আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

জায়গার অভাবে পণ্য ধ্বংসের কার্যক্রম পরিচালনায় হিশশিম খাচ্ছে কাস্টমস

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উপযুক্ত জায়গার অভাবে অনেক পণ্য ধ্বংসের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হিশশিম খাচ্ছে চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম শাখা। এ কারণে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে একটি জায়গা চেয়ে আবেদন করেছিল চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। তারই প্রেক্ষিতে নগরীর ইপিজেড থানাধীন দক্ষিণ হালিশহরে সাগর পাড়ের একটি জায়গা তিন মাসের জন্য বরাদ্দ দেয়। তবে সেই জায়গা পণ্য ধ্বংসের জন্য অনুপযোগী উল্লেখ করে পুনরায় বন্দরে কাছে উপযুক্ত জায়গা চেয়ে আবেদন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পণ্য ধ্বংসের নিয়োজিত কমিটি।
জানা গেছে, চট্টগ্রাম বন্দরে যেসব আমদানিকৃত পণ্য খালাস না হওয়ায় পচে গেছে, নষ্ট হয়েছে কিংবা মেয়াদ উত্তীর্ণ, ক্ষতিকর, আমদানি নিষিদ্ধ ও ব্যবহার এবং খাবার অনুপযোগী হয়েছে সেসব পণ্য ধ্বংস করে চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম শাখা।উপযুক্ত জায়গার অভাবে অনেক পণ্য ধ্বংসের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছিল না পণ্য ধ্বংসের নিয়োজিত কমিটি।
এদিকে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের সম্মেলন কক্ষে পণ্য ধ্বংসের নিয়োজিত কমিটির সভায় জানানো হয়, ধ্বংস কমিটির কয়েকজন সদস্য বন্দরের বরাদ্দকৃত জায়গাটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। সেখানে দেখা যায়, বন্দর কর্তৃপক্ষ ওই জায়গায় আরসিসি ব্লক দিয়ে বেড়িবাঁধ করেছিলেন। এমনকি জোয়ার ভাটা চালাকালে সেখানে পানি আসা যাওয়া করায় ওই ব্লক পর্যন্ত কাঁচা ও কাঁদা মাটিতে পরিপূর্ণ। তাই ওই জায়গায় চট্টগ্রাম বন্দর ও বিভিন্ন অফডক থেকে ২০ এবং ৪০ ফুটের কনটেইনারবাহী ট্রেইলার আসা যাওয়া করতে পারবে না। এছাড়া ওই জায়গায় ক্রেনসহ হেভিওয়েট ইক্যুইপমেন্ট নেওয়াও সম্ভব নয়।
সভায় ধ্বংস কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার ও ডেপুটি কমিশনার, জেলা প্রশাসন, পুলিশ, বিজিবি, বন্দর কর্তৃপক্ষ, ফায়ার সার্ভিস, পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় ওই জায়গার কিছু ভিডিও চিত্রও দেখানো হয় ধ্বংস কমিটির সদস্যদের। এরপর সকল সদস্যের মতামতের প্রেক্ষিতে ওই জায়গায় পণ্য ধ্বংস করা সম্ভব নয় বলে সিদ্ধান্ত নেয় পণ্য ধ্বংস কমিটি। পাশপাশি সভা থেকে পুনরায় বন্দরের কাছে বিকল্প উপযুক্ত জায়গা চেয়ে আবার আবেদন করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়। এদিকে একই সভায় ২১ কনটেইনার পচা/নষ্ট পণ্য ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত হয়। আগামী রবিবার থেকে সেই ধ্বংস কার্যক্রম শুরুর পরিকল্পনাও করা হয়েছে। তবে এইসব পণ্য কনটেইনার নিয়ে নয়, বরং ড্রাম ট্রাকে করে কনটেইনার থেকে পণ্য নিয়ে হালিশহরে সিটি কর্পোরেশনের ডাম্পিং ইয়ার্ডে এনে ধ্বংস করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ