আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামে অস্থির ভোজ্যতেলের বাজার সয়াবিন তেলের সরবরাহ কম

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে অস্থির হয়ে উঠেছে ভোজ্য তেলের বাজার। পণ্যটির সরকার নির্ধারিত দাম বৃদ্ধির দাবিতে মিল মালিকরা সরবরাহ বন্ধ করে দিলে কয়েক মাস ধরেই অস্থির হয়ে উঠে এই তেলের বাজার। এদিকে মিল মালিকদের সঙ্গে সরকারের সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের বৈঠকেও অস্থিরতা কাটানো যায়নি। তবে দ্রুত অস্থিরতা কাটবে বলে জানিয়েছিল সরকার ও ভোজ্যতেল পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলোর কর্মকর্তারা।
চট্টগ্রাম মহানগরীর দুই নম্বর গেট কর্ণফুলী কমপ্লেক্সের ব্যবসায়ী মো. হোসাইন বলেন, দাম বৃদ্ধির পর থেকে এখনও কোন ডিলার অর্ডার নেয়নি। সরবরাহ এখনও স্বাভাবিক হয়নি। আমরা পুরনো তেলই বিক্রি করছি। একই কথা বলেন ওই এলাকার ব্যবসায়ী মো. ইয়াকুব। তবে ডিলার পর্যায়ে সরবরাহ স্বাভাবিক হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডিলাররা।
দেশে ভোগ্যপণ্যের অন্যতম বড় পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জের তেল ব্যবসায়ী মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, সরবরাহ আস্তে আস্তে স্বাভাবিক হচ্ছে। পাইকারিতে পাম তেল ও সয়াবিন তেলের দামও কমে আসছে। সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কয়েকদিন সময় লাগবে বলছেন ভোজ্য তেল পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলোর কর্মকর্তারা।
জানতে চাইলে টিকে গ্রুপের পরিচালক তারিক আহমেদ বলেন, ভোজ্যতেলের ক্ষেত্রে মিল থেকে ডিলার হয়ে ব্যবসায়ীদের কাছে যায়। মিলে পরিশোধনের জন্যও সময় লাগে। এখন সরবরাহে আর কোন বাধা নেই, ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে যাচ্ছে।
জানা গেছে, সরকার নির্ধারিত নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হবে ১৭৫ টাকায়, যা এতদিন ছিল ১৬৭ টাকা। প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১৪৯ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়াবে ১৫৭ টাকা। খোলা পাম তেলের লিটারও ১৪৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫৭ টাকা করা হয়েছে। এছাড়া বোতলজাত পাঁচ লিটার সয়াবিন তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৬০ টাকা, যা আগে ছিল ৮১৮ টাকা।
তবে এখনো দাম বৃদ্ধির পরও নতুন করে সয়াবিন তেলের পুরোপুরি সরবরাহ পাননি ব্যবসায়ীরা। পুরনো মূল্যের বোতলজাত সয়াবিন তেল কিছুটা বেশি দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে। এর মধ্যে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল অলিগলিতে ১৯০ টাকা দরে বিক্রি হলেও নগরীর বড় বাজারগুলোতে ১৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এর বাইরে বোতলজাত দুই লিটার ৩৪০, তিন লিটার ৫১০ এবং পাঁচ লিটার ৮৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ফের অনিশ্চয়তায় সিসিসিআই নির্বাচন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শীর্ষ ব্যবসায়িক সংগঠন চিটাগং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (সিসিসিআই) নির্বাচন অনিশ্চয়তায় পড়েছে। দুপক্ষের আইনি বিরোধের কারণে উচ্চ আদালতের নির্দেশে নির্ধারিত ৪ এপ্রিলের নির্বাচনও স্থগিত হয়ে গেছে। তবে আদালত আগামী ২৬ এপ্রিলের মধ্যে এফবিসিসিআইয়ের বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি ট্রাইব্যুনালকে বিরোধ নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন।
তথ্যটি নিশ্চিত করে রিটকারী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ বেলালের পক্ষে আইনজীবী আশফাকুর রহমান বলেন, আদালত আগামী ২৬ এপ্রিলের মধ্যে এফবিসিসিআইয়ের বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি ট্রাইব্যুনালকে বিরোধ নিষ্পত্তি করে সিদ্ধান্ত দিতে বলেছেন। পাশাপাশি হাইকোর্টের সর্বশেষ আদেশ আমলে না নেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন।

চেম্বার সূত্রে জানা যায়, ৩ মার্চ প্রায় পাঁচ মাস স্থগিত থাকার পর চট্টগ্রাম চেম্বারের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের নতুন তফশিল ঘোষণা করা হয়েছিল। তফশিল অনুযায়ী আগামী ৪ এপ্রিল নগরের আগ্রাবাদ এলাকার ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে ভোট গ্রহণের কথা ছিল। ২৬ ফেব্রুয়ারি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আইনি মতামতের ভিত্তিতে সাধারণ ও সহযোগী গ্রুপের ১৮ জন পরিচালক নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। তবে আদালতের নতুন আদেশে সেই নির্বাচনও স্থগিত হয়ে গেল।

এর আগে, গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপের আটটি সংগঠনকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নির্দেশ দেয়। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ বেলাল হাইকোর্টে রিট করেন এবং এফবিসিসিআইতেও অভিযোগ করেন।
রিটের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২২ অক্টোবর হাইকোর্ট দুই শ্রেণিকে বাদ দিয়ে নির্বাচন পরিচালনার নির্দেশনা দিয়ে রুল জারি করেন এবং মন্ত্রণালয়ের ৪ সেপ্টেম্বরের চিঠির ওপর স্থগিতাদেশ দেন। পরে আপিলের পর ৩০ অক্টোবর আদালত দুই সপ্তাহের জন্য নির্বাচন স্থগিত করেন।

পরবর্তীতে গত ১১ ডিসেম্বর হাইকোর্ট ছয়টি টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপের ছয় প্রতিনিধিকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেন। এ আদেশের বিরুদ্ধেও আপিল করেন রিটকারী মোহাম্মদ বেলাল। সেই আপিলের শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালত এফবিসিসিআইয়ের ট্রাইব্যুনালে বিরোধ নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন এবং মৌখিকভাবে বলেন, ৪ এপ্রিল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ নেই।

প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম চেম্বারের নির্বাচনে সাধারণ শ্রেণি থেকে ১২ জন, সহযোগী শ্রেণি থেকে ৬ জন এবং টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপ শ্রেণি থেকে ৩ জন করে মোট ৬ জন পরিচালক নির্বাচিত হন। এভাবে ২৪ সদস্যের পরিচালনা পর্ষদ গঠিত হয়। পরে নির্বাচিত পরিচালকদের ভোটে একজন সভাপতি ও দুজন সহসভাপতি নির্বাচিত হন।এবার টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপ শ্রেণি থেকে ছয়জন পরিচালক বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথে ছিলেন। তবে দুপক্ষের আইনি বিরোধের কারণে নির্ধারিত সময়েও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি এবং নতুন তফশিল ঘোষণার পরও তা আবার স্থগিত হয়ে গেছে।

স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা।

 

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ