আজঃ সোমবার ২২ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের কর্মচারীর লাশ উদ্ধার

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

:চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানা এলাকায় রাস্তার পাশ থেকে একব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে শাহ আমানত বিমানবন্দর সংলগ্ন লিংক রোড থেকে ওসমান সিকদার (৪০) নামে ওই ব্যক্তির মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তিনি বিমানবন্দরের সিভিল অ্যাভিয়েশনের অফিস সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বিমানবন্দর সংলগ্ন সরকারি কোয়ার্টারের বাসায় থাকতেন। সে হাটহাজারী উপজেলার মেখল রুহুল্লাহ গ্রামের মো. শাহ আলম শিকদারের ছেলে।
নিহত উসমান সিকদারের বড় ভাই হাটহাজারী উপজেলা হেফাজতে ইসলামের সাধারণ সম্পাদক এমরান সিকদার বলেন, আমার ভাই বিমানবন্দর সংলগ্ন সরকারি কোয়ার্টারের বাসায় থাকতো। বুধবার রাত ৩টার দিকে আমার ভাইকে বাসা থেকে ধরে নিয়ে যায় সাত থেকে আটজনের একটি দল। অনেক খোঁজাখুঁজির পর বিমানবন্দরসংলগ্ন লিংক রোডে একটি লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন লোকজন।
চট্টগ্রাম নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (গণমাধ্যম) কাজী মো. তারেক আজিজ বলেন, বিমানবন্দর সংলগ্ন লিংক রোডের পাশ থেকে একব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ উদ্ধারের পর হাটহাজারী থেকে হেফাজত ইসলামের এক নেতা ৯৯৯-এ ফোন করে জানান তার ভাইকে রাতে ফোন করে কারা যেন তুলে নিয়ে গেছে। এরপর তাকে নিহতের ছবি পাঠালে তিনি সেটা তার ভাই বলে শনাক্ত করেন। সুরতহাল শেষে মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।
তিনি আরও বলেন, পরিবারের দাবি ওসমান বুধবার বিকেল থেকে নিখোঁজ ছিল। তাকে হত্যা করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হবে। পরিবারের সদস্যরা এসে শনাক্তের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মোঃ ইফতেকারুল আলম সায়েম উত্তর জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন বুড়িশ্চর ইউনিয়নের কৃতি সন্তান মোঃ ইফতেকারুল আলম সায়েম। তাঁর এই অর্জনে এলাকায় আনন্দ ও উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।দীর্ঘদিন ধরে ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসা ইফতেকারুল আলম সায়েম সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিয়ে নেতাকর্মীদের আস্থা অর্জন করেছেন। তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা, নিষ্ঠা ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ তাঁকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রদান করেছেন বলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা মনে করেন।

তাঁর মূল্যানের খবরে বুড়িশ্চর ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, রাজনৈতিক সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও বেগবান করার পাশাপাশি তরুণ সমাজের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।

মাদক প্রতিরোধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে : সিএমপি কমিশনার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পরিবার থেকে সন্তানদের মধ্যে নৈতিক শিক্ষা, দায়িত্ববোধ ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে পারলে মাদকাসক্তি প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী। রোববার চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজ অডিটোরিয়ামে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম মেট্রো (দক্ষিণ) কার্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত ‘মাদকাসক্তিমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণদের করণীয় ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, মাদক প্রতিরোধে শুধু আইন প্রয়োগই যথেষ্ট নয়, এর জন্য নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
সিএমপি কমিশনার বলেন, মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সমাজ এবং রাষ্ট্রকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। তরুণদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে পারলে মাদকের ভয়াবহতা থেকে সমাজকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।

সরকারি সিটি কলেজের অধ্যক্ষ আবু ছালেহ মোহাম্মদ নঈম উদ্দীনের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক মো. জাহিদ হোসেন মোল্লা এবং সরকারি সিটি কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক জসিম উদ্দিন আহমেদ। আলোচক ছিলেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমগীর।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম মেট্রো (দক্ষিণ) কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মানজুরুল ইসলাম, সিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মো. হাবিবুর রহমান প্রাংসহ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ