আজঃ সোমবার ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬

বাগদাদীয়া খানকাহ শরীফের শুভ উদ্বোধন চট্টগ্রামে

স ম জিয়াউর রহমান, চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আঞ্জুমানে আশেকানে মদীনা কমপ্লেক্সের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান বাগদাদীয়া খানকাহ শরীফ সাবানঘাটাটা শাখার শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে আলোচনা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল গত ২২ নভেম্বর শুক্রবার বাদে মাগরিব নগরের চান্দগাঁও থানাধীন সাবানঘাটা এলাকায় বাগদাদীয়া খানকাহ শরীফে অনুষ্ঠিত হয়।
খানকাহ শরীফের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি, বিশিষ্ট সমাজসেবী আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসহাক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন বাগদাদীয়া খানকাহ শরীফের প্রতিষ্ঠাতা, মদীনা শরীফ ও বাগদাদ শরীফের সাবেক খাদেম হযরত শাহসূফি আব্দুল হালিম আল মাদানি ( ম: জি: আ:)। বিশেষ অতিথি ছিলেন নগরের ওয়াজেদীয়া আলীয়া মাদ্রাসার আরবী প্রভাষক মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল হাই আলকাদেরী ( ম: জি: আ:) ও তরুণ বক্তা হযরত নিয়াজ মাখদুম ফারুকী।

এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন, তারেক শাহ, মোহাম্মদ জাহেদুল ইসলাম পাটোয়ারী, মোহাম্মদ ফজলুল হক, নুর উদ্দিন, মোহাম্মদ আলী, স ম জিয়াউর রহমান , মোহাম্মদ ইয়াকুব আলী
, কাজী নাজমুল হাসান সেলিম, মোহাম্মদ ইদ্রিস মামুন, মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন, এডভোকেট এম শফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক গোলাম রব্বানী।

মাওলানা মোহাম্মদ নাছির উদ্দীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা শাহসূফি আব্দুল হালিম আল মাদানি বলেন, আল্লাহর সন্ধান পেতে হলে নবী ও রাসুলের কাছে যেতে হবে আর নবী ও রাসুল পেতে হলে অলি আউলিয়ার কাছে যেতে হবে। পরকালের সঠিক পথ অনুসন্ধানের জন্য ও মুক্তির পথ৷ অনুসরণ করে ইহকালে এবং পরকালে মুক্তির জন্য বাগদাদীয়া খানকাহ শরীফের সূচনা। তিনি আরও বলেন, যারা নবী আউলিয়ার পথ অনুসরণ করে না, তারা গোমরাহী ও অভিশপ্ত জীবনপ্রাপ্ত।

আলোচনা সভা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল শেষে দেশ, জাতি ও তরিকতের উন্নতি, সমৃদ্ধি ও সফলতা কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন হযরত মাওলানা শাহসূফি আব্দুল হালিম আল মাদানি ( ম: জি: আ:)। সর্বশেষ উপস্থিত সকলের কাছে তবররক বিতরণ করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

‎মাইজভাণ্ডার দরবার শরিফে ‎তাযকেরা-এ-চেরাগে উম্মতে আহমদী (দঃ) মাহফিল ২০২৬ সম্পন্ন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

‎গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী প্রবর্তিত ত্বরিকার আদর্শের কিংবদন্তী পরিচর্যাকেন্দ্র জাতি-ধর্ম নির্বশেষে খোদা তালাশী বান্দাগণের মমতাময় আশ্রয় কেন্দ্র গাউসিয়া হক মঞ্জিল।‎সপ্তম “তাযকেরা-এ-চেরাগে উম্মতে আহমদী (দঃ) মাহফিল-২০২৬” এ সভাপতির বক্তব্যে মাইজভাণ্ডার শরিফ দরবারে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক মঞ্জিল’র সাজ্জাদানশীন ও ‘শাহানশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক.) ট্রাস্টের ম্যানেজিং ট্রাস্টি শাহ্ সুফি সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (মা.জি.আ.) এ গুরুত্বপূর্ণ অভিমত ব্যক্ত করেন।

‎বাংলার জমিনে প্রবর্তিত একমাত্র ত্বরিকা, বিশ্বসমাদৃত ত্বরিকা “ত্বরিকা-ই-মাইজভাণ্ডারীয়া”র প্রবর্তক খাতেমুল আউলিয়া গাউসুল আযম হযরত মাওলানা শাহ্ সুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ্ মাইজভাণ্ডারী (ক.)’র দ্বিশততম জস্মবার্ষিক ও ১২০তম ‘মহান ১০ মাঘ উরস শরিফ’ উপলক্ষে মাইজভাণ্ডার শরিফ ‘দরবার-ই গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী’র গাউসিয়া হক মঞ্জিল-এর ব্যবস্থাপনায় ‘মাইজভাণ্ডার শরিফ শাহি ময়দান’-এ সপ্তম “তাযকেরা-এ-চেরাগে উম্মতে আহমদী (দঃ) মাহফিল-২০২৬” গত ১৭ জানুয়ারি রোজ শনিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎মাওলানা মুহাম্মদ মুজিবুল হক মাইজভাণ্ডারী ও মাওলানা মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেনের যৌথ সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা কাযী আব্দুল আলীম রেজভী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আরবি বিভাগের অধ্যাপক ড. মাওলানা মোহাম্মদ জাফর উল্লাহ, মাদ্রাসা-এ-গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী’র অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ আবুল কাছেম। উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ মঈনুদ্দিন। মাইজভাণ্ডার শাহি জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মুহাম্মদ বশিরুল আলম মাইজভাণ্ডারী ও সাবেক খতিব আলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম ফোরকানী।

‎মাহফিলে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদের সম্মানিত সভাপতি আলহাজ্ব রেজাউল আলী জসীম চৌধুরী, তাজকিয়ার কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা আবু নাসের অন্তুু, নারায়নহাট ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আ.ও.ম. ফারুক হোসাইন, ফটিকছড়ি জামেউল উলুম ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ হুমায়ন কবির মজুমদার, মুনিরুল উলুম বারীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার আধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ ফখরুদ্দীন, মহি উসুন্নাহ মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আলী আজম হাশেমী, সমিতিরহাট ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ ইলিয়াস খান, নানুপুর মহিলা আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আহমদ উল্লাহ, আশেকানে আউলিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা রিদুয়ানুল হক।
‎‎
‎এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ফটিকছড়ি, হাটহাজারী ও রাউজান উপজেলার বিভিন্ন দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, সহ-প্রধান, মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদের সদস্যবৃন্দ, মাদ্রাসা-এ-গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী এবং উম্মুল আশেকীন
‎মুনাওয়ারা বেগম এতিমখানা ও হেফজখানার শিক্ষকমণ্ডলী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ।

‎মিলাদ-কিয়াম ও তাওয়াল্লোদে গাউসিয়া পরিচালনা করেন বিশ্বঅলি শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক.) রওজা শরীফের খাদেম মাওলানা হাবিবুল্লাহ।

সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী (ক.)’র ১২০তম উরস শরিফ উপলক্ষে তাযকেরা-এ-চেরাগে উম্মতে আহমদী (দ.) মাহফিল ১৭ জানুয়ারি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলার জমিনে প্রবর্তিত একমাত্র ত্বরিকা, বিশ্ব সমাদৃত ‘ত্বরিকা-ই-মাইজভাণ্ডারীয়া’র প্রবর্তক ইমামুল আউলিয়া, খাতেমুল আউলিয়া, গাউসুল আযম হযরত মাওলানা শাহ্ সুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী (ক.)’র ১২০তম ‘মহান ১০ মাঘ উরস শরিফ’ উপলক্ষে তাযকেরা-এ-চেরাগে উম্মতে আহমদী (দ.) মাহফিল মাইজভাণ্ডার শরিফ শাহী ময়দানে আগামী ১৭ জানুয়ারি ২০২৬খ্রি. শনিার বা’দ আসর অনুষ্ঠিত হবে।

গাউসিয়া হক মন্জিলের ব্যবস্থাপনায় সদারত করবেন গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর পবিত্র রক্ত ও ত্বরিকতের উত্তরাধিকার সূত্রে এবং অছিয়ে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর প্রদত্ত দলিলমূলে, গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর রওজা শরিফের খেদমতের হকদার, তাঁর স্মৃতি বিজড়িত অনুষ্ঠান-প্রতিষ্ঠান ও শাহী ময়দান ব্যবস্থাপনার হকদার রাহ্বারে আলম হযরত শাহ্সুফি সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (মা.জি.আ.), সাজ্জাদানশীন, গাউসিয়া হক মন্জিল, দরবারে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী, মাইজভাণ্ডার শরিফ। উক্ত অনুষ্ঠানে সকলের উপস্থিতি কামনা করা হয়।

আলোচিত খবর

নতুন রাজনৈতিক মুভমেন্ট এনপিএ’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গণতন্ত্র, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং প্রাণ, প্রকৃতি ও পরিবেশ সুরক্ষা এই পাঁচ মূলনীতি নিয়ে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন-এনপিএ’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে।আজ ১৬ জানুয়ারি শুক্রবার বিকেল চারটায় রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্ল্যাটফর্মটির ১০১ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কাউন্সিল ঘোষণা করা হয়।

কাউন্সিলের মুখপাত্র হয়েছেন ফেরদৌস আরা রুমী, নাজিফা জান্নাত ও তুহিন খান। তারা একেকজন একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পালাক্রমে এই দায়িত্ব পালন করবেন।কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- অনার্য মুর্শিদ, অনিক রায়, অনিকেত চার্বাক, অনিন্দ্য পন্ডিত, অনিরুদ্ধ রতন দাস, অনুপম সৈকত শান্ত, অপু সাহা, অমর্ত্য রায়, অলিউর সান, অলিক মৃ, আফজাল হোসেন, আতিকুর রহমান আতিক, আদ্রিতা কবির, আলমগীর কবির মিথুন, আসাদ রেহমান, আশিকুর রহমান অনিক, আহমেদ আন-নাবা, ইমতিয়াজ নাদভী, ইরফান আহমেদ, ইলোরা সুলতানা, ঋভু রহমান, কাওসার শাকিল, কাওসার হামিদ, কে এম সুফিয়ান, কৌশিক আহমেদ, খালিদ হাসান আলো, জাকারিয়া হোসেইন, জান্নাতুল মাওয়া আইনান, জাহিদ জামিল, জাহিদ হোসেন ইনকিয়াদ, টিপু গোস্বামী, তসলিম আহমেদ, তাসলিমা মিজি, তাহমীদুর আর চৌধুরী, তাহসিন আহমেদ অমি, নজরুল ইসলাম, নাজমুল আহমেদ, নাফিসা রায়হানা, নাশাদ ময়ুখ, নাসিরউদ্দিন টগর, নিসর্গ নিলয়, নীলা চাকমা, নূমান আহমাদ চৌধুরী, পারভেজ আলম, পুন্নি কবির, ফজলে রাব্বী খান তাজ, ফয়জুল্লাহ আনান, ফরহাদ নাইয়া, ফারিয়া জামান নিকি, ফেরদৌস আরা রুমী, বাকী বিল্লাহ, বিনয় আমিন, মঈনুল ইসলাম শুদ্ধ, মনোয়ার হোসেন নাইম, মাঈন আহমেদ, মাহবুবুর রহমান, মামুনুর রশিদ, মারুফ বিল্লাহ তন্ময়, মাসুদ রানা, মিম আরাফত মানব, মিতা নাহার, মীর মোকাররম শুভ, মীর হুযাইফা আল-মামদূহ, মুকুল ইসলাম, মুশফিকুর রহমান, মো. হাসিব, মোশফেক আরা শিমুল, মোহন বড়ুয়া, রঞ্জন কুমার দে, রহমত উল আলম, রাজীব চক্রবর্তী সুকান্ত, রাফসান আহমেদ, রাশেদুল কবীর রাফি, রাহাত মুস্তাফিজ, রাহুল দাস, রিয়াদুস সালেহীন জাওয়াদ, রেজওয়ান আমীন, রেজাউর রহমান রিন্টু, রৌদ্র তাপসী, শর্মী হোসেন, শামীম আরা নীপা, শেখ ফাতেমা খায়রুন, সমির সরকার, হাসান ইকবাল সজীব, সমির সরকার, সজীব তানভীর, সাখাওয়াত ফাহাদ, সাদ আহমেদ, সাদিক মোহাম্মদ আলম, সামি মোহাম্মদ, সালেহ রাব্বি, সেতু আরিফ, সৈয়দা নীলিমা দোলা, সোনিয়া আফরোজ যুথী, সৌরভ দেব, হাবিব ইমরান জনি, হাসান সালিহি এবং হাসান সোলাইমান।

নতুন মাত্রায় এফ্ল্যাটফর্মের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের মধ্যে রয়েছে: সর্বস্তরে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, সাম্য ও সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা, সংবিধান সংস্কার, মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণ, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের সংস্কার এবং অর্থনৈতিক রূপান্তর।এসময় স্বাগত বক্তব্যে কাউন্সিলের সদস্য অনিক রায় বলেন- আমরা রাজনীতিকে কেবল ভাবাদর্শিক লড়াইয়ে পরিণত করতে চাই না। আবার ওয়েলফেয়ারের নামে পেট্র-ক্লায়েন্ট ভিত্তিক রাজনীতিও আমাদের লক্ষ্য নয়। আমরা চাই রাষ্ট্র ও নাগরিকের সম্পর্কের একটি মৌলিক রূপান্তর। আমরা চাই একটি মানবিক রাষ্ট্র, শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, ন্যায্য অর্থনীতি এবং সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টন।তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি পুঁজির গণতান্ত্রিক বিকাশ, সামাজিক নিরাপত্তা এবং ন্যায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাই পারে এই দেশকে সত্যিকারের গণতান্ত্রিক ও মানবিক রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করতে। এই কারণেই আমরা বলছি আমাদের পথ একটি সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট, সামাজিক গণতন্ত্রের আন্দোলন। এটি কেবল ক্ষমতার লড়াই নয় বরং সমাজকে সুসংহত ও গণতান্ত্রিক করে তোলা এবং মানুষের আত্মসামাজিক মুক্তি নিশ্চিত করার সংগ্রাম। যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ একটি ন্যায্য ও মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ