আজঃ রবিবার ৩ মে, ২০২৬

রাজশাহী সুগার মিলে আখ মারাই ২৯ নভেম্বর

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আগামী ২৯ নভেম্বর থেকে রাজশাহী সুগার মিলে চালু হচ্ছে আখ মাড়াই কার্যক্রম। এ লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে মিল কর্তৃপক্ষ। চলতি মৌসুমে এবার মিল এলাকায় বেড়েছে আখের উৎপাদন। দামও বেড়েছে প্রতিমণে ২০ টাকা করে।

রাজশাহী সুগার মিলস সূত্রে জানা গেছে, এবছর মিলে ৫৫ হাজার টন আখ মাড়াইয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২৩-২০২৪ মৌসুমে ৬ হাজার ৫০০ একর জমিতে আখচাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এতে ২০২৪-২০২৫ আখ মাড়াই মৌসুমে চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪ হাজার টন। গত বছর আখ মাড়াই করা হয়েছে ৪২ হাজার ৯৬২ টন। এবছর প্রায় সাত হাজার টন বেশি আখ মাড়াই করা হবে বলে আশা করছেন মিল কতৃপক্ষ।

এবছর মিল জোন এলাকায় আখের চাষ বেড়েছে। সেই সঙ্গে কর্তৃপক্ষ প্রতি মণ আখের দাম বাড়িয়েছে ২০ টাকা। গত বছর প্রতিমণ আখ কেনা হয়েছিল ২২০ টাকা মণ দরে। এবছর ২০ টাকা বাড়িয়ে ২৪০ টাকা মণ দরে আখ কিনবে মিল কত্পক্ষ। এছাড়া রাজশাহী সুগার মিলে গত বছরের ৪৪৩ টন চিনি অবিকৃত অবস্থায় রয়েছে। এই চিনিগুলো সরকারিভাবে বিক্রি করা হয়।

রাজশাহী সুগার মিলসে রয়েছে মোট নয়টি সাব জোন। এরমধ্যে পশ্চিমে ক”গেট কাশিয়াডাঙ্গা, নওদাপাড়া মিলস গেট ও মিলস গেট ‘খ’ জোন। পুঠিয়া, নন্দনগাছী, সরদহ, চারঘাট ও আড়ানীতে উৎপাদন বেশ ভালো। সেক্ষেত্রে মিলের মোট চাহিদা এ পাঁচটি সাব জোন থেকেই পূরণ করা হয়।

জানা গেছে, ১৫ অক্টোবর ২০২৪-২৫ মাড়াই মৌসুমের পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে বয়লার ফায়ারিং, ওয়াটার ট্রায়াল, মেরামতি ও রক্ষণাবেক্ষণ এবং মাড়াই মৌসুমের উদ্বোধন সম্পর্কে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সিদ্ধান্ত হয় আগামী ২৯ নভেম্বর আখ মাড়াই কার্যক্রম শুরু হবে। এরমধ্যে গত ৮ নভেম্বর বয়লার স্লো ফায়ারিং করা হয়। এছাড়া আগামী ২৪-২৫ নভেম্বর ওয়াটার ট্রায়াল করা হবে।

এ বিষয়ে রাজশাহী সুগার মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন কবীর বলেন, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ২৯ নভেম্বর রাজশাহী সুগার মিলে আখ মাড়াই কার্যক্রম শুরু হবে। এ লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। এই বছর কৃষক পর্যায়ে আখের দাম প্রতিমণে ২০ টাকা বাড়ানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, গত বছরের তুলনায় এবছর আখের উৎপাদন বেড়েছে। আশা কর হচ্ছে লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করবে। মিলে অবিকৃত চিনি রয়েছে। সরকার যেভাবে চাই সেভাবে বিক্রি করা হয় চিনিগুলো। মিলে বর্তমানে এক মণ আখ মাড়াই করলে ২ কেজি ৪০০ গ্রাম চিনি উৎপাদন হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নেত্রকোণায় বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোণায় বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত হয়েছে। বাংলাদেশ প্রেসক্লাব নেত্রকোণা জেলা শাখার উদ্যোগে দিনটি উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

রবিবার (৩ মে) জেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন মূল সড়কে র‌্যালি ও বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব নেত্রকোণা জেলা শাখার মোক্তারপাড়াস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব নেত্রকোণা জেলা শাখার আহবায়ক মাহমুদুল হাসান শামীম তালুকদার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট আলোচক প্রফেসর ননী গোপাল সরকার।

এ সময় আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন সিনিয়র সাংবাদিক অরবিন্দ ধর, সিনিয়র সাংবাদিক অধ্যাপক বিজয় দাস, সাংবাদিক সুস্হির সরকার,সাংবাদিক সারোয়ার, সাংবাদিক মোনায়েম খান, সাংবাদিক মানিক মিয়া, প্রভাষক সিরাজুল ইসলাম খান সোহেল,মেহেদী হাসান,সম্পাদক ও প্রকাশক ডেইলি নেত্রনিউজ,সাংবাদিক ওবায়দুল ইসলাম সাগর,সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম,সাংবাদিক হাবীবুর রহমান,মাহবুব আলম, রফিক প্রমুখ।

ভাঙ্গুড়ায় অবৈধ মাটি কাটার অভিযোগে যুবককে পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদন্ড।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভাঙ্গুড়ায় অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে এক যুবক কে পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। শনিবার ২ মে বিকাল ৩ টার দিকে উপজেলাধীন খানমরিচ ইউনিয়ন এর মহিষবাথান এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে মোঃ শহিদুল ইসলাম (৪০), পিতা-
মো: আলহাজ্ব আফজাল প্রাং, সাং-মহিষবাথান, ভাঙ্গুড়া, পাবনা কে বালুমহাল ও মাটি ব্যাবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ১৫(১) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা জরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মিজানুর রহমান। এ সময় ভাঙ্গুড়া থানার এসআই সুব্রত কুমার সহ পুলিশ টিম সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটার কার্যক্রম চলছিল, যা কৃষিজমি ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠেছিল। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে দ্রুত ভ্রাম্যমাণ আদালতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জনাব মিজানুর রহমান জানান, অবৈধভাবে মাটি কাটা ও পরিবেশ ধ্বংসের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ