নগরবাসীর আপত্তির মুখেও বন্ধ করা হচ্ছে না এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের র‌্যাম্প নির্মাণ কাজ

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

  1. বাংলাদেশ মহিলা সমিতি স্কুল ও হোটেল পেনিনসুলা পর্যন্ত চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের র‌্যাম্প নির্মাণ কাজ বন্ধ করা হচ্ছে না, প্রশ্ন তুলেছেন পরিকল্পিত চট্টগ্রাম ফোরামের সহ-সভাপতি সুভাষ চন্দ্র বড়ুয়া। শনিবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে পরিকল্পিত চট্টগ্রাম ফোরাম আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি প্রশ্ন তুলেন, নগরবাসীর আপত্তির মুখেও ‘কার স্বার্থে’ এ কাজ অব্যহত রয়েছে। সাধারণ নাগরিকদের আপত্তির মুখেও নির্মাণকাজের গতি দেখে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এ কাজ বাস্তবায়ন হচ্ছে বলেও মনে করছেন তিনি। এ সময় পরিকল্পিত চট্টগ্রাম ফোরামের অন্যান্য নেতৃবৃৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    সম্মেলনে তিনি বলেন, বিগত সরকারের আমলে চট্টগ্রামে বেশ কয়েকটি মেগাপ্রকল্প হাতে নেওয়া হয়, যার মধ্যে অন্যতম লালখানবাজার-পতেঙ্গা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। শুরু থেকেই বিতর্কিত এই প্রকল্পটি বিশেষজ্ঞ ও বিশিষ্টজনদের মতামত এবং জনস্বার্থ উপেক্ষা করে একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর স্বার্থে বাস্তবায়ন করা হয়। পরিবর্তিত সময়ে এই এক্সপ্রেসওয়ের র‌্যাম্প স্থাপন নিয়েও বিতর্ক কম হয়নি। সবশেষে বিতর্কিত বেশ কয়েকটি র‌্যাম্প প্রকল্প থেকে সাময়িক বাদ দেওয়া হলেও বাওয়া স্কুল ও জিইসি জংশনের মাঝে হোটেল পেনিনসুলার সামনে থেকে প্রস্তাবিত র‌্যাম্পটি বাদ দেওয়া হয়নি। অপরিকল্পিত ও ব্যক্তিস্বার্থে নির্মাণাধীন এই র‌্যাম্পের বিরুদ্ধে সচেতন নাগরিক সমাজ থেকে শুরু করে সাধারণ নাগরিকরা প্রতিবাদ করার পরও এর নির্মাণকাজ বন্ধ করা হয়নি বরং অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে তা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত গতিতে নির্মাণ করা হচ্ছে।
    তিনি বলেন, বাওয়া স্কুল ও জিইসি জংশনের মাঝে যে র‌্যাম্প নির্মাণের কাজ চলছে জনস্বার্থে তা বন্ধ করা অপরিহার্য। কারণ, এই জায়গা এমনিতেই অত্যন্ত যানজট প্রবণ এলাকা। প্রতিদিন এখানে সকাল থেকেই রাত ৯-১০টা পর্যন্ত যানজট লেগে থাকে। এখানে নতুন র‌্যাম্প করলে মূল সড়কের প্রশস্ততা কমে গিয়ে জিইসি জংশনের যানজট বেড়ে যাবে। পাশাপাশি এম এম আলি সড়ক জংশন, ওয়াসা এবং লালখান বাজার মোড়ে যানজটের তীব্রতা বেড়ে যাবে। কারণ এ সকল জংশনে নতুন করে ডান দিকের ঘোরা বেড়ে যাবে এবং র‌্যাম্পে উঠতে আবার ডানদিকে ও বাম দিকে ঘুরতে হবে যা যানজট ও দুর্ঘটনা বাড়াবে।
    তিনি আরো বলেন, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েকে কার্যকর করতে যে র‌্যাম্প টাইগারপাসে নামানো হয়েছে সেটাকে উঠার ও নামার র‌্যাম্প হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব। এর ফলে যে সকল গাড়ি লালখান বাজার, হোটেল রেডিসন ব্লু থেকে আসবে তাদেরকে রাইট টার্ন নিতে হবে না। অথবা যে র‌্যাম্প টাইগারপাসে নামানো হয়েছে সেটাকে শুধুমাত্র উঠার র‌্যাম্প হিসেবে ব্যবহার করা এবং যে র‌্যাম্প আমবাগানের দিকে নামানো হয়েছে তা দিয়ে লালখান বাজারমুখী গাড়িও নামতে পারবে। শুধু প্রয়োজন হবে একটা সুপরিকল্পিত জংশন ডিজাইন।
    তিনি বলেন, বর্তমানে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (চউক) এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে অপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন জায়গায় র‌্যাম্প নামাচ্ছে ও উঠাচ্ছে। যে সকল জায়গায় র‌্যাম্প নামাচ্ছে বা উঠাচ্ছে সেখানে নিচের মূল সড়কের প্রশস্ততা কমে যাওয়ায় ভবিষ্যতে অগ্রাধিকার ভিত্তিক গণপরিবহন সিস্টেম বা র‌্যাপিড বাস ট্রানজিট চালু করা কঠিন হয়ে যাবে। আর বন্দরের ভারী যানবাহন চলচলেও প্রচণ্ড বাধা সৃষ্টি করবে, যা পণ্য পরিবহন গতিশীলতায় স্থবিরতা সৃষ্টি করতে পারে। নিচের মূল সড়কে সুষ্ঠু ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ছাড়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে কার্যকর হবে না। যে এক্সপ্রেসওয়েতে গণপরিবহন (বাস) চলাচল করতে পারবে না সে এক্সপ্রেসওয়েতে নগর যাতায়াতের শতকরা সর্বাধিক ৫ শতাংশ মানুষ কিছুটা সময়ের উপকার পাবে। এবং উন্নয়নের নামে এই সামান্য গোষ্টী স্বার্থের সুবিধার জন্য অপরিকল্পিতভাবে র‌্যাম্প নামিয়ে নগরের ৯৫ শতাংশ নাগরিকের চলাচলকে আরো সংঘাতময় করা গ্রহণযোগ্য নয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

BPHCDA-এর রাজশাহী বিভাগীয় কমিটিতে কার্যনির্বাহীর সন্মানিত সদস্য মনোনীত হলেন মোঃ আব্দুল জব্বার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার,
বিশেষ প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ প্রাইভেট হসপিটাল, ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশন (BPHCDA)-এর রাজশাহী বিভাগীয় কমিটির কার্যনির্বাহী সন্মানিত সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মোঃ আব্দুল জব্বার।
পাবনা জেলা কমিটির পক্ষ থেকে তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

মোঃ আব্দুল জব্বার বর্তমানে BPHCDA-এর ভাঙ্গুড়া উপজেলা কমিটির সভাপতি ও পাবনা জেলা কমিটির সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সংগঠনের রাজশাহী বিভাগীয় কমিটিতে নতুন দায়িত্ব পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট মহলে তাকে ঘিরে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ায় মোঃ আব্দুল জব্বার বাংলাদেশ প্রাইভেট হসপিটাল, ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের সম্মানিত কেন্দ্রীয় ও রাজশাহী বিভাগীয় নেতৃবৃন্দ এবং পাবনা জেলা কমিটির প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

প্রতিক্রিয়ায় তিনি জানান, নতুন দায়িত্বের মাধ্যমে বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের উন্নয়ন, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে নিষ্ঠা, সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে চান। এ ক্ষেত্রে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা নিয়ে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

মোঃ আব্দুল জব্বার আরও আশা প্রকাশ করেন, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা খাতের উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে। নতুন দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের জন্য তিনি সবার নিকট দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।

উল্লেখ্য, মোঃ আব্দুল জব্বার BPHCDA-এর ভাঙ্গুড়া উপজেলা কমিটির সভাপতি, পাবনা জেলা কমিটির সহ-সভাপতি এবং নব-মনোনীত রাজশাহী বিভাগীয় কমিটির কার্যনির্বাহী সন্মানিত সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

দাতা সংস্থা ৩ কোটি টাকার ওষুধ পেল চমেক-চসিক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) দাতব্য চিকিৎসালয় ও আরবান হেলথ ক্লিনিকগুলোর জন্য প্রায় ৩ কোটি টাকার ওষুধ দিয়েছে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল। অসহায় রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা উরৎবপঃ জবষরবভ-এর সহযোগিতায় পাওয়া এসব ওষুধের মধ্যে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জন্য প্রায় ২ কোটি টাকা এবং চসিকের স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোর জন্য প্রায় ১ কোটি টাকার ওষুধ রয়েছে।মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) পৃথক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এসব ওষুধ হস্তান্তর করা হয়। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান ডা. শাহাদাত হোসেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের কার্যনির্বাহী কমিটির প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন।
ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা উরৎবপঃ জবষরবভ-এর সহযোগিতায় চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের পক্ষ থেকে বিপুল পরিমাণ ওষুধসামগ্রী প্রদান একটি অত্যন্ত প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এর মাধ্যমে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা দরিদ্র ও অসহায় রোগীরা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন।এ সহযোগিতার ফলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।

তিনি বলেন, দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শুধু ওষুধ সরবরাহ নয়, চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ এবং গবেষণাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে সমন্বিতভাবে কাজ করা গেলে চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হবে।
প্রশাসক বলেন, করোনাকালীন সংকটময় সময়ে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল করোনা রোগীদের চিকিৎসাসেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। হাসপাতালটির সেই ভূমিকা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়েও চিকিৎসাসেবায় প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। ইতোমধ্যে এটি চট্টগ্রামবাসীর চিকিৎসাসেবার আস্থার ঠিকানায় পরিণত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের কার্যনির্বাহী কমিটির জেনারেল সেক্রেটারি মোহাম্মদ রেজাউল করিম আজাদ, হাসপাতাল মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. অসীম কুমার বড়ুয়া, হাসপাতালের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. মহিউদ্দিন, উপপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ মোশাররফ হোসাইন, পিএস টু জিএস ইমাম রাজি ইবনে জাহেদসহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্মকর্তারা।

একই দিন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত পৃথক অনুষ্ঠানে চসিকের দাতব্য চিকিৎসালয় ও আরবান হেলথ ক্লিনিকগুলোর জন্য প্রায় ১ কোটি টাকা মূল্যের ওষুধসামগ্রী হস্তান্তর করা হয়। এ সময় প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চসিকের অধীনে ২০টি দাতব্য চিকিৎসালয়, ৩২টি আরবান হেলথ ক্লিনিক এবং মাতৃসদন ও হাসপাতালসহ মোট ৫৭টি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র রয়েছে। এসব কেন্দ্রে পর্যায়ক্রমে ওষুধগুলো সরবরাহ করা হবে।

তিনি বলেন, ওষুধগুলো যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত উন্নতমানের। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রোগীদের প্রয়োজন অনুসারে এসব ওষুধ বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে। এর ফলে নগরের দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষ মানসম্মত ওষুধ পেয়ে উপকৃত হবেন। চিকিৎসাসেবা মানুষের মৌলিক অধিকার। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে কোনো মানুষ যেন প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ওষুধ থেকে বঞ্চিত না হন, সে লক্ষ্যে সিটি কর্পোরেশন কাজ করে যাচ্ছে।ধদাতা সংস্থা ৩ কোটি টাকার ওষুধ পেল চমেক-চসিক

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ