আজঃ বুধবার ৬ মে, ২০২৬

বাংলাদেশী গবেষকরা পাচ্ছে অনুদান, দারিদ্র্য দূরীকরণ নিয়ে গবেষণা

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ডাটা এবং এভিডেন্স টু এন্ড এক্সট্রিম পোভার্টি (ডিপ) দারিদ্র্য দূরীকরণ নিয়ে গবেষণায় আগ্রহীদের জন্য অনুদান প্রদান করবে। ডিপ চ্যালেঞ্জ ফান্ড নামে এ তহবিল থেকে বাংলাদেশী গবেষকদের স্বল্প ও মাঝারি ধরনের আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সভাকক্ষে উদ্বোধনী কর্মশালার মাধ্যমে এ ফান্ডটির উদ্বোধন করেন চবি মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চবি উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মোঃ কামাল উদ্দিন। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন চবি রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। কর্মশালার শুরুতে ডিপ-এর কর্মকর্তা ও স্টিয়ারিং কমিটির মেম্বাররা ডিপ চ্যালেঞ্জ ফান্ডের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে আলোচনা করেন। অক্সফোর্ড পলিসি ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে প্রেজেন্টেশন দেন কনসালটেন্ট সোলায়মান মুহিত,
প্রিন্সিপাল ইকোনমিস্ট ওমার সালাম ও গ্লোবাল প্রজেক্ট ম্যানেজার জেমি উইলিয়াম। বক্তারা দারিদ্র্য দূরীকরণে গবেষণার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। ঢাকার বাইরের গবেষকদের মাঝে ফান্ডটিকে পরিচিত করার জন্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার বলেন, শিক্ষকতা ও গবেষণা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য আবশ্যকীয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী এ দুইটি তাদের দায়িত্ব। অক্সফোর্ড পলিসি ম্যানেজমেন্টকে গবেষকদের জন্য এমন গবেষণা ফান্ডের উদ্যোগ গ্রহণ করায় ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, এমন উদ্যোগ আমাদের তরুণ শিক্ষক, পিএইচডি ও এমফিল গবেষক, ও মাস্টার্স শিক্ষার্থীদের গবেষণায় আরও উদ্বুদ্ধ করবে। উপাচার্য অক্সফোর্ড পলিসি ম্যানেজমেন্টের সাথে একসাথে কাজ করার এটা মাত্র শুরু এবং আমরা সবসময় এমন উদ্যোগকে আন্তরিকভাবে গ্রহণ করবো মর্মে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। চবি উপ-উপাচার্য বলেন প্রফেসর ড. মোঃ কামাল উদ্দিন বলেন, ডিপ চ্যালেঞ্জ ফান্ড বাংলাদেশের জন্য চালু করা হচ্ছে, যা স্থানীয় গবেষকদের দারিদ্র্য বিমোচনের ক্ষেত্রে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়ক হবে। এ ফান্ডের মাধ্যমে নীতি নির্ধারণী প্রক্রিয়ায় সহায়ক গবেষণা তৈরি করা, যা দারিদ্র্য ও বৈষম্য কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও বলেন, এ ওয়ার্কশপে গবেষকদের গবেষণা বিষয়ে মতামত ও দিকনির্দেশনা প্রদান করা হবে এবং প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গবেষণা প্রকল্পগুলোর জন্য তহবিল বরাদ্দ দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য ডিপ-ইউনিভার্সিটি অব কর্নওয়েল, সাউদাম্পটন, কোপেনহেগেন এবং অক্সফোর্ড পলিসি ম্যানেজমেন্টের নেতৃত্বে ও বিশ্ব ব্যাংকের ডাটা ডেভেলপমেন্ট গ্রুপের অংশিদারিত্বে একটি কনসোর্টিয়াম বা সংঘ। যুক্তরাজ্য সরকারের ফরেন, কমনওয়েলথ ও ডেভেলপমেন্ট অফিসের অর্থায়নে কনসোর্টিয়ামটি পরিচালিত হচ্ছে। ডিপ বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্য দূরীকরণে প্রমাণ, বিশ্লেষণ ও সমাধান প্রদান করে থাকে। ডিপ চ্যালেঞ্জ ফান্ড বাংলাদেশ-এর লক্ষ্য দারিদ্র্য দূরীকরণের বিষয়ে গবেষণায় বাংলাদেশী গবেষকদের উৎসাহিত করা, যা দারিদ্র্য দূরীকরণ বিষয়ে তথ্য ও উপাত্তের ঘাটতি দূর করবে এবং এ সকল তথ্য ও উপাত্ত ব্যবহার করে দেশে নীতি নির্ধারকদের দারিদ্র্য দূরীকরণ বিষয়ক জাতীয় নীতি, কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নে সহায়তা করা, যাতে একটি সমন্বিত ও কার্যকর উন্নয়নের মাধ্যমে দারিদ্র্য দূর করে মানুষের জীবনমান উন্নত করা যায়। ডিপ চ্যালেঞ্জ ফান্ড বাংলাদেশ দেশের প্রথিতযশা অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষাবিদদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। ডিপ চ্যালেঞ্জ ফান্ড বাংলাদেশ-এর স্টিয়ারিং কমিটির প্রধান হিসেবে আছেন ড. জুলফিকার আলী, গবেষণা পরিচালক, বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান। এছাড়া সদস্য হিসেবে আছেন ড. ইমরান মতিন, নির্বাহী পরিচালক, ইনস্টিটিউট অব গভর্নেন্স এন্ড ডেভেলপমেন্ট, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, ড. সেলিম রায়হান, প্রফেসর, অর্থনীতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও নির্বাহী পরিচালক, সানেম, ড. মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক, চেয়ারম্যান, রিসার্চ এন্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন বাংলাদেশ, ড. ফাহমিদা খাতুন, নির্বাহী পরিচালক, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ, ড. মুনিরা বেগম, অতিরিক্ত সচিব, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, প্রফেসর, ডেভলমেন্ট স্টাডিজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, নেইল গান্ধি, এ্যাডভাইজার, এফ.সি.ডি.ও এবং নেত্রা পালানিস্বামী-সিনিয়র ইকোনমিস্ট, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক।
ডিপ চ্যালেঞ্জ ফান্ডের প্রজেক্ট ম্যানেজার জেমী উইলিয়ামস বলেন, আমরা তথ্য ও উপাত্তের স্বল্পতা দূর করে, দারিদ্র্য দূরীকরণের জন্য যাতে একটি কার্যকর জাতীয় কর্ম পরিকল্পনা গ্রহণ করা যায়, সে ব্যাপারে নীতি নির্ধারকদের সহায়তা করতে চাই। ডিপ চ্যালেঞ্জ ফান্ডের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশী গবেষকদের সে সব বিষয়ে গবেষণায় উৎসাহিত করতে চাই, যা এর আগে গবেষণায় উঠে আসেনি।
আরও উল্লেখ্য, ডিপ চ্যালেঞ্জ ফান্ডের জন্য চাইলে গবেষণা প্রতিষ্ঠান বা একজন গবেষক বা সম্মিলিতভাবে কয়েকজন গবেষক আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের যোগ্যতার ভিত্তিতে ফান্ড প্রদান করা হবে। ডিপ চ্যালেঞ্জ ফান্ড বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, মিয়ানমার, তানজানিয়া, ইথিওপিয়া, মাদাগাস্কার, মোজাম্বিক এবং নাইজেরিয়াতে দারিদ্র্য দূরীকরণে স্থানীয় গবেষকদের সহায়তা দিবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ব্লাড ব্যাংকের যাত্রা শুরু ৪৬ বছরে পা রাখলো মেডিকেল সেন্টার হাসপাতাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালের ৪৬ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান ও ব্লাড ব্যাংকের উদ্বোধন একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মো মনিরুজ্জামান। এতে ডেঙ্গু রোগীদের ক্ষেত্রে রক্তের যথাযথ ব্যবহার বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক সেমিনারের আয়োজন করা হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগের ডিভিশনাল ডিরেক্টর ডা. শেখ ফজলে রাব্বি। বিশেষ অতিথি ছিলেন অধ্যাপক ডা. মাসুদ আহমেদ, অধ্যাপক ডা. এ.এম. রায়হান উদ্দিন, অধ্যাপক ডা. হাফিজুল ইসলাম। হাসপাতালের জেনারেল ম্যানেজার মো.ইয়াছিন আরাফাতের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, সহযোগী অধ্যাপক ডা. জেবুন নেসা, সহযোগী অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান (মিজান) এবং সহকারী অধ্যাপক ডা. আশরাফুল হক।

সেমিনারে বক্তারা ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় রক্ত ও রক্তজাত উপাদানের সঠিক ও প্রয়োজনীয় ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব প্রদান করেন। তারা বলেন, সঠিক সময়ে সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে ডেঙ্গুজনিত জটিলতা অনেকাংশে কমানো সম্ভব। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে হাসপাতালের সেবার মান উন্নয়ন ও আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রসারে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. তাহমিদ জুনায়েদ মাহমুদ, ডা. সাফওয়ান মাহমুদ, মার্কেটিং ম্যানেজার রতন কুমার নাথ, বিডিএম ম্যানেজার গোলাম রব্বানী, সার্ভিস ম্যানেজার লুৎফুর রহমান, আই টি ম্যানেজার মোঃ উছা, সহকারী ম্যানেজার মো. মিজানুর রহমানসহ হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকবৃন্দ এবং অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে জব্দ ২৭ লাখ টাকার বিদেশি সিগারেট

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিযান চালিয়ে বিপুল সংখ্যক সিগারেটের চালান জব্দ করা হয়েছে। মাস্কাট থেকে আগত সালাম এয়ারের একটি ফ্লাইটের যাত্রী মো. শামসুদ্দিনের ব্যাগেজ তল্লাশি করে ২৮০ কার্টন সিগারেট উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে আন্তর্জাতিক আগমন হলের ১ নম্বর লাগেজ বেল্টে যাত্রীবিহীন অবস্থায় আরও ১ হাজার ৬৫ কার্টন সিগারেট ও একটি ল্যাপটপ পাওয়া যায়। রোববার দিবাগত রাতে বিমানবন্দরের আন্তর্জাতিক আগমন হলে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী ইব্রাহিম খলিল বলেন, জব্দ করা সিগারেট থেকে সম্ভাব্য রাজস্বের পরিমাণ প্রায় ২৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা। উদ্ধারকৃত সিগারেট ও ল্যাপটপ ডিপার্টমেন্টাল মেমোরেন্ডাম মূল্যে জব্দ করে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের হেফাজতে রাখা হয়েছে। আটক যাত্রীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মৌখিকভাবে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

ক্রুড অয়েলের সরবরাহ স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরবে একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আমদানি ব্যাহত হওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির ক্রুড অয়েল প্রসেসিং ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে পুরো রিফাইনারিতে। ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) সংকট কেটে যাওয়ায় উৎপাদনে ফিরছে রিফাইনারিটি।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৭ মে থেকে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। এদিকে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও আরও এক লাখ টন ক্রুড অয়েল আসার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, রিফাইনারিতে সাধারণত সৌদি আরবের এরাবিয়ান লাইট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারবান ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা হয়। প্রতিবছর চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়ে থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো ক্রুড অয়েল দেশে আসেনি।

এতে করে প্রথমবারের মতো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি, যা ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর নজিরবিহীন ঘটনা।পরবর্তীতে বিকল্প রুট ব্যবহার করে তেল আমদানির উদ্যোগ নেয় বিপিসি। এর অংশ হিসেবে লোহিত সাগর হয়ে সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে আনা হচ্ছে। জাহাজটি ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে এবং ৬ মে থেকে তেল খালাস শুরু হবে। ইস্টার্ন রিফাইনারির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিপিং) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা এক লাখ টন ক্রুড অয়েলবাহী একটি জাহাজ ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। জাহাজ থেকে তেল খালাস শেষে ৭ মে থেকে পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ক্রুড অয়েলের বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। চলতি মাসেই আরও একটি জাহাজ তেল নিয়ে দেশে আসার কথা রয়েছে, ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ