আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

বাগমারায় যুবককে হত্যা চেষ্টার মামলায় আমিনুল গ্রেপ্তার

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজশাহীর বাগমারায় বিলে মাছ চাষকে কেন্দ্র করে আশরাফুল ইসলাম (৪০) নামে এক যুবককে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মাথা ফাটিয়ে হত্যা চেষ্টা চালায় জাবের আলী সহ তার বাহিনীর সদস্যরা। ওই ঘটনায় গত ১৫ অক্টোবর আহত আশরাফুল ইসলাম বাদী হয়েছে একটি মামলা দায়ের করে। দায়েরকৃত মামলার এজাহারভুক্ত আসামী আমিনুল ইসলামকে (৩৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত আমিনুল ইসলাম বীরকয়া গ্রামের ফায়ের আলীর ছেলে।গ্রেপ্তারকৃত আমিনুল ইসলাম বাসুপাড়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি সদস্য। সে জাবের বাহিনীর অন্যতম সদস্য। জাবের আলীর নির্দেশে আমিনুল ইসলাম এলাকায় নানা অপকর্মের সাথে জড়িত। নাম নামে একাধিক মামলা রয়েছে। আশরাফুল ইসলামকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় জাবের আলী সহ তার বাহিনীর ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে মামলাটি করা হয়। ওই মামলায় এখন পর্যন্ত ১১ জন জামিনে রয়েছেন। ঘটনার পর থেকে জাবের আলী সহ অন্যরা আত্মগোপনে রয়েছেন।

এদিকে দীর্ঘদিন পালিয়ে থাকার পর বাড়িতে আসলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমিনুল ইসলামের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানাগেছে, বীরকয়া গ্রামের আব্দুুস ছামাদের ছেলে আশরাফুল ইসলাম নিজ গ্রামের মোড়ে চা পানের জন্য আসে। সে সময় জাবের আলী সহ তার লোকজন হামলা চালিয়ে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে বীরকয়া স্কুলের নিকটে আশরাফুলকে মারতে থাকে। তাকে উপর্যুপরি চাপাতি দিয়ে মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা।

সে সময় স্থানীয়রা আশরাফুল ইসলামকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেয়। সেখানে তার অবস্থা খারাপ দেখে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল।

আটকের ঘটনায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাগমারা থানার এসআই আল মামুন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এজাহারভুক্ত আসামী আমিনুল ইসলামকে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করি। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকায় গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম তৌহিদ জানান, হত্যা চেষ্টা মামলায় আমিনুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

বোয়ালখালীতে বসতঘর চুরি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালীর বসতঘরে ভেন্টিলেটর ভেঙে নিয়ে গেছে নগদ টাকাসহ স্বর্ণালংকার। উপজেলার পোপাদিয়ার আকুবদন্ডী মিনা গাজী মাজার এলাকার প্রবাসী জয়নাল মাস্টারের ঘরে এ ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে পরিবারের সদস্যরা নগরী থেকে বাড়িতে এসে এ ঘটনা জানতে পারেন।

পরিবারের সদস্য প্রবাসী মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন মানিক জানান, তার বড় ভাই জয়নাল মাস্টার গত সপ্তাহে পরিবার নিয়ে নগরের হালিশহরে মেয়ের বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, সেমি-পাকা ঘরের ভেন্টিলেটর ভেঙে চোরের দল প্রবেশ করেছে। তারা আলমারি ভেঙে প্রায় ২ ভরি স্বর্ণের গয়না ও নগদ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে গেছে এবং ঘরের সমস্ত জিনিসপত্র এলোমেলো করে রেখেছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ মামুন বলেন, ‘জয়নাল মাস্টার ঘরে না থাকার সুবাদে চোরের দল এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ করার জন্য ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের বলা হয়েছে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ