চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের কর্মচারীর লাশ উদ্ধার

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

:চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানা এলাকায় রাস্তার পাশ থেকে একব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে শাহ আমানত বিমানবন্দর সংলগ্ন লিংক রোড থেকে ওসমান সিকদার (৪০) নামে ওই ব্যক্তির মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তিনি বিমানবন্দরের সিভিল অ্যাভিয়েশনের অফিস সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বিমানবন্দর সংলগ্ন সরকারি কোয়ার্টারের বাসায় থাকতেন। সে হাটহাজারী উপজেলার মেখল রুহুল্লাহ গ্রামের মো. শাহ আলম শিকদারের ছেলে।
নিহত উসমান সিকদারের বড় ভাই হাটহাজারী উপজেলা হেফাজতে ইসলামের সাধারণ সম্পাদক এমরান সিকদার বলেন, আমার ভাই বিমানবন্দর সংলগ্ন সরকারি কোয়ার্টারের বাসায় থাকতো। বুধবার রাত ৩টার দিকে আমার ভাইকে বাসা থেকে ধরে নিয়ে যায় সাত থেকে আটজনের একটি দল। অনেক খোঁজাখুঁজির পর বিমানবন্দরসংলগ্ন লিংক রোডে একটি লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন লোকজন।
চট্টগ্রাম নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (গণমাধ্যম) কাজী মো. তারেক আজিজ বলেন, বিমানবন্দর সংলগ্ন লিংক রোডের পাশ থেকে একব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ উদ্ধারের পর হাটহাজারী থেকে হেফাজত ইসলামের এক নেতা ৯৯৯-এ ফোন করে জানান তার ভাইকে রাতে ফোন করে কারা যেন তুলে নিয়ে গেছে। এরপর তাকে নিহতের ছবি পাঠালে তিনি সেটা তার ভাই বলে শনাক্ত করেন। সুরতহাল শেষে মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।
তিনি আরও বলেন, পরিবারের দাবি ওসমান বুধবার বিকেল থেকে নিখোঁজ ছিল। তাকে হত্যা করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হবে। পরিবারের সদস্যরা এসে শনাক্তের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

উপজেলায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যকিশোরগঞ্জ দিয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে।পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার লোকমান আলম। এতে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক একেএম তাজুল ইসলাম ডালিম, উপজেলা জামায়াতের আমীর আব্দুর রশিদ শাহ্, সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপির প্রতিনিধি দেলোয়ার হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাবুদ্দিন, অধ্যক্ষ মুকুল হোসেন, প্রেস ক্লাব সভাপতি আবু হাসান শেখ, ছাত্র প্রতিনিধি মোতালেব হোসেন প্রমুখ। এতে বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিভিন্ন অফিসের সরকারী কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক, বিভিন্ন সংগঠনের ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক-ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করে।

চট্টগ্রাম রেঞ্জের কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৫৪২ জন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম রেঞ্জের ১১ জেলায় ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৯৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিশোর গ্যাং, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও মাদকবিরোধী এই বিশেষ অভিযানে আটককৃতদের মধ্যে ৫৪২ জনকে কিশোর গ্যাং-সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) পরিচালিত অভিযানের ২৪ ঘণ্টার ফলাফলের এসব তথ্য শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে জানানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম রেঞ্জের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলায় ৮০ জন, আগের মামলায় ৬৬ জন, পুলিশ আইনের ৩৪ ধারায় ৬১ জন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ছয়জন এবং ১৫১ ধারাসহ অন্যান্য আইনে ৪৮ জন রয়েছেন।
এ ছাড়া বিভিন্ন মামলার পরোয়ানায় ১৮৫ জন, সাজা পরোয়ানায় ৩৪ জন, মাদক সেবনের অভিযোগে ৭৬ জন এবং মাদক ব্যবসার অভিযোগে ৫০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১২৬ জনকে।

মাদকবিরোধী অভিযানে ৩৪টি মামলা করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৩২ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

তাঁদের কাছ থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। অভিযানে ৩৮ হাজার ১৩৭টি ইয়াবা বড়ি, ২৭ কেজি ৩৬০ গ্রাম গাঁজা, ১০ লিটার চোলাই মদ এবং ৯ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৫৪২ জনের মধ্যে ৩৩৬ জনকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। বাকি ২০৬ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জেলাভিত্তিক হিসাবে কুমিল্লায় সর্বোচ্চ ২২৬ জনকে আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রামে ৯৫, লক্ষ্মীপুরে ৫২, চাঁদপুরে ৩২, নোয়াখালীতে ৩১, কক্সবাজারে ২৮, বান্দরবানে ২১, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৭, ফেনীতে ১৬, রাঙামাটিতে ১৬ এবং খাগড়াছড়িতে আটজনকে আটক করা হয়েছে।অন্যদিকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ৩৪ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে চট্টগ্রামে সাতজন, কক্সবাজারে দুজন, কুমিল্লায় নয়জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একজন, চাঁদপুরে সাতজন এবং নোয়াখালীতে আটজন রয়েছেন।

আলোচিত খবর

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের দাঁতভাঙ্গা জবাব দেওয়া হবে – জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন-দেশের ভেতরে ও বাইরে থেকে যারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যারা ষড়যন্ত্র করছে, তাদের প্রত্যেককে একে একে জবাব দেওয়া হবে। আজ ৭ নভেম্বর শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির আয়োজিত শোভাযাত্রার আগে এক সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বহু বছর পর দেশের মানুষ মুক্তভাবে বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনের সুযোগ পেয়েছে। তবে দেশের বিরুদ্ধে আবারও একটি মহল ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। অতীতের মতো এবারও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ও স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা চলছে। কিন্তু এ দেশের মানুষকে কোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দমিয়ে রাখা যাবেনা।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের মানুষের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশকে স্বাধীন করেছিল। স্বাধীনতার পেছনে মানুষের প্রত্যাশা ছিল একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের ভেতরে ও বাইরে বিভিন্ন মহল বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব মেনে নিতে পারেনি। তারা সাধারণ মানুষকে দাবিয়ে রাখা এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছে।

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার মধ্য দিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী অপশক্তিকে পরাজিত করা হয়েছিল। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে আবারও গণতন্ত্রের সূচনা হয়। তবে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার মেনে নিতে না পারা একটি মহল বিভিন্ন সময়ে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করেছে। বারবার জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মানুষ আবারও তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়েও জনগণের সেই অধিকার বিভিন্নভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ও সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধার করেছে। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের মতো ২০২৪ সালের ৫ আগস্টও জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে অপশক্তিকে পরাজিত করেছে।তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আন্দোলন শুধু দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, একই সঙ্গে ছাত্র-জনতা স্বৈরাচারী শক্তিকেও দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে। বাংলাদেশের মানুষ অতীতেও অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। তাই কোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জনগণের আন্দোলন ও অর্জন থামিয়ে রাখা যাবে না।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতের মতো আবারও একটি মহল দেশ নিয়ে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বাধাগ্রস্ত করতে চায়। একই সঙ্গে জনগণের ভোটের রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক নির্বাচনব্যবস্থা বন্ধ করার চেষ্টা করছে। তবে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর, ১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ঘটনা প্রমাণ করে, এ দেশের মানুষ অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে জানে।

দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি জাতীয় ঐক্যের ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো বিভেদ থাকা উচিত নয়। জাতীয় স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
অতীতের বিভিন্ন আন্দোলন ও গণ-অভ্যুত্থানের মতো এবারও ষড়যন্ত্রকারীদের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে। দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিটি ষড়যন্ত্রের জবাব একে একে দেওয়া হবে। কোনো শক্তিই বাংলাদেশের মানুষকে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারবে না।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ