আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

সাঘাটায় প্রেসক্লাবের আয়োজনে মহান বিজয় দিবস উদযাপন

সাঘাটা (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃসুলতান আহম্মেদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে, গাইবান্ধার সাঘাটা প্রেসক্লাবের আয়োজনে ১৬ ই ডিসেম্বর সোমবার ভোরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ, বোনারপাড়া হাকিমের মোড় প্রেসক্লাব কার্যালয়ে নতুন সদস্য যোগদান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ আসাদ খন্দকারের সভাপতিত্বে ও সাঘাটা প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক ও এশিয়ান টিভি সাঘাটা উপজেলা প্রতিনিধি নুর হোসেন রেইনের সঞ্চালনায় সভার কার্যক্রম শুরু করা হয়। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসাহাক আলী, আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সাঘাটা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মনোরঞ্জন বর্মন, সাঘাটা থানা অফিসার ইনচার্জ বাদশাহ আলম, সাঘাটা উপজেলা বিএনপি আহবায়ক ও প্রেসক্লাব উপদেষ্টা আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাঘাটা উপজেলা শাখার প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা জাহিদুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, গাইবান্ধা জেলা বিএনপি উপদেষ্টা ও প্রেসক্লাব উপদেষ্টা নাজেমুল ইসলাম নয়ন, অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সাঘাটা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ – সভাপতি ও দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার সাঘাটা উপজেলা প্রতিনিধি আনোয়ার হোসেন রানা, সাঘাটা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ – সভাপতি ও দৈনিক জনতা পত্রিকার সাঘাটা উপজেলা প্রতিনিধি এস এম, মিজানুর রহমান মিজান, সাঘাটা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ – সভাপতি ও দৈনিক আমাদের প্রতিদিন পত্রিকার সাঘাটা উপজেলা প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান বুলেন, সাঘাটা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ – সাধারণ সম্পাদক ও সিএনএন বাংলা টিভি ও দৈনিক বায়ান্নর আলো পত্রিকার সাঘাটা উপজেলা প্রতিনিধি জাকির হোসেন লিটন, সাঘাটা প্রেসক্লাবের সহ – সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক প্রথম বাংলা পত্রিকার সাঘাটা উপজেলা প্রতিনিধি সুলতান আহম্মেদ, সাঘাটা প্রেসক্লাবের সহ – সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার ও দৈনিক প্রধান সংবাদ পত্রিকার গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি আনছারুজ্জামান (রেজায়ান ইসলাম), সাঘাটা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক মহাস্থান পত্রিকার সাঘাটা উপজেলা প্রতিনিধি রেজাউল করিম জুয়েল, সাঘাটা প্রেসক্লাবের সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক তৃতীয় মাত্রা পত্রিকার সাঘাটা উপজেলা প্রতিনিধি দেলোয়ার হোসেন, সাঘাটা প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক ও এশিয়ান টিভির ফটোগ্রাফার আসাদুজ্জামান সুমন, সাঘাটা প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ ও দৈনিক কলম যোদ্ধা পত্রিকার সাঘাটা উপজেলা প্রতিনিধি মেহেদী হাসান, সাঘাটা প্রেসক্লাবের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও সাপ্তাহিক গাইবান্ধার খবর পত্রিকার সাঘাটা উপজেলা প্রতিনিধি কবির হোসেন, সাঘাটা প্রেসক্লাবের আইন বিষয়ক সম্পাদক ও দৈনিক বজ্র শক্তি পত্রিকার সাঘাটা উপজেলা প্রতিনিধি গোলাম মোস্তফা সুমন, সাঘাটা প্রেসক্লাবের ক্রীড়া সম্পাদক ও দৈনিক মত প্রকাশ পত্রিকার সাঘাটা উপজেলা প্রতিনিধি সোহাগ মিয়া, সাঘাটা প্রেসক্লাবের সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও দেশ সেবা ও অপরাধ তালাশ পত্রিকার সাঘাটা উপজেলা প্রতিনিধি খাইরুল ইসলাম, সাঘাটা প্রেসক্লাবের কার্যকরী সদস্য ও আজকের দৈনিক পত্রিকার সাঘাটা উপজেলা প্রতিনিধি বাঁধন সরকার সাগর, সাঘাটা প্রেসক্লাবের সদস্য ও সন্ধ্যাবানী পত্রিকার সাঘাটা উপজেলা প্রতিনিধি পুটু মিয়া, সাঘাটা প্রেসক্লাবের সদস্য ও দৈনিক কলম যোদ্ধা পত্রিকার সাঘাটা উপজেলা প্রতিনিধি মিজানুর রহমান মিজান। নতুন সদস্য যোগদান করেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা টিভি সাঘাটা উপজেলা প্রতিনিধি এইচ এম এরশাদ, দৈনিক নাগরিক ভাবনা পত্রিকার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি জাফর ইকবাল রানা। দৈনিক দেশবুলেটিন পত্রিকার গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি মোঃ মাছিদুল ইসলাম। প্রেসক্লাবের সকল সদস্যদের মতামত শেষে সিদ্ধান্ত গ্রহিত হয়, এই শীতে গরিব অসহায় মানুষকে কম্বল বিতরণ করা হবে।

( ছবি সংযুক্ত )

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

স্মরণে বরণে  ভোলার বীরমুক্তিযোদ্ধা গাজী আব্দুর রউফ। 

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

 

 

রিপন শান #

পলিমাটির জনপদ দ্বীপজেলা ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার ৪ নং কাচিয়া ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী আব্দুর রউফ’র নবম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ১২ মার্চ ২০২৬ । বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ ১৯৪৪ সালের ২৭ এপ্রিল ভোলার বোরহানউদ্দিনে নিজ গ্রামে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা আব্দুল হাই, মাতা শামর্থ ভানু।

ভোলা জেলার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও পারিবারিক সুত্র থেকে জানা যায় : তারুণ্যে পদার্পণ করেই তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ১ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দেন। অকুতোভয় এ সাহসী সৈনিক তাঁর কর্মজীবনে নানা প্রতিকুলতার মাঝেও রেজিমেন্টের বিভিন্ন ইভেন্টে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন। এরমধ্যে, ২৯ বার হেলিকপ্টার হতে প্যারাসুট জাম্প ও দীর্ঘ দৌড়ে শীর্ষ স্থান অর্জন করেন । কর্মজীবনে তিনি পাকিস্তান, রাওয়ালপিন্ডি, পেশোয়ার, করাচি এবং দেশের বিভিন্নস্থানে দক্ষতা ও আনুগত্যের সাথে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে তিনি যশোর সেনানিবাসে কর্মরত থাকা অবস্থায় বিদ্রোহ করেন এবং, মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। মেজর খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে কে ফোর্সের অধীন যশোর অঞ্চলে তিনি যুদ্ধ করেন। যুদ্ধ বিজয়ের শেষদিকে সাথী যোদ্ধাদের বাঁচাতে গিয়ে ডান হাতে পাঁচটি গুলিবিদ্ধ হন। এসময় শত্রু পক্ষের অনেকেই ঘটনাস্থলে মারা যান। অতঃপর বহু প্রতিকুল পথ পেরিয়ে বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ চিকিৎসার জন্য ভারতে যান। তিনিই প্রথম ভোলা জেলার মুক্তিযোদ্ধা ভারতে প্রবেশ করেন। সেখানে তিনি মুক্তিযুদ্ধের সেনাপতি কর্ণেল এমএজি ওসমানীর সান্নিধ্য পান।

বীরযোদ্ধা আব্দুর রউফের নিজ এলাকা কাচিয়া ইউনিয়নে তিনি ছিলেন দলমতের উর্ধ্বে একজন সৎ ও ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তিত্ব। এ প্রসংগে বীরমুক্তিযোদ্ধার সাথী বীরমুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুল ইসলাম হাওলাদার জানান : “১৯৭১ সালের ২৯ মার্চ সকাল ৮ টার সময় যশোর ক্যান্টম্যান্টের ১ম ইস্ট বেংগল রেজিমেন্টের ওপর তিনদিক থেকে পাকহানাদার বাহিনী (নাইন ভেলুস) হামলা চালায়। সেই যুদ্ধে নায়েক গাজী আব্দুর রউফ নিজের জীবনকে বিপন্ন জেনেও এমএমজি (মিডিয়াম মেশিন গান) দিয়ে হানাদার বাহিনীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন।এসময় পাকবাহিনীর অনেকে হতাহত হন। সেদিন, রউফ সাহেব এগিয়ে এসে যে বীরত্বের পরিচয় দিয়েছেন, তা আমরা কোনোদিন ভুলবো না। ”

একজন রাষ্ট্রস্বীকৃত বীরমুক্তিযোদ্ধা হিসেবে মু্ক্তিযুদ্ধের ওয়েবসাইটের লাল মুক্তিবার্তায় ক্রমিক নং ০৬০৪০৬০০০৩৮/২০০১, বেসামরিক গেজেট ৩৩৫/১৭এপ্রিল২০০৫, সামরিক গেজেট সেনা ৩২১২ নথিতে তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বীরমুক্তিযোদ্ধা গাজী আব্দুর রউফ ২০১৭ সালের ১২ মার্চ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁকে ভোলার নিজ বাড়ি০৪ নং কাচিয়া ইউনিয়নের ফুলকাচিয়া ০৫ নং ওয়ার্ডে সেনাবাহিনীর গার্ড অব রেজিমেন্টের ক্যাপ্টেন তৌহিদের নেতৃত্বে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়। মরহুমের প্রথম জানাজা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) মসজিদ মাঠে এবং দ্বিতীয় জানাজা নিজ এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়।

তাঁর জানাজায় যশোর ক্যান্টমেন্টের সেনাবাহিনীর একটি টিম, বীর মুক্তিযোদ্ধাগন, সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ, এবং স্থানীয় সকল শ্রেণিপেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী আছিয়া বেগম, ৫ ছেলে ও ১ মেয়ে রেখে যান। তাঁর বড় পুত্র সাংবাদিক ও লেখক ডা. গাজী মো. তাহেরুল আলম লিটন, ছোট সন্তান গাজী মো. হাসান ও কন্যা রূপজান বেগম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক, গাজী মো. হোসেন অব. সেনা সৈনিক, গাজী মোক্তাদির ও গাজী মো. রানা সম্মানজনক পেশায় কর্মরত ।

দেশ ও জাতির কৃতি সন্তান এ বীরসেনানীর মৃত্যুতে নিজ এলাকার সামাজিক ও আদর্শিক উন্নয়নকর্মে তাঁর শুন্যতা আজীবন থাকবে। যতোদিন রবে মেঘনা তেতুলিয়া ইলিশা বঙ্গোপসার বহমান থাকবে; যতোদিন স্বাধীনতার লালসবুজ পতাকা পতপত করেউড়বে বাংলার আকাশে, ততোদিন দ্বীপজেলা ভোলার বীরসন্তান বীরমুক্তিযোদ্ধা মরহুম গাজী আব্দুর রউফের নাম ও জীবনস্মৃতি অক্ষয় হয়ে থাকবে।

বীর গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা ফজল আহমদ : এক সাহসী দেশপ্রেমিকের জীবনকথা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে অসংখ্য বীর সন্তানের আত্মত্যাগ, সাহস ও দেশপ্রেম চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। সেইসব গৌরবোজ্জ্বল নামের ধারাবাহিকতায় বীর চট্টলার এক কৃতী সন্তান হলেন বীর গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা ফজল আহমদ। তিনি শুধু একজন মুক্তিযোদ্ধাই নন, বরং একজন সৎ, সাহসী ও দেশপ্রেমিক মানুষ হিসেবে সমাজে বিশেষভাবে পরিচিত। তাঁর জীবন সংগ্রাম, চিন্তা-চেতনা ও কর্মধারা দেশের প্রতি গভীর ভালোবাসার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

মহান বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ-এ তিনি সরাসরি গেরিলা যোদ্ধা হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। দুঃসাহসিক অভিযান, অদম্য মনোবল ও দেশমাতৃকার প্রতি অগাধ ভালোবাসা তাঁকে মুক্তিযুদ্ধের এক সাহসী সৈনিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। যুদ্ধের সময় তিনি শত্রুর বিরুদ্ধে বিভিন্ন গেরিলা অভিযানে অংশ নিয়ে দেশের স্বাধীনতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁর সেই বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা আজও দেশপ্রেমের অনন্য উদাহরণ হিসেবে স্মরণীয়।

ফজল আহমদ একজন বিশিষ্ট কলামিস্ট ও সুবক্তা হিসেবেও পরিচিত। সমাজ, রাষ্ট্র, ইতিহাস ও মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে তাঁর চিন্তা ও লেখনী পাঠকের কাছে গভীর অনুপ্রেরণা জাগায়। তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত থেকে সমাজের উন্নয়ন ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। একজন সংগঠক হিসেবে তিনি বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করেছেন।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি একজন রত্নগর্ভ পিতা ও মানবিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী মানুষ। তাঁর পরিবার ও সমাজজীবনে সততা, আদর্শ ও নৈতিকতার প্রতিফলন দেখা যায়। মানবকল্যাণ ও সমাজসেবামূলক কাজে তাঁর অংশগ্রহণ তাঁকে একজন আলোকিত নাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

তিনি আজীবন গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা ধারণ করেন জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান-এর প্রতি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা তাঁর জীবনদর্শনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সেই আদর্শকে ধারণ করেই তিনি সমাজে ন্যায়, মানবতা ও দেশপ্রেমের বার্তা ছড়িয়ে দিতে সচেষ্ট।
চট্টগ্রাম অঞ্চলের গর্বিত সন্তান হিসেবে ফজল আহমদের অবদান স্থানীয় সমাজ ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর সাহসী বক্তব্য, প্রজ্ঞা ও নেতৃত্বগুণ তাঁকে সময়ের একজন সম্মানিত ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ তাঁর সততা, সাহস ও দেশপ্রেমের জন্য তাঁকে গভীর শ্রদ্ধার চোখে দেখেন।

সংগ্রাম, আদর্শ ও দেশপ্রেমে ভাস্বর এই মানুষটি আমাদের জাতীয় জীবনের এক মূল্যবান সম্পদ। বীর গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা ফজল আহমদের জীবন ও কর্ম ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। তাঁর মতো দেশপ্রেমিক মানুষের অবদানই বাংলাদেশের ইতিহাসকে আরও সমৃদ্ধ ও গৌরবান্বিত করেছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ