শহরের সৌন্দয্য রক্ষায় সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে:চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটিকরপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদত হোসেন বলেছেন, চট্টগ্রাম শহরটি ৭০ লক্ষ জনগনের শহর। সেকারণে নগরের পরিস্কার পরিচ্ছনতা, প্লাস্টিক ও যানজটসহ সকল সমস্যা নিরসনে জনগন ও সিটিকরপোরেশনকে এক যোগে কাজ করতে হবে। ভোক্তাদের প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিষ্ঠান হিসাবে ক্যাব নাগরিক সমস্যাগুলো সমাধানে সদা সচেষ্ট আছে, সেজন্য ক্যাব নেতৃবৃন্দের প্রতি নগরবাসীর আস্থা ও প্রত্যাশা অনেক বেশি। তিনি ক্যাব এর ১৬ দফা দাবিকে সমর্থন করে এই প্রস্তাবনাগুলো বাস্তবায়নে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে সকল প্রকার সহায়তা ও সমর্থনের আশ্বাস দেন। ক্যাব ও সিটি করপোরেশন নাগরিক ভোগান্তি নিরসনে একযোগে কাজ করবে।বৃহস্পতিবার নগরীর টাইগারপাস্থ সিটিকরপোরেশন মিলনায়তনে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ(ক্যাব) চট্টগ্রাম নগর ও বিভাগীয় কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় সিটি মেয়র ডাঃ শাহাদত হোসেন উপরোক্ত মন্তব্য করেন।
মতবিনিময় সভায় ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইনের নেতৃত্বে অন্যান্যদের মধ্যে ক্যাব চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরী, মহানগর সভাপতি জেসমিন সুলতানা পারু, বিভাগীয় সহ-সভাপতি সাংবাদিক এম নাসিরুল হক, মহানগরের সাংগঠনিক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস, মহানগরের যুগ্ন সম্পাদক মোঃ সেলিম জাহাঙ্গীর, আবু মোশারফ রাসেল, চান্দগাও থানা সভাপতি মোহাম্মদ জানে আলম, সাধারন সম্পাদক ইসমাইল ফারুকী, সদরঘাট থানা সভাপতি মোহাম্মদ শাহীন চৌধুরী, পাঁচলাাইশ থানা সভাপতি সায়মা হক, পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ড সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা হুমায়ুন কবির, আবদুল আওয়াল, হাটহাজারী উপজেলার লায়লা ইয়াছমিন, ক্যাব যুব গ্রুপ চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি আবু হানিফ নোমান, যুগ্ন সম্পাদক রাসেল উদ্দীন, প্রচার সম্পাদক ইমদাদুল ইসলাম, ক্যাব সদস্য এম এ হোসাইন, সাজ্জাদ উদ্দীন, ফয়সল আবদুল্লাহ আদনান, নাজিম উদ্দীন চৌধুরী অ্যানেল, ক্যাব জামালখানের হেলাল চৌধুরী, ক্যাব বোয়ালখালীর উপদেষ্ঠা নুর মোহাম্মদ চেয়ারম্যান, ক্যাব বায়েজিদের নাসিমা আলম, ক্যাব চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলার সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক শাহনেওয়াজ আলী মির্জা, সাংবাদিক ওসমান জাহাঙ্গীর প্রমুখ এ উপলক্ষে উপস্থিত ছিলেন।
সিটি মেয়র আরো বলেন, এই শহর শুধু মেয়র শাহাদাতের একার নয়, এটি আমাদের সবার। তাই এই শহরের সৌন্দয্য রক্ষায় সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। ক্যাব এর পক্ষ থেকে নগরীর ১৭টি বাজার পরিদর্শন করে আগামি ১ সপ্তাহের মধ্যে করনীয় বিষয়ে মেয়রের কাছে প্রতিবেদন পেশ, প্রতিটি বাজারের সার্বিক তথ্য মনিটরিং করে মেয়রের কাছে উপস্থাপনের জন্য অনুরোধ জানান। নগরীর ৪১ টি ওয়ার্ডে সিএলসিসি কমিটিতে ক্যাব এর ১জন সদস্যকে সদস্য করা হবে বলে ঘোষনা দেন।
ডাঃ শাহাদত আরও বলেন, পলিথিন ও প্লাস্টিকের বিরুদ্ধে কঠোর সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার বিকল্প নাই। আর এরকারনে জলাবদ্ধাতা সৃষ্ঠি হচ্ছে। পাশাপাশি, নির্দিষ্ঠ বাজারের বাইরে ফুটপাতের হকার্স ও ভাসমান বিক্রেতাদের কারণে সৃষ্ট যানজট নিরসনে জনমত গড়ে তুলতে সিটিকরপোরেশনকে সহায়তা প্রদানের অনুরোধ করেন। তিনি স্থানীয় চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেবেন বলে আশ্বাস প্রদান করে জনগণের সেবায় নিজেকে নিবেদিত করার প্রত্যয় পুনরায় ব্যক্ত করেন। সিটি করপোরেশনের কাছ থেকে সেবা পেতে ভোগান্তি পেলে সরাসরি মেয়রের নজরে আনার আহবান জানান।
সিটি মেয়র ডাঃ শাহাদত নালা-নর্দমা পরিষ্কার, অবৈধ স্থাপনা, হকার্স উচ্ছেদে সিটি করপোরেশন কাজ করছে এবং এ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে বলে জানান। যে কোন অনৈতিক কাজ ও অন্যায়ের প্রতিবাদে সকলকে একযোগে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান জানিয়ে বলেন, সকলের সম্মিলিত প্রতিরোধেই সমাজ থেকে অন্যায় ও অনিয়ম বন্ধ হবে। মানসম্মত শিক্ষার নিশ্চিতে একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা ও খেলাধুলার প্রতি গুরুত্বারোপ করে প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে খেলার মাঠ নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করার আশ্বাস দেন।
আসন্ন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় রাখতে ব্যবসায়ী ও প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে যৌথভাবে সভা করে করনীয় নির্ধারন করা হবে বলে আশ্বাস দেন। একই সাথে নগরীর বাজারগুলির মনিটরিং এর তৎপরতা আরও জোরদার করা এবং ক্যাবকে এ কাজে আরও বেশি সম্পৃক্ত করা হবে বলে জানান।
হোল্ডিং ট্যাক্স আদায়ে রাজস্ব বিভাগের হয়রানি রোধে আপিল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। আপিল বোর্ড ও ভোক্তা অধিকার স্ট্যান্ডিং কমিটিতে ক্যাব প্রতিনিধি যুক্ত করা এবং নাগরিক ভোগান্তি রোধে ত্রিপাক্ষিক গণশুণানীর আয়োজনের বিষয়ে একমত হন।আলোচনা শেষে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে ক্লিন, গ্রীণ ও হেলদি নগরীতে রূপান্তরে ক্যাব থেকে ১৬ দফা প্রস্তাবনা মেয়রের হাতে তুলে দেয়া হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দোকান ঘর-সীমানাপ্রাচীর ভেঙে ব্যবসায়ীর জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে এক ব্যবসায়ীর পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের চেষ্টায় দোকান ঘর ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে মো. সফি উল্যাহ চৌধুরী (৭০) নামে এক প্রবাসীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী নূর নবী (৬০)। এ ঘটনায় তিনি কোম্পানীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নূর নবী ও তার ভাই-বোনেরা পৈত্রিক সূত্রে ১৩ নম্বর চরপার্বতী মৌজার সিএস ৯৯১ নম্বর খতিয়ানের ১২০৮ নম্বর দাগে নকশা অনুযায়ী ৩৮ দশমিক ৯০ শতাংশ জমির মধ্যে পাঁচ শতাংশের মালিক ও দখলদার। দীর্ঘদিন ধরে তারা ওই জমি ভোগদখল করে আসছেন।

অভিযোগে বলা হয়, গত বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে বসুরহাট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের করালিয়া এলাকায় ওই জমি দখলের উদ্দেশ্যে সফি উল্যাহ চৌধুরী অজ্ঞাতনামা দুই-তিনজনকে নিয়ে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা জমিতে থাকা দোকান ঘর ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুর করে আনুমানিক ১০ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করেন। পরে সেখানে মাটি ভরাট করে চলাচলের রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু করেন।

এতে নূর নবী ও তার পরিবারের সদস্যরা বাধা দিলে অভিযুক্তরা তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং মারধরের জন্য তেড়ে আসেন। একই সঙ্গে রাস্তা নির্মাণের কাজে বাধা দিলে মারধরের হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় সংঘর্ষ ও শান্তিশৃঙ্খলা ভঙ্গের আশঙ্কা করছেন অভিযোগকারী।

নূর নবী বলেন, তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের উদ্দেশ্যে বসতবাড়ি ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুর করা হয়েছে। বিষয়টি স্থানীয় লোকজন ও আত্মীয়স্বজনকে জানানোর পর তাদের পরামর্শে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।তবে অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা দাবি করে সফি উল্যাহ চৌধুরী বলেন, ‘সেটি প্রমাণের জন্য আমি আমার প্রতিনিধির মাধ্যমে ওসির কাছে উপস্থাপন করব।’
এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবীবুর রহমান বলেন, প্রতিদিন অনেক অভিযোগ জমা পড়ে। লিখিত অভিযোগ দিয়ে থাকলে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশের যোগসাশসে ইটভাটার জন্য প্রবাসীর জমি দখল চেষ্টার অভিযোগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ইটভাটার জন্য এক দুবাই প্রবাসীর বসতভিটা দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মোহাম্মদীয়া ব্রিকফিল্ডের মালিক মো. জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে। জমি দখলে বাধা দেওয়ায় প্রবাসীর স্ত্রী ও শ্যালককে হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি নির্মাণাধীন ঘর ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় কোম্পানীগঞ্জ থানার তিন উপপরিদর্শকের (এসআই) বিরুদ্ধেও ইটভাটার মালিকের পক্ষে অবস্থান নেওয়া এবং জমি বন্ধক দিতে চাপ প্রয়োগের অভিযোগ তুলেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে নোয়াখালী রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী প্রবাসীর স্ত্রী বিলকায়েছ আরা বেগম ও শ্যালক নূর হোসেন মানিক।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, কোম্পানীগঞ্জের সিরাজপুর গ্রামের দুবাই প্রবাসী আব্দুল গোফরানের কেনা বসতভিটার জমিতে ইটভাটা সম্প্রসারণ করতে চান জাকির হোসেন। এ জন্য জমির সীমানায় থাকা টিনের বেড়া ভেঙে দখলের চেষ্টা করছেন তিনি। জমি বিক্রি কিংবা তার কাছে বন্ধক না দিলে পরিবারটিকে এলাকায় বসবাস করতে দেওয়া হবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে।

পরিবারটির দাবি, গত ১২ অক্টোবর দিবাগত রাতে জাকিরের লোকজন গোফরানের জমির দক্ষিণ পাশের টিনের বেড়া ভেঙে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় গোফরানের স্ত্রী বিলকিস আরা বেগম থানায় মামলা করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে বলেও দাবি পরিবারের।

তাদের অভিযোগ, ঘটনার পর রাত ৮টার দিকে এসআই নজরুল প্রবাসীর স্ত্রী ও তার বড় ভাইকে থানায় ডেকে নেন। সেখানে জাকিরের কাছে জমিটি বন্ধক দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তারা তাতে রাজি হননি। এর চার দিন পর, ১৬ অক্টোবর স্বামীর কেনা জমিতে ২১ ফুট বাই ১৬ ফুট আয়তনের টিন ও কাঠ দিয়ে একটি দোচালা ঘর নির্মাণ শুরু করেন বিলকায়েছ আরা বেগম। এ সময় কোম্পানীগঞ্জ থানার এসআই নজরুল, এসআই সুমন ও এসআই আনোয়ার ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করতে বলেন। একই সঙ্গে জাকিরের সঙ্গে সমঝোতা করে জমিটি তার কাছে বন্ধক দেওয়ার জন্য চাপ দেন বলে অভিযোগ পরিবারের। অন্যথায় তাদের বিভিন্ন মামলায় জড়ানোর হুমকি দেওয়া হয় বলেও দাবি ভুক্তভোগীদের।

পরিবারটির ভাষ্য, পুলিশের কথায় রাজি না হয়ে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। ওই দিন রাতেই জাকিরের লোকজন নির্মাণাধীন দোচালা ঘর ও টিনের সীমানাপ্রাচীর ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়। এতে প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি তাঁদের।

এ ঘটনায় ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তা না পাওয়ার অভিযোগ তুলে গত ২৬ অক্টোবর দুবাই দূতাবাসের মাধ্যমে নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন আব্দুল গোফরান। অভিযোগটি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার। সর্বশেষ গত ৩১ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে জাকিরের লোকজন আবারও ঘটনাস্থলে গিয়ে ভেঙে ফেলা ঘর ও সীমানাপ্রাচীরের কাঠ ও টিন নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেছেন তারা।

পরিবারটির আরও অভিযোগ, জাকির দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। রাষ্ট্রীয় নিয়মনীতি ও বিধিমালা উপেক্ষা করে উপজেলা প্রশাসনের নিরবতায় জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ‘মোহাম্মদীয়া’ নামের ইটভাটা পরিচালনা করা হচ্ছে। সেখানে শ্রমিক পরিচয়ে লোকজনকে আশ্রয় দিয়ে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করা হয় বলেও অভিযোগ তাদের।

অভিযোগ অস্বীকার করে ইটভাটার মালিক জাকির হোসেন বলেন, ইটভাটার ভেতরে প্রবাসীর ৯ শতাংশ জমি রয়েছে। ওই জমির ওপর আমার মাটির স্তূপ রয়েছে। আমি তাদের বকেয়া টাকা থাকলে নিয়ে যেতে এবং জমিটি বিক্রি করে দিতে বলেছি। কিন্তু তারা আমার কাছে জমি বিক্রি করতে রাজি হননি। পরে তাদের জায়গায় রাখা আমার মাটি ও ইটের খোয়া দিয়ে দিতে বললে তারা বাধা দেন। এরপর তারা সীমানা প্রাচীর নির্মাণ শুরু করেন।

এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম বলেন, প্রবাসীর স্ত্রী প্রথমে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। পরে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এরপর এসআই সুমন ও আনোয়ারও সেখানে যান। উভয় পক্ষকে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রেখে আদালতের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির পরামর্শ দেওয়া হয়। একপর্যায়ে অভিযোগকারী পক্ষ সেখানে ঘর নির্মাণ করতে গেলে ইটভাটার লোকজন বাধা দেন। পরে প্রবাসীর পরিবারসহ দুই পক্ষ বিষয়টি বর্তমান ওসিকে অবহিত করে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবীবুর রহমান বলেন, ‘আমি নতুন এসেছি। বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজখবর নিয়ে পরে জানানো হবে।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ