আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

শিক্ষার হার বাড়লেও, বাড়েনি শিক্ষার মান: মেয়র ডা.শাহাদাত

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গত এক দশকে দেশে শিক্ষার হার বাড়লেও, শিক্মাষার মান বাড়েনি বলে মন্তব্য করেছেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।বুধবার পূর্ব বাকলিয়া সিটি কর্পোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র এ মন্তব্য করেন।

মেয়র বলেন, গত এক দশকে দেশে শি¶ার হার বাড়লেও মান বাড়েনি। ফলে, রাষ্ট্রের সর্বত্র নৈতিকতার অব¶য় দেখা গিয়েছে, সৃষ্টি হয়েছে কিশোর গ্যাং এর মতো নিকৃষ্ট কালচার, মাদকের পথে হেটে নষ্ট হয়েছে আগামীর প্রজন্ম। এজন্য শি¶া ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে জোর দিতে হবে নৈতিক শি¶ায়।

“শি¶ার অগ্রগতির প্রয়োজনে বিদ্যালয়ের গভর্নিং বডি পরিবর্তন করতে হবে। যারা এখানে নিয়মিত আসতে পারবে, ছেলেমেয়েদের খোঁজ-খবর নিতে পারবে, নিয়মিত শি¶ক-শি¶িকার সাথে কথা বলতে পারবে, তাদেরকে নিয়ে ছোট আকারে একটি গভর্নিং বডি করার অনুরোধ জানাচ্ছি। অনতিবিলম্বে এটা করতে পারলে দ্রুত সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা যাবে। শি¶কগণ সবসময় আমাদের কাছে গিয়ে যোগাযোগ করা সম্ভব নয়; কাজেই এ ধরনের একটা গভর্নিং বডি যদি তৈরি হলে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম আরো বেশি গতিশীল হবে বলে আমি মনে করি।

তিনি বলেন, যে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়েছে সবাই কিন্তু এখানে পুরস্কার পাবে না। আজকে যারা পুরস্কার পাচ্ছে তারা একটি জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে। আর যারা পুরস্কার পাচ্ছে না তাদেরকে ওই ধরনের কমিটমেন্ট নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে যে আগামীতে আমিও যাতে এই পুরস্কারটি পেতে পারি। এখন থেকে সে অধ্যবসায়, সেই চেষ্টা চিন্তা তোমাদের মধ্যে থাকতে হবে এবং প্রতিটি জায়গায় হার জিত আছে। কাজেই যারা জিতবে তারা যেনো যারা হেরে গিয়েছে তাদের সাথে যাতে কোন ধরনের ওই মনোভাবনা না দেখাই যে আমি বড় হয়ে গেছি তাকে কেন আমি মানবো? কাজেই এ ধরনের কোন বৈষম্য থাকা উচিত নয়।

“বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আজকে একটি নতুন বাংলাদেশের অভ্যুদয় হয়েছে। আমরা চাই এজন্য সব জায়গায় একটি সাম্যতা থাকুক। শি¶ার কোন বিকল্প নেই। শি¶াই হচ্ছে একটা জাতির মেরুদন্ড। শি¶াকে বাদ দিয়ে কোন কিছুই হতে পারে না। আমাদের যেমন একটা স্পাইনাল কর্ড আছে। স্পাইনাল কর্ড ভেঙ্গে গেলে যেমন আমার শরীর প্যারালাইজড হয়ে যায়, ঠিক একইভাবে কোন জাতির শি¶া ব্যবস্থা যদি ভেঙ্গে যায় তখন এই জাতি আর দাঁড়াতে পারেনা। “

বাংলাদেশকে আজকে একটি উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার পাশাপাশি আমাদের নৈতিক শি¶ায় শি¶িত হতে হবে। আজকের ছাত্র-ছাত্রী একদিন এদেশের কর্ণধার হবে, একদিন তারা বিচারক হবে বিচার করতে গিয়ে যদি কোন নিরীহ লোক যদি হয়রানির শিকার হয় তাহলে ওই শিক্ষার আর কোন দাম থাকবে না। পুঁথিগত বিদ্যার চাইতে নৈতিক শিক্ষায়ম সবাইকে শিক্ষিত হতে হবে কারণ পুঁথিগত বিদ্যা আর পর হস্তে ধন নহে বিদ্যা নহে ধন হলে প্রয়োজন।

ডা. শাহাদাত বলেন, আমি আজকে এখানে বিদ্যালয়ের অনেক সমস্যার কথা শুনেছি। এখানে একটি জায়গা আছে। সেখানে অলরেডি একটা পাইলিং করা হয়েছে নতুন বিল্ডিংয়ের জন্য। আমি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব এর সাথে কথা বলবো যাতে ভবনের কাজটি পুনরায় চালু করা হয় এবং অনতিবিলম্বে একটি নতুন বিল্ডিং এখানে গড়ে ওঠে। এ ব্যাপারে আমি অবশ্যই সার্বিক সহযোগিতা করব।

বৃহত্তর বাকলিয়ার উন্নয়নের বিষয়ে মেয়র বলেন, এই বাকলিয়া থেকে আমার রাজনীতির শুরু। আপনারা

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ