বাংলাদেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় মানবাধিকার কর্মীদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান

প্রেস রিলিজ

৭৬তম বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশন-বাংলাদেশ’র আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছেন সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি, সাংবাদিক মোঃ শাহ নেওয়াজ, নারী নেত্রী রোকসানা খানম মিথুয়া, লায়ন মোঃ ইলিয়াস সিরাজী, ড. এম.এ. জলিল, আমীর হোসেন খান, সাংবাদিক গোলাম মাওলা মুরাদ, প্রফেসর রাজীব নন্দী, তাহেরা আকতার শারমীন, এস.এম. কামরুল ইসলাম, সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম, নুরুল আবসার তৌহিদ, আওরঙ্গজেব খান সম্রাট

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল খালেক মিলনায়তনে ৭৬তম বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশন-বাংলাদেশ, এর কর্মীসমাবেশ এসএমএম আইএইচআরসি বাংলাদেশ’র পিস অ্যাম্বেসেডর ও ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেটর লায়ন মুহাম্মদ ইলিয়াস সিরাজী’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কর্মী সমাবেশে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. এম এ জলিল। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব ও সিডিএ’র বোর্ড সদস্য সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মুহাম্মদ শাহ নেওয়াজ। সংগঠনের সমন্বয়কারী সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম ও মানবাধিকার নেতা মোঃ আওরঙ্গজেব খান সম্রাট’র যৌথ পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রাজীব নন্দী। বাংলাদেশের নারী নেত্রী ও মানবাধিকার সংগঠক রোকসানা খানম মিথুয়া, চট্টগ্রাম বিভাগের প্রবীন মানবাধিকার নেতা মুহাম্মদ আমির হোসেন খান, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সদস্য মুহাম্মদ গোলাম মওলা মুরাদ, পাহাড়তলী কলেজের অধ্যক্ষ শ্যামল মজুমদার, সংগঠনের জোনাল কো-অডিনেটর মেজবাহ উদ্দিন, চট্টগ্রাম বিভাগের নেত্রী তাহেরা আকতার শারমীন, মানবাধিকার নেতা ও সাংবাদিক এস.এম কামরুল ইসলাম, ব্যাংকার মোবারক আহমদ, মঈনুদ্দীন আহমেদ, চট্টগ্রাম বারের এপিপি এডভোকেট আবু বক্কর তালুকদার, এপিপি এডভোকেট আয়েশা আক্তার শানজি, ইঞ্জিনিয়ার মাজেদুল আলম, মুহাম্মদ আব্দুর রহিম, ইঞ্জিনিয়ার আবু তৈয়ব, মোঃ জসিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম মহানগরের নুরুল আবসার তৌহিদ, ইঞ্জিনিয়ার রাজিব রায়, ডা. জামাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার অধ্যাপক খন্দকার আবু হানিফ, চৌধুরী মোঃ আব্দুল ওয়াহাব, বিএলএফ চট্টগ্রাম মহানগরের সাধারণ সম্পাদক আবু আহমেদ মিয়া, ভোক্তা অধিকার বাংলাদেশের মহাসচিব রায়হান সবুজ, সংগঠনের নেতা ড. সাজ্জাদ হোসেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি বলেন, বাংলাদেশ মানবাধিকার রক্ষায় সকল দেশপ্রেমিক মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। বাংলাদেশের অতীতের সকল বৈষম্য দূর করার জন্য সকলকে সচেতন থাকতে হবে। প্রধান বক্তার বক্তব্যে সাংবাদিক মোঃ শাহ নেওয়াজ বলেন, বাংলাদেশ একটি ফ্যাসিস্ট সরকার থেকে মুক্ত হলেও ফ্যাসিস্টের প্রেতাত্ত্বরা এখনও বিভিন্নভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করার মাধ্যমে পুনরায় মানবাধিকার ও গণতন্ত্র নষ্ট করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তাই সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের গণতন্ত্র রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। উদ্বোধকের বক্তব্যে প্রফেসর ড. এম এ জলিল বলেন, বাংলাদেশে বিগত সাড়ে পনের বৎসর মানবাধিকার লংঘন যারা করেছে তাদেরকে বিচারের আওতায় এনে ভবিষ্যতে যাতে মানবাধিকার লঙ্ঘিত না হয় আইন প্রণয়ন জরুরী। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রোকসানা আক্তার মিথু বলেন, ১৫ বছরের বৈষম্য দূর করার জন্য আন্দোলন হয়েছে। আগামীতে যাতে এ ধরনের আন্দোলন করতে না হয় তার জন্য গণতন্ত্র রক্ষায় দেশপ্রেমিক জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। সভাপতির বক্তব্যে লায়ন মুহাম্মদ ইলিয়াস সিরাজী বলেন, আমাদের সংগঠন সারা বিশ্বে মানবাধিকার রক্ষায় পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশেও তার ধারাবাহিকতা রক্ষায় এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা রাখার জন্য মানবাধিকার কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাজ্জাদ উদ্দিন, রাজনীতিবিদ মোঃ সাব্বির আহমদ, উত্তর জেলার সংগঠক ইউনুস মিয়া তালুকদার, বাবলু বড়ুয়া, সাংবাদিক ও মানবাধিকার নেতা রবিউল হোসেন সম্রাট, লায়ন রাজিব নাথ, ডা. দিলীপ বিশ্বাস, ডা. রাজু, মোঃ নুর নবী, সংগঠন মুহাম্মদ মহসিন, সাগর ইসলাম, মোঃ ইলিয়াস, নারী নেত্রী সকিনা বেগম, জোহরা বেগম, শারমীন সরকার, মনি আক্তার, নাজমা বেগম, রোকসানা চৌধুরী পপি, মুক্তি শেখ, আব্দুল কাদের রুবেল, মুহাম্মদ দিদারুল আলম, মোঃ সেলিম মিয়া, মোঃ জসিম উদ্দিন, রফিকুল ইসলাম বাছা, মোঃ সোহেল চৌধুরী, মীরজাদা এমদাদ হোসেন সোহেল, মাহবুব হাসান, মোঃ জুয়েল খান, জনি মজুমদার, সাইফুল ইসলাম, নাসরিন আক্তার, আফসানা আক্তার, মোঃ আলমগীর, মিনহাজুল আবেদীন সাজিদ, মোসলেম উদ্দিন ভূইয়া, হাজী নুরুল ইসলাম, মোঃ শাহজাহান, এড. কায়সার তালুকদার, ছাদেক হোসেন, আবু বেলাল, সোহেল খান, মোঃ এনাম হোসেন, মোঃ সোলায়মান, বদিউল আলম চেয়ারম্যান, মিজানুল হক, মাকসুদুর রহমান কমল, ফারজানা আক্তার, সানজিদা ইসলাম শান্তা, নুরুল আমিন আজাদ, মোঃ শাহাদাত হোসেন, আমিনুল ইসলাম পারভেজ, এস.এম. শাহেদুল আলম, মাহবুবুল আলম, মোঃ বখতেয়ার, মোঃ নুরুল আবসার, মোঃ দিদার উদ্দিন চৌধুরী, মোঃ ইসফার উদ্দিন, সাজেদা আক্তার, মোঃ ইসফাক উদ্দিন, রুবি আক্তার, মোঃ তারেক, তাহমিনা চৌধুরী তাহা, শারমীন শিলা, জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ মানাবিধকার নেত্রী।

 

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জেলখানায় মায়ের আদ্যশ্রাদ্ধ করার ইচ্ছে চিন্ময়ের, অনুমতি চেয়ে আবেদন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্যারোলে মুক্তির পর এবার চট্টগ্রাম কারাগারে মৃত মায়ের ‘আদ্যশ্রাদ্ধ’ অনুষ্ঠান আয়োজন করতে চান রাষ্ট্রদ্রোহ ও আইনজীবী হত্যার মামলায় কারাবন্দি চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী। এজন্য চিন্ময়ের বড় ভাই রঞ্জন কুমার ধর ধর্মীয় উপকরণ নিয়ে একজন পুরোহিতের কারাগারে প্রবেশ ও শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের অনুমতি চেয়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করেছেন।

চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক বললেন, প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতির প্রয়োজন ছিল। সেটা দেওয়া হয়েছে। এখন যে আবেদন সেটার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতির প্রয়োজন নেই। এটা কারাবিধি অনুযায়ী জেলা সুপার সিদ্ধান্ত নেবেন।

চট্টগ্রাম বিভাগের কারা উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি-প্রিজন্স) মোহাম্মদ ছগির মিয়া বললেন, এ ধরনের আবেদন খুবই রেয়ার। কারাবিধিতে এ বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলা নেই। যেহেতু ধর্মীয় বাধ্যবাধকতার বিষয় আছে এবং বন্দিও একজন বিশেষ বন্দি, তাই সিদ্ধান্ত হতে পারে বিশেষ বিবেচনায়। সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের। জেল কর্তৃপক্ষ কারাবিধির বাইরে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।

এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর চিন্ময়ের মা সন্ধ্যা রাণী ধর মারা যান। মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নিতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাকে পাঁচ ঘন্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি দিয়েছিলেন। এরপর রঞ্জন কুমার ধর আরেকটি আবেদন করেন। এতে সনাতন ধর্মীয় অনুশাসন ও শাস্ত্রীয় আচারের কথা উল্লেখ করে চিন্ময়কে কারাগারের ভেতরে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর মায়ের আদ্যশ্রাদ্ধ অনুষ্ঠান আয়োজনের সুযোগ দেওয়ার কথা বলা হয়। এজন্য শ্রাদ্ধের সরঞ্জাম নিয়ে হারাধন রুদ্র নামে একজন পুরোহিতকে কারাগারে ভেতরে প্রবেশের অনুমতির আবেদন করা হয়।

চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ইসকনের সাবেক সংগঠক। সম্মিলিত সনাতনি জাগরণ জোট নামে একটি সংগঠনের মুখপাত্রও। জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে হওয়া রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর গ্রেপ্তারের পর থেকে কারাগারে আছেন তিনি। আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যাসহ তার বিরুদ্ধে মোট ৬টি মামলা আছে।

পাবনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে এবং জড়িতদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন, স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালন করেছেন সাংবাদিকরা।


মানববন্ধন থেকে পাবনা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ওসি রাশেদুল ইসলাম কে ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রত্যাহারের আল্টিমেটাম দেন সাংবাদিকরা। না হলে কঠোর কর্মসূচীর হুশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।রবিবার ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় পাবনা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শহরের প্রধান সড়ক আব্দুল হামিদ রোডে এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়।

মানববন্ধনে সাংবাদিক নেতারা অভিযোগ করেন, ডিবি কার্যালয়ের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নিরাপত্তা সংবলিত স্থানে একজন নারীকে জিম্মি করে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে পাবনা প্রেসক্লারেবর সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে সাজানো ভিডিও ধারণ এবং তা ব্যবহার করে অপপ্রচার চালানো ন্যাক্কারজনক। যা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। একজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও সাজানো তথ্য প্রচার স্বাধীন সাংবাদিকতার হুমকিস্বরূপ। তাই আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে পাবনা ডিবির ওসি রাশেদুল ইসলাম কে প্রত্যাহার সহ তিনি ও তার দোসরদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আল্টিমেটাম দেন সাংবাদিক নেতারা।
না হলে আরো কঠোর কর্মসূচীর হুশিয়ারি করেন বক্তারা।

পাবনা প্রেসক্লাবের সাহিত্য সম্পাদক পাভেল মৃধার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, প্রেসক্লাব সভাপতি মোঃ আখতারুজ্জামান আখতার, সাবেক সম্পাদক আব্দুল মতীন খান, সাবেক সভাপতি ও এনটিভি-সমকালের স্টাফ রিপোর্টার এবিএম ফজলুর রহমান, সাবেক সম্পাদক ও মাছরাঙা টেলিভিশনের উত্তরাঞ্চলীয় ব্যুরো চীফ উৎপল মির্জা, একুশে টিভি মানব জমিনের সটাফ রিপোর্টার রাজিউর রহমান রুমী, বাংলাদেশ টুডে প্রতিনিধি আব্দুল হামিদ খান, জিকে সাদী, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ মান্নান মাস্টার, প্রথম আলো প্রতিনিধি সরোয়ার মোর্শেদ উল্লাস, আলোকিত বাংলাদেশ প্রতিনিধি কাজী বাবলা, এটিএন নিউজ ও আগামীর সময় প্রতিনিধি রিজভী জয়, ক্যামেরা জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন পাবনার সভাপতি জিয়াউল হক রিপন, বাংলাদেশ পুস্তক বিক্রেতা সমিতি পাবনার সভাপতি আব্দুল মজিদ প্রমুখ। এ সময় প্রায় শতাধিক সংবাদকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

পাবনা প্রেসক্লাবের নেতারা বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সাংবাদিক নামধারী একটি কুচক্রী মহল পাবনা প্রেসক্লাবের বিপরীতে প্রায় একই নামে সংগঠন খুলে মাদক ব্যবসা, জমি দখল, ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদাবাজির সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। মূলধারার সংবাদকর্মীরা জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটি সহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে এসব অপতৎপরতার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে চক্রটি কতিপয় অসাধু রাজনৈতিক নেতা ও পুলিশ কর্মকর্তার সহায়তায় এক তরুণী কে ব্যবহার করে পাবনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে একটি সাজানো নাটকের আশ্রয় নেয়।

মানববন্ধন শেষে ডিবির ওসি রাশেদুল ইসলাম কে প্রত্যাহার সহ জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পাবনা পুলিশ সুপারের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেন সাংবাদিক নেতারা। আর তার অনুলিপি দেওয়া হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি, ডিআইজি রাজশাহী ও পাবনার জেলা প্রশাসক কে।

এদিকে এর আগে শনিবার ১২ সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগী তরুণী নাফিসা তার নিজ বাড়িতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বীকার করেন যে, সুবর্ণা হালিম নামের এক নারী নেত্রী তাকে জিম্মি করে প্রেসক্লাব সম্পাদত জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা বক্তব্য দিতে বাধ্য করেন। পরবর্তীতে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে মা-বাবার উপস্থিতিতে সোহেল রানা বিপ্লব নামে এক কথিত সাংবাদিক এই সাজানো বক্তব্য ভিডিও ধারণ করেন। নাফিসা ইতোমধ্যেই লিখিতভাবে থানায় দেওয়া মিথ্যা অভিযোগটি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

এ ব্যাপারে পাবনা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ওসি রাশেদুল ইসলাম বলেন, ভিকটিম পরিবার আতঙ্কিত হয়ে আমাদের কাছে সহায়তা চেয়েছিল। তাদের উদ্ধার করে আমাদের হেফাজতে এনেছিলাম আইনগত সহায়তা দেওয়ার জন্য। সেখানে কথা বলার একপর্যায়ে কেউ হয়তো ভিডিও করেছে।পাবনার পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ বলেন, বিষয়টি আমরা শুনেছি। এ বিষয়ে আমরা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করবো। কমিটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ