আজঃ বুধবার ১৮ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের উৎসবমু্খর নির্বাচনে মোরশেদ-আজাদ পরিষদ পূর্ণ প্যানেলে জয়ী

স ম জিয়াউর রহমান, চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের কার্যকরী পরিষদের নির্বাচনে সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন–মোহাম্মদ রেজাউল করিম আজাদ পরিষদ পূর্ণ প্যানেলে জয়লাভ করেছে। গতকাল ২১ ডিসেম্বর শনিবার সকাল ৮টা থেকে হাসপাতালের পুরনো ভবন এবং মহিলা হোস্টেল ভবনে স্থাপিত ৩৩টি বুথে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। একটানা চলে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।

নির্বাচন কমিশনার ও বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ শাহজাহান জানিয়েছেন নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদে সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন ২৫৯৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ডা. কামরুন নেছা (রুনা) পেয়েছেন ৯৬৪ ভোট।
ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে মোরশেদ–আজাদ প্যানেলের আবদুল মান্নান রানা ২৭৯৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ডা. মোহাম্মদ পারভেজ ইকবাল শরীফ ২১৬২ ভোট এবং ডা. এ কে এম ফজলুল হক ২১১৩ ভোট পেয়েছেন। এ পদে অপর প্যানেলের ডা. শাহানা বেগম পেয়েছেন ১৭৫৩ ভোট এবং আবুল হোসেন পেয়েছেন ১০১৫ ভোট।
জেনারেল সেক্রেটারি পদে সর্বোচ্চ ২৮১৯ ভোট পেয়ে মোহাম্মদ রেজাউল করিম আজাদ নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ডা. এম মাহফুজুর রহমান পেয়েছেন ৭২৪ ভোট।
ট্রেজারার পদে লায়ন ড. মোহাম্মদ সানাউল্ল্যাহ পেয়েছেন ২৩৬৪ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ডা. এম এ মান্নান পেয়েছেন ১১৪৯ ভোট।
অর্গানাইজিং সেক্রেটারি পদে মোরশেদ–আজাদ প্যানেলের মোহাম্মদ সাগির ২৫৩৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ডা. মোহাম্মদ সাহাদাত হোসাইন পেয়েছেন ১০১৩ ভোট।
জয়েন্ট ট্রেজারার পদে মোরশেদ–আজাদ প্যানেলের লায়ন এস এম কুতুব উদ্দিন ২৩৬৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম পেয়েছেন ১১৫৫ ভোট।
স্পোর্টস অ্যান্ড কালচারাল সেক্রেটারি পদে মোরশেদ–আজাদ প্যানেলের ডা. ফজল করিম বাবুল ২৬৩৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী এম জাকির হোসেন তালুকদার পেয়েছেন ৮৮৬ ভোট।
১০ জন সদস্য পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৪২ জন। এদের মধ্যে মোরশেদ–আজাদ প্যানেলের মোহাম্মদ আবুল হাশেম ১৬৪৭ ভোট, ডা. মোহাম্মদ আব্বাস উদ্দিন ১৮১০, ডা. মোহাম্মদ ইউসুফ ১৬৭১, মোহাম্মদ ইব্রাহিম চৌধুরী ১৫২৭, তারিকুল ইসলাম তানবির ১৯৩৬ , ডা. মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন ঢালী ১৭১৪, ডা. এটিএম রেজাউল করিম ১৬২৭, ডা. শাহনেওয়াজ সিরাজ ১৬৭১, মোহাম্মদ সাইফুল আলম ১৭৪১ এবং ডা. মোহাম্মদ সারোয়ার আলম ১৬৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
এই পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী অপু বড়ুয়া পেয়েছেন ৫৪৮ ভোট, মোহাম্মদ আবদুর রহমান খোকন পেয়েছেন ৩২১ ভোট, মোহাম্মদ আবদুল হাই মাসুম ৭৭৩ ভোট, আবু আহমেদ হাসনাত ১০১৬ ভোট, ডা. মোহাম্মদ আবু নাছের ১০৫০ ভোট, মোহাম্মদ আব্দুস সবুর ৭০১ ভোট, মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম ২৮৩ ভোট, মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম ১৭৯ ভোট, মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান মাসুদ ৩৯১ ভোট, মুহাম্মদ নুমান আসকারী দীদার ৪৩০ ভোট, লায়ন নুর আহাম্মদ পিন্টু ৪৪৫ ভোট, নুরুল আনোয়ার ৪২৫ ভোট।
‘মোহাম্মদ নুরুল আলম ২৮০ ভোট, মোহাম্মদ ফজলুল করিম মজুমদার ৫৬৯ ভোট, কে এম ফজলে এলাহী টিপু ৪২৫ ভোট, ফারুক আহাম্মদ ৮০৫ ভোট, মোহাম্মদ মহিউদ্দিন মুন্সী ৪২৭ ভোট, মাসুদুল আলম ২৩২ ভোট, ম. মাহমুদুর রহমান শাওন ১০৮৪ ভোট, মুহাম্মদ মুবিনুল হক ১৬৩ ভোট, মোহাম্মদ কামরুল হাসান ভূঁইয়া ৩৩৫ ভোট, ডা. খায়রুল আনোয়ার ৭৩৩ ভোট, গোলাম বাকী মাসুদ ৭১৩ ভোট’।
মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম ১৯৭ ভোট, মুহাম্মদ জান্নাতুল ইসলাম ৭৬৪ ভোট, হাজী জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী ৮০৫ ভোট, অ্যাডভোকেট রিদওয়ানুল বারী ৩০৪ ভোট, প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ রেজাউল করিম ৮৪৩ ভোট, সাইফুদ্দৌলা সিকদার শিমুল ২৯৭ ভোট, মোহাম্মদ সোলায়মান হোসেন বাচ্চু ২৭২ ভোট, মোহাম্মদ নাঈম উদ্দিন ২৮৬ ভোট এবং মোহাম্মদ হারুন অর রসিদ ৩৯৭ ভোট পেয়েছেন’।
ডোনার মেম্বারের দুটি পদে মোরশেদ–আজাদ প্যানেলের লায়ন মোহাম্মদ হারুন ইউসুফ ১৪৮ ভোট এবং ইঞ্জিনিয়ার লায়ন মোহাম্মদ জাবেদ আবছার চৌধুরী ১৩৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। এই পদে অপর প্যানেলের ডা. দুলাল দাশ পেয়েছেন ৩১ ভোট।
এর আগে ভাইস প্রেসিডেন্ট (ডোনার) পদে মোরশেদ–আজাদ প্যানেলের ডা. কামরুন নাহার দস্তগীর, জয়েন্ট জেনারেল সেক্রেটারি (ডোনার) পদে মোহাম্মদ শহীদ উল্ল্যাহ এবং জয়েন্ট জেনারেল সেক্রেটারি পদে জাহিদুল হাসান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
এদিকে কার্যকরী পরিষদের ২৪টি লাইফ মেম্বারের ভোটে ২০টি এবং ডোনার মেম্বারের ভোটে ৪টি মিলে মোট ২৪ পদ থাকলেও তিনটি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় লাইফ মেম্বার ভোটাররা প্রেসিডেন্ট পদে একটি, ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে তিনটি, জেনারেল সেক্রেটারি পদে একটি, ট্রেজারার পদে একটি, জয়েন্ট ট্রেজারার পদে একটি, অর্গানাইজিং সেক্রেটারি পদে ১টি, স্পোর্টস অ্যান্ড কালচারাল সেক্রেটারি পদে একটি, সদস্য পদে ১০টি মিলে সর্বমোট ১৯টি ভোট এবং ডোনার মেম্বাররা একজন ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং জয়েন্ট জেনারেল সেক্রেটারি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় শুধু ডোনার সদস্য পদে ২টি ভোট প্রদান করেছেন।
এবারের মা ও শিশু হাসপাতালের কার্যকরী পরিষদ নির্বাচনে এবার দুটি পৃথক প্যানেল ছাড়াও লড়েন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। এর মধ্যে সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ, লায়ন অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সানাউল্ল্যাহ ও রেজাউল করিম আজাদ প্যানেল এবং প্রফেসর কামরুন নেছা (রুনা), ডা. এম মাহফুজুর রহমান ও ডা. এম এ মান্নান প্যানেলে প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
প্যানেলের বাইরে স্বতন্ত্র হিসেবেও কয়েকজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। দুই প্যানেল এবং স্বতন্ত্র মিলে ৬৫ জন প্রার্থীর মধ্যে তিনজন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় বাকি ৬২ জন নির্বাচনের মাঠে ছিলেন।
নির্বাচনে ৯ হাজার ৭৪৪ জন লাইফ মেম্বার ভোটারের মধ্যে ৩৬৫২ জন এবং ডোনার মেম্বারের ৩৯৪ জন ভোটারের মধ্যে ১৬০ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পথশিশুদের আইন দিয়ে নয় আদর দিয়ে মূলধারায় ফিরিয়ে আনুন – আমীরুল ইসলাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পথশিশুদের প্রতি সহমর্মিতা ও ভালোবাসা প্রদর্শনের মাধ্যমে তাদের সমাজের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উত্তর জোনের ডিসি আমীরুল ইসলাম। তিনি বলেন, পথশিশুরা আমাদেরই সন্তান। অযত্ন ও অবহেলায় বেড়ে উঠলেও এদের মধ্যেও রয়েছে অসীম মেধা ও সম্ভাবনা। সঠিক পরিচর্যা ও দিকনির্দেশনা পেলে তারাও সমাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

মঙ্গলবার বিকেলে “আমরা চাটগাঁবাসী” সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত পথশিশু ও কিশোরদের জন্য ইফতার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নয়, বরং ভালোবাসা ও মানবিক আচরণের মাধ্যমে পথশিশুদের কাছে টানতে হবে। তাদের পাশে দাঁড়াতে পারলে সমাজে অপরাধ প্রবণতাও উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল এবিএম ইমরানের সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি গোলাম মওলা মুরাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল হাছান রুমী, পাঁচলাইশ থানার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল করিম এবং প্রোগ্রামের স্পন্সর ওয়াহিদ ইলেক্ট্রিশিয়ান্স ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার অধ্যক্ষ মো. আব্দুল বাতেন।

আমরা চাটগাঁবাসীর যুগ্ম সম্পাদক জানে আলম চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন পাঁচলাইশ থানার সেকেন্ড অফিসার নুরুল আবসার, স্বর্ণলতা স্কুলের উদ্যোক্তা মোহাম্মদ রবিউল হোসেন, আরটিআর তারেক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংগঠক তাহসান হাবিব, অধরা মেঘ কলি ও মোঃ আলীসহ অনেকে।অনুষ্ঠানে পথশিশুদের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয় এবং তাদের কল্যাণে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।অনুষ্ঠান শেষে ডিসি মহোদয় বাছাইকৃত শিশু-কিশোরদের নিজ কার্যালয়ে তুলে এনে ঈদের জামা উপহার দেন।

বাবার বন্ধুদের কাছে পেয়ে সম্মান জানাতে ভুললেন না প্রতিমন্ত্রী পুতুল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকারি সফরে পাবনা এসে বাবার বাল্যবন্ধুদের সান্নিধ্যে আবেগতাড়িত হলেন প্রয়াত সমাজকল্যান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বিএনপি নেতা ফজলুর রহমান পটলের মেয়ে বর্তমান সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল।

সোমবার দুপুরে পাবনা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসে বাবার ঘনিষ্ঠ বন্ধু বীর মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক রবিউল ইসলাম রবি, প্রফেসর শিবজিত নাগ, বীর মুক্তিযোদ্ধা বেবী ইসলাম ও অধ্যক্ষ মাহাতাব বিশ্বাসকে দেখে ছুটে কাছে যান এবং পরম শ্রদ্ধায় দোয়া চান প্রতিমন্ত্রী পুতুল। এ সময় মাথায় হাত দিয়ে স্নেহের পরশ বুলিয়ে দেন বাবার বন্ধুরা। এরপর পাবনার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন তিনি।

পাবনা প্রেসক্লাব সম্পাদক জহুরুল ইসলাম বলেন, প্রয়াত প্রতিমন্ত্রী ফজলুর রহমান পটলের কৈশোর তারুণ্য কেটেছে পাবনায়। তিনি পাবনার সাবেক এমপি মুক্তিযুদ্ধে শহীদ এডভোকেট আমিনউদ্দিনের ভাতুষ্পুত্র। শহীদ আমিনউদ্দিনের মধ্য শহরের পুষ্পালয় নামক বাড়িতেই ফজলুর রহমান পটল থাকতেন ও ছাত্র রাজনীতি, মুুক্তিযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন। সে সময়ের তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের কয়েকজন জীবিত আছেন। পাবনা প্রেসক্লাব প্রতিমন্ত্রী পুতুলের অনুরোধে তার পিতার বন্ধুদের প্রেসক্লাবে আমন্ত্রন জানান। পিতার বন্ধুদের কাছে পেয়ে প্রতিমন্ত্রী যে বিনয় ও সম্মান দেখিয়েছেন তা সত্যিই অনুকরণীয়।

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক জীবনের কর্মক্ষেত্রে যেখানেই যাই, শুনতে পাই- ও আচ্ছা তুমি পটলের মেয়ে, পটল ভাইয়ের মেয়ে? আমার এগিয়ে যাবার প্রধান নিয়ামক আমার বাবা। আমার বাবা যাদের হাতে হাত মিলিয়ে আড্ডা দিয়েছেন, সুখ দুঃখ ভাগাভাগি করেছেন। আজ তাদের হাতের স্নেহের পরশ পেয়েছি। সন্তান হিসেবে এটি আমার জন্য ভীষণ সৌভাগ্যের।

পাবনা প্রেসক্লাবের ঐহিত্য ও প্রয়াত সংবাদকর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী পুতুল বলেন, বিগত সময়ে আপনারা অনেক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। দেশকে এগিয়ে নিতে আপনাদের সহযোগিতা ভীষণ প্রয়োজন। আপনারা আমাদের পথ দেখান, ভুলগুলোর গঠনমূলক সমালোচনা করবেন বলে আশা রাখি।

পাবনার প্রতি স্মৃতিচারণ করে প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, পাবনা ও নাটোর লালপুরের মাটির গন্ধ একই। কারণ এই পাবনায় আমার শেকড় পোতা। সুতরাং নাটোর লালপুরের মত উন্নয়নের ছোঁয়া পাবনাতেও লাগবে। পাইলটিং পদ্ধতিতে দ্বিতীয় ধাপে পাবনার হতদরিদ্র মানুষ ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। অন্যান্য সকল উন্নয়নে তিনি পাবনাবাসীর সাথে থাকবেন বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

পাবনা প্রেসক্লাবের সাহিত্য সম্পাদক ইয়াদ আলী মৃধা পাভেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, সদর আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, পাবনা ২ আসনের এমপি একেএম সেলিম রেজা হাবিব, প্রবীণ সাংবাদিক আব্দুল মতীন খান,প্রেসক্লাব সম্পাদক জহুরুল ইসলাম, সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার, সাবেক সভাপতি এবিএম ফজলুর রহমান, সাবেক সম্পাদক উৎপল মির্জা প্রমুখ।

 

 

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ