আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

বাংলাদেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় মানবাধিকার কর্মীদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান

প্রেস রিলিজ

৭৬তম বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশন-বাংলাদেশ’র আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছেন সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি, সাংবাদিক মোঃ শাহ নেওয়াজ, নারী নেত্রী রোকসানা খানম মিথুয়া, লায়ন মোঃ ইলিয়াস সিরাজী, ড. এম.এ. জলিল, আমীর হোসেন খান, সাংবাদিক গোলাম মাওলা মুরাদ, প্রফেসর রাজীব নন্দী, তাহেরা আকতার শারমীন, এস.এম. কামরুল ইসলাম, সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম, নুরুল আবসার তৌহিদ, আওরঙ্গজেব খান সম্রাট

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল খালেক মিলনায়তনে ৭৬তম বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশন-বাংলাদেশ, এর কর্মীসমাবেশ এসএমএম আইএইচআরসি বাংলাদেশ’র পিস অ্যাম্বেসেডর ও ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেটর লায়ন মুহাম্মদ ইলিয়াস সিরাজী’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কর্মী সমাবেশে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. এম এ জলিল। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব ও সিডিএ’র বোর্ড সদস্য সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মুহাম্মদ শাহ নেওয়াজ। সংগঠনের সমন্বয়কারী সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম ও মানবাধিকার নেতা মোঃ আওরঙ্গজেব খান সম্রাট’র যৌথ পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রাজীব নন্দী। বাংলাদেশের নারী নেত্রী ও মানবাধিকার সংগঠক রোকসানা খানম মিথুয়া, চট্টগ্রাম বিভাগের প্রবীন মানবাধিকার নেতা মুহাম্মদ আমির হোসেন খান, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সদস্য মুহাম্মদ গোলাম মওলা মুরাদ, পাহাড়তলী কলেজের অধ্যক্ষ শ্যামল মজুমদার, সংগঠনের জোনাল কো-অডিনেটর মেজবাহ উদ্দিন, চট্টগ্রাম বিভাগের নেত্রী তাহেরা আকতার শারমীন, মানবাধিকার নেতা ও সাংবাদিক এস.এম কামরুল ইসলাম, ব্যাংকার মোবারক আহমদ, মঈনুদ্দীন আহমেদ, চট্টগ্রাম বারের এপিপি এডভোকেট আবু বক্কর তালুকদার, এপিপি এডভোকেট আয়েশা আক্তার শানজি, ইঞ্জিনিয়ার মাজেদুল আলম, মুহাম্মদ আব্দুর রহিম, ইঞ্জিনিয়ার আবু তৈয়ব, মোঃ জসিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম মহানগরের নুরুল আবসার তৌহিদ, ইঞ্জিনিয়ার রাজিব রায়, ডা. জামাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার অধ্যাপক খন্দকার আবু হানিফ, চৌধুরী মোঃ আব্দুল ওয়াহাব, বিএলএফ চট্টগ্রাম মহানগরের সাধারণ সম্পাদক আবু আহমেদ মিয়া, ভোক্তা অধিকার বাংলাদেশের মহাসচিব রায়হান সবুজ, সংগঠনের নেতা ড. সাজ্জাদ হোসেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি বলেন, বাংলাদেশ মানবাধিকার রক্ষায় সকল দেশপ্রেমিক মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। বাংলাদেশের অতীতের সকল বৈষম্য দূর করার জন্য সকলকে সচেতন থাকতে হবে। প্রধান বক্তার বক্তব্যে সাংবাদিক মোঃ শাহ নেওয়াজ বলেন, বাংলাদেশ একটি ফ্যাসিস্ট সরকার থেকে মুক্ত হলেও ফ্যাসিস্টের প্রেতাত্ত্বরা এখনও বিভিন্নভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করার মাধ্যমে পুনরায় মানবাধিকার ও গণতন্ত্র নষ্ট করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তাই সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের গণতন্ত্র রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। উদ্বোধকের বক্তব্যে প্রফেসর ড. এম এ জলিল বলেন, বাংলাদেশে বিগত সাড়ে পনের বৎসর মানবাধিকার লংঘন যারা করেছে তাদেরকে বিচারের আওতায় এনে ভবিষ্যতে যাতে মানবাধিকার লঙ্ঘিত না হয় আইন প্রণয়ন জরুরী। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রোকসানা আক্তার মিথু বলেন, ১৫ বছরের বৈষম্য দূর করার জন্য আন্দোলন হয়েছে। আগামীতে যাতে এ ধরনের আন্দোলন করতে না হয় তার জন্য গণতন্ত্র রক্ষায় দেশপ্রেমিক জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। সভাপতির বক্তব্যে লায়ন মুহাম্মদ ইলিয়াস সিরাজী বলেন, আমাদের সংগঠন সারা বিশ্বে মানবাধিকার রক্ষায় পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশেও তার ধারাবাহিকতা রক্ষায় এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা রাখার জন্য মানবাধিকার কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাজ্জাদ উদ্দিন, রাজনীতিবিদ মোঃ সাব্বির আহমদ, উত্তর জেলার সংগঠক ইউনুস মিয়া তালুকদার, বাবলু বড়ুয়া, সাংবাদিক ও মানবাধিকার নেতা রবিউল হোসেন সম্রাট, লায়ন রাজিব নাথ, ডা. দিলীপ বিশ্বাস, ডা. রাজু, মোঃ নুর নবী, সংগঠন মুহাম্মদ মহসিন, সাগর ইসলাম, মোঃ ইলিয়াস, নারী নেত্রী সকিনা বেগম, জোহরা বেগম, শারমীন সরকার, মনি আক্তার, নাজমা বেগম, রোকসানা চৌধুরী পপি, মুক্তি শেখ, আব্দুল কাদের রুবেল, মুহাম্মদ দিদারুল আলম, মোঃ সেলিম মিয়া, মোঃ জসিম উদ্দিন, রফিকুল ইসলাম বাছা, মোঃ সোহেল চৌধুরী, মীরজাদা এমদাদ হোসেন সোহেল, মাহবুব হাসান, মোঃ জুয়েল খান, জনি মজুমদার, সাইফুল ইসলাম, নাসরিন আক্তার, আফসানা আক্তার, মোঃ আলমগীর, মিনহাজুল আবেদীন সাজিদ, মোসলেম উদ্দিন ভূইয়া, হাজী নুরুল ইসলাম, মোঃ শাহজাহান, এড. কায়সার তালুকদার, ছাদেক হোসেন, আবু বেলাল, সোহেল খান, মোঃ এনাম হোসেন, মোঃ সোলায়মান, বদিউল আলম চেয়ারম্যান, মিজানুল হক, মাকসুদুর রহমান কমল, ফারজানা আক্তার, সানজিদা ইসলাম শান্তা, নুরুল আমিন আজাদ, মোঃ শাহাদাত হোসেন, আমিনুল ইসলাম পারভেজ, এস.এম. শাহেদুল আলম, মাহবুবুল আলম, মোঃ বখতেয়ার, মোঃ নুরুল আবসার, মোঃ দিদার উদ্দিন চৌধুরী, মোঃ ইসফার উদ্দিন, সাজেদা আক্তার, মোঃ ইসফাক উদ্দিন, রুবি আক্তার, মোঃ তারেক, তাহমিনা চৌধুরী তাহা, শারমীন শিলা, জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ মানাবিধকার নেত্রী।

 

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিএনপি একমাত্র দল যারা যতবার ক্ষমতায় গিয়েছে, ততবার মানুষের জন্য কাজ করেছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপি দুর্নীতির টুটি চেপে ধরবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, যত পরিকল্পনা গ্রহণ করি, এগুলো বাস্তবায়ন করতে হলে দুটি বিষয় কড়াকড়িভাবে নজর দিতে হবে। একটি হলো, মানুষের নিরাপত্তা। যাতে করে মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারে। অতীতে বিএনপি যখন দেশ পরিচালনা করেছে, আমাদের কেউ অন্যায় করলেও, আমরা ছাড় দিইনি। রোববার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটের দিকে চট্টগ্রাম মহানগরের পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, আগামীতে সরকারে গেলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। আরেকটি বিষয়টি হচ্ছে দুর্নীতি। বিএনপি দুর্নীতির টুটি চেপে ধরবে।


অতীতে বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতি দমন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তাই আগামীতে দুর্নীতি করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তারেক রহমান বলেন, আগামীতে বিএনপির ওপর আস্থা রাখুন। ধানের শীষে ভোট দিন।
এবার ভোটের আগে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়বেন, তারপর কেন্দ্রে যাবেন। সেখানে ফজরের নামাজ পড়ে লাইনে দাঁড়িয়ে যাবেন। গত ১৫ বছর আপনাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। আবার এরকম একটি ষড়যন্ত্র হচ্ছে। তাই এবার ধানের শীষে ভোট দেন।

তিনি বলেন, আমরা আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দলের অনেক সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু তাতে কারও পেট ভরবে না। কারও লাভ হবে না। বিএনপি একমাত্র দল যারা যতবার ক্ষমতায় গিয়েছে, ততবার মানুষের জন্য কাজ করেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধে উৎপাদন বাড়াতে হবে। তাই আমরা কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। যাতে করে তারা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পায়।


তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রামের একটি বড় সমস্যা জলাবদ্ধতা। বিভিন্ন খাল-নালা বন্ধ হওয়ার কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে আমরা খাল কাটতে চাই। আপনারা কী আমাদের সঙ্গে খাল কাটা কর্মসূচিতে যোগ দিতে চান?। চট্টগ্রামে একাধিক ইপিজেড রয়েছে। যেখানে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এগুলো বিএনপির আমলে হয়েছিল। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আবার আমাদের ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনেন, তাহলে আরও ইপিজেড করা হবে। সবমিলিয়ে চট্টগ্রাম হবে বাণিজ্যিক রাজধানী।

ফরিদপুরে স্কুল শিক্ষার্থী সুরাইয়া হ-ত্যা-র বিচার দাবিতে হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে মানববন্ধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ফরিদপুর উপজেলায় অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মোছা. সুরাইয়া খাতুন হ-ত্যা-র প্রতিবাদ ও হ-ত্যা-র সাথে জড়িতদের ফাঁ-সি-র দাবিতে বি-ক্ষো-ভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন স্বজন, সহপাঠী ও এলাকাবাসী।
ফরিদপুর উপজেলার জন্তিহার খেলার মাঠে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসীদের আয়োজনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।


এ সময় জন্তিহার গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদল নেতা, শিক্ষক সাংবাদিক ও সমাজকর্মী এস এম নাহিদ হাসানের ছায়া নির্দেশনায়, মানববন্ধনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার কালিয়াকৈর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও ফরিদপুর উপজেলার জন্তিহার গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করে। ব্যানার-ফ্যাস্টুন হাতে ঘণ্টাব্যাপী চলা মানবন্ধনে বক্তারা নি-হ-ত সুরাইয়ার হ-ত্যা-র সাথে জড়িতদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিচারের দাবি জানান। তা না হলে, আগামীতে বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা দেন বক্তারা।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ