আজঃ বুধবার ৬ মে, ২০২৬

রায়পুরায় ম্যারাথনে অংশ নিলেন দেশ-বিদেশের ৭০০ দৌড়বিদ

সাদ্দাম উদ্দিন রাজ নরসিংদী জেলা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নরসিংদীর ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি দৌড়বিদের অংশ গ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল রায়পুরা ম্যারাথন। শুক্রবার (৮ নভেম্বর) ভোর হতে বেলা ১১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ম্যারাথনে তিন ক্যাটাগরিতে অংশ নেন দেশ-বিদেশের ৭০০ জন দৌড়বিদ। উপজেলা প্রশাসন ও রায়পুরা রানার্স কমিটি যৌথ ভাবে আয়োজন করে এ ম্যারাথন।

এ ম্যারাথনে অংশ নিতে জড়োহন চীন, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, নেদারল্যান্ড, রাশিয়া ও চেক রিপাবলিকের ১৫ জন নাগরিকসহ নরসিংদী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রাশেদ হোসেন চৌধুরী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) অনজন দাশ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামসুল আরেফীন, রায়পুরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইকবাল হাসান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মঞ্জুর এলাহী, কেন্দ্রীয় বিএনপির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সহসম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুলসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ৭০০ জন দৌড়বিদ।শুক্রবার ভোরে রায়পুরা উপজেলা পরিষদ মাঠে একত্রিত হন আগে থেকেই রেজিস্ট্রেশন করা এসব দৌড়বিদ। বিভিন্ন বয়সী ও পেশার দৌড়বিদের উপস্থিতি উৎসব মুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয় এলাকায়। এর আগে রায়পুরায় আনুষ্ঠানিকভাবে দুইবার হাফ ম্যারাথন হলেও এবারই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে ফুল ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হয়।

নির্ধারিত সময় ভোর ৫টায় পর্যায়ক্রমে তিন ক্যাটাগরিতে ৭০০ জন দৌড়বিদ শুরু করেন দৌড়। ফুল ম্যারাথন ৪২ কিলোমিটার ১০০ জন, হাফ ম্যারাথন ২১ কিলোমিটার ৩০০ জন ও ১০ কিলোমিটার ম্যারাথনেও ৩০০ জন মিলিয়ে মোট ৭০০ দৌড়বিদ অংশ নেন। সব সময় এমন আয়োজনের দাবি জানিয়ে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য দৌড়ের বিকল্প নেই বলে জানালেন এ ম্যারাথনে অংশগ্রহণ কারীরা দৌড়বিদদের নিরাপত্তায় পুলিশ, আনসার, গ্রাম পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সদস্যসহ ২০০ জন স্বেচ্ছাসেবী দায়িত্বপালন করেন।চিকিৎসা সেবার জন্য ছিল অ্যাম্বুলেন্সসহ মেডিকেল টিম। ভোর ৫টায় শুরু হয়ে নরসিংদী-রায়পুরা সড়কের হাসনাবাদ ১০ নম্বর ব্রিজ এলাকায় গিয়ে ফিরতি হয়ে রায়পুরা উপজেলা পরিষদ এসে শেষ হয় এ দৌড়। পরে বিজয়ীরা পান মেডেল, সনদ ও গাছের চারা। এছাড়া তিন ক্যাটাগরিতে মোট ৯ জনকে দেয়া হয় পুরস্কার। আয়োজক কমিটি রায়পুরা ম্যারাথন এর সভাপতি মো. আক্তারুজ্জামান জানান, জেলার ইতিহাসে বৃহৎ এ আয়োজনে দৌড়বিদদের অংশ গ্রহণ ছিল স্বতঃস্ফূর্ত, ভবিষ্যতেও এমন আয়োজনের চেষ্টা থাকবে বলে জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, যারা দৌড়বিদ তারা কখনো খারাপ পথে যেতে পারে না। তাই সকল যুবকসহ সকল শ্রেণির জনগণকে দৌড়বিদ হওয়ার আহ্বান জানান।
এতে শরীর সুস্থ ও মন ভালো থাকবে।ম্যারাথন উপলক্ষে ভোর সাড়ে ৪টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত নরসিংদী-রায়পুরা আঞ্চলিক সড়কে সকল প্রকার যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়। পুরস্কার বিতরণ শেষে অংশগ্রহণকারী, সাংবাদিক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্বেচ্ছা সেবকদের নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করায় ধন্যবাদ জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইকবাল হাসান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ক্রুড অয়েলের সরবরাহ স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরবে একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আমদানি ব্যাহত হওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির ক্রুড অয়েল প্রসেসিং ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে পুরো রিফাইনারিতে। ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) সংকট কেটে যাওয়ায় উৎপাদনে ফিরছে রিফাইনারিটি।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৭ মে থেকে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। এদিকে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও আরও এক লাখ টন ক্রুড অয়েল আসার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, রিফাইনারিতে সাধারণত সৌদি আরবের এরাবিয়ান লাইট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারবান ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা হয়। প্রতিবছর চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়ে থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো ক্রুড অয়েল দেশে আসেনি।

এতে করে প্রথমবারের মতো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি, যা ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর নজিরবিহীন ঘটনা।পরবর্তীতে বিকল্প রুট ব্যবহার করে তেল আমদানির উদ্যোগ নেয় বিপিসি। এর অংশ হিসেবে লোহিত সাগর হয়ে সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে আনা হচ্ছে। জাহাজটি ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে এবং ৬ মে থেকে তেল খালাস শুরু হবে। ইস্টার্ন রিফাইনারির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিপিং) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা এক লাখ টন ক্রুড অয়েলবাহী একটি জাহাজ ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। জাহাজ থেকে তেল খালাস শেষে ৭ মে থেকে পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ক্রুড অয়েলের বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। চলতি মাসেই আরও একটি জাহাজ তেল নিয়ে দেশে আসার কথা রয়েছে, ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

আরো ৫৩ হাজার টন ডিজেল নিয়ে বন্দরে এলো ২ জাহাজ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরো ৫৩ হাজার ৬০০ টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে এসে পৌঁছেছে দুটি জাহাজ। শনিবার চীন ও ভারত থেকে আসা এসব জাহাজগুলোর স্থানীয় শিপিং এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইন এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, এপ্রিল মাসে ২০টি জাহাজে করে মোট ৬ লাখ ৫ হাজার ২২৭ টন জ্বালানি আমদানি করা হয়েছিল।মে মাসেও ১ লাখ টন ক্রুড অয়েলসহ মোট ৬ লাখ টন জ্বালানি আমদানির লক্ষ্যমাত্রা নিশ্চিত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রাইড শিপিং লাইনের তথ্যমতে, চীন থেকে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাহাজ ‘লিলা কিংস্টন’ ১৯ হাজার টন ডিজেল নিয়ে গত শুক্রবার বিকাল ৩টায় বহির্নোঙরে পৌঁছে। শনিবার ভোরে আরো ৩৪ হাজার ৬০০ টন ডিজেল নিয়ে পানামার পতাকাবাহী জাহাজ ‘প্রাইভেট সোলানা’ এসে কুতুবদিয়া এঙ্করেজে ভিড়েছে। প্রাইড শিপিং লাইনের ম্যানেজিং পার্টনার নজরুল ইসলাম বলেন, ডলফিন জেটিতে বর্তমানে দুটি জাহাজ আছে এবং বহির্নোঙরে অপেক্ষমান আছে আরো দুইটি। একটি জাহাজ থেকে লাইটারিং চলমান আছে। নতুন আরো দুইটি জাহাজ আসায় বর্তমানে বন্দরে জ্বালানি তেলবাহী জাহাজের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে সাতটিতে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ