আজঃ শনিবার ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের কর্মচারীর লাশ উদ্ধার

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

:চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানা এলাকায় রাস্তার পাশ থেকে একব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে শাহ আমানত বিমানবন্দর সংলগ্ন লিংক রোড থেকে ওসমান সিকদার (৪০) নামে ওই ব্যক্তির মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তিনি বিমানবন্দরের সিভিল অ্যাভিয়েশনের অফিস সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বিমানবন্দর সংলগ্ন সরকারি কোয়ার্টারের বাসায় থাকতেন। সে হাটহাজারী উপজেলার মেখল রুহুল্লাহ গ্রামের মো. শাহ আলম শিকদারের ছেলে।
নিহত উসমান সিকদারের বড় ভাই হাটহাজারী উপজেলা হেফাজতে ইসলামের সাধারণ সম্পাদক এমরান সিকদার বলেন, আমার ভাই বিমানবন্দর সংলগ্ন সরকারি কোয়ার্টারের বাসায় থাকতো। বুধবার রাত ৩টার দিকে আমার ভাইকে বাসা থেকে ধরে নিয়ে যায় সাত থেকে আটজনের একটি দল। অনেক খোঁজাখুঁজির পর বিমানবন্দরসংলগ্ন লিংক রোডে একটি লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন লোকজন।
চট্টগ্রাম নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (গণমাধ্যম) কাজী মো. তারেক আজিজ বলেন, বিমানবন্দর সংলগ্ন লিংক রোডের পাশ থেকে একব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ উদ্ধারের পর হাটহাজারী থেকে হেফাজত ইসলামের এক নেতা ৯৯৯-এ ফোন করে জানান তার ভাইকে রাতে ফোন করে কারা যেন তুলে নিয়ে গেছে। এরপর তাকে নিহতের ছবি পাঠালে তিনি সেটা তার ভাই বলে শনাক্ত করেন। সুরতহাল শেষে মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।
তিনি আরও বলেন, পরিবারের দাবি ওসমান বুধবার বিকেল থেকে নিখোঁজ ছিল। তাকে হত্যা করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হবে। পরিবারের সদস্যরা এসে শনাক্তের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে বাসের ধাক্কায় নৌবাহিনী সদস্যের মৃত্যু ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নৌবাহিনীর এক সদস্য নিহত হয়েছেন। চলন্ত মোটরসাইকেলকে পেছন থেকে দ্রুতগামী একটি বাস ধাক্কা দিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে। শুক্রবার সকালে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পটিয়া বাইপাসে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত নাজমুস সাকিব (৩৮) নৌবাহিনীর পতেঙ্গা ঈসা খাঁ ঘাঁটিতে এলএস হিসেবে কর্মরত ছিলেন।একই দুর্ঘটনায় নৌবাহিনীর আরও এক সদস্য আহত হয়েছেন। ইকরাম হোসেন নামে ওই ব্যক্তি ঈসা খাঁ ঘাঁটিতে নাবিক পদে কর্মরত আছেন।

হাইওয়ে পুলিশের পটিয়া থানার পরিদর্শক হারুনুর রশিদ বলেণ, নাজমুস সাকিব ও ইকরাম মোটর সাইকেল নিয়ে পটিয়া বাইপাস অতিক্রম করছিলেন। বাইপাসের শেয়ানপাড়া ক্রসিংয়ে কক্সবাজারগামী হানিফ পরিবহনের একটি বাস মোটর সাইকেলের পেছনে ধাক্কা দিলে তারা ছিটকে পড়েন। এ সময় বাসের চাকার নিচে পড়ে নাজমুস সাকিব ঘটনাস্থলে মারা যান ও ইকরাম আহত হন। পুলিশ বাসটি আটক করলেও চালক ও সহকারী পালিয়ে গেছে বলে জানান তিনি।

চট্টগ্রামে ২৫ বছর আগের হত্যাকাণ্ডে একজনের মৃত্যুদণ্ড, আটজনের যাবজ্জীবন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে একটি হত্যা মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং আটজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন একটি আদালত। বৃহস্পতিবার বিকেল তিনটার দিকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জাহিদুল হক এই রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির নাম মনিরুল হক। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আট আসামি হলেন ছাইফুল হক, বদরুল হক, আজিজুল হক, আবদুল রাজ্জাক, মো. রফিক, ছৈয়দুল হক, বাবুল হক ও মো. হাছান।এর আগে দুই আসামি মৃত্যু হওয়ায় তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০০ সালের ৭ জুলাই চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারায় জমির ঘাস পরিষ্কারকে কেন্দ্র করে নুরুল আবছার ও নুর আহম্মদের ওপর আগ্নেয়াস্ত্র ও লোহার রড দিয়ে হামলা চালান আসামিরা। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক নুর আহম্মদকে মৃত ঘোষণা করেন।এ ঘটনায় করা মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। ২০০৪ সালের ২২ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আজ এই রায় দেন।

তথ্য জানিয়ে ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী মো. আবু ছায়েদ বলেন, রায় ঘোষণার সময় আসামি মো. রফিক, বাবুল হক ও আবদুর রাজ্জাক আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এস ইউ এম নুরুল ইসলাম জানান, আদালত যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত প্রত্যেক আসামিকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন। মামলায় মোট ১১ জন আসামি ছিলেন। তবে বিচার চলাকালে আলী আহম্মদ ও মো. গফুর নামের দুই আসামি মারা যাওয়ায় তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

আলোচিত খবর

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত কানাডাভিত্তিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান নাইকোকে বাংলাদেশ সরকারকে ৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (আইসিডি/ICSID)-এর ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করে। জ্বালানি মন্ত্রণালয় সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।


জ্বালানি সচিব বলেন, বাংলাদেশ এই মামলায় প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিল। প্রাপ্ত অর্থ সেই দাবির তুলনায় অনেক কম। রায়ের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে এবং পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ১৬ অক্টোবর টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে খনন ও উন্নয়ন কাজের দায়িত্ব পায় কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকো।

পরবর্তীতে নাইকোর পরিচালনাধীন অবস্থায় টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে। ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি এবং একই বছরের ২৪ জুন গ্যাসক্ষেত্রে পরপর দুটি মারাত্মক বিস্ফোরণ হয়। এসব বিস্ফোরণের ফলে বিপুল পরিমাণ মজুদ গ্যাস পুড়ে যায় এবং আশপাশের অবকাঠামো, পরিবেশ ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র কার্যত অচল হয়ে পড়ে, যা দেশের জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ