আজঃ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬

রায়পুরায় ম্যারাথনে অংশ নিলেন দেশ-বিদেশের ৭০০ দৌড়বিদ

সাদ্দাম উদ্দিন রাজ নরসিংদী জেলা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নরসিংদীর ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি দৌড়বিদের অংশ গ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল রায়পুরা ম্যারাথন। শুক্রবার (৮ নভেম্বর) ভোর হতে বেলা ১১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ম্যারাথনে তিন ক্যাটাগরিতে অংশ নেন দেশ-বিদেশের ৭০০ জন দৌড়বিদ। উপজেলা প্রশাসন ও রায়পুরা রানার্স কমিটি যৌথ ভাবে আয়োজন করে এ ম্যারাথন।

এ ম্যারাথনে অংশ নিতে জড়োহন চীন, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, নেদারল্যান্ড, রাশিয়া ও চেক রিপাবলিকের ১৫ জন নাগরিকসহ নরসিংদী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রাশেদ হোসেন চৌধুরী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) অনজন দাশ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামসুল আরেফীন, রায়পুরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইকবাল হাসান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মঞ্জুর এলাহী, কেন্দ্রীয় বিএনপির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সহসম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুলসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ৭০০ জন দৌড়বিদ।শুক্রবার ভোরে রায়পুরা উপজেলা পরিষদ মাঠে একত্রিত হন আগে থেকেই রেজিস্ট্রেশন করা এসব দৌড়বিদ। বিভিন্ন বয়সী ও পেশার দৌড়বিদের উপস্থিতি উৎসব মুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয় এলাকায়। এর আগে রায়পুরায় আনুষ্ঠানিকভাবে দুইবার হাফ ম্যারাথন হলেও এবারই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে ফুল ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হয়।

নির্ধারিত সময় ভোর ৫টায় পর্যায়ক্রমে তিন ক্যাটাগরিতে ৭০০ জন দৌড়বিদ শুরু করেন দৌড়। ফুল ম্যারাথন ৪২ কিলোমিটার ১০০ জন, হাফ ম্যারাথন ২১ কিলোমিটার ৩০০ জন ও ১০ কিলোমিটার ম্যারাথনেও ৩০০ জন মিলিয়ে মোট ৭০০ দৌড়বিদ অংশ নেন। সব সময় এমন আয়োজনের দাবি জানিয়ে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য দৌড়ের বিকল্প নেই বলে জানালেন এ ম্যারাথনে অংশগ্রহণ কারীরা দৌড়বিদদের নিরাপত্তায় পুলিশ, আনসার, গ্রাম পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সদস্যসহ ২০০ জন স্বেচ্ছাসেবী দায়িত্বপালন করেন।চিকিৎসা সেবার জন্য ছিল অ্যাম্বুলেন্সসহ মেডিকেল টিম। ভোর ৫টায় শুরু হয়ে নরসিংদী-রায়পুরা সড়কের হাসনাবাদ ১০ নম্বর ব্রিজ এলাকায় গিয়ে ফিরতি হয়ে রায়পুরা উপজেলা পরিষদ এসে শেষ হয় এ দৌড়। পরে বিজয়ীরা পান মেডেল, সনদ ও গাছের চারা। এছাড়া তিন ক্যাটাগরিতে মোট ৯ জনকে দেয়া হয় পুরস্কার। আয়োজক কমিটি রায়পুরা ম্যারাথন এর সভাপতি মো. আক্তারুজ্জামান জানান, জেলার ইতিহাসে বৃহৎ এ আয়োজনে দৌড়বিদদের অংশ গ্রহণ ছিল স্বতঃস্ফূর্ত, ভবিষ্যতেও এমন আয়োজনের চেষ্টা থাকবে বলে জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, যারা দৌড়বিদ তারা কখনো খারাপ পথে যেতে পারে না। তাই সকল যুবকসহ সকল শ্রেণির জনগণকে দৌড়বিদ হওয়ার আহ্বান জানান।
এতে শরীর সুস্থ ও মন ভালো থাকবে।ম্যারাথন উপলক্ষে ভোর সাড়ে ৪টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত নরসিংদী-রায়পুরা আঞ্চলিক সড়কে সকল প্রকার যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়। পুরস্কার বিতরণ শেষে অংশগ্রহণকারী, সাংবাদিক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্বেচ্ছা সেবকদের নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করায় ধন্যবাদ জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইকবাল হাসান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ফ্যাসিস্টের কোন পুলিশকেই দেশে থাকতে দেব না, এবক্তব্য আইজিপি দেননি: পুলিশ সদর দপ্তর।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি), বাংলাদেশ, জনাব আলী হোসেন ফকিরকে উদ্ধৃত করে—“কনস্টেবল, এসআই, ওসি, এসপি, ডিআইজি—ফ্যাসিস্টের কোনো পুলিশকেই দেশে থাকতে দেব না। দেশকে নিরাপত্তা দিতে আমরাই যথেষ্ট”—এ মর্মে একটি ভুয়া বক্তব্য সম্বলিত ফটোকার্ড কৃত্রিমভাবে তৈরি করে প্রচার করা হচ্ছে। পুলিশ সদর দপ্তরের গণসংযোগ শাখা এর প্রতিবাদ জানিয়েছে। পুলিশ হেডকোয়ার্টার গণসংযোগ শাখা প্রতিবাদলিপিতে বলেছে-আইজিপি মহোদয় কোথাও এ ধরনের কোনো বক্তব্য দেননি। এ ধরনের ভুয়া ফটোকার্ড বা বিভ্রান্তিকর বক্তব্যে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।
ছবি সংগৃহীত –
[email protected]

চাঁদপুরে অর্ধশতাধিক গ্রামে ঈদুল ফিতর পালন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে চাঁদপুরের অর্ধশতাধিক গ্রামে কয়েক ঈদুল ফিতর পালন।
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে চাদপুরের এসব গ্রামে আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর।

হাজীগঞ্জ উপজেলায় ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৯টায় সাদ্রা দরবার শরীফে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নামাজের ইমামতি করেন দরবারের বর্তমান পীর মুফতি জাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানী। বিশ্বের যেকোনো স্থানে চাঁদ দেখা যাওয়ার ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে এসব গ্রামের মানুষ রোজা ও ঈদ পালন করে আসছেন। তাদের দাবি, আন্তর্জাতিক চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করেই তারা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেন।

আজ ২০ মার্চ শুক্রবার ঈদ উদযাপনকারী হাজীগঞ্জ উপজেলার গ্রামগুলো হচ্ছে – সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, প্রতাপুর ও বাসারা; ফরিদগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা ও গোবিন্দপুর; মতলব উপজেলার দশানী, মোহনপুর, পাঁচানীসহ কচুয়া ও শাহরাস্তি উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রাম।

জানা যায়, ১৯২৮ সাল থেকে আন্তর্জাতিকভাবে প্রথম চাঁদ দেখার ভিত্তিতে ধর্মীয় রীতিনীতি চালু করেন সাদ্রা দরবার শরীফের মরহুম পীর আল্লামা মোহাম্মদ ইসহাক চৌধুরী। তার মৃত্যুর পর তার ছয় ছেলে এ মতবাদ অনুসরণ ও প্রচার অব্যাহত রেখেছেন।প্রতিবছরই সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের এসব গ্রামে ঈদ উদযাপন করা হয়।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ