আজঃ রবিবার ২২ মার্চ, ২০২৬

দুষ্কৃতিকারীরা এখনো দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করছে-সিভাসু উপাচার্য

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দুষ্কৃতিকারীরা এখনো দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করছে। তারা একটার পর একটা ইস্যু তৈরি করে বর্তমান সরকারকে ব্যর্থ প্রমাণ করতে চাচ্ছে । এই ব্যাপারে আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে। জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহিদ ও আহতদের স্মরণে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান এসব কথা বলেন। সিভাসু’র সাংস্কৃতিক সংগঠন প্রাঙ্গণ ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের যৌথ উদ্যোগে এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে ছিল-বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শহিদ ও আহতদের স্মরণে দোয়া, ভিডিও প্রদর্শন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
স্মরণসভায় সিভাসু’র উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান আরো বলেন, যাঁদের রক্তের বিনিময়ে, আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি, তাঁদের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে আমাদের পূরণ করতে হবে। এজন্য সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হব। দেশ গঠনে ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার দুর্বার গণআন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরাচারী সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় স্বাধীনতা অর্জনের পর সিভাসু’র সাধারণ শিক্ষার্থীদের জোরালো দাবির প্রেক্ষিতে স্বৈরাচার সরকারের আমলে বিগত সাড়ে পনের বছরে সিভাসু’র সকল প্রকার দুর্নীতি, জুলুম-নির্যাতন এবং আর্থিক ও প্রশাসিনিক অনিয়মের বিষয় তদন্ত করে সুপারিশ প্রদানের জন্য একটি গণতদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছে। কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সিভাসু অডিটোরিয়ামে আয়োজিত স্মরণসভায় মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক (বহিরাঙ্গন কার্যক্রম) প্রফেসর ড. এ. কে. এম. সাইফুদ্দীন, বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ান হেলথ ইনস্টিটিউটের পরিচালক প্রফেসর ড. মো: আহসানুল হক এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন পরিচালক (ছাত্রকল্যাণ) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রাশেদুল আলম। অনুষ্ঠানে সিভাসু’র শিক্ষক. কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
শুরুতে জুলাই-আগস্টের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন সিভাসু’র চার শিক্ষার্থী। এরপর সিভাসু’র শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী প্রতিনিধিরা জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান নিয়ে তাঁদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন। পরে জুলাই-আগস্টের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে একটি ভিডিও প্রদর্শন করা হয়।স্মরণসভা শেষে জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। এর আগে বাদ আসর সিভাসু জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শহিদ ও আহতদের স্মরণে দোয়া।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মুনশী আব্দুর রহমান মিয়া মসজিদ” এর কার্যনির্বাহী কমিটি ২০২৬ – ২০২৮ গঠিত হয়েছে ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উপমহাদেশের প্রসিদ্ধ আলেম মুনশী আব্দুর রহমানের প্রপৌত্র , বীরমুক্তিযোদ্ধা শিক্ষাবিদ সালাউদ্দিন মিয়ার সন্তান, বদরপুর মহাবিদ্যালয়ের সিনিয়র প্রভাষক কবি শাহাবুদ্দিন রিপন শান কে সভাপতি এবং
মুনশী আব্দুর রহমানের পৌত্র, বিশিষ্ট সমাজসেবক মনির আহমদ মিয়ার সন্তান, চতলা সাতবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ফয়েজ উল্যাহ মিয়াকে সাধারণ সম্পাদক করে # বীরমুক্তিযোদ্ধা সালাউদ্দিন মিয়া বাড়ির দরোজায় অবস্থিত মুনশী আব্দুর রহমান মিয়া মসজিদের একান্ন সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে ।দক্ষিণ ধলীগৌরনগর চতলা সালাউদ্দিন মিয়া বাড়ির দরোজায় , ২১ মার্চ ২০২৬ যোহরবাদ মসজিদের মুসল্লিদের আন্তরিক বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এই কমিটি গঠিত হয় ।

কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সদস্যগণ হচ্ছেন – প্রধান উপদেষ্টার মর্যাদায় নির্বাহী সভাপতি- ডাচ বাংলা ব্যাংকের সিনিয়র এসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট একেএম গিয়াসউদ্দিন মুরাদ । সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ হাফেজ আহমেদ মিয়া, সহ-সভাপতি গণ হচ্ছেন- মহিউদ্দিন আহমেদ মিয়া, আব্দুর রশিদ বেপারী এবং মোহাম্মদ হোসেন খন্দকার । যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকগণ হচ্ছেন- মোঃ অজিউল্যাহ মিয়া, মোঃ রফিকুল ইসলাম বাবুল, মোঃ জহিরুদ্দিন ফরহাদ এবং মোঃ আলমগীর বেপারী । কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন- মোঃ মিলন মোল্লা ।

সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন- মাহতাব উদ্দিন মিরাজ শান । সম্পাদকীয় বিভিন্ন পদে নির্বাচিত হয়েছেন -মোঃ রুবেল শান (মুক্তিযুদ্ধ ও মানবাধিকার), নেছার উদ্দিন রাসেল (তথ্য ও গবেষণা), কৌশিক আহমেদ (শিক্ষা ও সংস্কৃতি). মোঃ জসিম আহমেদ (প্রচার ও প্রকাশনা), সিয়াম আহমেদ (সমাজকল্যাণ ও আপ্যায়ন), তাসলিমা শরীফ আঁখি (নারী ও শিশুকল্যাণ), মাওলানা মফিজুল ইসলাম ( ধর্ম বিষয়ক), মোঃ রফিক বেপারী (ত্রাণ ও পূণর্বাসন), মোঃ মোসলেউদ্দিন (ক্রীড়া) , মোঃ কুদ্দুস মিয়া (মানবসম্পদ), মোঃ সুমন বেপারী (কৃষি ও সমবায়), মোঃ কামরুল ইসলাম (প্রশিক্ষণ) , মোঃ নুরুন্নবী (পাঠাগার), মোঃ জাহিদুর রহমান (অনুষ্ঠান) , মোঃ শাহাবুদ্দিন জুলহাস (মিলনায়তন) প্রমুখ ।

নির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন- মোঃ আজিম উদ্দিন লিটন, মোঃ শরিফ উদ্দিন টিপু, মোঃ গিয়াসউদ্দিন নিরব, মোঃ ফজলে করিম, মোঃ আব্দুল করিম, মোঃ মাফুল করিম , মোঃ হানিফ মোল্লা, মোঃ মোস্তফা মোল্লা , মোঃ মাকসুদ মিয়া , মোঃ আঃ রাজ্জাক, মোঃ বেলাল প্রমুখ ।।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ