আজঃ বৃহস্পতিবার ৭ মে, ২০২৬

আপন চাচার হাতে অপহরণের শিকার শিশু, উদ্ধার করলো র‍্যাব

অন্তর দে বিশাল,কক্সবাজার :::

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপন চাচার হাতে অপহরণের শিকার শিশু আফিয়া জান্নাত আরোয়া’ (০৮)কে উদ্ধারসহ অপহরণ চক্রের দুই অপহরণকারী’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১৫।বুধবার (১৩ নভেম্বর) শিশু আফিয়া জান্নাত আরোয়াকে উদ্ধারের পর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান র‍্যাব -১৫।
গত মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) সাড়ে ৭ টার দিকে কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা লিংক রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই অপহরণকারীকে গ্রেফতার ও শিশু আফিয়া’কে উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব-১৫ সূত্রে জানানো হয়, গত ১১ নভেম্বর (মঙ্গলবার) মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে রামু ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের অফিসের চর সিকদারপাড়া এলাকাস্থ এমদাদুল উলুম মাদ্রাসা গেইটের সামনে থেকে শিশু আফিয়া জান্নাত আরোয়া (০৮)কে অপহরণ করা হয়।
ভিকটিম আফিয়া ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডস্থ অফিসের চর সিকদারপাড়া এলাকার বাসিন্দা আনোয়ারুল হকের মেয়ে।
সেই রামু ফতেখাঁরকুল অফিসের চর সিকদারপাড়া অছি উদ্দিন জামাদার নূরানী মাদ্রাসার ২য় শ্রেণীর ছাত্রী। প্রতিদিনের ন্যায় ঐদিন সকাল ৮.২০ মিনিটের সময় মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে ওৎ পেতে থাকা অজ্ঞাত অপহরণকারী চক্র তার পথরোধ করে জোরপূর্বক তাকে সিএনজি যোগে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

বিষয়টি ভিকটিমের পরিবার জানতে পেরে অপহৃত শিশুটিকে উদ্ধারের লক্ষ্যে ঘটনাস্থল এবং তার আশপাশের এলাকায় খোঁজাখুজি করেন। পরবর্তীতে ঐদিন সকাল ১১ টার দিকে তার মায়ের মোবাইল নম্বরে কল করে ৫,০০,০০০/- (পাঁচ লক্ষ) টাকা মুক্তিপণ দাবীসহ তাদের দাবী মত মুক্তিপণের টাকা না দিলে অপহৃত শিশুটিকে মানব পাচারকারীর মাধ্যমে পার্শ্ববর্তী দেশে পাচার করে দিবে অথবা খুন করে লাশ গুম করে ফেলা হবে বলে হুমকি দেয় অপহরণকারী’রা।

এ ঘটনায় শিশু আফিয়া’র মা বাদী হয়ে রামু থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০ (সংশোধিত ২০২০) এর ৭/৮/৩০ ধারায় মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নং ৩২, তাং ১২/১১/২০২৪।

এনিয়ে,তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে অপহরণকারীদের অবস্থান সম্পর্কে অবগত হয়ে মামলা দায়েরের ২৪ ঘন্টার মধ্যেই দুই অপহরণকারী গ্রেফতার ও অপহরণের শিকার শিশুটি’কে উদ্ধার করা হয়।

এসময় অপহরণকারীদের থেকে ৩টি মোবাইল, ০১টি হাত ঘড়ি, ০১টি এটিএম কার্ড এবং নগদ ৯,০০০/- (নয় হাজার) টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত অপহরণকারী’রা হলেন, রামু ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড সিকদার পাড়া অফিসের চর এলাকার মোঃ নুরুল আবছার এর পুত্র
হাসনাইনুল হক প্রকাশ নাঈম (২৩) ও একই ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড পূর্ব দ্বীপ ফতেখাঁরকুল এলাকার আব্দুস ছোবহান এর পুত্র মোঃ শাহীন (২৫)।

র‌্যাব-১৫ সূত্রে আরো জানানো হয়, অপহরণকারী’রা দু’জনই বন্ধু এবং গ্রেফতারকৃত হাসনাইনুল হক প্রকাশ নাঈম ভিকটিম আফিয়া জান্নাত আরোয়া’র আপন চাচা। গ্রেফতারকৃত নাঈম বিদেশ যাওয়ার জন্য পরিবারের কাছে টাকা চাইলে বাসা থেকে টাকা না দেয়ায় সে তার বন্ধু গ্রেফতারকৃত শাহীন’কে নিয়ে তারই আপন ভাতিজিকে অপহরণের পরিকল্পনা করে।

পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক ঘটনার দিন ভিকটিম মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে সিএনজিতে তুলে প্রথমে ঈদগাঁও এর দিকে নিয়ে যায়। চতুরতার কৌশল অবলম্বন করে তারা নিজেদের অবস্থান পরিবর্তনের জন্য ঈদগাঁও থেকে চৌফলদন্ডি এবং চৌফলদন্ডি থেকে কুতুপালং এ নিয়ে যায় শিশুটি’কে।
তারপর সেখানে গ্রেফতারকৃত শাহীনের এক চাচার বাসায় অবস্থান নেয়। একপর্যায়ে ভিকটিমের পরিবারে কাছে বিপুল পরিমাণ অর্থ মুক্তিপণ দাবী করে। এছাড়া ভিকটিমের পরিবারকে বিভিন্ন হুমকি দেয়ার পাশাপাশি তারা নেয় নাটকীয়তার আশ্রয়। ভিকটিমের শরীরে নকল ব্যান্ডেজ করে ছবি তুলে পাঠানো হতো পরিবারের কাছে। যাতে ভিকটিমের পরিবার মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ে তাড়াতাড়ি তাদের চাহিদা মোতাবেক মুক্তিপণ দিয়ে দেয়। এরই মধ্যে ভিকটিমের পরিবারের কাছ থেকে ৭০,০০০/- (সত্তর হাজার) টাকা মুক্তিপণ আদায় করে পুনরায় নিজেদের অবস্থান পরিবর্তনের লক্ষে তারা কুতুপালং থেকে মেরিন ড্রাইভ রোড হয়ে কলাতলী এবং কলাতলী থেকে লিংক রোড এলাকায় আসলে র‌্যাবের হাতে আটক হয়।

উদ্ধারকৃত ভিকটিমসহ গ্রেফতারকৃত অপহরণকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের রামু থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন দুদকের মামলায় একজনের ৩ বছর কারাদণ্ড।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সম্পদ বিবরণী নোটিশ পাওয়ার পরও তা দাখিল না করা এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের দায়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় একজনকে ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মো. মিজানুর রহমানের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।দন্ডিত ব্যক্তির নাম হাসান মাঝি প্রকাশ মো. হাছান। হাসান মাঝি আনোয়ারা থানার রায়পুর ইউনিয়নের দক্ষিণ পড়ুয়াপাড়া ছমদ মেম্বারের বাড়ির মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে।

দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. রেজাউল করিম রনি জানান, ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমাণে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় হাসান মাঝি প্রকাশ মো.হাছানকে ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ৩৭ লাখ ৪ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায়ের সময় আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা মূলে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, দুদকের সম্পদ বিবরণী নোটিশ পাওয়ার পরও তা দাখিল না করা এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ৩৭ লাখ ৪ হাজার টাকার সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রাখার অভিযোগে হাসান মাঝির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। আসামি আইন অমান্য করে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেননি এবং অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদ নিজের দখলে রেখেছেন।

‎মিথ্যা অভিযোগে হয়রানি: চট্টগ্রামে নারীর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


‎থানায় মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে একটি বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে হয়রানি করার অপরাধে বিবি মরিয়ম বেগম নামে চট্টগ্রামের এক নারীকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

‎আজ (বুধবার) চট্টগ্রাম চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত-৬ এর ম্যাজিস্ট্রেট জনাব এস এম আলাউদ্দীন মাহমুদ এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত বিবি মরিয়ম নগরীর আকবরশাহ থানার উত্তর কাট্টলী এলাকার একাধিক মামলার আসামি ‘চটপটি আলাউদ্দিনের’ স্ত্রী ও ডাকাত ফয়সা‌লের মা । আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো: গিয়াসউদ্দিন চৌধুরী রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।আদালত ও পুলিশ প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর আকবরশাহ থানায় বীর মুক্তিযোদ্ধা জাকির হোসেনের ছেলে মোক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরি করেন বিবি মরিয়ম।

অভিযোগে তিনি দাবি করেন, মোক্তার হোসেন তার দুই ছেলে মো. ফয়সাল উদ্দীন ও ফাহাদ উদ্দীনকে মারধর এবং পরিবারকে হুমকি দিয়েছেন।
আদালতের নির্দেশে আকবরশাহ থানার তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এম সাকের আহমেদ ঘটনাটি সরেজমিনে তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। পুলিশের তদন্তে বিবি মরিয়মের অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রমাণিত হয়।

‎পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন এবং রাষ্ট্রপক্ষের লিখিত যুক্তিতর্ক অনুযায়ী, উত্তর কাট্টলী এলাকায় বীর মুক্তিযোদ্ধা জাকির হোসেনের মালিকানাধীন জমিটি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দখলের চেষ্টা করছিল স্থানীয় সন্ত্রাসী আলাউদ্দিন ও তার পরিবার। এই নিয়ে দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ এবং পরবর্তীতে আপিল বিভাগের ‘লার্জার বেঞ্চ’ বীর মুক্তিযোদ্ধা জাকির হোসেনের পক্ষে রায় বহাল রাখেন এবং নির্বিঘ্নে নির্মাণকাজের অনুমতি দেন।

‎আদালতের আদেশ অনুযায়ী, ২০২২ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর রাতে মোক্তার হোসেন তার জমিতে ইটভর্তি ট্রাক আনলে বিবি মরিয়মের ছেলে ফয়সাল ওরফে ‘গুটি ফয়সাল’ ও তার সহযোগীরা মোক্তার হোসেনের ওপর অতর্কিত ও বর্বরোচিত হামলা চালায়। হামলায় মোক্তার হোসেন মাথায় গুরুতর আঘাত প্রাপ্ত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

এই বর্বরোচিত হামলা ও নিজেদের অপরাধ ঢাকা দিতে এবং মুক্তিযোদ্ধার পরিবারকে ফাঁসাতে পরদিন ২৪ সেপ্টেম্বর থানায় উল্টো মিথ্যা জিডি করেন বিবি মরিয়ম।
‎অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিবি মরিয়মের স্বামী আলাউদ্দিন ওরফে চটপটি আলাউদ্দিন হত্যা মামলাসহ ১৪টিরও বেশি মামলার আসামি ও আওয়ামীলী‌গের একজন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী।

‎তার ছেলে ফয়সালও র‌্যাব কর্তৃক ডাকাতির প্রস্তুতিকালে হাতেনাতে ধৃত এবং একাধিক মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি। উচ্চ আদালতের সুস্পষ্ট নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় তৎকালীন সংসদ সদস্য দিদারুল আলমের রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় এই চক্রটি বারবার মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের ওপর হামলা চালিয়ে আসছিল। এমনকি অভিযুক্তদের পক্ষে তৎকালীন এমপির লিখিত সুপারিশের কারণে ভুক্তভোগী পরিবারটি দীর্ঘদিন পুলিশি প্রতিকার পায়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে।

‎পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বিবি মরিয়মের অভিযোগটি মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় এবং প্রকৃত ভুক্তভোগী মোক্তার হোসেনকে ফাঁসানোর চেষ্টা করায়, আদালত দণ্ডবিধির ২১১ ধারায় মামলাটি আমলে নেন। বিজ্ঞ আদালত ৫ জন সাক্ষীর জেরা ও জবানবন্দি পর্যালোচনা করে আজ এই রায় প্রদান করেন।

আলোচিত খবর

ক্রুড অয়েলের সরবরাহ স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরবে একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আমদানি ব্যাহত হওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির ক্রুড অয়েল প্রসেসিং ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে পুরো রিফাইনারিতে। ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) সংকট কেটে যাওয়ায় উৎপাদনে ফিরছে রিফাইনারিটি।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৭ মে থেকে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। এদিকে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও আরও এক লাখ টন ক্রুড অয়েল আসার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, রিফাইনারিতে সাধারণত সৌদি আরবের এরাবিয়ান লাইট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারবান ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা হয়। প্রতিবছর চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়ে থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো ক্রুড অয়েল দেশে আসেনি।

এতে করে প্রথমবারের মতো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি, যা ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর নজিরবিহীন ঘটনা।পরবর্তীতে বিকল্প রুট ব্যবহার করে তেল আমদানির উদ্যোগ নেয় বিপিসি। এর অংশ হিসেবে লোহিত সাগর হয়ে সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে আনা হচ্ছে। জাহাজটি ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে এবং ৬ মে থেকে তেল খালাস শুরু হবে। ইস্টার্ন রিফাইনারির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিপিং) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা এক লাখ টন ক্রুড অয়েলবাহী একটি জাহাজ ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। জাহাজ থেকে তেল খালাস শেষে ৭ মে থেকে পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ক্রুড অয়েলের বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। চলতি মাসেই আরও একটি জাহাজ তেল নিয়ে দেশে আসার কথা রয়েছে, ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ