আজঃ রবিবার ২১ জুন, ২০২৬

সরকার ভূমিসেবায় নতুনভাবে সংস্কার কার্যক্রম শুরু করেছে : সিনিয়র সচিব

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ বলেছেন, ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে জনগণ যাতে ঘরে বসে ভূমি সংক্রান্ত যাবতীয় সেবা গ্রহণ করতে পারে সে প্রত্যয়ে ভূমি মন্ত্রণালয় নতুন প্রয়াস গ্রহণ করেছে। কোন ধরণের হয়রানি, ভোগান্তি ও দুর্নীতি ছাড়াই আগের চেয়ে আরও আধুনিকায়ন ও যুগোপযোগী ভূমিসেবা নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের ফলে দেশে নতুন অর্ন্তবর্তী সরকার গঠিত হয়েছে। পূর্বের অবস্থা থেকে মানুষকে মুক্তি দিয়ে সুষ্ঠুভাবে দেশ পরিচালনায় বর্তমান সরকার প্রত্যেক সেক্টরে নতুন সংস্কার কার্যক্রম শুরু করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় হয়রানি রোধে ভূমি মন্ত্রণালয় ভূমিসেবায় নতুনভাবে সংস্কার কার্যক্রম শুরু করেছে। ভূমি উন্নয়ন কর, মিউটেশন, পর্চা বা খতিয়ান ও নকশা এগুলো জনগণের কাছে চাহিদা রয়েছে। ভূমি উন্নয়ন কর শুধু সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি করেনা, যারা ভূমি উন্নয়ন কর দেন তারা একটা দাখিলা পান এবং এটি মালিকানার জন্য প্রয়োজন।
বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত ভূমি ব্যবস্থাপনা সংস্কার বিষয়ক স্টেকহোল্ডার কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সহযোগিতায় ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের অটোমেটেড ল্যান্ড এডমিনিস্ট্রেশন এন্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (এএলএএমএস) কনফারেন্সের আয়োজন করেন।
সিনিয়র সচিব বলেন, পূর্বে ভূমি সংক্রান্তে জনগণের কাঙ্খিত সেবা তেমন নিশ্চিত হয়নি। ভূমি জঠিলতা নিরসনে প্রত্যেকটি জমির সঠিক জরিপ ও সার্ভে প্রয়োজন। এ জন্য সারাদেশব্যাপী জিজিটাইজড জরীপ সম্পন্ন করতে পারলে জমির মূল মালিকানা শতভাগ নির্ভূল হবে। এ লক্ষ্যে ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর মাঠ পর্যায়ে আধুনিক পদ্ধতিতে কাজ করছে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের একটি প্রকল্পে ৬২টি মৌজা রয়েছে। পাইলটিং প্রকল্পের মাধ্যমে এগুলো জিজিটালাইজড করতে পারলে জনগণ উপকৃত হবে। নিজস্ব মোবাইল নম্বর দিয়ে অনলাইনে আবেদন পরবর্তী জমির মিউটেশন হলেই ভূূমি মালিক ঘরে বসেই পর্চা বা খতিয়ান সংগ্রহের পাশাপাশি অনলাইনে ভূমি কর পরিশোধ করতে পারবে, এর জন্য আর ভূমি অফিসে যেতে হবেনা। ভূমি সংক্রান্তে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করাই
আমাদের উদ্দেশ্য। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মহঃ মনিরুজ্জামান (গ্রেড-১) বলেন, ভূমিসেবা আরও সহজীকরণে সর্বস্তরের জনগণনকে অবহিত করার লক্ষ্যে ভূমি মন্ত্রণালয় এবং ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর যৌথভাবে সংস্কার কাজ শুরু করেছে। ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জনগণের কাঙ্খিত সেবা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। এখন থেকে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে জনগণ ঘরে বসেই হয়রানি ও ভোগান্তি ছাড়াই অ্যাপসের মাধ্যমে ১৪টি ভূমিসেবা গ্রহণ করতে পারবে। এ লক্ষ্যে মন্ত্রণালয়সহ ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর দেশব্যাপী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। প্লট টু প্লট সার্ভের মাধ্যমে ম্যাপ তৈরী করে প্রকৃত মালিকের নামে জমির খতিয়ান তৈরী করা আমাদের মূল লক্ষ্য। এ কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর ইন্টারনেট এক্সেস থাকলে ভূমি সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় ঘরে বসেই দেখতে পারবে। সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম বিভাগের নবাগত বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়া উদ্দীন বলেন, কোন ধরণের হয়রানি, ভোগান্তি ও দুর্নীতি ছাড়াই জনগণের কাঙ্খিত ভূমিসেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়া হবে। ভূমিসেবা গ্রহণ করতে গিয়ে কেউ যাতে ভোগান্তিতে না পড়ে সে বিষয়ে নজরদারী বৃদ্ধি করা হবে। দুর্নীতি ও হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করতে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদেরকে স্বচ্চতা ও দক্ষতার সাথে কাজ করতে হবে। চট্টগ্রাম বিভাগের নবাগত বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়া উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কনফারেন্সে বিশেষ অতিথি ািছলেন ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মহঃ মনিরুজ্জামান (গ্রেড-১)। ভূমি ব্যবস্থাপনায় সংস্কার বিষয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ এমদাদুল হক চৌধুরী ও যুগ্ম সচিব জাহিদ হোসেন পনির। আলোচনায় অন্যান্যের মধ্যে অংশ নেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম, ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আমজাদ হোসেন, উপসচিব সেলিম আহমেদ, উপসচিব এ.টি.এম আজহারুল ইসলাম, সিনিয়র সচিবের একান্ত সচিব (উপসচিব) মোঃ আবু হারিস মিয়া, ইডিএলএমএস প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালক-২ মাসুদুর রহমান মোল্লা, জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ.এন.এম ওয়াসিম ফিরোজ, চট্টগ্রাম মহানগর
বিএনপি’র আহবায়ক এরশাদ উল্লাহ, দৈনিক কর্ণফুলী সম্পাদক জামায়াত নেতা আফসার উদ্দিন চৌধুরী, বিএনপি নেতা মোঃ ইদ্রিছ, জেলা পিপি অ্যাডভোকেট মোঃ কাশেম চৌধুরী, ছাত্র সমন্বয়ক রাসেল আহমদ প্রমূখ। বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, সরকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও স্টেকহোল্ডারগণ কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শারীরিক প্রতিবন্ধী দম্পতির মার্কেটসহ বাড়ি দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শারীরিক প্রতিবন্ধী দম্পতির মার্কেটসহ বাড়ি দখলের অভিযোগ উঠেছে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন ও ছোট জামাই সোহেলের বিরুদ্ধে। সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেছেন বড় জামাই এ.কে আজাদ। আজ শনিবার (২০ জুন) সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরের হুজরাপুরে অবস্থিত চাঁপাই প্রেসক্লাবে হল রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ তুলে ধরেন তিন।

লিখিত বক্তব্য এ. কে আজাদ জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার গোবরাতলা ইউনিয়নের মহিপুরে অবস্থিত মার্কেটসহ বাড়ি দখলের বিরোধের জেরে আদালতে মামলা দায়ের করা হলে উক্ত আর.এস দাগ নং ১১৪৯ জমির উপরে আদালত ১৪৪ ধারা জারি করেন। এর পরেও মোশাররফ হোসেন ও তার ছোট জামাই সোহেল রানা আদালতের আইন অমান্য করে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে গত ১ বছর ধরে তার নামে থাকা একটি মার্কেটসহ বাড়ী জোর পূর্বক দখল করে নেন। সে সঙ্গে বাড়ি ও মার্কেটের প্রতিমাসে ৩০ হাজার টাকা শশুর এবং তার ছোট জামাই উত্তোলন করে আসছেন। মার্কেটসহ বাড়ির বর্তমান মালিক এ.কে আজাদ দখল ছাড়তে বললে বিভিন্ন প্রকার হত্যার হুমকি দিচ্ছেন বলে এমন অভিযোগ করেন তিনি।

উক্ত ঘটনার বিষয়ে জানতে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মোশারফ হোসেনের মুঠোফোনে ঘটনার বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে আনিত সব অভিযোগ সম্পন্ন মিথ্যা।

চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি, প্রতিবাদে অবস্থান ধর্মঘট

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে হাইকোর্টে চলমান মামলায় দখলদারদের পক্ষে অবস্থান না নেওয়ার দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট পালন করেছে ৮টি পরিবেশবাদী ও সামাজিক সংগঠন।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় নগরীর চেরাগি পাহাড় চত্বর এলাকায় চট্টগ্রাম নদী ও খাল রক্ষা আন্দোলন এই ধর্মঘটের আয়োজন করে। বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও কর্ণফুলী নদী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি এস এম পেয়ার আলী সঞ্চালনায় অবস্থান ধর্মঘটে অংশ নেয় বাংলাদেশ পরিবেশ ফোরাম, সৃষ্টি, কর্ণফুলী নদী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশন, কর্ণফুলী সুরক্ষা পরিষদ, ইউনাইটেড সোশ্যাল নেটওয়ার্ক, রেজাউল করিম শিকদার ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশন।
অবস্থান র্ধমঘট চলাকালে বক্তারা বলেন, কর্ণফুলী নদী রক্ষায় তিন দফা দাবি অচিরেই বাস্তবায়ন করা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের মাধ্যম কর্ণফুলীতে সাম্পান ও জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হবে।

তিনটি দাবি হচ্ছে- মহামান্য হাইকোর্টে চলমান মামলায় দখলদারদের পক্ষ নিয়ে জনস্বার্থ মামলার বিরোধিতাকারীদের প্রত্যাহার করতে হবে। হাইকোর্ট নির্দেশিত নদী জীবত্ব সত্ত্বা আদেশ অনুযায়ী কর্ণফুলী দখল দূষণমুক্ত করতে হবে এবং সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় কর্ণফুলী নদীর তীরে টিকে থাকা সাড়ে তিন শতাধিক দেশিয় প্রজাতির গাছ সংরক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।পাশাপাশি নদী তীরে ব্যাপকহারে গাছ লাগাতে হবে। সভাপতির বক্তব্যে ডা. মাহফুজুর রহমান বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদলে গ্রাম সরকার বা ওয়ার্ড সরকার করে তাদের সমন্বয়ে দেশ পরিচালনা না করলে এই অব্যবস্থাপনা যাবে না।

বীর মুক্তিযোদ্ধা সোহরাব হোসেন বলেন, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক দিক দিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে কর্ণফুলীর কারণে। দুখের কথা হচ্ছে- দেশের সঞ্চালক এই নদী রক্ষার জন্য সরকার ও প্রশাসন বরাবর উদাসীন। আমরা দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছি- আপনারা কর্ণফুলী দখল দূষণমুক্ত করুন, না হয় জনগণ আপনাদের ক্ষমা করবে না। সাংবাদিক আলীউর রহমান বলেন, নতুন সরকারের নদী ও খাল রক্ষার ঘোষণায় কর্ণফুলীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ হওয়ার আশায় ছিলাম। এখন অনেকে দখলদারদের পক্ষ নিয়ে কর্ণফুলীকে চিরতরে ধ্বংস করার পাঁয়তারা করছে, যা চট্টগ্রামের সর্বস্তরের জনগণ প্রতিহত করবে।

এসময় বক্তব্য দেন ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগর সহ-সভাপতি জানে আলম, কর্ণফুলী সুরক্ষা পরিষদের সভাপতি কামাল পারভেজ, বাংলাদেশ জাহাজি শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি এম নুরুল হুদা চৌধুরী, রেজাউল করিম সিকদার ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক জাহিদুল করিম বাপ্পি, কর্ণফুলী নদী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি জাফর আলম, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক লোকমান দয়াল, ইউনাইটেড সোশ্যাল নেটওয়ার্কের পরিচালক আমির হোসেন, হস্তচালিত বড় সাম্পান মাঝি সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হোসাইন, চরপাথরঘাটা ব্রিজঘাট সাম্পান সমিতির সাধারণ সম্পাদক কোরবান আলী, মৎস্যজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুমন রায়, সমাজসেবক আরমান হোসেন প্রমুখ।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ