অসাধু ও বেপরোয় ব্যবসায়ীদের অপকর্ম রোধে সামাজিক প্রতিরোধের বিকল্প নাই

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

  1. ব্যবসায়ীরা বেপরোয়া, কোন আইন নিয়ম কানুন কোন কিছুর পরোয়া করছে না। বিগত ১৬ বছর দেশের ক্ষমতার কাঠামোর কেন্দ্র বিন্দুতে ব্যবসায়ীরা তাদের মতো করে সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করেছেন। আর এ কাজে দেশের রাজনৈতিক ক্ষমতার কাঠামো নিয়ন্ত্রণ, প্রশাসন, গণমাধ্যমসহ সবকিছুকে তারা ব্যবহার করেছে। যার কারনে তারা যা চেয়েছে তা-ই হয়েছে। ফলশ্রæতিতে ব্যবসায়ীরা এক একটি বার এক একটি পণ্যের দাম বাড়িয়ে জনগনের পকেট কাটলেও আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার লোকজন নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছেন। ব্যবসায়ীরা চাল, ডাল, চিনি, সয়াবিন তেলে প্রতিদিন শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিলেও রমজান উপলক্ষে সরকার অনেকগুলো পণ্যের আমদানি শুল্ক কমানো হলেও বাজারে তার কোন প্রভাব নেই। ১৮ কোটি সাধারন মানুষের কন্ঠস্বর হিসাবে জনগনের ভোগান্তি, হয়রানি ও মনোবেদনার কথা সরকারের নজরে আনতে ক্যাবকে আরও শক্তিশালি এবং সোচ্চার হতে হবে। দেশে নৈরাষ্যবাদীদের মতো দেশে কিছু হবে না, এই তত্তে¡র স্থলে জুলাই অভ্যত্থানের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ যেমন এখন স্বপ্ন নয় বাস্তব, সেরকম ব্যবসায়ীদের নৈরাজ্য থামাতে একই ভাবে সামাজিক আন্দোলন এক সময় সফল আন্দোলনে পরিনত হবে। ০৭ ডিসেম্বর ২০২৪ইং নগরীর চট্টগ্রাম সার্কিট সম্মেলন কক্ষে ক্যাব চট্টগ্রাম বিভাগীয় ভোক্তা অধিকার সম্মেলনে বিভিন্ন বক্তাগন উপরোক্ত মন্তব্য করেন।

    ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইনের সভাপতিত্বে ও ক্যাব বিভাগীয় সাধারন সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরীর সঞ্চালনায় সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক(গ্রেড-০১) মোহাম্মদ আলীম আখতার খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ডঃ মোঃ জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(শিক্ষা ও উন্নয়ন) মোঃ শরীফ উদ্দীন ও ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জামিল চৌধুরী। আলোচনায় অংশনেন চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ে লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক হোসাইন কবির, বীরমুক্তিযোদ্ধা শিক্ষাবিদ ডঃ প্রফেসর ইদ্রিস আলী, ক্যাব বান্দারবান জেলা কমিটির সভাপতি সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম মনু, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক এস এম শাহীন, খাগড়াছড়ি জেলা কমিটির সভাপতি সাংবাদিক আবু তাহের, ফেনী জেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম নান্টু, কুমিল্লা জেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক কাজী মাসুদুল আলম, কক্সবাজার জেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক জসিম উদ্দীন সিদ্দিকী, রাঙ্গামাটি জেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক রানা মহসিন, ন্যাপ কেন্দ্রিয় সাংগঠনিক সম্পাদক মিটুল দাস গুপ্ত, ক্যাব চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলা সভাপতি আলহাজ¦ আবদুল মান্নান, ক্যাব মহানগরের সাধারন সম্পাদক অজয় মিত্র শংকু, যুগ্ন সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম জাহাঙ্গীর, ক্যাব মহানগরের সাংগঠনিক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস, ক্যাব চট্টগ্রাম উত্তর জেলা কমিটির সদস্য সচিব শাহাদত হোসেন, রাউজান উপজেলা কমিটির সাংবাদিক মোজাফ্ফর হোসেন, চন্দনাইশ উপজেলা কমিটির সভাপতি নুরুল হক চৌধুরী, হাটহাজারী উপজেলা কমিটির লায়লা ইয়াছমিন, ক্যাব যুব গ্রুপ চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি আবু হানিফ নোমান, চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয় কমিটির সভাপতি রাব্বি তৌহিদ, সদস্য রাসেল উদ্দীন, এমদাদুল ইসলাম প্রমুখ। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তরের বিভাগীয় উপ-পরিচালক ফয়েজউল্যাহ, জেলা সহকারী পরিচালক নাসরীন আকতার এ উপলক্ষে উপস্থিত ছিলেন।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আলীম আখতার খান বলেন, জনতার আন্দোলন বিফলে যায় না, যারা হতাশায় ভোগতেন তাদের অবশ্যই নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ও চব্বিশ এর জুলাইয়ের আন্দোলন থেকে শিক্ষা নেয়া দরকার। ক্যাব এর আন্দোলনের কারনে আজকে জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষন অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। তাই কিছুই হবে না বা অসাধু ব্যবসায়ীদের শৃংখলায় আনা যাবে না এ তত্ত্ব থেকে বের হয়ে আসতে হবে। ব্যাপক গণজাগরন একদিন অসাধু ব্যবসায়ীদের সব অপকর্ম একদিন বন্ধ হবে। তবে এজন্য তৃণমূলে জনগনের কন্ঠশ^র শক্তিশালী করতে সামাজিক আন্দোলনের বিকল্প নাই। যে কোন জনভোগান্তি ও অধিকার লংঘনের ঘটনা ঘটলেই তাদের পাশে দাড়ানো ও জোরালো প্রতিবাদ কর্মসুচি নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। তরুনদের মাঝে স্বপ্ন দেখাতে হবে। দেশে ভোক্তা অধিকার লংগনের ঘটনা প্রতিরোধে তরুণ সমাজকে আরও দক্ষ ও শক্তিশালী করতে না পারলে ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের মাঝে বৈষম্য কমানো যাবে না।

    বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার ডঃ মোঃ জিয়াউদ্দীন বলেন অর্থনৈতিক সমস্যা অর্থনৈতিক ভাবে সমাধান করতে হবে। সমাজের যে কোন পরিবর্তনে সামাজিক আন্দোলনের বিকল্প নাই। যারা অসাধু ব্যবসায়ী নানা অপকর্ম করছে, তারা আমাদের সমাজের অংশ। কারো, ভাই, কারো আত্মীয়স্বজন। তাই অসাধু ব্যবসায়ী ও সিন্ডিকেটকারীদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধের বিকল্প নেই। আর এ কাজে ক্যাব নেতৃত্ব প্রদান করবেন এ প্রত্যাশা করেন।

    জেলা-উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ মাঠ পর্যায়ে ভোক্তা অধিকার সুরক্ষায় বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনায় সমস্যাগুলো তুলে ধরেন। বিভাগের অনেক জেলায় জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরের জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা নাই। যেখানে জেলায় একজন কর্মকর্তা দিয়ে সামাল দেয়া কঠিন, সেখানে একজন কর্মকর্তা দুই জেলার দায়িত্বপালন করছেন। ক্যাব নেতৃবৃন্দকে ভোক্তা অধিকার বিষয়ে আরও প্রশিক্ষন দিয়ে যোগ্য হিসাবে গড়ে তোলার আহবান জানিয়ে বলা হয়, ভোক্তা ও চ্যারিটির মধ্যে পার্থক্য অনুধাবন করতে না পারলে মানুষের অধিকারের পক্ষে লড়াই করা যাবে না। সমাজে সমাজ কর্মী বা দান খয়রাত করেন এমন লোকের সংখ্যা কম নয়। কিন্তু কোন মানুষের অধিকার লংগন হলে এগিয়ে আসেন এরকম লোকের সংখ্যা ক্রমাগতই কমছে। সমাজে অনেক ভালো মানুষ আছে, যারা “সাপকেও লম্বা বলেন না” আবার “ব্যাঙকেও ছোট বলেন না”। আর এ সমস্ত লোকজনকে দিয়ে সমাজ পরিবর্তন সম্ভব নয়। তাই কনজিউমারিজম বিষয়ে ক্যাব নেতাদের আরও দক্ষ করার বিকল্প নাই। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ক্যাবকে শক্তিশালী করতে সরকারের পৃষ্ঠাপোষকতা বাড়ানোর সুপারিশ করে বলা হয়, ব্যবসায়ী সংগঠনগুলি সরকারের নানা সুবিধা ও প্রণোদনা পেয়ে আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হলেও, সেখানে ক্যাব এখনও “নিজের খেয়ে বনের মোষ আর তাড়াচ্ছে”? সম্মেলনে চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলার প্রায় ১৫০ জন ক্যাব নেতা/প্রতিনিধি অংশগ্রহন করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দুই অন্তঃসত্ত্বা নারীর মৃত্যু: বিচার ও যৌতুকপ্রথা বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


চট্টগ্রামের পটিয়ায় দুই অন্তঃসত্ত্বা নারীর মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা এবং যৌতুকপ্রথা বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে জাতীয় ছাত্র শক্তি পটিয়া উপজেলা শাখা।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে পটিয়া থানার মোড় চত্বরে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সংগঠনের নেতাকর্মী, নিহত দুই নারীর পরিবারের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন জাতীয় ছাত্র শক্তি পটিয়া উপজেলা শাখার আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলাম তৌকির, মুখ্য সংগঠক মিছকাত আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব সাকিবুল ইসলাম সাকিব এবং যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আব্দুল্লাহ আশরাফুল (সিফাত)।বক্তারা বলেন, যৌতুকের দাবিতে নারীর ওপর নির্যাতন ও প্রাণহানির ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। যৌতুকপ্রথা নারীর নিরাপত্তা, মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার পথে বড় বাধা। এ সামাজিক ব্যাধি নির্মূলে পরিবার ও সমাজের সবাইকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

তারা আরও বলেন, পটিয়ায় দুই অন্তঃসত্ত্বা নারীর মৃত্যুর ঘটনা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন করতে হবে। তদন্তে জড়িতদের শনাক্ত করে প্রচলিত আইন অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।
সমাবেশ থেকে যৌতুকপ্রথা নির্মূল, নারীর প্রতি নির্যাতন প্রতিরোধ এবং দুই নারীর মৃত্যুর ঘটনায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

নোয়াখালীতে সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে ফ্ল্যাট বাড়ি দখল ও হামলার অভিযোগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালী পৌরসভার মাইজদীতে নিজের মালিকানাধীন ফ্ল্যাটবাড়ি দখল, ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ তুলেছেন কাজী আজিজ উল্যা নামে এক ব্যক্তি। তার অভিযোগ, বাড়ির দখল নিয়ে বিরোধের জেরে তাকে ও তার বৃদ্ধ মাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তারা নিজেদের বসতবাড়িতে ফিরতে পারছেন না। এ ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন তিনি।বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে নোয়াখালী রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী কাজী আজিজ উল্যা।

ভুক্তভোগী কাজী আজিজ উল্যা নোয়াখালী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের স্টেডিয়াম পাড়ার কাজী বাড়ির বাসিন্দা। তার দাবি, ৯৮ নম্বর মাইজদী মৌজায় ৫ দশমিক ৫ শতাংশ জমির ওপর পাঁচতলা ফাউন্ডেশন বিশিষ্ট একতলা ফ্ল্যাটবাড়ি নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন তিনি। বাড়িটির নাম আজিজ টাওয়ার।

লিখিত বক্তব্যে কাজী আজিজ অভিযোগ করেন, বেগমগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের দুর্নীতিবাজ মাঠকর্মী এবিএম আবদুল মতিন চৌধুরী ২০২৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি তাঁর বোনের কাছ থেকে এক শতাংশ জমি কেনেন। পরে তিনি আরো দেড় শতাংশ জমির জাল দলিল তৈরি করে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তাঁর ফ্ল্যাটবাড়ির একটি অংশ দখলের চেষ্টা করেন। এতে বাধা দেওয়ায় বিভিন্ন সময়ে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়।

কাজী আজিজ বলেন, ২০২৩ সালের ১৩ মে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের দাপট দেখিয়ে আবদুল মতিন চৌধুরী ও তার স্ত্রী আজিজুর নাহারের নেতৃত্বে একদল লোক তার ফ্ল্যাটবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। ওই সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। তার বৃদ্ধ মা সারেজাহান বেগম ও বোন সেলিনা আক্তার বাধা দিতে গেলে তাদের মারধর করা হয়। পরে বাড়িটির একতলা ইউনিট দখল করে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে আদালতে দেওয়ানি মামলা দায়ের করেছেন বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আবদুল মতিন চৌধুরী বাড়ি ছেড়ে আত্মগোপনে চলে গেলে তিনি পুনরায় বাড়ির দখল বুঝে নিয়ে বসবাস শুরু করেন। তবে গত ১ সেপ্টেম্বর আবদুল মতিন চৌধুরী, তাঁর স্ত্রী, ছেলেরা এবং বিভিন্ন এলাকার ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে আবারও বাড়িটিতে হামলা চালান বলে অভিযোগ করেন কাজী আজিজ। এ সময় তাকে ও তার বৃদ্ধ মাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় এবং পুনরায় বাড়িটি দখল করা হয়।

কাজী আজিজের অভিযোগ, বর্তমানে বাড়ির ভেতরে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের অবস্থান করিয়ে তাঁকে প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে। একাধিকবার বাড়িতে প্রবেশের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। এতে বৃদ্ধ মাকে নিয়ে চরম দুর্ভোগ ও নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটছে তাঁদের।

কাজী আজিজ উল্যা তার বসতবাড়ি দখল, হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত আবদুল মতিন চৌধুরীর বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও সংযোগ না পাওয়ায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ