আইনজীবী আলিফ হত্যাকারীদের বিচারের আওতায় আনুন-আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশন

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 চট্টগ্রাম আদালত চত্বরে আইনজীবী মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা কান্ডের প্রতিবাদে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশন-বাংলাদেশ-এর চট্টগ্রাম বিভাগ, চট্টগ্রাম উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগর শাখার যৌথ উদ্যোগে শনিবার বিকাল ৩ ঘটিকার সময় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব চত্বরে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের নেতা মঈন উদ্দীন আহমেদের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের নেতা সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম ও মানবাধিকার নেতা সমাজসেবেক মো. আওরঙ্গজেব খান সম্রাট এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন, চট্টগ্রাম বারের সভাপতি এড. মুহাম্মদ নাজিম উদ্দিন চৌধুরী। প্রধান বক্তা চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব ও সিডিএ’র বোর্ড সদস্য সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি।
প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলাদেশের পিস অ্যাম্বেসেডর ও বাংলাদেশের সমন্বয়কারী লায়ন মো. ইলিয়াস সিরাজী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার নেতা আমির হোসেন খান, এড. আবু বক্কর তালুকদার, চট্টগ্রাম বিভাগের আহ্বায়ক তাহেরা আক্তার শারমীন, সাংবাদিক ও সদস্য সচিব এস.এম. কামরুল ইসলাম, নবুয়াত আরা ছিদ্দিকা, মো. তৌহিদুল করিম, মো. আব্দুর রহিম, ইঞ্জিনিয়ার মো. তৈয়ব, মহানগর সমন্বয়কারী মো. নুরুল আফসার তৌহিদ, ফেনী জেলার সভাপতি মো. নুরুন্নবী মিয়া, দক্ষিণ জেলার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওহাব চৌধুরী, প্রফেসর মো. আবু হানিফ, মো. নুর নবী, এড. ফরিদুল আলম, মুজিবুর রহমান রাসেল প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
প্রধান অতিথি এড. নাজিম উদ্দিন বলেন, ৫ আগস্ট বাংলাদেশ দ্বিতীয় স্বাধীনতা অর্জন করলেও ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রেতাত্মারা বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে মরিয়া হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় আইনজীবী মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম আলিফের হত্যাকা-। তাই অনতিবিলম্বে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। প্রধান বক্তার বক্তব্য সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি বলেন, আলিফ হত্যাকা-ের সুষ্ঠ তদন্তপূর্বক দোষী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। সাংবাদিক সমাজ এ হত্যাকান্ডেরর সম্পূর্ণ কার্যক্রম গণমাধ্যমে প্রকাশ করার আহ্বান জানান। প্রধান আলোচকের বক্তব্যে লায়ন মোঃ ইলিয়াস সিরাজী বলেন, বাংলাদেশে পরিপূর্ণ মানবাধিকার সুরক্ষায় আইএইচআরসি জেনেভা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। এ সংগঠন সবসময় নজরদারী রাখে মানবাধিকার রক্ষায়। কোন হত্যাকা- এ সংগঠন মেনে নেয় না। মানবাধিকার নেতা ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম বলেন, আলিফ হত্যাকা-ের মাধ্যমে যারা বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক পরিবেশ থেকে দূরে রাখতে চাচ্চে তারা জনগণ ও দেশের শত্রু। তাই এদের চিহ্নিত করে মোকাবেলার জন্য অন্তবর্তীকালীন সরকার সহ-প্রশাসনের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি। সভাপতির বক্তব্যে মঈনুদ্দীন আহমেদ বলেন, সবধর্মের মানুষ মিলে মিশে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুন্ন রাখবে এটাই আমাদের বিশ্বাস। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক বাবলু বড়ুয়া, গাজী মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন, মো. কামাল হোসেন, মো. ইমতিয়াজ নঈম আরমান, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের জেলা সভাপতি জসিম উদ্দিন নীরব, যুগ্ম সম্পাদক মো. জাহেদ, কফিল উদ্দিন চৌধুরী, মো.আইনজীবী আলিফ হত্যাকারীদের বিচারের
আওতায় আনুন-আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশন
ছবি-৪
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম আদালত চত্বরে আইনজীবী মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা কান্ডের প্রতিবাদে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশন-বাংলাদেশ-এর চট্টগ্রাম বিভাগ, চট্টগ্রাম উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগর শাখার যৌথ উদ্যোগে শনিবার বিকাল ৩ ঘটিকার সময় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব চত্বরে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের নেতা মঈন উদ্দীন আহমেদের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের নেতা সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম ও মানবাধিকার নেতা সমাজসেবেক মো. আওরঙ্গজেব খান সম্রাট এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন, চট্টগ্রাম বারের সভাপতি এড. মুহাম্মদ নাজিম উদ্দিন চৌধুরী। প্রধান বক্তা চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব ও সিডিএ’র বোর্ড সদস্য সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি।
প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলাদেশের পিস অ্যাম্বেসেডর ও বাংলাদেশের সমন্বয়কারী লায়ন মো. ইলিয়াস সিরাজী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার নেতা আমির হোসেন খান, এড. আবু বক্কর তালুকদার, চট্টগ্রাম বিভাগের আহ্বায়ক তাহেরা আক্তার শারমীন, সাংবাদিক ও সদস্য সচিব এস.এম. কামরুল ইসলাম, নবুয়াত আরা ছিদ্দিকা, মো. তৌহিদুল করিম, মো. আব্দুর রহিম, ইঞ্জিনিয়ার মো. তৈয়ব, মহানগর সমন্বয়কারী মো. নুরুল আফসার তৌহিদ, ফেনী জেলার সভাপতি মো. নুরুন্নবী মিয়া, দক্ষিণ জেলার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওহাব চৌধুরী, প্রফেসর মো. আবু হানিফ, মো. নুর নবী, এড. ফরিদুল আলম, মুজিবুর রহমান রাসেল প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
প্রধান অতিথি এড. নাজিম উদ্দিন বলেন, ৫ আগস্ট বাংলাদেশ দ্বিতীয় স্বাধীনতা অর্জন করলেও ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রেতাত্মারা বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে মরিয়া হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় আইনজীবী মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম আলিফের হত্যাকা-। তাই অনতিবিলম্বে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। প্রধান বক্তার বক্তব্য সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি বলেন, আলিফ হত্যাকা-ের সুষ্ঠ তদন্তপূর্বক দোষী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। সাংবাদিক সমাজ এ হত্যাকান্ডেরর সম্পূর্ণ কার্যক্রম গণমাধ্যমে প্রকাশ করার আহ্বান জানান। প্রধান আলোচকের বক্তব্যে লায়ন মোঃ ইলিয়াস সিরাজী বলেন, বাংলাদেশে পরিপূর্ণ মানবাধিকার সুরক্ষায় আইএইচআরসি জেনেভা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। এ সংগঠন সবসময় নজরদারী রাখে মানবাধিকার রক্ষায়। কোন হত্যাকা- এ সংগঠন মেনে নেয় না। মানবাধিকার নেতা ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম বলেন, আলিফ হত্যাকা-ের মাধ্যমে যারা বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক পরিবেশ থেকে দূরে রাখতে চাচ্চে তারা জনগণ ও দেশের শত্রু। তাই এদের চিহ্নিত করে মোকাবেলার জন্য অন্তবর্তীকালীন সরকার সহ-প্রশাসনের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি। সভাপতির বক্তব্যে মঈনুদ্দীন আহমেদ বলেন, সবধর্মের মানুষ মিলে মিশে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুন্ন রাখবে এটাই আমাদের বিশ্বাস। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক বাবলু বড়ুয়া, গাজী মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন, মো. কামাল হোসেন, মো. ইমতিয়াজ নঈম আরমান, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের জেলা সভাপতি জসিম উদ্দিন নীরব, যুগ্ম সম্পাদক মো. জাহেদ, কফিল উদ্দিন চৌধুরী, মো. আরিফুল ইসলাম, মো. মহিউদ্দিন, রবিউল ইসলাম সম্রাট, মো. দিদারুল আলম, চট্টগ্রাম মহানগরের ডা. জামাল উদ্দিন, আবু আহমদ মিয়া, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার এড. নাজিম উদ্দিন, জহির উদ্দিন ভূইয়া, ফারজানা আক্তার, এমদাত হোসেন সোহেল, মাহমুদ উল্লাহ, মো. ফারুক, জোহরা খাতুন, মানবাদিকার নেত্রী মুক্তি শেখ, রেশমী আক্তার, মো. খোরশেদুল আলম, এড. নাজমুল কালাম শরীফ, জোবায়ের হোসেন, মানবাধিকার ও নারী নেত্রী শারমীন সরকার, ফারজানা আক্তার, মনি আক্তার, নাজমা বেগম, রোকেয়া বেগম, সানজিদা ইসলাম শান্তা, জুই আক্তার, শেফালী শেফা, মিনারা বেগম, শাহীনুর আক্তার মুন্নি, সুমী আক্তার, সাজু ইসলাম মিলি প্রমুখ। আরিফুল ইসলাম, মো. মহিউদ্দিন, রবিউল ইসলাম সম্রাট, মো. দিদারুল আলম, চট্টগ্রাম মহানগরের ডা. জামাল উদ্দিন, আবু আহমদ মিয়া, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার এড. নাজিম উদ্দিন, জহির উদ্দিন ভূইয়া, ফারজানা আক্তার, এমদাত হোসেন সোহেল, মাহমুদ উল্লাহ, মো. ফারুক, জোহরা খাতুন, মানবাদিকার নেত্রী মুক্তি শেখ, রেশমী আক্তার, মো. খোরশেদুল আলম, এড. নাজমুল কালাম শরীফ, জোবায়ের হোসেন, মানবাধিকার ও নারী নেত্রী শারমীন সরকার, ফারজানা আক্তার, মনি আক্তার, নাজমা বেগম, রোকেয়া বেগম, সানজিদা ইসলাম শান্তা, জুই আক্তার, শেফালী শেফা, মিনারা বেগম, শাহীনুর আক্তার মুন্নি, সুমী আক্তার, সাজু ইসলাম মিলি প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে চট্টগ্রামে চাকরিচ্যুত ব্যাংকারদের অবস্থান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চট্টগ্রাম সফর ঘিরে চাকরিতে পুনর্বহালের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন ইসলামী ব্যাংকের চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় নগরের লালখান বাজারে ফ্লাইওভারের মুখে অবস্থান নেন তারা। এ সময় চাকরিতে পুনর্বহালসহ ন্যায্য দাবি পূরণে সরকারের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেন আন্দোলনকারীরা।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ব্যাংকিং খাতে দায়িত্ব পালনের পর কোনো প্রকার ন্যায়বিচার ও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়েই তাদের অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। ফলে তারা ও তাদের পরিবার বর্তমানে আর্থিক ও সামাজিক সংকটে পড়েছে।

চাকরি হারিয়ে তাদের অনেকেই অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন জানিয়ে তারা বলেন, পরিবারের ভরণপোষণ, সন্তানদের পড়াশোনা, চিকিৎসার খরচ ও অন্যান্য দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে গিয়ে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। এছাড়া বয়স বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে কোথাও চাকরি পাওয়ার সুযোগও সংকুচিত হয়ে এসেছে। এই দীর্ঘ অনিশ্চয়তা ও অর্থসংকটের মধ্যে পড়ে ইতিমধ্যে কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে বলেও দাবি করেন আন্দোলনকারীরা।

কর্মসূচীতে অংশ নেওয়া চাকরিচ্যুত ব্যাংকাররা আরও জানান, দীর্ঘদিন ব্যাংকিং সেবায় নিয়োজিত থাকার পর হুট করে চাকরি হারিয়ে এখন অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন পার করতে হচ্ছে। নিজেদের ন্যায্য অধিকার ফিরে পেতে এবং কর্মস্থলে পুনর্বহালের জন্য তারা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন। সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে পদক্ষেপ নেওয়া হলে তারা আবারও মর্যাদার সঙ্গে জীবিকা নির্বাহের সুযোগ পাবেন বলে প্রত্যাশা তাদের।

চাকরিচ্যুত ব্যাংকারদের এই দাবি অবশ্য নতুন নয়। এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জনসভায় হলুদ রঙের টি-শার্ট উঁচিয়ে তারা নিজেদের দাবি তুলে ধরেছিলেন। ওই দিন সকালেও নগরের হোটেল রেডিসন ব্লুর সামনে অবস্থান নিয়ে তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা চালান তারা।

চাকরিচ্যুত ব্যাংকার ইলিয়াস হোসেন বলেছিলেন, তাদের অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী যেন বিষয়টি সমাধানে উদ্যোগ নেন, সেই প্রত্যাশা থেকেই তারা সেখানে এসেছেন বলে জানান তিনি।

ইন্টারনেট ব্যবহারকে শিশুদেরও মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইন্টারনেটের ব্যবহারে বয়সভিত্তিক কোনও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন আদালত। শিশুদেরও মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।১৬ অক্টোবর আদালত তার পর্যবেক্ষণে বলেন, ‘আমরা দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে পারি যে, সংবিধানের ১৯(১)(এ) অনুচ্ছেদের সাথে ২১ নম্বর অনুচ্ছেদ মিলিয়ে পাঠ করলে ইন্টারনেটে প্রবেশ ও ব্যবহারের অধিকার প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে গণ্য হয়।

জাস্ট রাইটস ফর চিলড্রেন অ্যালায়েন্স’ নামের শিশুদের অধিকারবিষয়ক একটি এনজিও এবং অপর এক আবেদনকারীর করা আবেদনের শুনানিকালে বিচারপতি জে বি পারদিওয়ালা ও বিচারপতি কে ভি বিশ্বনাথনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ মন্তব্য করেন। সেই আবেদনে অভিযোগ করা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলো ভারতে শিশুদের যৌন নিপীড়নের তথ্য ও এমন কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কিত আইনি বাধ্যবাধকতা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে; চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করে অংশ নেননি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা, গণতন্ত্র রক্ষা করা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।তিনি বলেন, আমরা মুসলমান হই, হিন্দু হই, বৌদ্ধ হই কিংবা খ্রিস্টান হই, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক।

যে ধর্মেরই হই না কেন, যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে বড় হচ্ছি, তাই আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

অনেকে শহীদ হয়েছেন। সেদিন কেউ দেখেননি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ কিংবা কে খ্রিস্টান। সবাই দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করেছেন। একইভাবে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে রাজপথে নেমেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ আন্দোলনে অংশ নেন। গুলিবিদ্ধ কিংবা আহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে কেউ তাঁদের পাশে দাঁড়াননি। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমার ভাই শহীদ হয়েছে, আমার ভাই আহত হয়েছে। বাকিরা তাঁদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। কেউ জিজ্ঞেস করেননি, কী তাঁর ধর্ম পরিচয়। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের অধিকার ও মানবিকতার প্রশ্নে ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য নয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকদের বিচার করা উচিত নয়।

তিনি নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অনুসারী হলেও লন্ডনে অবস্থানের সময় সেই পরিচয় তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠ করেনি। তাই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু পরিচয় নয়, একজন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিক কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, দেশের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র একজন নাগরিককে যে অধিকার ও সুযোগ দেবে, অন্য নাগরিকও তা পাবেন। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব আন্দোলনে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যাশা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন এবং মিলেমিশে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যদি সেই বাংলাদেশ গড়তে হয়, আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। আপনি হিন্দু হোন, মুসলমান হোন, বৌদ্ধ হোন কিংবা খ্রিস্টান হোন, যাই হোন না কেন, আপনার সহযোগিতা আমার দরকার। কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীমসহ বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও নেতারা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ