আজঃ রবিবার ৩ মে, ২০২৬

পার্কে জগিং ট্র্যাকিং উদ্বোধন করেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজশাহীতে শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানায় জগিং ট্র্যাকের উদ্বোধন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা প্রাঙ্গণে জগিং ট্র্যাকের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ও রাসিক প্রশাসক ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর।

উদ্বোধনকালে রাসিক প্রশাসক বলেন, রাজশাহীকে স্বাস্থ্যকর নগরী রূপে গড়ে তুলতে জগিং ট্র্যাক উদ্বোধনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সুন্দর এ নগরীকে আরও বেশি সুন্দর, স্বাস্থ্যসম্মত, আলোক ঝলমলে, পরিচ্ছন্ন বাসযোগ্য নগরী গড়তে এই জগিং ট্র্যাক করা হয়। রাজশাহী বরাবরই একটি স্বাস্থ্যকর ও সুন্দর নগরী হিসেবে পরিচিত। কিন্তু তারপরও আপনাদের সবার স্বাস্থ্য অনেক সময় চ্যালেঞ্জিং অবস্থায় থাকে, স্বাস্থ্য ঝুঁকি থাকে। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় হাঁটা ও সাঁতার অন্যতম ব্যায়াম। রাজশাহী মহানগরীতে এ সুযোগটিকে কাজে লাগিয়ে দৃষ্টিনন্দন ও সুন্দর পরিবেশে হাটার আয়োজন করেছে রাজশাহী সিটি করপোরেশন।

তিনি আরও বলেন, নগরবাসীর হাটার জায়গা পার্ক ও ফুটপাত। ফুটপাতগুলোকে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। নগরীর পার্কগুলোকে হাটার উপযোগী করে তোলা হচ্ছে। এখানে দুবেলা হাটার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। নগরবাসীর সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির জন্য এখানে ব্লাড প্রেসার মাপা, ওজন মাপা, ব্লাড সুগার মাপার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দর্শনার্থীদের জন্য এ পার্কে প্রবেশ ফি ২৫ টাকা হলেও জগিং ট্র্যাক হাটায় সারা মাসে দুই বেলায় ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান পার্কে প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে ১০টা পর্যন্ত হাঁটার ব্যবস্থা করেছি।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাসিকের সচিব মো. মোবারক হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মহিনুল হাসান, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এফএএম আঞ্জুমান আরা বেগম, ভ্যাটেরিনারি সার্জন ডা. ফরহাদ উদ্দিন, ডা. সাদিয়া রেজভী, পার্কের সুপারভাইজার রেজাউল করিম, সুপারভাইজার আব্দুল খালেক স্বপন, স্টোর অফিসার আহসান হাবীব, নিরাপত্তা অফিসার মো. মতিউর রহমান, ইভেন্ট ম্যানেজার ফরহাদ হোসেন আদনান, নিহাদ হাসিন সরন এবং মো. জহরুল হক অভি, সামিউল ইসলাম সূত্র, মেহেদী হাসান, মহুয়া মৌ, আয়েশা, আরিফ, সিফাতসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে রেলের সাতটি পাহাড়ে ৫ হাজার ৩৩২টি অবৈধ স্থাপনা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে পাহাড় ধসে প্রাণহানি এড়াতে রেলওয়ের পক্ষ থেকে শুরু হয়েছে মাইকিং। প্রতিবছর ভারী বর্ষণে চট্টগ্রামে পাহাড় ধসে প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। তাই রেলওয়ের পাহাড়গুলোতে অবৈধভাবে ঝুঁকি নিয়ে বসবাসকারীদের নিরাপদে সরে যাওয়ার জন্য এ থেকে মাইকিং করা হয়। রোববার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত রেলওয়ের পাহাড়গুলো সংরক্ষণের দায়িত্বে থাকা রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রকৌশল বিভাগ অবৈধ বসবাসকারীদের সরে যাওয়ার জন্য মাইকিং করেন।প্রতিবছর বর্ষা শুরুর আগে রেলওয়ে এবং জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদেরকে নিরাপদে সরে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হয়। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়।তারপরও তারা আবার এই অবৈধ স্থাপনায় ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসের জন্য চলে আসে।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় প্রকৌশলী-২ জিসান দত্ত বলেন, রেলওয়ের পাহাড়গুলোতে ঝুঁকিপূর্ণভাবে যারা বসবাস করছেন তাদেরকে নিরাপদে সরে যাওয়ার জন্য আমাদের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়েছে। পাহাড়তলী, ফয়’স লেক, আকবরশাহ, সিআরবিসহ রেলওয়ের অনেক পাহাড়ের ঢালুতে ঝুঁকি নিয়ে অনেকে বসবাস করছেন। ভারী বর্ষণ শুরু হওয়ার আগে তাদেরকে সরে যাওয়ার জন্য আমাদের পক্ষ থেকে সতর্ক করে মাইকিং করেছি। বেলা ১১টা থেকে আমাদের লোকজন প্রতিটি পাহাড়ে মাইকিং করেছে।জানা গেছে, চট্টগ্রামে রেলওয়ের মালিকানাধীন সাতটি পাহাড়ে পাঁচ হাজার ৩৩২টি অবৈধ স্থাপনা হয়েছে।এসব অবৈধ স্থাপনায় ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে প্রায় অর্ধ লক্ষ মানুষ। তিন দশকের বেশি সময় ধরে এসব পাহাড়ে বসবাস করে আসছেন অনেক মানুষ।

দিন দিন এই অবৈধ বসতির সংখ্যা বাড়ছে। রেলওয়ের মালিকানাধীন সাতটি পাহাড়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অবৈধ পরিবারের বসবাস নগরীর ফয়’স লেক এলাকার ১, ২ ও ৩ নং ঝিল পাহাড়ে। এখানে চার হাজার ৪৭৬টি পরিবার থাকে। ভারী বৃষ্টিপাতের সাথে চট্টগ্রামে ভূমিধসের সতর্কবার্তা প্রকাশ করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এরপর রেলওয়ের পক্ষ থেকে তাদের পাহাড়গুলোতে ঝুঁকিপূর্ণভাবে অবৈধ বসবাসকারীদের সরে যাওয়ার জন্য মাইকিং শুরু করে।

রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তি বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে মালিকানাধীন সাতটি পাহাড়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অবৈধ পরিবারের বসবাস নগরীর ফয়’স লেক এলাকার ১, ২ ও ৩ নম্বর ঝিল পাহাড়ে। এখানে চার হাজার ৪৭৬টি পরিবার থাকে। এছাড়া মতি ঝরনা ও বাটালি হিল এলাকায় বসবাস ৪৩১টি পরিবারের।

লেক সিটি আবাসিক এলাকা সংলগ্ন বিজয় নগর পাহাড়ে বসবাস ২৮৮টি পরিবারের। রেলওয়ের মালিকানাধীন ষোলশহর স্টেশন সংলগ্ন পাহাড়ের পাদদেশে ৭৪টি, নগরীর জাকির হোসেন সড়কে পরিবেশ অধিদপ্তর সংলগ্ন পাহাড়ে ৪৬টি পরিবার বসবাস করছে।এছাড়া জেলার উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন পাহাড়ে অবৈধ বসতি বেড়েই চলছে। জেলার সাতকানিয়া, বাঁশখালী, চন্দনাইশ, পটিয়া, বোয়ালখালী, রাঙ্গুনিয়া, ফটিকছড়ি, হাটহাজারী ও সীতাকুণ্ড এলাকায় বিভিন্ন পাহাড়ে অসংখ্য অবৈধ বসতি গড়ে উঠেছে।

জানা গেছে, ২০০৭ সালে চট্টগ্রামে ভয়াবহ পাহাড়ধসের ১২৭ জনের মৃত্যুর পর ৩৬ দফা সুপারিশ দিয়েছিল তদন্ত কমিটি। এর ১০ বছর পর ২০১৭ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়ধসে ১৬৮ জনের মৃত্যুর পর ৩৫ দফা সুপারিশের মধ্যেও একই ধরনের সুপারিশ ছিল। কিন্তু বৃষ্টি হলে কিছু লোকজনকে সাময়িক সরিয়ে নেওয়া ছাড়া কার্যত কোনো সুপারিশই বাস্তবায়ন করতে পারেনি প্রশাসন। সর্বশেষ ২০২২ সালের ১ নম্বর ঝিলে পাহাড়ধসে মারা গিয়েছিলেন একই পরিবারের দুজন।

শারজাহ্ সিলেট এফসি-কে হারিয়ে স্বাধীনতা গোল্ডকাপ ঘরে তুলল চট্টগ্রাম এফসি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

​সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজায় উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো ‘স্বাধীনতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬’-এর জমকালো ফাইনাল। গতকাল বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দিবাগত রাতে শারজাহ ওয়ান্ডারার্স স্পোর্টস ক্লাব মাঠে এই মেগা ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়। শারজার অন্যতম জনপ্রিয় সংগঠন ‘ইউজড স্পেয়ার পার্টস অ্যাসোসিয়েশন’-এর উদ্যোগে টানা দুই মাসব্যাপী এই ফুটবল উৎসবের আয়োজন করা হয়েছিল।

​আমিরাতের বিভিন্ন প্রদেশ থেকে আসা মোট ১২টি দলের অংশগ্রহণে দুই মাস ধরে চলে এই টুর্নামেন্ট। কাঙ্ক্ষিত ফাইনালে মুখোমুখি হয় চট্টগ্রাম এফসি বনাম সিলেট এফসি। টানটান উত্তেজনার এই ম্যাচে সিলেট এফসি-কে ২-১ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে চট্টগ্রাম এফসি। পুরস্কার হিসেবে তারা জিতে নেয় বিশ্বের অন্যতম বিলাসবহুল গাড়ি ‘মার্সিডিজ বেঞ্জ’।
​​দুই দেশের জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে খেলার শুভ উদ্বোধন করেন সংগঠনের সভাপতি শাহাদাত হোসেন।

কামাল হোসেন সুমন ও জাহাঙ্গীর রুপুর যৌথ সঞ্চালনায় এবং আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন,দুবাই কনস্যুলটের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর আশীষ কুমার সরকার।

এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন,প্রবাসীদের মাঝে যে হতাশা ও অনিশ্চয়তা ছিল, তার মাঝে এমন আয়োজন প্রশংসার দাবিদার। রাত ২টার সময়ও দর্শকদের এই উন্মাদনা প্রমাণ করে আমরা কতটা ঐক্যবদ্ধ। এই টুর্নামেন্ট শুধু জয়-পরাজয় নয়, বরং প্রবাসীদের পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ ও সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেওয়ার একটি বড় প্ল্যাটফর্ম।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, বাংলাদেশ সমিতি আবুধাবির সভাপতি প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেন, দুবাই সমিতির সহ-সভাপতি ইয়াকুব সৈনিক, সিনিয়র কমিউনিটি নেতা প্রকৌশলী সালাহউদ্দীন,আব্দুল কুদ্দুস,সিনিয়র নেতা হাজী শরাফত আলী,ক্রীড়া সংগঠক হাবিবুর রহমান,সিডিএ প্রতিনিধি হুমায়ুন কবির,মোস্তাফা মাহমুদ, প্রকৌশলী করিমুল হক, নওয়াব সিরাজ,সালেহ আহমেদ, বদরুল চৌধুরী, আব্দুল কুদ্দুস মজনু,সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক,হাজী সেলিম,মোহাম্মদ শাহজাহান, মোহাম্মদ রফিক, মোহাম্মদ মামুন,মোহাম্মদ ইমরান,মোহাম্মদ এনাম,মাহবুল আলম, মোস্তাফিজ রহমান, রফিক চেয়ারম্যান মজিবু হক মঞ্জু,মোতাহের হোসেন বাশার প্রমূখ।

প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, বিদেশের মাটিতে খেলাধুলার চর্চা দেশের ইমেজ বৃদ্ধি করে। বিদেশিরা জানবে বাংলাদেশিরা অপকর্মে নয়, বরং গঠনমূলক কাজে নিয়োজিত থাকে। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের।

খেলা মাঠে মাঝরাত অবধি চলা এই খেলায় দর্শকদের উপস্থিতি ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। প্রবাসীদের এমন স্বতঃস্ফূর্ত উচ্ছ্বাস মাঠকে এক টুকরো বাংলাদেশে পরিণত করেছিল। আয়োজক কমিটিসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ সফল আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ