আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

আইনের ৪২ ধারা (পরোয়ানা ছাড়াই তল্লাশি, জব্দ, গ্রেপ্তার) সম্পূর্ণ বাতিল ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য ২১, ২৫, ২৮, ২৯ ও ৩২ নম্বর ধারায় বর্ণিত সংজ্ঞা আরও সুনির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট করা প্রয়োজন।

সাইবার আইন সংশোধন: প্রযুক্তির যুগে ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি

মোহাম্মদ সাদেক আব্দুল্লাহ,আদনান আহমেদ রিফাত সিকদার।

বাংলাদেশের সাইবার অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়েছিল ২০০৬ সালে, কিন্তু উক্ত সাইবার অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম এখনো সুনির্দিষ্ট প্রয়োগ বাংলাদেশের হচ্ছে না,

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ, ডিজিটাল প্রযুক্তির যুগে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে, সাইবার নিরাপত্তা ও ডিজিটাল অধিকার নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তাও ক্রমবর্ধমান। ডিজিটালাইজেশনের এই যুগে তথ্যের অবাধ প্রবাহ যেমন সুযোগের সৃষ্টি করেছে, তেমনি সাইবার অপরাধের ঝুঁকিও বাড়িয়ে তুলেছে। সাইবার জগতের অপব্যবহার প্রতিরোধ এবং নাগরিকদের ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২০০৬ সালে প্রণয়ন করা হয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন (আইসিটি আইন)। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে এটি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নামে পুনঃসংস্করণ করা হয়।এবং ২০২৩ সালে সাইবার আইন প্রণয়ন করা হয়।তবে, এই আইন প্রণয়নের পর থেকে সমালোচনা ও বিতর্কও কম হয়নি। মত প্রকাশের স্বাধীনতা হ্রাস, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের উপর চাপ সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে, আইনের সংশোধন একান্ত প্রয়োজনীয় হয়ে ওঠে। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে, সাইবার অপরাধ দমনের পাশাপাশি মৌলিক অধিকার সুরক্ষা এবং সুশাসন নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এই আইনের সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রতিবেদনে, সাইবার আইনের সংশোধনের প্রয়োজনীয় দিক, প্রস্তাবিত পরিবর্তন, এবং সংশ্লিষ্ট চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনার বিশ্লেষণ তুলে ধরা হবে। বাংলাদেশের ডিজিটাল ভবিষ্যৎ গড়তে সাইবার আইনের এই সংশোধন কীভাবে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, তারও একটি সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করা হবে।

১) সাইবার নিরাপত্তা আইনে যদিও মানহানিকর তথ্য’, ‘ভুল তথ্য’, ‘আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী বক্তব্য’, ‘ভাবমূর্তি’, ‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত’ ও ‘অশ্লীলতা’র মতো যে বিষয়গুলো আইনে সাজার আওতাভুক্ত রয়েছে, কিন্তু সেই বিষয়গুলোর সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি তার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে হবে। যেন এই বিষয়গুলো অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে ভবিষ্যতে দমন–পীড়ন না করা যায়। ২)উক্ত আইনের ৪২ ধারা (পরোয়ানা ছাড়াই তল্লাশি, জব্দ, গ্রেপ্তার) সম্পূর্ণ বাতিল ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য ২১, ২৫, ২৮, ২৯ ও ৩২ নম্বর ধারায় বর্ণিত সংজ্ঞা আরও সুনির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট করা প্রয়োজন।এই আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এই ধারা অনুসারে, এমন কোনো তথ্য প্রকাশ বা প্রচার করা নিষিদ্ধ, যা “জনমনে ভীতি বা বিভ্রান্তি” সৃষ্টি করতে পারে। এর অপব্যবহারের ফলে সাংবাদিকদের সরকারের সমালোচনা করার সুযোগ সীমিত হয়ে যায়। এটি বিশেষ করে গবেষণামূলক প্রতিবেদন এবং অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার জন্য বড় বাধা। দেশের বহু সাংবাদিক এই ধারার অধীনে প্রচুর হেনস্তার শিকার হয়েছে।দেশের মিডিয়া দেশের আয়না,তাদের কাজে বাধা পড়লে দেশের মানুষ অবর্ণনীয় ক্ষতির সম্মুখীন হবে,অধিকাংশ আইনজ্ঞের মতে এই ধারা পুরোপুরি বাতিল করা প্রয়োজন।৩)গত আগষ্ট পর্যন্ত বাংলাদেশে সাইবার ট্রাইবুনালের সংখ্যা ছিল মাত্র আটটি। উক্ত সাইবার ট্রাইবুনালের সংখ্যা আরো বৃদ্ধি করা প্রয়োজন,কমপক্ষে প্রতিটি জেলায় একটি করে ট্রাইবুনাল গঠন করা প্রয়োজন।৪)বাংলাদেশের সাইবার অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়েছিল ২০০৬ সালে, কিন্তু উক্ত সাইবার অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম এখনো সুনির্দিষ্ট প্রয়োগ বাংলাদেশের হচ্ছে না, জনগণের নয়াবিচার পাওয়ার অধিকার ব্যবস্থা করতে চাইলে, সাইবার অ্যাপিলেট ট্রাইবুনালের সংস্করণ অপরিহার্য।৫)ই-কোর্ট স্থাপন করা প্রয়োজন। যোগ্য বিচারক বা বিচারকদের উপস্থিতিতে, যার একটি উন্নত প্রযুক্তিগত অবকাঠামো রয়েছে। এই অবকাঠামোটি সাধারণত দল, অংশগ্রহণকারী এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের আদালতের কার্যাবলীর কিছু প্রশাসনিক এবং পদ্ধতিগত দিকগুলিকে আরও ভালভাবে পরিচালনা করার অনুমতি দেওয়ার জন্য ডিজাইন করা প্রয়োজন। ৬)ডিজিটাল এভিডেন্সগুলোকে কোর্ট গ্রহণ করার জন্য, উক্ত সাইবার কোর্ট গুলোকে আরো ডিজিটালাইজড করা প্রয়োজন। ৭) প্রতিটি সাইবার ট্রাইবুনাল কোর্টে কিছু সাইবার এক্সপার্ট নিয়োগ দেওয়া জরুরী,যাতে তারা বিচারকদের বিভিন্ন ধরনের তথ্য ও উপাত্ত দিয়ে সাহায্য করতে পারে। ৮) এই আইনের ৬০টি বিধানের মধ্যে ৩৭টি বিধান অপরাধসংক্রান্ত এবং ১৮টি বিধানে আছে শুধু কী করলে অপরাধ হবে। ডেটা, ডিজিটাল কনটেন্ট প্রভৃতির সুরক্ষার জন্য মাত্র চারটি ধারা রয়েছে। সুতরাং সাইবার ওয়ার্ল্ডে যে সমস্ত ডাটা ও ডিজিটাল কনটেন্ট এর অপরাধগুলো সংঘটিত হচ্ছে সেগুলা সম্পর্কে আরো বেশি ধারা প্রণয়ন করতে হবে এবং উক্ত ধারাগুলো সুস্পষ্ট প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

সাইবার আইন সংশোধনের প্রস্তাবনা বাংলাদেশকে একটি নিরাপদ, সুশৃঙ্খল এবং অধিকতর স্বচ্ছ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম উপহার দেওয়ার পথে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। বর্তমান আইন প্রয়োগে মত প্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ, ব্যক্তিস্বাধীনতা খর্ব, এবং ডিজিটাল হুমকির বিরুদ্ধে অপর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়ার যে অভিযোগগুলো উঠে এসেছে, সেগুলো সংশোধনের মাধ্যমে নতুন আইন প্রণয়ন করলে তা দেশের আইনি কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে। তবে, এই সংশোধনের ক্ষেত্রে সতর্কতার সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একদিকে, সাইবার অপরাধ দমন করতে হবে; অন্যদিকে, নাগরিকদের বাকস্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করতে হবে। আইন প্রয়োগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য স্বাধীন নজরদারি সংস্থা গঠন, নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যমের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, এবং শিক্ষামূলক কর্মসূচি গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশের সাইবার আইন যদি প্রযুক্তি, অধিকার এবং সুশাসনের মধ্যে একটি কার্যকর ভারসাম্য রক্ষা করতে পারে, তবে তা জাতির ডিজিটাল অগ্রযাত্রাকে একটি নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেবে। এটি কেবল সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রেই নয়, বরং বাংলাদেশের অর্থনীতি, শিক্ষা এবং সমাজের প্রতিটি স্তরে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে। সুতরাং, সাইবার আইন সংশোধন কেবল একটি আইনি প্রক্রিয়া নয়, এটি ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রতি একটি যুগান্তকারী অঙ্গীকার।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমী ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমীতে উৎসব মূখর পরিবেশে ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া, নবীন বরণ, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণ-২০২৬ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দিনব্যাপী এ আয়োজনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আতিকুজ্জামান।

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং এমন আয়োজন নিয়মিতভাবে অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে শিক্ষার্থীরা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে অংশগ্রহণ করে এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য রাখেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আলহাজ্ব মোঃ হেদায়েতুল তিনি অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র প্রতিষ্ঠানের সকল ছাত্র-ছাত্রী,অভিভাবক এবং শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ।

চট্টগ্রামে র‌্যাব সদস্য হত্যা মামলার আরও দুই আসামি গ্রেফতার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাব সদস্য হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক দুই আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার নরুমপুর এলাকার শাহজাহান মোল্লা প্রকাশ দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মো. মিজান (৫৩) ও সন্দ্বীপ থানার কালাভানিয়া এলাকার মৃত বোরহান উদ্দিনের ছেলে মো. মামুন (৩৮)।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) সহকারী পুলিশ সুপার এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন জানান, র‌্যাব সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২৫ জানুয়ারি নগরের খুলশী থানার ইস্পাহানি মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার ১৬ নম্বর এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি মো. মিজানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া ২৬ জানুয়ারি ভোরে নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার বগুড়া নিবাস এলাকায় পৃথক অভিযানে সন্দেহভাজন পলাতক আসামি মো. মামুনকে গ্রেফতার করা হয়।
র‌্যাব-৭ জানায়, গত ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে অভিযান চালানোর সময় দুর্বৃত্তরা অতর্কিত হামলা চালায়।

এতে চারজন র‌্যাব সদস্য গুরুতর আহত হন। পরে আহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম সিএমএইচে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক একজন র‌্যাব সদস্যকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অপর তিনজন বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।এ ঘটনায় র‌্যাব-৭ এর পক্ষ থেকে সীতাকুণ্ড থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় ২৯ জনকে এজাহারনামীয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ