয়া জামান নিকি, ফেরদৌস আরা রুমী, বাকী বিল্লাহ, বিনয় আমিন, মঈনুল ইসলাম শুদ্ধ, মনোয়ার হোসেন নাইম, মাঈন আহমেদ, মাহবুবুর রহমান, মামুনুর রশিদ, মারুফ বিল্লাহ তন্ময়, মাসুদ রানা, মিম আরাফত মানব, মিতা নাহার, মীর মোকাররম শুভ, মীর হুযাইফা আল-মামদূহ, মুকুল ইসলাম, মুশফিকুর রহমান, মো. হাসিব, মোশফেক আরা শিমুল, মোহন বড়ুয়া, রঞ্জন কুমার দে, রহমত উল আলম, রাজীব চক্রবর্তী সুকান্ত, রাফসান আহমেদ, রাশেদুল কবীর রাফি, রাহাত মুস্তাফিজ, রাহুল দাস, রিয়াদুস সালেহীন জাওয়াদ, রেজওয়ান আমীন, রেজাউর রহমান রিন্টু, রৌদ্র তাপসী, শর্মী হোসেন, শামীম আরা নীপা, শেখ ফাতেমা খায়রুন, সমির সরকার, হাসান ইকবাল সজীব, সমির সরকার, সজীব তানভীর, সাখাওয়াত ফাহাদ, সাদ আহমেদ, সাদিক মোহাম্মদ আলম, সামি মোহাম্মদ, সালেহ রাব্বি, সেতু আরিফ, সৈয়দা নীলিমা দোলা, সোনিয়া আফরোজ যুথী, সৌরভ দেব, হাবিব ইমরান জনি, হাসান সালিহি এবং হাসান সোলাইমান।

নতুন মাত্রায় এফ্ল্যাটফর্মের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের মধ্যে রয়েছে: সর্বস্তরে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, সাম্য ও সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা, সংবিধান সংস্কার, মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণ, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের সংস্কার এবং অর্থনৈতিক রূপান্তর।এসময় স্বাগত বক্তব্যে কাউন্সিলের সদস্য অনিক রায় বলেন- আমরা রাজনীতিকে কেবল ভাবাদর্শিক লড়াইয়ে পরিণত করতে চাই না। আবার ওয়েলফেয়ারের নামে পেট্র-ক্লায়েন্ট ভিত্তিক রাজনীতিও আমাদের লক্ষ্য নয়। আমরা চাই রাষ্ট্র ও নাগরিকের সম্পর্কের একটি মৌলিক রূপান্তর। আমরা চাই একটি মানবিক রাষ্ট্র, শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, ন্যায্য অর্থনীতি এবং সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টন।তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি পুঁজির গণতান্ত্রিক বিকাশ, সামাজিক নিরাপত্তা এবং ন্যায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাই পারে এই দেশকে সত্যিকারের গণতান্ত্রিক ও মানবিক রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করতে। এই কারণেই আমরা বলছি আমাদের পথ একটি সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট, সামাজিক গণতন্ত্রের আন্দোলন। এটি কেবল ক্ষমতার লড়াই নয় বরং সমাজকে সুসংহত ও গণতান্ত্রিক করে তোলা এবং মানুষের আত্মসামাজিক মুক্তি নিশ্চিত করার সংগ্রাম। যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ একটি ন্যায্য ও মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ