আজঃ রবিবার ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

আইনের ৪২ ধারা (পরোয়ানা ছাড়াই তল্লাশি, জব্দ, গ্রেপ্তার) সম্পূর্ণ বাতিল ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য ২১, ২৫, ২৮, ২৯ ও ৩২ নম্বর ধারায় বর্ণিত সংজ্ঞা আরও সুনির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট করা প্রয়োজন।

সাইবার আইন সংশোধন: প্রযুক্তির যুগে ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি

মোহাম্মদ সাদেক আব্দুল্লাহ,আদনান আহমেদ রিফাত সিকদার।

বাংলাদেশের সাইবার অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়েছিল ২০০৬ সালে, কিন্তু উক্ত সাইবার অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম এখনো সুনির্দিষ্ট প্রয়োগ বাংলাদেশের হচ্ছে না,

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ, ডিজিটাল প্রযুক্তির যুগে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে, সাইবার নিরাপত্তা ও ডিজিটাল অধিকার নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তাও ক্রমবর্ধমান। ডিজিটালাইজেশনের এই যুগে তথ্যের অবাধ প্রবাহ যেমন সুযোগের সৃষ্টি করেছে, তেমনি সাইবার অপরাধের ঝুঁকিও বাড়িয়ে তুলেছে। সাইবার জগতের অপব্যবহার প্রতিরোধ এবং নাগরিকদের ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২০০৬ সালে প্রণয়ন করা হয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন (আইসিটি আইন)। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে এটি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নামে পুনঃসংস্করণ করা হয়।এবং ২০২৩ সালে সাইবার আইন প্রণয়ন করা হয়।তবে, এই আইন প্রণয়নের পর থেকে সমালোচনা ও বিতর্কও কম হয়নি। মত প্রকাশের স্বাধীনতা হ্রাস, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের উপর চাপ সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে, আইনের সংশোধন একান্ত প্রয়োজনীয় হয়ে ওঠে। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে, সাইবার অপরাধ দমনের পাশাপাশি মৌলিক অধিকার সুরক্ষা এবং সুশাসন নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এই আইনের সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রতিবেদনে, সাইবার আইনের সংশোধনের প্রয়োজনীয় দিক, প্রস্তাবিত পরিবর্তন, এবং সংশ্লিষ্ট চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনার বিশ্লেষণ তুলে ধরা হবে। বাংলাদেশের ডিজিটাল ভবিষ্যৎ গড়তে সাইবার আইনের এই সংশোধন কীভাবে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, তারও একটি সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করা হবে।

১) সাইবার নিরাপত্তা আইনে যদিও মানহানিকর তথ্য’, ‘ভুল তথ্য’, ‘আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী বক্তব্য’, ‘ভাবমূর্তি’, ‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত’ ও ‘অশ্লীলতা’র মতো যে বিষয়গুলো আইনে সাজার আওতাভুক্ত রয়েছে, কিন্তু সেই বিষয়গুলোর সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি তার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে হবে। যেন এই বিষয়গুলো অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে ভবিষ্যতে দমন–পীড়ন না করা যায়। ২)উক্ত আইনের ৪২ ধারা (পরোয়ানা ছাড়াই তল্লাশি, জব্দ, গ্রেপ্তার) সম্পূর্ণ বাতিল ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য ২১, ২৫, ২৮, ২৯ ও ৩২ নম্বর ধারায় বর্ণিত সংজ্ঞা আরও সুনির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট করা প্রয়োজন।এই আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এই ধারা অনুসারে, এমন কোনো তথ্য প্রকাশ বা প্রচার করা নিষিদ্ধ, যা “জনমনে ভীতি বা বিভ্রান্তি” সৃষ্টি করতে পারে। এর অপব্যবহারের ফলে সাংবাদিকদের সরকারের সমালোচনা করার সুযোগ সীমিত হয়ে যায়। এটি বিশেষ করে গবেষণামূলক প্রতিবেদন এবং অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার জন্য বড় বাধা। দেশের বহু সাংবাদিক এই ধারার অধীনে প্রচুর হেনস্তার শিকার হয়েছে।দেশের মিডিয়া দেশের আয়না,তাদের কাজে বাধা পড়লে দেশের মানুষ অবর্ণনীয় ক্ষতির সম্মুখীন হবে,অধিকাংশ আইনজ্ঞের মতে এই ধারা পুরোপুরি বাতিল করা প্রয়োজন।৩)গত আগষ্ট পর্যন্ত বাংলাদেশে সাইবার ট্রাইবুনালের সংখ্যা ছিল মাত্র আটটি। উক্ত সাইবার ট্রাইবুনালের সংখ্যা আরো বৃদ্ধি করা প্রয়োজন,কমপক্ষে প্রতিটি জেলায় একটি করে ট্রাইবুনাল গঠন করা প্রয়োজন।৪)বাংলাদেশের সাইবার অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়েছিল ২০০৬ সালে, কিন্তু উক্ত সাইবার অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম এখনো সুনির্দিষ্ট প্রয়োগ বাংলাদেশের হচ্ছে না, জনগণের নয়াবিচার পাওয়ার অধিকার ব্যবস্থা করতে চাইলে, সাইবার অ্যাপিলেট ট্রাইবুনালের সংস্করণ অপরিহার্য।৫)ই-কোর্ট স্থাপন করা প্রয়োজন। যোগ্য বিচারক বা বিচারকদের উপস্থিতিতে, যার একটি উন্নত প্রযুক্তিগত অবকাঠামো রয়েছে। এই অবকাঠামোটি সাধারণত দল, অংশগ্রহণকারী এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের আদালতের কার্যাবলীর কিছু প্রশাসনিক এবং পদ্ধতিগত দিকগুলিকে আরও ভালভাবে পরিচালনা করার অনুমতি দেওয়ার জন্য ডিজাইন করা প্রয়োজন। ৬)ডিজিটাল এভিডেন্সগুলোকে কোর্ট গ্রহণ করার জন্য, উক্ত সাইবার কোর্ট গুলোকে আরো ডিজিটালাইজড করা প্রয়োজন। ৭) প্রতিটি সাইবার ট্রাইবুনাল কোর্টে কিছু সাইবার এক্সপার্ট নিয়োগ দেওয়া জরুরী,যাতে তারা বিচারকদের বিভিন্ন ধরনের তথ্য ও উপাত্ত দিয়ে সাহায্য করতে পারে। ৮) এই আইনের ৬০টি বিধানের মধ্যে ৩৭টি বিধান অপরাধসংক্রান্ত এবং ১৮টি বিধানে আছে শুধু কী করলে অপরাধ হবে। ডেটা, ডিজিটাল কনটেন্ট প্রভৃতির সুরক্ষার জন্য মাত্র চারটি ধারা রয়েছে। সুতরাং সাইবার ওয়ার্ল্ডে যে সমস্ত ডাটা ও ডিজিটাল কনটেন্ট এর অপরাধগুলো সংঘটিত হচ্ছে সেগুলা সম্পর্কে আরো বেশি ধারা প্রণয়ন করতে হবে এবং উক্ত ধারাগুলো সুস্পষ্ট প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

সাইবার আইন সংশোধনের প্রস্তাবনা বাংলাদেশকে একটি নিরাপদ, সুশৃঙ্খল এবং অধিকতর স্বচ্ছ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম উপহার দেওয়ার পথে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। বর্তমান আইন প্রয়োগে মত প্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ, ব্যক্তিস্বাধীনতা খর্ব, এবং ডিজিটাল হুমকির বিরুদ্ধে অপর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়ার যে অভিযোগগুলো উঠে এসেছে, সেগুলো সংশোধনের মাধ্যমে নতুন আইন প্রণয়ন করলে তা দেশের আইনি কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে। তবে, এই সংশোধনের ক্ষেত্রে সতর্কতার সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একদিকে, সাইবার অপরাধ দমন করতে হবে; অন্যদিকে, নাগরিকদের বাকস্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করতে হবে। আইন প্রয়োগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য স্বাধীন নজরদারি সংস্থা গঠন, নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যমের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, এবং শিক্ষামূলক কর্মসূচি গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশের সাইবার আইন যদি প্রযুক্তি, অধিকার এবং সুশাসনের মধ্যে একটি কার্যকর ভারসাম্য রক্ষা করতে পারে, তবে তা জাতির ডিজিটাল অগ্রযাত্রাকে একটি নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেবে। এটি কেবল সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রেই নয়, বরং বাংলাদেশের অর্থনীতি, শিক্ষা এবং সমাজের প্রতিটি স্তরে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে। সুতরাং, সাইবার আইন সংশোধন কেবল একটি আইনি প্রক্রিয়া নয়, এটি ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রতি একটি যুগান্তকারী অঙ্গীকার।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনাবাসী শিমুল বিশ্বাস কে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর পাবনা জেলা সদর থেকে কাউ কে মন্ত্রী করা হয়নি। মন্ত্রী করা হয়েছে জেলা সদরের বাইরে। এবার পাবনা সদর-৫ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন প্রখ্যাত শ্রমিক নেতা এডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। মন্ত্রী হওয়ার সব যোগ্যতাই তার আছে। তিনি সাবেক তিন বারের প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী এবং বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান ছিলেন। এসব দায়িত্ব পালন কালে সততা ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। স্বাধীনতার পর থেকে লাভের মুখ না দেখা বিআইডব্লিউটিসিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিনত করেছিলেন।

মন্ত্রী, এমপি না হয়েও পাবনার উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছেন। এবি ট্রাস্ট গঠন করে অসংখ্য মসজিদ, হাফেজ মাদ্রাসা, উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করে দিয়েছেন। বেকারদের চাকরীর ব্যবস্থা করেছেন। মহৎ মনের এই মানুষটি বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়কারী ও বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।সাবেক এমপি মোঃ ওয়াজ উদ্দিন খান এবং শাজাহান খানের অবর্তমানে তিনিই এখন এই সংগঠনটির মু্খ্য দায়িত্ব পালন করেন। এমন একজন ব্যক্তি বিএনপি সরকারের মন্ত্রী পরিষদে থাকলে শ্রমিক আন্দোলনের সময় কাজে লাগতে পারে বলে মনে করেন বিজ্ঞ জনেরা। তাই পাবনা জেলাবাসী শিমুল বিশ্বাসকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান।

চট্টগ্রামে বোধনের বসন্ত বন্দনা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শীতকে আনুষ্ঠানিক বিদায় দিয়ে ভালোবাসার দিনে ফাল্গুনী সমীরণ, পাতাঝরা পলাশ আর শিমুলের ডালে ডালে যে রঙ লেগেছে, তাকে বরণ করতে দেশের পুরোধা সংগঠন বোধন আবৃত্তি পরিষদ, চট্টগ্রাম আয়োজন করেছে বসন্ত উৎসব- ১৪৩২। শনিবার পহেলা ফাল্গুন নগরের পাহাড়তলীর শহীদ ওয়াসিম পার্কে উৎসবের আঙিনায় ছিল সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি, ঢোলবাদন, কথামালা, শোভাযাত্রা, যন্ত্রসংগীতসহ নানা আয়োজন।

সকাল ৯টায় ভায়োলিনিস্ট চিটাগাং এর যন্ত্রসংগীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বসন্ত উৎসবের আয়োজন। বসন্তের হাওয়ায় দলীয় নৃত্যে অংশ নেন নৃত্যরূপ, সুরাঙ্গন বিদ্যাপীঠ, দ্যা স্কুল অব ক্লাসিক্যাল অ্যান্ড ফোক ডান্স, নৃত্য নিকেতন, মাধুরী ডান্স একাডেমির শিল্পীরা।গানে গানে দলীয় সংগীতে বসন্তকে স্বাগত জানান সুর পঞ্চম, আর কে মিউজিক, বাগেশ্বরী। একক গান পরিবেশন করেন কেশব জীপসী, ঋষু তালুকদার, চন্দ্রিমা ভৌমিক রাত্রি, কান্তা দে, সুমিতা সরকার, রিনা দাশ, মনি আচার্য্য। তবলা লহড়ায় ছিলেন উঠান সংগীত বিদ্যালয়। একক আবৃত্তি করেন কংকন দাশ, মিশফাক রাসেল, দেবাশীষ রুদ্র।ঢোলবাদনে ছিলেন দীপক ও তার দল।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যভাগে হয় বসন্তকথন পর্ব। এতে অংশ নেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, বোধনের সহ-সভাপতি সুবর্ণা চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল সোহেল, অর্থ সম্পাদক অনুপম শীল।

মানবিক, অসাম্প্রদায়িক ও শোষণহীন সমাজ গঠনের জন্য বাঙালির এসব উৎসব-পার্বণগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, সারা বছরের নানান বঞ্চনা, নানান টানাপোড়েনের গ্লানি মুছে যায় এই বসন্তে।এই ফাগুনেই রক্তে রঞ্জিত হয়েছে বাংলার রাজপথ। বুকের রক্তে বাঙালি রক্ষা করেছে মাতৃভাষার মর্যাদা। পরে একক ও দলীয় আবৃত্তি পরিবেশন করেন বোধন আবৃত্তি পরিষদের আবৃত্তিশিল্পীরা। অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন গৌতম চৌধুরী, পলি ঘোষ, শ্রেয়সী স্রোতস্বীনি, ঋত্বিকা নন্দী, পল্লব গুপ্ত। অনুষ্ঠান শেষে বসন্ত বরণে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়।

আলোচিত খবর

নবনির্বাচিত সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ভারত, চীন, পাকিস্তানসহ ১৩ দেশকে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। নবনির্বাচিত সরকারের শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে চীনের প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ভারত-পাকিস্তানসহ ১৩ দেশকে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে। আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নিতে যাচ্ছে নতুন সরকার।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ