আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

শহরের সৌন্দয্য রক্ষায় সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে:চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটিকরপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদত হোসেন বলেছেন, চট্টগ্রাম শহরটি ৭০ লক্ষ জনগনের শহর। সেকারণে নগরের পরিস্কার পরিচ্ছনতা, প্লাস্টিক ও যানজটসহ সকল সমস্যা নিরসনে জনগন ও সিটিকরপোরেশনকে এক যোগে কাজ করতে হবে। ভোক্তাদের প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিষ্ঠান হিসাবে ক্যাব নাগরিক সমস্যাগুলো সমাধানে সদা সচেষ্ট আছে, সেজন্য ক্যাব নেতৃবৃন্দের প্রতি নগরবাসীর আস্থা ও প্রত্যাশা অনেক বেশি। তিনি ক্যাব এর ১৬ দফা দাবিকে সমর্থন করে এই প্রস্তাবনাগুলো বাস্তবায়নে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে সকল প্রকার সহায়তা ও সমর্থনের আশ্বাস দেন। ক্যাব ও সিটি করপোরেশন নাগরিক ভোগান্তি নিরসনে একযোগে কাজ করবে।বৃহস্পতিবার নগরীর টাইগারপাস্থ সিটিকরপোরেশন মিলনায়তনে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ(ক্যাব) চট্টগ্রাম নগর ও বিভাগীয় কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় সিটি মেয়র ডাঃ শাহাদত হোসেন উপরোক্ত মন্তব্য করেন।
মতবিনিময় সভায় ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইনের নেতৃত্বে অন্যান্যদের মধ্যে ক্যাব চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরী, মহানগর সভাপতি জেসমিন সুলতানা পারু, বিভাগীয় সহ-সভাপতি সাংবাদিক এম নাসিরুল হক, মহানগরের সাংগঠনিক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস, মহানগরের যুগ্ন সম্পাদক মোঃ সেলিম জাহাঙ্গীর, আবু মোশারফ রাসেল, চান্দগাও থানা সভাপতি মোহাম্মদ জানে আলম, সাধারন সম্পাদক ইসমাইল ফারুকী, সদরঘাট থানা সভাপতি মোহাম্মদ শাহীন চৌধুরী, পাঁচলাাইশ থানা সভাপতি সায়মা হক, পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ড সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা হুমায়ুন কবির, আবদুল আওয়াল, হাটহাজারী উপজেলার লায়লা ইয়াছমিন, ক্যাব যুব গ্রুপ চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি আবু হানিফ নোমান, যুগ্ন সম্পাদক রাসেল উদ্দীন, প্রচার সম্পাদক ইমদাদুল ইসলাম, ক্যাব সদস্য এম এ হোসাইন, সাজ্জাদ উদ্দীন, ফয়সল আবদুল্লাহ আদনান, নাজিম উদ্দীন চৌধুরী অ্যানেল, ক্যাব জামালখানের হেলাল চৌধুরী, ক্যাব বোয়ালখালীর উপদেষ্ঠা নুর মোহাম্মদ চেয়ারম্যান, ক্যাব বায়েজিদের নাসিমা আলম, ক্যাব চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলার সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক শাহনেওয়াজ আলী মির্জা, সাংবাদিক ওসমান জাহাঙ্গীর প্রমুখ এ উপলক্ষে উপস্থিত ছিলেন।
সিটি মেয়র আরো বলেন, এই শহর শুধু মেয়র শাহাদাতের একার নয়, এটি আমাদের সবার। তাই এই শহরের সৌন্দয্য রক্ষায় সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। ক্যাব এর পক্ষ থেকে নগরীর ১৭টি বাজার পরিদর্শন করে আগামি ১ সপ্তাহের মধ্যে করনীয় বিষয়ে মেয়রের কাছে প্রতিবেদন পেশ, প্রতিটি বাজারের সার্বিক তথ্য মনিটরিং করে মেয়রের কাছে উপস্থাপনের জন্য অনুরোধ জানান। নগরীর ৪১ টি ওয়ার্ডে সিএলসিসি কমিটিতে ক্যাব এর ১জন সদস্যকে সদস্য করা হবে বলে ঘোষনা দেন।
ডাঃ শাহাদত আরও বলেন, পলিথিন ও প্লাস্টিকের বিরুদ্ধে কঠোর সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার বিকল্প নাই। আর এরকারনে জলাবদ্ধাতা সৃষ্ঠি হচ্ছে। পাশাপাশি, নির্দিষ্ঠ বাজারের বাইরে ফুটপাতের হকার্স ও ভাসমান বিক্রেতাদের কারণে সৃষ্ট যানজট নিরসনে জনমত গড়ে তুলতে সিটিকরপোরেশনকে সহায়তা প্রদানের অনুরোধ করেন। তিনি স্থানীয় চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেবেন বলে আশ্বাস প্রদান করে জনগণের সেবায় নিজেকে নিবেদিত করার প্রত্যয় পুনরায় ব্যক্ত করেন। সিটি করপোরেশনের কাছ থেকে সেবা পেতে ভোগান্তি পেলে সরাসরি মেয়রের নজরে আনার আহবান জানান।
সিটি মেয়র ডাঃ শাহাদত নালা-নর্দমা পরিষ্কার, অবৈধ স্থাপনা, হকার্স উচ্ছেদে সিটি করপোরেশন কাজ করছে এবং এ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে বলে জানান। যে কোন অনৈতিক কাজ ও অন্যায়ের প্রতিবাদে সকলকে একযোগে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান জানিয়ে বলেন, সকলের সম্মিলিত প্রতিরোধেই সমাজ থেকে অন্যায় ও অনিয়ম বন্ধ হবে। মানসম্মত শিক্ষার নিশ্চিতে একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা ও খেলাধুলার প্রতি গুরুত্বারোপ করে প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে খেলার মাঠ নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করার আশ্বাস দেন।
আসন্ন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় রাখতে ব্যবসায়ী ও প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে যৌথভাবে সভা করে করনীয় নির্ধারন করা হবে বলে আশ্বাস দেন। একই সাথে নগরীর বাজারগুলির মনিটরিং এর তৎপরতা আরও জোরদার করা এবং ক্যাবকে এ কাজে আরও বেশি সম্পৃক্ত করা হবে বলে জানান।
হোল্ডিং ট্যাক্স আদায়ে রাজস্ব বিভাগের হয়রানি রোধে আপিল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। আপিল বোর্ড ও ভোক্তা অধিকার স্ট্যান্ডিং কমিটিতে ক্যাব প্রতিনিধি যুক্ত করা এবং নাগরিক ভোগান্তি রোধে ত্রিপাক্ষিক গণশুণানীর আয়োজনের বিষয়ে একমত হন।আলোচনা শেষে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে ক্লিন, গ্রীণ ও হেলদি নগরীতে রূপান্তরে ক্যাব থেকে ১৬ দফা প্রস্তাবনা মেয়রের হাতে তুলে দেয়া হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

কিউলেক্স মশার প্রকোপ বেড়েছে: মেয়র ডা. শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, নালা-নর্দমা ও ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকা এবং যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার কারণে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে স্থির পানিতে মশার বংশবিস্তার ঘটছে। তাই নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।’শনিবারের অঙ্গীকার, বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার’—এই স্লোগান সামনে রেখে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযানের উদ্বোধনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

শনিবার (১৪ মার্চ) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও এর আশপাশের এলাকায় এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচিটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সারা দেশে পরিচালিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামেও শুরু হয়েছে।মেয়র বলেন, নগরবাসীর সুস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ এলাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান, কারণ প্রতিদিন এখানে হাজার হাজার মানুষ চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন।তাই মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে ও ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে এই এলাকাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুমে টব, ডাবের খোসা, নির্মাণাধীন ভবনের সামগ্রী বা প্লাস্টিকের পাত্রে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশার লার্ভা জন্ম নেয়, যা ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার জন্য দায়ী। তবে বর্তমানে কিউলেক্স মশার বিস্তার বেশি দেখা যাচ্ছে, যার প্রধান উৎস নোংরা ড্রেন ও জমে থাকা বর্জ্য। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার রাখা এবং আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব।তিনি জানান, নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে একযোগে এই পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে লার্ভিসাইড ও অ্যাডাল্টিসাইড ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে এবং ওয়ার্ডভিত্তিক তদারকির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কাজ করছেন।

এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি ও অতিরিক্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রায় ১৬০ জনের একটি বিশেষ দল কাজ করছে।মেয়র বলেন, চকবাজার, বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, ফিরিঙ্গিবাজার, হালিশহর, পাহাড়তলীসহ কয়েকটি এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় বিশেষভাবে মশক নিধন ও ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

কার্যকর ওষুধ ব্যবহারের কারণে বর্তমানে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ অনেকটাই কমেছে। আমেরিকা থেকে আনা কার্যকর লার্ভিসাইড ব্যবহার করায় ডেঙ্গুর লার্ভা ধ্বংসে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে।

মেয়র নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শহর শুধু সিটি করপোরেশনের নয়—এটি সবার শহর। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাসা-বাড়ির আঙিনা, ছাদ, বারান্দা এবং আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। সপ্তাহে অন্তত একদিন নিজেদের আশপাশ পরিষ্কার রাখলে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও স্বাস্থ্যকর নগর গড়ে তোলা সম্ভব।তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সব সময় উন্নয়ন ও উদ্যোগে পথ দেখিয়েছে। পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার ক্ষেত্রেও চট্টগ্রাম দেশের অন্যান্য সিটি করপোরেশনের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।

উদ্বোধনের পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেইন গেট, কেবি ফজলুল কাদের সড়ক এবং প্রবর্তক মোড় এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার করা হয় এবং মশক নিধনে লার্ভিসাইড ওষুধ ছিটানো হয়। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মীরা ফগার মেশিন ও স্প্রে মেশিন ব্যবহার করে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী, উপপ্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. সরফুল ইসলাম প্রমুখ।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ