আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ, ২০২৬

লন্ডন প্রবাসী ব্যারিষ্টার আখতারের পক্ষে সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

বগুড়া সংবাদদাতা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আদালত অবমাননা করে নামজারি আবেদন নং ৬৩৪০৩২৮, কেস নং ২৩৩০ নামঞ্জুর করার কারনে বগুড়া শাজাহানপুর থানার এসি ল্যান্ড জান্নাতুল নাইম ও সুলতানগঞ্জের তহশিলদার রজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক ব্যাবস্থা গ্রহণের দাবিতে প্রবাসী ব্যারিষ্টার মোঃ আখতার মাহমুদের পক্ষে শনিবার দুপুরে বগুড়া প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন হাফেজ রকিবুল ইসলাম। তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, শহরের চকফরিদ মৌজাস্থ সিএস ৮৮ নং খতিয়ান এম আর আর ৯৩ নং খতিয়ানভুক্ত ১৬ শতক সম্পত্তি নিয়ে আমার পিতামাতা বাদী হইয়া বিজ্ঞ দেওয়ানী আদালতে ৫১/৯৪ নং বন্টন মোকদ্দমা করলে উক্ত ১৬ শতক সম্পত্তি বাবদ আদালতের ডিক্রী প্রাপ্ত হয়ে এডভোকেট কমিশনার যোগে দখলপ্রাপ্ত হয় এবং তৎপ্রেক্ষিতে ফাইনাল ডিক্রি প্রাপ্ত হয়। তৎপর দরখাস্তকারীর মাতার প্রাপ্ত ৭.৫০ শতক সম্পত্তি দরখাস্তকারী ব্যারিষ্টার আখতার মাহমুদ বরাবর হেবার ঘোষণামূলে হস্তান্তর করে আদালতের মাধ্যমে দখল বুঝিয়ে পাই। পরবর্তীতে আমার পিতা ৮.৫০ শতক সম্পত্তিতে স্বত্ব দখল পরিচালনা করা অবস্থায় মারা গেলে স্ত্রী আকতামা বেগম ২ পুত্র দরখাস্তকারী ব্যারিষ্টার আখতার মাহমুদ ও আব্দুল্লাহ মাহমুদ ২ কন্যা রওশন জাহান ও রাফিয়া আনজুম পাপিয়া ওয়ারিশ থাকে। দরখাস্তকারী উক্ত সম্পত্তি বিষয়ে এসি ল্যান্ড বরাবর খারিজ আবেদন করলে প্রতিবেদন ও প্রস্তাবের জন্য সুলতানগঞ্জ তহশিলদার মোঃ রজিবুর রহমান বরাবর প্রেরণ করলে দরখাস্তকারীর প্রতিনিধিকে সম্পত্তির কাগজাদী নিয়ে তহশিল অফিসে আসতে বলেন। দরখাস্তকারী লন্ডন প্রবাসী হওয়ায় তার পক্ষে নিযুক্ত এডভোকেট সম্পত্তির মালিকানার সকল কাগজাদী ও ৫১/৯৪ বন্টন মোকদ্দমার রায় ও ডিক্রীর কপি প্রদর্শন করলেও তা আমলে না নিয়ে অন্যায় ও ষড়যন্ত্রমূলকভাবে প্রথম দফায় এডভোকেটকে অনুপস্থিত দেখিয়ে এবং মালিকানা প্রমাণিত হয়নি ও দলিলের ধারাবাহিকতা নাই উল্লেখ করে খারিজ আবেদন নামঞ্জুর করা হয়। বস্তুতঃ ৫১/৯৪ বন্টন মামলার মাধ্যমে জমি পাওয়া। মালিকানা ও দলিলের ধারাবাহিকতা আদালত ফয়সালা করে দিয়েছে। এ আদেশ সকলের উপর বাধ্যকর। সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত নিশ্চত করেছে জমির মালিকানা নিষ্কন্টক। তথাপি এ অফিসারেরা আদালতের আদেশ অমান্য করে আইন ভঙ্গ করেছে। তারা ভুল করে এমন কাজ করেছে ভেবে ২য় বার আবেদন করলে বিনা শুনানীতে এ অফিসারেরা খারিজ নামঞ্জুর করে। পক্ষান্তরে ৫১/৯৪ মামলায় সাহাম পায়নি এমন ব্যাক্তিকে খারিজ করে দেয়। আমি ষড়যন্ত্রমূলকভাবে সৃষ্ট খারিজ বাতিলে আবেদন করা হলে তাতে মামলা নম্বর বা শুনানীর তারিখ দুই মাসেও দেয়নি এ এসিল্যান্ড ও তহশিলদার। উল্লেখ্য আমাদের ১৬ শতক জমির মাঝের সোয়া চার শতক জমিতে বসবাসকারী বিহারিদের উচ্ছেদের বিষয়ে উচ্চ আদালতে মামলা চলমান। এমতাবস্থায় ভূমি দস্যুরা মোট ১৬ শতক জমির ২.৫ শতকে থাকা আমার বাড়ি ব্যাতিত পুরা জমি দখলের নানাভাবে চেষ্টা করছে। ভূমিদস্যুরা রাতের আধারে দখল করতে গেলে ভূমি অপরাধ আইনে মামলা করা হয়েছে। ৫ আগস্টের পর বর্তমান সরকার যেখানে সর্বসাধারণের সকল কথা মনোযোগ দিয়ে শুনছে সেখানে সরকারের উদ্দেশ্য ব্যহত করতে একজন প্রবাসী রেমিটেন্স আর্নার সাংবাদিক ও ব্যারিষ্টারকে হয়রানি করতে এবং ভূমিদস্যুদের সহায়তা করতে এ সরকারী কর্মকর্তারা পিছুপা হননি। আরো উল্লেখ্য, দেশের খারাপ পরিস্থিতির সুযোগে ৫ তারিখ রাতে মুখোসধারীরা অস্ত্র হাতে বাড়ি দখল করতে যায়। তারা ইতিপূর্বে রাস্তা দখল, তিনাটা বড় গাছ কেটে জমি দখল করেছে। ভাড়াটেদের হুমকি ধামকি দিয়ে আমার জমিতে আমার শান্তিপূর্ণ বসবাস প্রায় অসম্ভব করে ফেলেছে। এ বিষয়ে পুলিশকে জানালে পুলিশ দৃশ্যমান কোন ব্যাবস্থা নেয়নি। পুলিশ যাতে ব্যাবস্থা নেয় এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও আইজির দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। অন্যায় ভাবে খারিজ আবেদন অভিযুক্তরা নামঞ্জুর করে আমার সাংবিধানিক অধিকার “সম্পদের অধিকার” থেকে বঞ্চিত করে এ কর্মকর্তারা সংবিধান লংঘন করেছে। আদালতের আদেশ ৫১/৯৪ মামলার রায় অমান্য করে দুষ্কৃতকারীকে খারিজ করে দেয়া, খারিজ বাতিল আবেদন গ্রাহ্য না করা, আদলতের রায় অমান্য ও গোপন করে এ ব্যাক্তিদ্বয় আদালত অবমাননা ও গুরুতর অপরাধ করেছে। উল্লেখ্য ভূমিদস্যুতার কারনে ও ভূমি অপরাধ আইনে দায়ের করা মামলার আসামি সুমন/মাসুদরানার দলিলে মিথ্যা তথ্যে, মিথ্যা চৌহদ্দি, নকশা, বন্টন মামলার তথ্য গোপন করা হয়েছে। ফাকা জমিকে টিনের ঘর বলা খারিজ দেয়া হয়েছ। মার্চ-এপ্রিলে আমি দেশে থাকার সময় পেশি শক্তির বলে আমার জমি দখল করতে আসলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। এ সমস্যার সমাধানে মার্চ-এপ্রিলে ২০২৪ এ খাজনা খারিজ পরিশোধে সুলতানগঞ্জ তহশিল অফিসে গেলে তহশিলদার আমাকে তিন শতক জমি প্রভাবশালী প্রতিবেশীকে (আওয়ামী ভূমিদস্যু মঞ্জুরুল আলম মোহনের ক্যাডার সেলিম; ফ্যাসিষ্টের পতনে উভয়ে পলাতক) ছেড়ে দিতে বলে। জমি না দিলে প্রাণ থাকবেনা বলে তিনি এ কথাও বলেন মাথা চান না জমি চান। প্রাণনাশের হুমকির কথা বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে। হুমকি দেবার মতো শক্তির উৎস ফ্যাসিষ্ট আওয়ামিলীগ। এ সংগঠনের সাথে যুক্ত মাফিয়ার ব্যাক্তিদের সাথে তহশিলদার, সাবেক ছাত্রলীগ এসি ল্যান্ডের যোগসাজোসের তদন্তের দাবি করছি। দাবি করছি তাদের ও তাদের পরিবারে সকল সদস্যের স্থাবর অস্থাবর সম্পদের হিসাব করার। আন্তর্জাতিক আইনে সম্পত্তির অধিকারকে মানবাধিকার হিসেবে সুরক্ষিত করা হয়েছে, বিশেষ করে সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা (ধারা ১৭) এবং ইউরোপীয় কনভেনশন অন হিউম্যান রাইটস প্রোটোকল ১, ধারা ১ এর মতো চুক্তিসমূহ মতে ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে ইচ্ছাকৃত বা অন্যায়ভাবে বঞ্চিত করা মানবাধিকার লংঘন। আমার জমি অন্যকে জালিয়াতি করে খারিজ করে দিয়ে খারিজ বাতিলের আবেদন ঝুলিয়ে রেখে আমার জমির খারিজ ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ভূয়া অজুহাতে নামঞ্জুর করে এ অফিসারেরা আমার মানবাধিকার ও সাংবিধানিক অধিকার লংঘন করেছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে শেষ সময়ে ঘরমুখো মানুষের স্রোত, রেল ষ্টেশন-টার্মিনালে উপচেপড়া ভিড়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদের সাতদিনের ছুটিকে কেন্দ্র পরিবার পরিজনের সাথে ঈদের আনন্দ বাগাভাগি করতে বন্দরনগরী ছেড়ে যাচ্ছে মানুষ। মহানগরের বাস টার্মিনালগুলো ও রেলওয়ে স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখ পড়ার মতো। বুধবার ভোর থেকেই চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। যথাসময়ে ছেড়ে যাচ্ছে একের পর এক ট্রেন। এছাড়া ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যেতে বাস টার্মিনালেও ভিড় করেন যাত্রীরা।

পরিবার-পরিজন নিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারছেন বলে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অনেকেই। এদিকে চট্টগ্রাম অনেকটা ফাঁকা হতে শুরু করেছে। নগরের বিভিন্ন ব্যস্ত রাস্তায় নেই আগের চিরচেনা যানজটের দৃশ্য। যানজটহীন স্বস্তিতে গাড়ি নিয়ে ঘুরছেন নগরবাসী।
চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) শেখ মো. সেলিম বলেন, এখানে নিরাপত্তার কোনও শঙ্কা নেই। পুলিশের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রার জন্য। প্রয়োজনীয় যা যা ব্যবস্থা করা দরকার তা নেওয়া হয়েছে। যানজট নিরসনেও পুলিশ কাজ করছে। যাত্রীদের ভাড়ার বিষয়েও আমরা তদারকি করছি।

বুধবার মহানগরের কদমতলী, বহদ্দারহাট ও নতুন ব্রিজ জিইসি বাস কাউন্টারে গিয়ে দেখা যায়, যাত্রীর চাপ বেশি। টিকিট পাচ্ছেন না অনেকে। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা পর সকালে ছেড়ে যাওয়া ফিরতি গাড়ি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন কেউ কেউ। যাত্রীর চাপের তুলনায় বাস টার্মিনালে গাড়ির সংকট দেখা গেছে। তবে কাউন্টার বসে থাকা কর্মকর্তারা বলছেন, যে গাড়িগুলো গেছে সেগুলো ফিরে এলেই এই টিকিটের সংকট থাকবে না। যাত্রীর তুলনায় গাড়ি কম।
চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে যাত্রীরা বলছেন, কোনও ভোগান্তি নেই। তারা নির্বিঘ্নে যথাসময়ে ট্রেনে উঠছেন এবং ট্রেন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে। এছাড়াও কিছু কিছু ট্রেনে স্ট্যান্ডিং টিকিট কেটে যাত্রীরা যেতে পারছেন। সকালে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেন। অন্য ট্রেনগুলোও যথাসময়ে ছেড়ে গেছে। তাই স্টেশনে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। দূরপাল্লার যানবাহনের পাশাপাশি মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল ও খোলা ট্রাকে কম ভাড়ায় গন্তব্যে যাচ্ছে লোকজন।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক দুর্ঘটনাপ্রবণ বাঁকগুলোতে বিআরটিএ’র সতর্ক সংকেত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের দুর্ঘটনাপ্রবণ বাঁকগুলোতে সতর্ক সংকেত হিসেবে লাল পতাকা স্থাপন করেছে। ঈদুল ফিতর সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ করতে দক্ষিণ চট্টগ্রামের এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ৯টি বাঁকে উভয় পাশে সারিবদ্ধভাবে এসব পতাকা বসানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক বছরে এসব বাঁকে একাধিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে গত বছরের ঈদুল ফিতরের দিন সকালে লোহাগাড়ার জাঙ্গালিয়া এলাকায় একটি ভয়াবহ দুর্ঘটনায় কয়েকজন নিহত হন। এরপর থেকেই বাঁকগুলোতে নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি ওঠে।

মহাসড়কে চলাচলকারী কয়েকজন বাস চালক জানান, রাতে বা কুয়াশার সময় হঠাৎ বাঁক সামনে চলে আসায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে। নতুন করে লাল পতাকা বসানোয় আগেভাগেই সতর্ক হওয়া সহজ হবে।তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, শুধু অস্থায়ী পতাকা নয়-স্থায়ী সাইনবোর্ড, গতিসীমা নির্দেশনা, রিফ্লেক্টর ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থাও জরুরি। পাশাপাশি অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

বিআরটিএর তালিকা অনুযায়ী, যেসব স্থানে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেশি, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে লোহাগাড়ার চুনতির শেষ সীমানায় বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য সংলগ্ন বাঁক, লোহাগাড়া–চুনতির জাঙ্গালিয়া বাঁক, চুনতির ডেপুটি বাজারের আগে ও পরের বাঁক, চুনতি ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন এলাকা, লোহাগাড়া রাজাঘাটা, সাতকানিয়ার মিঠা দীঘি, চন্দনাইশের খানহাট পুকুর এবং পটিয়ার পাইরুল মাজারসংলগ্ন বাঁক।

বিআরটিএ চট্টগ্রাম জেলা সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) উথুয়াইনু চৌধুরী বলেন, ঈদের সময় এই মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তাই ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকগুলোতে আগাম সতর্কতা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি বিআরটিএর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উদ্যোগে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রতিটি বাঁকের উভয় পাশে পাঁচটি করে মোট ১০টি লাল পতাকা বসানো হয়েছে। ফলে দূর থেকেই চালকেরা বিপজ্জনক বাঁক সম্পর্কে সতর্ক হতে পারবেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ