আজঃ শনিবার ২ মে, ২০২৬

চট্টগ্রামে নিত্য যানজট, ভেঙ্গে পড়েছে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 চট্টগ্রাম নগরীর অন্যতম জনগুরুত্বপূর্ণ কদমতলী রেল ক্রসিং দিয়ে প্রতিনিয়ত চরম ঝুঁকি নিয়ে উল্টো পথে চলাচল করে বিভিন্ন যানবাহন। রিক্সা, অবৈধ ব্যাটারী রিক্সা ও মোটর সাইকেল থেকে শুরু করে সকল ধরণের গণ ও পণ্য পরিবহণ সুযোগ পেলেই সিগনাল পোস্ট অমান্য করে উল্টো পথে চলাচল করে। কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরাও হেলমেট, রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্সবিহীন মোটর সাইকেল চালিয়ে বেপরোয়াভাবে উল্টো পথে চালিয়ে রেল ক্রসিং পার হতে দেখা যায়। সিগনাল না মানার কারণে অনেক সময় ক্রসিংয়ের মাঝখানে রেলের সাথে বিভিন্ন যানবাহন মুখোমুখি হতে দেখা গেছে। তাদের বিরুদ্ধে তেমন কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। ভেঙ্গে পড়েছে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, সৃষ্টি হয় নিত্য যানজট। চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) ট্রাফিক-দক্ষিণ বিভাগের টিআই (সদরঘাট) মোশারফ হোসেন ও রেলওয়ের কিছু কিছু কর্মচারীর উদাসীনতার কারণে কদমতলী রেল ক্রসিং ও আশপাশের এলাকায় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় হ-য-ব-র-ল অবস্থা পরিলক্ষিত হয়। সিগনাল অমান্য করে উল্টো পথে গাড়ি চালানোর কারণে কদমতলী, আমবাগান, খুলশী ও পাহাড়তলীসহ অন্যান্য রেল ক্রসিংগুলোতে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে বলে ভূক্তভোগীরা জানান। তবে এসব অব্যবস্থাপনার জন্য ট্রাফিক বিভাগকে দায়ী করেছে রেলওয়ে।
জানা গেছে, কয়েক দিন আগে চলন্ত ট্রেনে উঠতে গিয়ে একজন আরএনবি সদস্যের হাত কাটা পড়েছে। কদমতলী রেল ক্রসিংয়ের উভয় পার্শ্বে ৪টি সিগনাল ব্যারিয়ার রয়েছে। এখানে ২৪ ঘন্টায় তিন শিফটে ৪ জন করে ১২ জন গেট কীপার সিগনাল ব্যারিয়ারে দায়িত্ব পালন করার কথা থাকলেও কর্তব্যরত রয়েছে মাত্র ৬ জন। রেল ক্রসিংয়ের উভয় পাশে আরও দু’টি সিগনাল ব্যারিয়ার ওপেন থাকার কারলে সিগনাল অমান্য করে চরম ঝুঁকি নিয়ে উল্টো পথ দিয়ে গাড়ি চলাচল করে। এদিকে এলাকার প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় যত্রতত্র গাড়ির রং পার্কিং, অবৈধ মোটর সাইকেল গ্যারেজ, টায়ারের দোকান ও অন্যান্য স্থাপনার বর্ধিত অংশে দখল হয়ে গেছে কদমতলী মূল সড়কের উভয় পাশ। একদিকে প্রভাবশালী মহল কর্তৃক সড়কে অবৈধ স্থাপনা তৈরী, অন্যদিকে লোকবল সংকটের কারণে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ভেঙ্গে পড়ায় কদমতলী মোড় থেকে উত্তর দিকে আর্টমাসিং মোড়, পূর্ব দিকে শুভপুর বাস স্ট্যান্ড হয়ে মাঝির ঘাট টু টং ফকিরের মাজার, দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে পাঠানটুলী ও পোস্তার পাড় এলাকা জুড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। রোববার সরেজমিনে এলাকা ঘুরে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সিএমপি’র ট্রাফিক-দক্ষিণ বিভাগের টিআই (সদরঘাট) মোশারফ হোসেন মুঠোফোনে বলেন, কদমতলী রেল ক্রসিংয়ে প্রায় সময় সিগনাল পোস্ট অমান্য করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উল্টো পথে গাড়ী চলাচলের বিষয়টি সঠিক। ৫ আগস্ট পরবর্তী পরিস্থিতিতে কেউ কারও কথা মানতে চায়না। জীবনের ঝুঁকি রোধে এ এলাকাসহ সর্বত্র হেলমেটবিহীন মোটর সাইকেল চালানো, উল্টো পথে গাড়ী চালানো, সড়ক থেকে অবৈধ পার্কিং ও অবৈধ গাড়ির স্ট্যান্ড সরিয়ে নেয়াসহ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় সড়ক শৃঙ্খলা আনায়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি, এ ব্যাপারে সচেতনতার কোন বিকল্প নেই, আমরা সকলের সহযোগিতা চাই।
কদমতলী রেল ক্রসিংয়ে উল্টো পথে গাড়ী চলাচলের বিষয়ে জানতে চাইলে কর্মরত গেট কীপার অর্জুন বড়ুয়া ট্রাফিক বিভাগকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, ট্রাফিক পুলিশ আন্তরিক হলে কেউ উল্টো পথে গাড়ী চলাচলের সাহস পাবেনা। রেল ক্রসিংয়ে যত দোষ সবগুলো রেল কর্তৃপক্ষের উপর চাপিয়ে দেয়া হয়।
চট্টগ্রাম রেলওয়ের সহকারী স্টেশন মাস্টার ফারুক আজম বলেন, লোকবল সংকটের কারণে সারাদেশে রেলওয়ের সেবা বিঘ্নিত হচ্ছে। কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন রুটে রেলের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা বাড়েনি। বাংলাদেশ রেলওয়েতে ৪৭ হাজার কর্মচারীর পদ রয়েছে। তন্মধ্যে কর্মরত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার কর্মচারী। রাজস্বখাতের বাইরে রেলে মাস্টার রোল ও আউটসোসিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারীরা নিয়মিত বেতন-ভাতা পাচ্ছেনা। কদমতলীসহ দেশের সকল রেল ক্রসিং ও রেলের অন্যান্য স্থাপনায় লোকবল নিয়োগ দিলে আমরা দুর্ঘটনামুক্ত জনগণের কাঙ্খিত সেবা নিশ্চিত করতে পারবো।
এ বিষয়ে মোবাইলে জানতে চাইলে ট্রাফিক-দক্ষিণ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ মাহবুব আলম খান, পিপিএম জানান, লোকবল সংকটের কারণে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণে আনতে সাময়িক কষ্ট হচ্ছে। শুধু কদমতলী রেল ক্রসিং নয়, অধীনস্থ সড়কে হেলমেট, রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্সবিহীন যারা উল্টো পথে গাড়ী চালায় কিংবা অবৈধ গাড়ী চালায় তাদের বিরুদ্ধে ট্রাফিক বিভাগ প্রতিনিয়ত আইনানুগ ব্যবস্থা অব্যাহত রেখেছে। আমি নিজেও সড়কে গিয়ে অবৈধ গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে ব্যবস্থা নিয়েছি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মহান মে দিবসে চসিক জাতীয়তাবাদী শ্রমিক ইউনিয়ন ২১-এর আলোচনা সভা ও বিশাল র‍্যালি অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহান মে দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) জাতীয়তাবাদী শ্রমিক ইউনিয়ন ২১-এর উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও বিশাল র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে র‍্যালিটি নাসিমন ভবনে গিয়ে শেষ হয়।সংগঠনের সভাপতি দিদারুল আলম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় শ্রমিকদের অধিকার, ন্যায্য মজুরি এবং কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মোঃ সেলিম ভুইঞা, মোঃ বশির,শাহেদ আলম, মাবুদ, নাছির, শাহ আলম,মোঃজামশেদ, মহিউদ্দিন, মোঃমফজ্জল,হেদায়েত উল্ল্যা মোঃইসমাইলসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত সাইফুল ও সোমনাথ রাজু। এছাড়াও শ্রমিক ইউনিয়নের অসংখ্য নেতাকর্মী ও সমর্থক অংশগ্রহণ করেন।সভায় বক্তারা বলেন, মহান মে দিবস শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের প্রেরণার উৎস। শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আদায়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

বোয়ালখালীতে জামায়াতে ইসলামী’র কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উপজেলা ও পৌরসভা শাখার উদ্যোগে এক কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১ মে) সকাল ৯টায় স্থানীয় একটি কমিউনিটি সেন্টারে কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে জুমার নামাজ শেষে মেজবানের আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বোয়ালখালী উপজেলা শাখার আমীর মুহাম্মদ খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি ইমাম উদ্দিন ইয়াছিনের সঞ্চালনায় সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতে ইসলামী’র আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতে ইসলামী’র আমীর মুহাম্মদ আনোয়ারুল আলম চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা সহকারী সেক্রেটারি মোঃ জাকারিয়া, চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হাসপাতালের পরিচালক ও বোয়ালখালী উপজেলা নায়েবে আমীর ডা. আবু নাছের।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চান্দগাঁও জামায়াতের আমীর মোঃ ইসমাইল হোসেন, সেক্রেটারি জসিম উদ্দিন সরকার, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক মোঃ ইকবাল, বোয়ালখালী উপজেলা মহিলা জামায়াতের সভাপতি নাহিদ পারভিন, অঞ্চল পরিচালক এলিনা সুলতানা, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মাওলানা মফিজুর রহমান, ওলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা দিদারুল আলম, বোয়ালখালী পৌরসভা ও পোপাদিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দসহ অনেকে। অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন রেনেসা ও দিগন্ত শিল্পী গোষ্ঠী।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ