আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

আইনজীবী আলিফ হত্যাকারীদের বিচারের আওতায় আনুন-আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশন

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 চট্টগ্রাম আদালত চত্বরে আইনজীবী মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা কান্ডের প্রতিবাদে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশন-বাংলাদেশ-এর চট্টগ্রাম বিভাগ, চট্টগ্রাম উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগর শাখার যৌথ উদ্যোগে শনিবার বিকাল ৩ ঘটিকার সময় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব চত্বরে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের নেতা মঈন উদ্দীন আহমেদের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের নেতা সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম ও মানবাধিকার নেতা সমাজসেবেক মো. আওরঙ্গজেব খান সম্রাট এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন, চট্টগ্রাম বারের সভাপতি এড. মুহাম্মদ নাজিম উদ্দিন চৌধুরী। প্রধান বক্তা চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব ও সিডিএ’র বোর্ড সদস্য সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি।
প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলাদেশের পিস অ্যাম্বেসেডর ও বাংলাদেশের সমন্বয়কারী লায়ন মো. ইলিয়াস সিরাজী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার নেতা আমির হোসেন খান, এড. আবু বক্কর তালুকদার, চট্টগ্রাম বিভাগের আহ্বায়ক তাহেরা আক্তার শারমীন, সাংবাদিক ও সদস্য সচিব এস.এম. কামরুল ইসলাম, নবুয়াত আরা ছিদ্দিকা, মো. তৌহিদুল করিম, মো. আব্দুর রহিম, ইঞ্জিনিয়ার মো. তৈয়ব, মহানগর সমন্বয়কারী মো. নুরুল আফসার তৌহিদ, ফেনী জেলার সভাপতি মো. নুরুন্নবী মিয়া, দক্ষিণ জেলার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওহাব চৌধুরী, প্রফেসর মো. আবু হানিফ, মো. নুর নবী, এড. ফরিদুল আলম, মুজিবুর রহমান রাসেল প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
প্রধান অতিথি এড. নাজিম উদ্দিন বলেন, ৫ আগস্ট বাংলাদেশ দ্বিতীয় স্বাধীনতা অর্জন করলেও ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রেতাত্মারা বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে মরিয়া হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় আইনজীবী মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম আলিফের হত্যাকা-। তাই অনতিবিলম্বে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। প্রধান বক্তার বক্তব্য সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি বলেন, আলিফ হত্যাকা-ের সুষ্ঠ তদন্তপূর্বক দোষী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। সাংবাদিক সমাজ এ হত্যাকান্ডেরর সম্পূর্ণ কার্যক্রম গণমাধ্যমে প্রকাশ করার আহ্বান জানান। প্রধান আলোচকের বক্তব্যে লায়ন মোঃ ইলিয়াস সিরাজী বলেন, বাংলাদেশে পরিপূর্ণ মানবাধিকার সুরক্ষায় আইএইচআরসি জেনেভা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। এ সংগঠন সবসময় নজরদারী রাখে মানবাধিকার রক্ষায়। কোন হত্যাকা- এ সংগঠন মেনে নেয় না। মানবাধিকার নেতা ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম বলেন, আলিফ হত্যাকা-ের মাধ্যমে যারা বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক পরিবেশ থেকে দূরে রাখতে চাচ্চে তারা জনগণ ও দেশের শত্রু। তাই এদের চিহ্নিত করে মোকাবেলার জন্য অন্তবর্তীকালীন সরকার সহ-প্রশাসনের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি। সভাপতির বক্তব্যে মঈনুদ্দীন আহমেদ বলেন, সবধর্মের মানুষ মিলে মিশে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুন্ন রাখবে এটাই আমাদের বিশ্বাস। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক বাবলু বড়ুয়া, গাজী মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন, মো. কামাল হোসেন, মো. ইমতিয়াজ নঈম আরমান, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের জেলা সভাপতি জসিম উদ্দিন নীরব, যুগ্ম সম্পাদক মো. জাহেদ, কফিল উদ্দিন চৌধুরী, মো.আইনজীবী আলিফ হত্যাকারীদের বিচারের
আওতায় আনুন-আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশন
ছবি-৪
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম আদালত চত্বরে আইনজীবী মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা কান্ডের প্রতিবাদে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশন-বাংলাদেশ-এর চট্টগ্রাম বিভাগ, চট্টগ্রাম উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগর শাখার যৌথ উদ্যোগে শনিবার বিকাল ৩ ঘটিকার সময় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব চত্বরে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের নেতা মঈন উদ্দীন আহমেদের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের নেতা সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম ও মানবাধিকার নেতা সমাজসেবেক মো. আওরঙ্গজেব খান সম্রাট এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন, চট্টগ্রাম বারের সভাপতি এড. মুহাম্মদ নাজিম উদ্দিন চৌধুরী। প্রধান বক্তা চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব ও সিডিএ’র বোর্ড সদস্য সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি।
প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলাদেশের পিস অ্যাম্বেসেডর ও বাংলাদেশের সমন্বয়কারী লায়ন মো. ইলিয়াস সিরাজী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার নেতা আমির হোসেন খান, এড. আবু বক্কর তালুকদার, চট্টগ্রাম বিভাগের আহ্বায়ক তাহেরা আক্তার শারমীন, সাংবাদিক ও সদস্য সচিব এস.এম. কামরুল ইসলাম, নবুয়াত আরা ছিদ্দিকা, মো. তৌহিদুল করিম, মো. আব্দুর রহিম, ইঞ্জিনিয়ার মো. তৈয়ব, মহানগর সমন্বয়কারী মো. নুরুল আফসার তৌহিদ, ফেনী জেলার সভাপতি মো. নুরুন্নবী মিয়া, দক্ষিণ জেলার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওহাব চৌধুরী, প্রফেসর মো. আবু হানিফ, মো. নুর নবী, এড. ফরিদুল আলম, মুজিবুর রহমান রাসেল প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
প্রধান অতিথি এড. নাজিম উদ্দিন বলেন, ৫ আগস্ট বাংলাদেশ দ্বিতীয় স্বাধীনতা অর্জন করলেও ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রেতাত্মারা বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে মরিয়া হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় আইনজীবী মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম আলিফের হত্যাকা-। তাই অনতিবিলম্বে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। প্রধান বক্তার বক্তব্য সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি বলেন, আলিফ হত্যাকা-ের সুষ্ঠ তদন্তপূর্বক দোষী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। সাংবাদিক সমাজ এ হত্যাকান্ডেরর সম্পূর্ণ কার্যক্রম গণমাধ্যমে প্রকাশ করার আহ্বান জানান। প্রধান আলোচকের বক্তব্যে লায়ন মোঃ ইলিয়াস সিরাজী বলেন, বাংলাদেশে পরিপূর্ণ মানবাধিকার সুরক্ষায় আইএইচআরসি জেনেভা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। এ সংগঠন সবসময় নজরদারী রাখে মানবাধিকার রক্ষায়। কোন হত্যাকা- এ সংগঠন মেনে নেয় না। মানবাধিকার নেতা ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম বলেন, আলিফ হত্যাকা-ের মাধ্যমে যারা বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক পরিবেশ থেকে দূরে রাখতে চাচ্চে তারা জনগণ ও দেশের শত্রু। তাই এদের চিহ্নিত করে মোকাবেলার জন্য অন্তবর্তীকালীন সরকার সহ-প্রশাসনের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি। সভাপতির বক্তব্যে মঈনুদ্দীন আহমেদ বলেন, সবধর্মের মানুষ মিলে মিশে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুন্ন রাখবে এটাই আমাদের বিশ্বাস। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক বাবলু বড়ুয়া, গাজী মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন, মো. কামাল হোসেন, মো. ইমতিয়াজ নঈম আরমান, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের জেলা সভাপতি জসিম উদ্দিন নীরব, যুগ্ম সম্পাদক মো. জাহেদ, কফিল উদ্দিন চৌধুরী, মো. আরিফুল ইসলাম, মো. মহিউদ্দিন, রবিউল ইসলাম সম্রাট, মো. দিদারুল আলম, চট্টগ্রাম মহানগরের ডা. জামাল উদ্দিন, আবু আহমদ মিয়া, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার এড. নাজিম উদ্দিন, জহির উদ্দিন ভূইয়া, ফারজানা আক্তার, এমদাত হোসেন সোহেল, মাহমুদ উল্লাহ, মো. ফারুক, জোহরা খাতুন, মানবাদিকার নেত্রী মুক্তি শেখ, রেশমী আক্তার, মো. খোরশেদুল আলম, এড. নাজমুল কালাম শরীফ, জোবায়ের হোসেন, মানবাধিকার ও নারী নেত্রী শারমীন সরকার, ফারজানা আক্তার, মনি আক্তার, নাজমা বেগম, রোকেয়া বেগম, সানজিদা ইসলাম শান্তা, জুই আক্তার, শেফালী শেফা, মিনারা বেগম, শাহীনুর আক্তার মুন্নি, সুমী আক্তার, সাজু ইসলাম মিলি প্রমুখ। আরিফুল ইসলাম, মো. মহিউদ্দিন, রবিউল ইসলাম সম্রাট, মো. দিদারুল আলম, চট্টগ্রাম মহানগরের ডা. জামাল উদ্দিন, আবু আহমদ মিয়া, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার এড. নাজিম উদ্দিন, জহির উদ্দিন ভূইয়া, ফারজানা আক্তার, এমদাত হোসেন সোহেল, মাহমুদ উল্লাহ, মো. ফারুক, জোহরা খাতুন, মানবাদিকার নেত্রী মুক্তি শেখ, রেশমী আক্তার, মো. খোরশেদুল আলম, এড. নাজমুল কালাম শরীফ, জোবায়ের হোসেন, মানবাধিকার ও নারী নেত্রী শারমীন সরকার, ফারজানা আক্তার, মনি আক্তার, নাজমা বেগম, রোকেয়া বেগম, সানজিদা ইসলাম শান্তা, জুই আক্তার, শেফালী শেফা, মিনারা বেগম, শাহীনুর আক্তার মুন্নি, সুমী আক্তার, সাজু ইসলাম মিলি প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিএনপি একমাত্র দল যারা যতবার ক্ষমতায় গিয়েছে, ততবার মানুষের জন্য কাজ করেছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপি দুর্নীতির টুটি চেপে ধরবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, যত পরিকল্পনা গ্রহণ করি, এগুলো বাস্তবায়ন করতে হলে দুটি বিষয় কড়াকড়িভাবে নজর দিতে হবে। একটি হলো, মানুষের নিরাপত্তা। যাতে করে মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারে। অতীতে বিএনপি যখন দেশ পরিচালনা করেছে, আমাদের কেউ অন্যায় করলেও, আমরা ছাড় দিইনি। রোববার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটের দিকে চট্টগ্রাম মহানগরের পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, আগামীতে সরকারে গেলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। আরেকটি বিষয়টি হচ্ছে দুর্নীতি। বিএনপি দুর্নীতির টুটি চেপে ধরবে।


অতীতে বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতি দমন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তাই আগামীতে দুর্নীতি করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তারেক রহমান বলেন, আগামীতে বিএনপির ওপর আস্থা রাখুন। ধানের শীষে ভোট দিন।
এবার ভোটের আগে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়বেন, তারপর কেন্দ্রে যাবেন। সেখানে ফজরের নামাজ পড়ে লাইনে দাঁড়িয়ে যাবেন। গত ১৫ বছর আপনাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। আবার এরকম একটি ষড়যন্ত্র হচ্ছে। তাই এবার ধানের শীষে ভোট দেন।

তিনি বলেন, আমরা আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দলের অনেক সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু তাতে কারও পেট ভরবে না। কারও লাভ হবে না। বিএনপি একমাত্র দল যারা যতবার ক্ষমতায় গিয়েছে, ততবার মানুষের জন্য কাজ করেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধে উৎপাদন বাড়াতে হবে। তাই আমরা কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। যাতে করে তারা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পায়।


তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রামের একটি বড় সমস্যা জলাবদ্ধতা। বিভিন্ন খাল-নালা বন্ধ হওয়ার কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে আমরা খাল কাটতে চাই। আপনারা কী আমাদের সঙ্গে খাল কাটা কর্মসূচিতে যোগ দিতে চান?। চট্টগ্রামে একাধিক ইপিজেড রয়েছে। যেখানে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এগুলো বিএনপির আমলে হয়েছিল। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আবার আমাদের ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনেন, তাহলে আরও ইপিজেড করা হবে। সবমিলিয়ে চট্টগ্রাম হবে বাণিজ্যিক রাজধানী।

ফরিদপুরে স্কুল শিক্ষার্থী সুরাইয়া হ-ত্যা-র বিচার দাবিতে হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে মানববন্ধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ফরিদপুর উপজেলায় অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মোছা. সুরাইয়া খাতুন হ-ত্যা-র প্রতিবাদ ও হ-ত্যা-র সাথে জড়িতদের ফাঁ-সি-র দাবিতে বি-ক্ষো-ভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন স্বজন, সহপাঠী ও এলাকাবাসী।
ফরিদপুর উপজেলার জন্তিহার খেলার মাঠে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসীদের আয়োজনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।


এ সময় জন্তিহার গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদল নেতা, শিক্ষক সাংবাদিক ও সমাজকর্মী এস এম নাহিদ হাসানের ছায়া নির্দেশনায়, মানববন্ধনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার কালিয়াকৈর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও ফরিদপুর উপজেলার জন্তিহার গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করে। ব্যানার-ফ্যাস্টুন হাতে ঘণ্টাব্যাপী চলা মানবন্ধনে বক্তারা নি-হ-ত সুরাইয়ার হ-ত্যা-র সাথে জড়িতদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিচারের দাবি জানান। তা না হলে, আগামীতে বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা দেন বক্তারা।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ