আজঃ শুক্রবার ২০ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামে ঝাঁঝ কমেছে পেঁয়াজের অপরিবর্তিত সবজির দাম

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে একের পর এক পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। কমেছে আদা-রসুনের দামও। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে সবজির দাম। গত ২৮ নভেম্বর ১১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া পেঁয়াজ ৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ এই সময়ে পণ্যটির দাম কমেছে ৩৫ টাকা বা ৩১ দশমিক ৮১ শতাংশ। একই সময়ে পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে কেজিতে ২৫ টাকা বা ২৮ শতাংশ। বিশেষ করে গেল তিন সপ্তাহের ব্যবধানে নগরের খুচরা বাজারে কেজিতে প্রায় ৩২ শতাংশ কমেছে পেঁয়াজের দাম।
পেঁয়াজসহ অন্যান্য পণ্যের দাম কমার বিষয়ে চাক্তাই-খাতুনগঞ্জ আড়তদার-সাধারণ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মহিউদ্দিন বলেন, এখন ব্যাপক আমদানি হচ্ছে, তাই সরবরাহও বেড়েছে। আবার বাজারে পেঁয়াজ পাতাও এসেছে। তাতে পেঁয়াজের চাহিদা কিছুটা কমেছে। আদা-রসুনের দামও কমেছে। তাছাড়া অন্যান্য পণ্যের দামও কমতির দিকে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, গেল নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে পেঁয়াজের আমদানি শুল্ক প্রত্যাহারের পর ভারত ও পাকিস্তান থেকে ব্যাপকভাবে পণ্যটির আমদানি শুরু করেন ব্যবসায়ীরা। এতে সরবরাহ বাড়ে দেশীয় বাজারে। তাছাড়া শীতের সবজি হিসেবে বাজারে এসেছে পেঁয়াজ পাতাও। অনেকেই পেঁয়াজের পরিবর্তে ব্যবহার করেন এই পাতা। সব মিলিয়ে কমতে থাকে দাম। এদিকে পেঁয়াজ ছাড়াও পাইকারিতে দাম কমেছে আদা-রসুনের। এরমধ্যে একই সময়ে প্রতিকেজি ভারতীয় আদার দাম ২০-৩০ টাকা এবং ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে রসুনের দাম। নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে পাইকারিতে ১১০ টাকা কেজিতে বিক্রি হওয়া আদা এখন ৯০ টাকা এবং ২০০ টাকায় বিক্রি হওয়া রসুন এখন ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে অধিকাংশ সবজির দাম অপরিবর্তিত থাকলেও সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে ফুলকপির দাম। নগরে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে সবজিটি। অন্যান্য সবজির মধ্যে টমেটো ১০০, বরবটি ৬০, শিম ৮০, শসা ৫০-৬০, বেগুন ৫০, মিষ্টি কুমড়া ৩০-৪০, দেশি আলু ৮০, পেঁয়াজ পাতা ৬০, মুলা ৩০, বাঁধাকপি ৩৫, কাঁচা মরিচ ৬০, গাজর ৮০, লেটুস পাতা ২৫০ এবং পেঁপে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম। প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি ১৮৫, সোনালি ২৮০-৩০০, লেয়ার ৩৯০ এবং দেশি মুরগি ৫৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে মাংসের দাম। হাড়সহ ৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে গরুর মাংস। মাছের মধ্যে পোয়া ২৮০, লইট্টা ২০০, পাবদা ৩৮০-৪২০, রূপচাঁদা ৫৫০-৬৫০, তাইল্লে মাছ আকার ভেদে ৫০০-৭০০, তেলাপিয়া ২০০-২২০, পাঙাস ১৭০-১৮০, রুই ৩৫০-৩৮০, কাতল ৩৫০, বেলে ২৮০-৪০০ এবং মৃগেল ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুতুবদিয়ায় আজাদ চেয়ারম্যানের কাছ থেকে ঈদ উপহার পেয়ে খুশি গ্রাম-পুলিশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন উপলক্ষে গ্রাম পুলিশ সদস্যদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করেছেন কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ। এসময় উপহার পেয়ে আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন গ্রাম পুলিশের সদস্য কাইচার আলম, জয়নাল আবেদীন, হারুন রশীদ, পারভেজসহ অন্যান্য সদস্যরা।

জানা যায়, স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান ব্যক্তিগত উদ্যোগে গ্রাম পুলিশদের মাঝে এ ঈদ উপহার বিতরণ করেন। উপহার হিসেবে দেওয়া হয় পাঁচ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ।

উপহার গ্রহণকালে গ্রাম পুলিশের সদস্য কাইচার আলম বলেন, “ঈদের আগে এ ধরনের সহায়তা আমাদের জন্য অনেক বড় পাওয়া। এতে আমাদের পরিবারের সাথে ঈদের আনন্দ আরও বাড়বে।”

এসময় স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, “গ্রাম পুলিশরা সবসময় জনগণের নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাদের কষ্টের কথা বিবেচনা করে ঈদের আগে সামান্য উপহার দেওয়ার চেষ্টা করেছি। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।”

ঈদ জামাত সকাল ৮টায়, প্রস্তুত চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ ময়দান :চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদ-উল-ফিতরের কেন্দ্রীয় জামাত উপলক্ষে চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ ঈদগাহ ময়দান সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বুধবার জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ প্রাঙ্গণ পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন। পরিদর্শনকালে মেয়র নগরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান এবং রমজানের শিক্ষাকে হৃদয়ে ধারণ করে চট্টগ্রামের উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- ইসলামিক ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক মোস্তফা মনসুর আলম খান, চসিকের জনসংযোগ ও প্রটোকল কর্মকর্তা আজিজ আহমদ, নির্বাহী প্রকৌশলী আনু মিয়া, মেয়রের একান্ত সহকারী জিয়াউর রহমান জিয়া এবং সমাজকল্যাণ ও সংস্কৃতি কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ।

পরিদর্শনকালে মেয়র বলেন, প্রায় ৬৫ হাজার বর্গফুট এলাকাজুড়ে বিশাল প্যান্ডেল নির্মাণ করা হয়েছে এবং নিচে কার্পেটিংয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বৃষ্টির সম্ভাবনা মাথায় রেখে ওপরে টারপলিন দেওয়া হয়েছে, যাতে আবহাওয়া প্রতিকূল হলেও ঈদের জামাতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে। এছাড়া প্রায় ২৫০টি পাখা, পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা, ৫০টি মাইক এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে গত সাত দিন ধরে চসিকের উদ্যোগে এসব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, যাতে মুসল্লিরা নির্বিঘ্নে ও স্বাচ্ছন্দ্যে নামাজ আদায় করতে পারেন।

ডা. শাহাদাত বলেন, প্রতিবছরের মতো এবারও প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার মুসল্লি এই কেন্দ্রীয় জামাতে অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। অতিরিক্ত মুসল্লির কথা বিবেচনায় রেখে দুটি জামাতের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে-প্রথম জামাত সকাল ৮টায় এবং দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে।তিনি আরও বলেন, মুসল্লিদের নির্বিঘ্ন প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য তিনটি গেট খোলা রাখা হবে, পাশাপাশি পেছনের গেটটিও ব্যবহারের উপযোগী করা হচ্ছে, যাতে কোনো ধরনের ভিড় বা হুড়োহুড়ি না হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ বাহিনীর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

নগরীর সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মেয়র বলেন, চট্টগ্রামকে একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করতে চসিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে। অপরাধ দমনে চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় চলছে এবং নগরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, গত ১৬ মাসে চট্টগ্রামে সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষের মধ্যে একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরিবেশ তৈরি হয়েছে, যা একটি ‘সেফ সিটি’ বা নিরাপদ নগরী গড়ার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

মাঠ পরিদর্শনকালে মেয়র আরো বলেন, প্রথম ও প্রধান জামাতে ইমামতি করবেন জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদের খতিব আলহাজ্ব সৈয়দ আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দীন আল কাদেরী এবং দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করবেন মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ আহমদুল হক আল কাদেরী।এছাড়া নগরীতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধানে সকাল ৮টায় ঈদ জামাতের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে যথাক্রমে লালদীঘি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন শাহী জামে মসজিদ, হযরত শেখ ফরিদ (রঃ) চশমা ঈদগাহ মসজিদ, সুগন্ধা আবাসিক এলাকা জামে মসজিদ, চকবাজার সিটি কর্পোরেশন জামে মসজিদ, জহুর হকার্স মার্কেট জামে মসজিদ, দক্ষিণ খুলশী (ভিআইপি) আবাসিক এলাকা জামে মসজিদ, আরেফীন নগর কেন্দ্রীয় কবরস্থান জামে মসজিদ, সাগরিকা গরুবাজার জামে মসজিদ এবং মা আয়েশা সিদ্দিকী চসিক জামে মসজিদ (সাগরিকা জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়াম সংলগ্ন)।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ