বাংলাদেশী গবেষকরা পাচ্ছে অনুদান, দারিদ্র্য দূরীকরণ নিয়ে গবেষণা

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ডাটা এবং এভিডেন্স টু এন্ড এক্সট্রিম পোভার্টি (ডিপ) দারিদ্র্য দূরীকরণ নিয়ে গবেষণায় আগ্রহীদের জন্য অনুদান প্রদান করবে। ডিপ চ্যালেঞ্জ ফান্ড নামে এ তহবিল থেকে বাংলাদেশী গবেষকদের স্বল্প ও মাঝারি ধরনের আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সভাকক্ষে উদ্বোধনী কর্মশালার মাধ্যমে এ ফান্ডটির উদ্বোধন করেন চবি মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চবি উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মোঃ কামাল উদ্দিন। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন চবি রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। কর্মশালার শুরুতে ডিপ-এর কর্মকর্তা ও স্টিয়ারিং কমিটির মেম্বাররা ডিপ চ্যালেঞ্জ ফান্ডের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে আলোচনা করেন। অক্সফোর্ড পলিসি ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে প্রেজেন্টেশন দেন কনসালটেন্ট সোলায়মান মুহিত,
প্রিন্সিপাল ইকোনমিস্ট ওমার সালাম ও গ্লোবাল প্রজেক্ট ম্যানেজার জেমি উইলিয়াম। বক্তারা দারিদ্র্য দূরীকরণে গবেষণার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। ঢাকার বাইরের গবেষকদের মাঝে ফান্ডটিকে পরিচিত করার জন্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার বলেন, শিক্ষকতা ও গবেষণা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য আবশ্যকীয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী এ দুইটি তাদের দায়িত্ব। অক্সফোর্ড পলিসি ম্যানেজমেন্টকে গবেষকদের জন্য এমন গবেষণা ফান্ডের উদ্যোগ গ্রহণ করায় ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, এমন উদ্যোগ আমাদের তরুণ শিক্ষক, পিএইচডি ও এমফিল গবেষক, ও মাস্টার্স শিক্ষার্থীদের গবেষণায় আরও উদ্বুদ্ধ করবে। উপাচার্য অক্সফোর্ড পলিসি ম্যানেজমেন্টের সাথে একসাথে কাজ করার এটা মাত্র শুরু এবং আমরা সবসময় এমন উদ্যোগকে আন্তরিকভাবে গ্রহণ করবো মর্মে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। চবি উপ-উপাচার্য বলেন প্রফেসর ড. মোঃ কামাল উদ্দিন বলেন, ডিপ চ্যালেঞ্জ ফান্ড বাংলাদেশের জন্য চালু করা হচ্ছে, যা স্থানীয় গবেষকদের দারিদ্র্য বিমোচনের ক্ষেত্রে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়ক হবে। এ ফান্ডের মাধ্যমে নীতি নির্ধারণী প্রক্রিয়ায় সহায়ক গবেষণা তৈরি করা, যা দারিদ্র্য ও বৈষম্য কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও বলেন, এ ওয়ার্কশপে গবেষকদের গবেষণা বিষয়ে মতামত ও দিকনির্দেশনা প্রদান করা হবে এবং প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গবেষণা প্রকল্পগুলোর জন্য তহবিল বরাদ্দ দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য ডিপ-ইউনিভার্সিটি অব কর্নওয়েল, সাউদাম্পটন, কোপেনহেগেন এবং অক্সফোর্ড পলিসি ম্যানেজমেন্টের নেতৃত্বে ও বিশ্ব ব্যাংকের ডাটা ডেভেলপমেন্ট গ্রুপের অংশিদারিত্বে একটি কনসোর্টিয়াম বা সংঘ। যুক্তরাজ্য সরকারের ফরেন, কমনওয়েলথ ও ডেভেলপমেন্ট অফিসের অর্থায়নে কনসোর্টিয়ামটি পরিচালিত হচ্ছে। ডিপ বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্য দূরীকরণে প্রমাণ, বিশ্লেষণ ও সমাধান প্রদান করে থাকে। ডিপ চ্যালেঞ্জ ফান্ড বাংলাদেশ-এর লক্ষ্য দারিদ্র্য দূরীকরণের বিষয়ে গবেষণায় বাংলাদেশী গবেষকদের উৎসাহিত করা, যা দারিদ্র্য দূরীকরণ বিষয়ে তথ্য ও উপাত্তের ঘাটতি দূর করবে এবং এ সকল তথ্য ও উপাত্ত ব্যবহার করে দেশে নীতি নির্ধারকদের দারিদ্র্য দূরীকরণ বিষয়ক জাতীয় নীতি, কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নে সহায়তা করা, যাতে একটি সমন্বিত ও কার্যকর উন্নয়নের মাধ্যমে দারিদ্র্য দূর করে মানুষের জীবনমান উন্নত করা যায়। ডিপ চ্যালেঞ্জ ফান্ড বাংলাদেশ দেশের প্রথিতযশা অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষাবিদদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। ডিপ চ্যালেঞ্জ ফান্ড বাংলাদেশ-এর স্টিয়ারিং কমিটির প্রধান হিসেবে আছেন ড. জুলফিকার আলী, গবেষণা পরিচালক, বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান। এছাড়া সদস্য হিসেবে আছেন ড. ইমরান মতিন, নির্বাহী পরিচালক, ইনস্টিটিউট অব গভর্নেন্স এন্ড ডেভেলপমেন্ট, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, ড. সেলিম রায়হান, প্রফেসর, অর্থনীতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও নির্বাহী পরিচালক, সানেম, ড. মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক, চেয়ারম্যান, রিসার্চ এন্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন বাংলাদেশ, ড. ফাহমিদা খাতুন, নির্বাহী পরিচালক, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ, ড. মুনিরা বেগম, অতিরিক্ত সচিব, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, প্রফেসর, ডেভলমেন্ট স্টাডিজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, নেইল গান্ধি, এ্যাডভাইজার, এফ.সি.ডি.ও এবং নেত্রা পালানিস্বামী-সিনিয়র ইকোনমিস্ট, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক।
ডিপ চ্যালেঞ্জ ফান্ডের প্রজেক্ট ম্যানেজার জেমী উইলিয়ামস বলেন, আমরা তথ্য ও উপাত্তের স্বল্পতা দূর করে, দারিদ্র্য দূরীকরণের জন্য যাতে একটি কার্যকর জাতীয় কর্ম পরিকল্পনা গ্রহণ করা যায়, সে ব্যাপারে নীতি নির্ধারকদের সহায়তা করতে চাই। ডিপ চ্যালেঞ্জ ফান্ডের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশী গবেষকদের সে সব বিষয়ে গবেষণায় উৎসাহিত করতে চাই, যা এর আগে গবেষণায় উঠে আসেনি।
আরও উল্লেখ্য, ডিপ চ্যালেঞ্জ ফান্ডের জন্য চাইলে গবেষণা প্রতিষ্ঠান বা একজন গবেষক বা সম্মিলিতভাবে কয়েকজন গবেষক আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের যোগ্যতার ভিত্তিতে ফান্ড প্রদান করা হবে। ডিপ চ্যালেঞ্জ ফান্ড বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, মিয়ানমার, তানজানিয়া, ইথিওপিয়া, মাদাগাস্কার, মোজাম্বিক এবং নাইজেরিয়াতে দারিদ্র্য দূরীকরণে স্থানীয় গবেষকদের সহায়তা দিবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কর বিরোধ, উচ্চ আদালতে যাবে চট্টগ্রাম বন্দর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (চবক) হোল্ডিং ট্যাক্স বা পৌরকর ১৫ শতাংশ কমিয়েছেন। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) দাবি করা ২৬৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকার বিপরীতে এই কর ২২৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত সোমবার (২ নভেম্বর) চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন উভয়পক্ষের শুনানি শেষে এ সিদ্ধান্ত দেন। সিটি করপোরেশন এই সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট হলেও বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা এই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করবে।

রায়ের বিষয়ে চসিকের আইনজীবী মঈনুদ্দিন সোহেল বলেছেন, দাবি করা কর ১৫ শতাংশ কমিয়ে ২২৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি একটি ঐতিহাসিক রায়। সিটি করপোরেশন এই রায়ে সন্তুষ্ট।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ ইয়াসিন আরাফাত সাজ্জাদ বলেছেন, হোল্ডিং ট্যাক্সের আপিল আংশিক মঞ্জুর হয়েছে। মোট মূল্যায়ন ১ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা থেকে ২৩৩ কোটি কমানো হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর এই রায়ে সংক্ষুব্ধ। এ বিষয়ে হাইকোর্টে রিট করা হবে।

জানা গেছে, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত চসিক ও বন্দরের একটি যৌথ দল ১ কোটি ৯৭ লাখ বর্গফুট জায়গার ওপর মূল্যায়ন সম্পন্ন করে। এর ভিত্তিতে বন্দরের ওপর ২৬৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকা হোল্ডিং ট্যাক্স ধার্য করা হয়। এই মূল্যায়নের বিরুদ্ধে বন্দর কর্তৃপক্ষ বিভাগীয় কমিশনারের কাছে আপিল করে। তবে আইন অনুযায়ী আপিল করার শর্ত হিসেবে মোট দাবির ৭৫ শতাংশ, অর্থাৎ ১৯৮ কোটি ২৬ লাখ ৯৪ হাজার ৬৫১ টাকা চসিকের তহবিলে জমা দেয় বন্দর কর্তৃপক্ষ। চসিকের ইতিহাসে আগে কখনো একক কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে একসঙ্গে এত বড় অঙ্কের টাকা জমা হয়নি।তবে এই জমা দেওয়া অর্থ চূড়ান্ত পৌরকর নয় বলে আগেই জানিয়েছিল চট্টগ্রাম বন্দর।

বন্দরের মুখপাত্র ও ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. নাসির উদ্দিন জানিয়েছিলেন, আপিলের আইনি বাধ্যবাধকতা রক্ষার্থে ওই টাকা ‘জামানত’ হিসেবে জমা দেওয়া হয়েছে। বিভাগীয় কমিশনার শুনানিতে যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন, সে অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বাগীশিক কেন্দ্রীয় সংসদের নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক ৬ নভেম্বর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ গীতা শিক্ষা কমিটি (বাগীশিক) কেন্দ্রীয় সংসদের নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান আগামী ৬ নভেম্বর (শুক্রবার) নগরীর জিইসি কনভেনশন হলে দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হবে। এতে রাষ্ট্রীয় অতিথি, বাগীশিক কেন্দ্রীয় সংসদ, জেলা ও মহানগর সংসদের নেতৃবৃন্দ, সনাতনী সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষাবিদ, আইনজীবী, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সুধীজন উপস্থিত থাকবেন।

আজ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকাল ৫টায় নগরীর আন্দরকিল্লাস্থ বাগীশিক কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অভিষেক পরিষদের আহ্বায়ক অ্যাড. প্রণব কুমার মজুমদার। সম্মেলন পরিচালনা করেন অভিষেক উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব অরুন কান্তি মল্লিক।

লিখিত বক্তব্যে অ্যাড. প্রণব কুমার মজুমদার বলেন, অভিষেক অনুষ্ঠান কেবল একটি আনুষ্ঠানিক পরিচিতি বা দায়িত্ব গ্রহণের আয়োজন নয়; বরং এটি বাগীশিকের সাংগঠনিক অগ্রযাত্রা, নতুন নেতৃত্বের দায়িত্ব গ্রহণ, ঐক্য ও সম্প্রীতির বন্ধন সুদৃঢ়করণ এবংহ গীতার শিক্ষা সমাজের সর্বস্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ্য। বাগীশিক’র কার্যক্রম বর্তমানে সারাদেশের প্রায় ৫৪টি জেলায় বিস্তৃত।

যেখানে প্রায় ৮ হাজার গীতা স্কুলের প্রায় ৪ লাখ শিক্ষার্থী ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা লাভ করছে। পাশাপাশি বিভিন্ন মানবিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড তথা মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা বৃত্তি, প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও অগ্নিদূর্গতদের সহায়তা, কন্যা দায়গ্রস্ত পিতাদের আর্থিক সহায়তা, বৃক্ষরোপণ, জাতীয় দিবস উদযাপন, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধকল্পে প্রচারণা, মন্দিরভিত্তিক বিবাহ ও স্বাত্বিক পূজা নিশ্চিতকরণের মতো কর্মকান্ড নিয়মিত ও ধারাবাহিকভাবে সংগঠনের পক্ষ থেকে পরিচালিত হয়ে আসছে।

তিনি জানান, দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে থাকছে পার্থসারথি পূজা, জাতীয় ও সাংগঠনিক পতাকা উত্তোলন, উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, সমবেত গীতাপাঠ, নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় সংসদের শপথবাক্য পাঠ, অভিষেক অনুষ্ঠান, গীতি আলেখ্য, সংবর্ধনা, আলোচনা সভা, অন্নপ্রসাদ বিতরণসহ বিভিন্ন ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক আয়োজন। অনুষ্ঠানে মহাত্মা মহারাজদের মধ্যে আশীর্বাদক থাকবেন সীতাকুণ্ড শঙ্করমঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ স্বামী তপনানন্দ গিরি মহারাজ এবং পাঁচরিয়া তপোবন আশ্রমের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ স্বামী রবীশ্বরানন্দ পুরী মহারাজ। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন বাগীশিক কেন্দ্রীয় সংসদের উপদেষ্টা তিনকড়ি চক্রবর্তী। মঙ্গলপ্রদীপ প্রজ্বলন করবেন বাগীশিক কেন্দ্রীয় সংসদের উপদেষ্টা শিবু প্রসাদ দত্ত। প্রধান অতিথি থাকবেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন। প্রধান বক্তা থাকবেন চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান।

মহান অতিথি থাকবেন বাগীশিক কেন্দ্রীয় সংসদের উপদেষ্টা ও মনস্বী শিক্ষাবিদ অধ্যাপক হারাধন নাগ। সংবর্ধিত অতিথি থাকবেন বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, একুশেপদক প্রাপ্ত বরেণ্য শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. হরিশংকর জলদাস ও প্রথিতযশা মানবিক চিকিৎসক প্রফেসর ডা. বিনয় পাল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বাগীশিক কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি ঝুন্টু চৌধুরী। বিশেষ বক্তব্য রাখবেন বাগীশিক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. শুভাশীষ শর্মা। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখবেন অভিষেক উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক অ্যাড. প্রণব কুমার মজুমদার ও স্বাগত বক্তব্য রাখবেন অভিষেক উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব অরুণ কান্তি মল্লিক।

লিখিত বক্তব্যে আরো বলা হয়, বাগীশিক বাংলাদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার শাশ্বত শিক্ষা, মানবিক মূল্যবোধ, নৈতিকতা, অসাম্প্রদায়িক চেতনা, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং মানবকল্যাণের আদর্শ প্রচার ও প্রসারে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে। গীতার অমর বাণীকে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ধারণ এবং তার আলোকে একটি নৈতিক ও মানবিক সমাজ বিনির্মাণই এই সংগঠনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এই ধারাবাহিকতায় বাগীশিক’র নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় সংসদের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, সুসংগঠিত ও সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে অভিষেক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। আমাদের দৃঢ় প্রত্যয়, বাগীশিক একটি সুশৃঙ্খল, ঐক্যবদ্ধ ও আদর্শিক সংগঠন হিসেবে সনাতনী সমাজের শিক্ষা, সংস্কৃতি, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে আরও কার্যকর অবদান রাখবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাগীশিক কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা অধ্যক্ষ বিজয় লক্ষ্মী দেবী, দিলীপ কুমার ভট্টাচার্য্য, লায়ন শম্ভু দাশ, অধ্যাপক বিশ্বজিৎ রায় চৌধুরী, দেবব্রত দাশ, সভাপতি ঝুন্টু চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. শুভাশীষ শর্মা, সাবেক সভাপতি দেশপ্রিয় চৌধুরী বিনয়, সিনিয়র সহ-সভাপতি ডা. অঞ্জন কুমার দাশ ও প্রীতম চৌধুরী, সহ-সভাপতি সুশীল দত্ত, কর্মকর্তা পলাশ কান্তি নাথ রণী, এস প্রকাশ পাল, যীশু সেন, রাশু কান্তি বিশ্বাস, বিপ্লব পাল চৌধুরী, সুমন দাশ, ডা. রূপম রুদ্র, শিল্পী চৌধুরী, ডা. দেবাশীষ মজুমদার, সজীব দত্ত সৌরভ, সজিব মজুমদার, মোহন চৌধুরী প্রমুখ।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ