চট্টগ্রামে নিত্য যানজট, ভেঙ্গে পড়েছে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 চট্টগ্রাম নগরীর অন্যতম জনগুরুত্বপূর্ণ কদমতলী রেল ক্রসিং দিয়ে প্রতিনিয়ত চরম ঝুঁকি নিয়ে উল্টো পথে চলাচল করে বিভিন্ন যানবাহন। রিক্সা, অবৈধ ব্যাটারী রিক্সা ও মোটর সাইকেল থেকে শুরু করে সকল ধরণের গণ ও পণ্য পরিবহণ সুযোগ পেলেই সিগনাল পোস্ট অমান্য করে উল্টো পথে চলাচল করে। কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরাও হেলমেট, রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্সবিহীন মোটর সাইকেল চালিয়ে বেপরোয়াভাবে উল্টো পথে চালিয়ে রেল ক্রসিং পার হতে দেখা যায়। সিগনাল না মানার কারণে অনেক সময় ক্রসিংয়ের মাঝখানে রেলের সাথে বিভিন্ন যানবাহন মুখোমুখি হতে দেখা গেছে। তাদের বিরুদ্ধে তেমন কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। ভেঙ্গে পড়েছে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, সৃষ্টি হয় নিত্য যানজট। চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) ট্রাফিক-দক্ষিণ বিভাগের টিআই (সদরঘাট) মোশারফ হোসেন ও রেলওয়ের কিছু কিছু কর্মচারীর উদাসীনতার কারণে কদমতলী রেল ক্রসিং ও আশপাশের এলাকায় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় হ-য-ব-র-ল অবস্থা পরিলক্ষিত হয়। সিগনাল অমান্য করে উল্টো পথে গাড়ি চালানোর কারণে কদমতলী, আমবাগান, খুলশী ও পাহাড়তলীসহ অন্যান্য রেল ক্রসিংগুলোতে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে বলে ভূক্তভোগীরা জানান। তবে এসব অব্যবস্থাপনার জন্য ট্রাফিক বিভাগকে দায়ী করেছে রেলওয়ে।
জানা গেছে, কয়েক দিন আগে চলন্ত ট্রেনে উঠতে গিয়ে একজন আরএনবি সদস্যের হাত কাটা পড়েছে। কদমতলী রেল ক্রসিংয়ের উভয় পার্শ্বে ৪টি সিগনাল ব্যারিয়ার রয়েছে। এখানে ২৪ ঘন্টায় তিন শিফটে ৪ জন করে ১২ জন গেট কীপার সিগনাল ব্যারিয়ারে দায়িত্ব পালন করার কথা থাকলেও কর্তব্যরত রয়েছে মাত্র ৬ জন। রেল ক্রসিংয়ের উভয় পাশে আরও দু’টি সিগনাল ব্যারিয়ার ওপেন থাকার কারলে সিগনাল অমান্য করে চরম ঝুঁকি নিয়ে উল্টো পথ দিয়ে গাড়ি চলাচল করে। এদিকে এলাকার প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় যত্রতত্র গাড়ির রং পার্কিং, অবৈধ মোটর সাইকেল গ্যারেজ, টায়ারের দোকান ও অন্যান্য স্থাপনার বর্ধিত অংশে দখল হয়ে গেছে কদমতলী মূল সড়কের উভয় পাশ। একদিকে প্রভাবশালী মহল কর্তৃক সড়কে অবৈধ স্থাপনা তৈরী, অন্যদিকে লোকবল সংকটের কারণে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ভেঙ্গে পড়ায় কদমতলী মোড় থেকে উত্তর দিকে আর্টমাসিং মোড়, পূর্ব দিকে শুভপুর বাস স্ট্যান্ড হয়ে মাঝির ঘাট টু টং ফকিরের মাজার, দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে পাঠানটুলী ও পোস্তার পাড় এলাকা জুড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। রোববার সরেজমিনে এলাকা ঘুরে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সিএমপি’র ট্রাফিক-দক্ষিণ বিভাগের টিআই (সদরঘাট) মোশারফ হোসেন মুঠোফোনে বলেন, কদমতলী রেল ক্রসিংয়ে প্রায় সময় সিগনাল পোস্ট অমান্য করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উল্টো পথে গাড়ী চলাচলের বিষয়টি সঠিক। ৫ আগস্ট পরবর্তী পরিস্থিতিতে কেউ কারও কথা মানতে চায়না। জীবনের ঝুঁকি রোধে এ এলাকাসহ সর্বত্র হেলমেটবিহীন মোটর সাইকেল চালানো, উল্টো পথে গাড়ী চালানো, সড়ক থেকে অবৈধ পার্কিং ও অবৈধ গাড়ির স্ট্যান্ড সরিয়ে নেয়াসহ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় সড়ক শৃঙ্খলা আনায়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি, এ ব্যাপারে সচেতনতার কোন বিকল্প নেই, আমরা সকলের সহযোগিতা চাই।
কদমতলী রেল ক্রসিংয়ে উল্টো পথে গাড়ী চলাচলের বিষয়ে জানতে চাইলে কর্মরত গেট কীপার অর্জুন বড়ুয়া ট্রাফিক বিভাগকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, ট্রাফিক পুলিশ আন্তরিক হলে কেউ উল্টো পথে গাড়ী চলাচলের সাহস পাবেনা। রেল ক্রসিংয়ে যত দোষ সবগুলো রেল কর্তৃপক্ষের উপর চাপিয়ে দেয়া হয়।
চট্টগ্রাম রেলওয়ের সহকারী স্টেশন মাস্টার ফারুক আজম বলেন, লোকবল সংকটের কারণে সারাদেশে রেলওয়ের সেবা বিঘ্নিত হচ্ছে। কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন রুটে রেলের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা বাড়েনি। বাংলাদেশ রেলওয়েতে ৪৭ হাজার কর্মচারীর পদ রয়েছে। তন্মধ্যে কর্মরত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার কর্মচারী। রাজস্বখাতের বাইরে রেলে মাস্টার রোল ও আউটসোসিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারীরা নিয়মিত বেতন-ভাতা পাচ্ছেনা। কদমতলীসহ দেশের সকল রেল ক্রসিং ও রেলের অন্যান্য স্থাপনায় লোকবল নিয়োগ দিলে আমরা দুর্ঘটনামুক্ত জনগণের কাঙ্খিত সেবা নিশ্চিত করতে পারবো।
এ বিষয়ে মোবাইলে জানতে চাইলে ট্রাফিক-দক্ষিণ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ মাহবুব আলম খান, পিপিএম জানান, লোকবল সংকটের কারণে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণে আনতে সাময়িক কষ্ট হচ্ছে। শুধু কদমতলী রেল ক্রসিং নয়, অধীনস্থ সড়কে হেলমেট, রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্সবিহীন যারা উল্টো পথে গাড়ী চালায় কিংবা অবৈধ গাড়ী চালায় তাদের বিরুদ্ধে ট্রাফিক বিভাগ প্রতিনিয়ত আইনানুগ ব্যবস্থা অব্যাহত রেখেছে। আমি নিজেও সড়কে গিয়ে অবৈধ গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে ব্যবস্থা নিয়েছি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নিধারিত ভাড়া না মানলে ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যবস্থা: ইউএনও

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে সিএনজি অটোরিকশায় নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট না থাকলে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে উপজেলার সব সিএনজি অটোরিকশায় দৃশ্যমান স্থানে ভাড়ার চার্ট টাঙানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় বোয়ালখালী উপজেলা অডিটোরিয়ামে সিএনজির ভাড়া, যাত্রীসেবা ও পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান ফারুক।

সভায় যাত্রীদের স্বার্থ, চালক ও মালিকদের ন্যায্যতা এবং সিএনজি পরিবহনে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে সিএনজিতে যাত্রী উঠানামার ভাড়া ৫ টাকা এবং ইউএনও কার্যালয় থেকে ফুলতল পর্যন্ত ভাড়া ৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এ ছাড়া স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা চলাকালীন সময়ে ইউনিফর্ম পরিহিত কিংবা বৈধ পরিচয়পত্রধারী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্ধেক ভাড়া নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, প্রতিটি সিএনজি অটোরিকশায় নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে। ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব গাড়িতে ভাড়ার চার্ট লাগানো নিশ্চিত করতে হবে। ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ভাড়ার চার্ট না থাকা গাড়ির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ছাড়া নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত আদায় না করা এবং যাত্রীদের সঙ্গে শালীন, ভদ্র ও দায়িত্বশীল আচরণ করতে চালকদের নির্দেশ দেওয়া হয়। যাত্রী হয়রানি, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় কিংবা সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অমান্যের অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, বোয়ালখালীর পাঁচটি স্টেশনে পূর্বের নির্ধারিত ভাড়ার সঙ্গে ৫ টাকা করে বৃদ্ধি করা হবে। অন্য স্টেশনগুলোর ভাড়া আগের মতোই বহাল থাকবে।

সভায় বোয়ালখালী সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কানিজ ফাতেমা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল হক চেয়ারম্যান, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ইসহাক চৌধুরী, বিএনপি নেতা শহিদুল্লাহ চৌধুরী, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতা মুজাহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির বোয়ালখালী উপজেলা শাখার সভাপতি অধীর বড়ুয়া ও সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসেন দুলালসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া বোয়ালখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, এস এম মোদাচ্ছের, বোয়ালখালী সিএনজি অটোরিকশা টেম্পু শ্রমিক ও মালিক সমন্বয় পরিষদের সভাপতি মো. ইদ্রিস, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হাবিবুর রহমান, শ্রমিকনেতা আবদুল সাত্তার এবং কালুরঘাট-ফুলতল, শাকপুরা, সিও অফিস, জোটপুকুর, কানুনগোপাড়া, দাশেরদীঘি, বেংগুরাসহ বিভিন্ন এলাকার সিএনজি চালক ও সমিতির প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।সভায় উপস্থিত বিভিন্ন পক্ষ পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে যাত্রীবান্ধব, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ সিএনজি পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন।

ইঞ্জিন দ্রুত মেরামতে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপকের নির্দেশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে রেলওয়ে ট্রেনিং একাডেমি (আরটিএ), লোকোসেড, সিজিপিওয়াই, কনটেইনার কোম্পানি অব বাংলাদেশ (সিসিবিএল) ও পদ্মা অয়েল সাইডিং লাইন পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মামুনুল ইসলাম। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) এসব স্থাপনা পরিদর্শন করেন তিনি। পরিদর্শনকালে রেলওয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

পরিদর্শনকালে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী (সিই), চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট (সিওপিএস), চিফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার (সিসিএম), চট্টগ্রামের বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার (ডিআরএম) এবং পাহাড়তলীর ডিএসডব্লিউসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রথমে রেলওয়ে ট্রেনিং একাডেমি (আরটিএ) পরিদর্শন করেন মহাব্যবস্থাপক। এ সময় তিনি একাডেমির একাডেমিক ভবন, প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণ কক্ষ, ডরমেটরি ও আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখেন। পরিদর্শনকালে বিভাগীয় প্রধানদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।এরপর তিনি সিজিপিওয়াই, টার্ন টেবিল, ট্রায়াঙ্গেল লাইন, ইয়ার্ড লাইন ও লোকোসেড পরিদর্শন করেন। লোকোসেড পরিদর্শনকালে ইঞ্জিন দ্রুত মেরামত ও সচল রাখার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন পরামর্শ ও নির্দেশনা দেন।

পরে সিজিপিওয়াই এলাকায় কনটেইনার কোম্পানি অব বাংলাদেশ (সিসিবিএল) পরিদর্শন করেন মহাব্যবস্থাপক। এ সময় সিসিবিএলের সঙ্গে রেলওয়ের বিভিন্ন চুক্তি, নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং সীমানা নির্ধারণসংক্রান্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়। এছাড়া দ্মা অয়েল সাইডিং লাইন পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় প্রধানদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন তিনি।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ