আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের উৎসবমু্খর নির্বাচনে মোরশেদ-আজাদ পরিষদ পূর্ণ প্যানেলে জয়ী

স ম জিয়াউর রহমান, চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের কার্যকরী পরিষদের নির্বাচনে সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন–মোহাম্মদ রেজাউল করিম আজাদ পরিষদ পূর্ণ প্যানেলে জয়লাভ করেছে। গতকাল ২১ ডিসেম্বর শনিবার সকাল ৮টা থেকে হাসপাতালের পুরনো ভবন এবং মহিলা হোস্টেল ভবনে স্থাপিত ৩৩টি বুথে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। একটানা চলে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।

নির্বাচন কমিশনার ও বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ শাহজাহান জানিয়েছেন নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদে সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন ২৫৯৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ডা. কামরুন নেছা (রুনা) পেয়েছেন ৯৬৪ ভোট।
ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে মোরশেদ–আজাদ প্যানেলের আবদুল মান্নান রানা ২৭৯৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ডা. মোহাম্মদ পারভেজ ইকবাল শরীফ ২১৬২ ভোট এবং ডা. এ কে এম ফজলুল হক ২১১৩ ভোট পেয়েছেন। এ পদে অপর প্যানেলের ডা. শাহানা বেগম পেয়েছেন ১৭৫৩ ভোট এবং আবুল হোসেন পেয়েছেন ১০১৫ ভোট।
জেনারেল সেক্রেটারি পদে সর্বোচ্চ ২৮১৯ ভোট পেয়ে মোহাম্মদ রেজাউল করিম আজাদ নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ডা. এম মাহফুজুর রহমান পেয়েছেন ৭২৪ ভোট।
ট্রেজারার পদে লায়ন ড. মোহাম্মদ সানাউল্ল্যাহ পেয়েছেন ২৩৬৪ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ডা. এম এ মান্নান পেয়েছেন ১১৪৯ ভোট।
অর্গানাইজিং সেক্রেটারি পদে মোরশেদ–আজাদ প্যানেলের মোহাম্মদ সাগির ২৫৩৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ডা. মোহাম্মদ সাহাদাত হোসাইন পেয়েছেন ১০১৩ ভোট।
জয়েন্ট ট্রেজারার পদে মোরশেদ–আজাদ প্যানেলের লায়ন এস এম কুতুব উদ্দিন ২৩৬৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম পেয়েছেন ১১৫৫ ভোট।
স্পোর্টস অ্যান্ড কালচারাল সেক্রেটারি পদে মোরশেদ–আজাদ প্যানেলের ডা. ফজল করিম বাবুল ২৬৩৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী এম জাকির হোসেন তালুকদার পেয়েছেন ৮৮৬ ভোট।
১০ জন সদস্য পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৪২ জন। এদের মধ্যে মোরশেদ–আজাদ প্যানেলের মোহাম্মদ আবুল হাশেম ১৬৪৭ ভোট, ডা. মোহাম্মদ আব্বাস উদ্দিন ১৮১০, ডা. মোহাম্মদ ইউসুফ ১৬৭১, মোহাম্মদ ইব্রাহিম চৌধুরী ১৫২৭, তারিকুল ইসলাম তানবির ১৯৩৬ , ডা. মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন ঢালী ১৭১৪, ডা. এটিএম রেজাউল করিম ১৬২৭, ডা. শাহনেওয়াজ সিরাজ ১৬৭১, মোহাম্মদ সাইফুল আলম ১৭৪১ এবং ডা. মোহাম্মদ সারোয়ার আলম ১৬৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
এই পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী অপু বড়ুয়া পেয়েছেন ৫৪৮ ভোট, মোহাম্মদ আবদুর রহমান খোকন পেয়েছেন ৩২১ ভোট, মোহাম্মদ আবদুল হাই মাসুম ৭৭৩ ভোট, আবু আহমেদ হাসনাত ১০১৬ ভোট, ডা. মোহাম্মদ আবু নাছের ১০৫০ ভোট, মোহাম্মদ আব্দুস সবুর ৭০১ ভোট, মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম ২৮৩ ভোট, মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম ১৭৯ ভোট, মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান মাসুদ ৩৯১ ভোট, মুহাম্মদ নুমান আসকারী দীদার ৪৩০ ভোট, লায়ন নুর আহাম্মদ পিন্টু ৪৪৫ ভোট, নুরুল আনোয়ার ৪২৫ ভোট।
‘মোহাম্মদ নুরুল আলম ২৮০ ভোট, মোহাম্মদ ফজলুল করিম মজুমদার ৫৬৯ ভোট, কে এম ফজলে এলাহী টিপু ৪২৫ ভোট, ফারুক আহাম্মদ ৮০৫ ভোট, মোহাম্মদ মহিউদ্দিন মুন্সী ৪২৭ ভোট, মাসুদুল আলম ২৩২ ভোট, ম. মাহমুদুর রহমান শাওন ১০৮৪ ভোট, মুহাম্মদ মুবিনুল হক ১৬৩ ভোট, মোহাম্মদ কামরুল হাসান ভূঁইয়া ৩৩৫ ভোট, ডা. খায়রুল আনোয়ার ৭৩৩ ভোট, গোলাম বাকী মাসুদ ৭১৩ ভোট’।
মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম ১৯৭ ভোট, মুহাম্মদ জান্নাতুল ইসলাম ৭৬৪ ভোট, হাজী জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী ৮০৫ ভোট, অ্যাডভোকেট রিদওয়ানুল বারী ৩০৪ ভোট, প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ রেজাউল করিম ৮৪৩ ভোট, সাইফুদ্দৌলা সিকদার শিমুল ২৯৭ ভোট, মোহাম্মদ সোলায়মান হোসেন বাচ্চু ২৭২ ভোট, মোহাম্মদ নাঈম উদ্দিন ২৮৬ ভোট এবং মোহাম্মদ হারুন অর রসিদ ৩৯৭ ভোট পেয়েছেন’।
ডোনার মেম্বারের দুটি পদে মোরশেদ–আজাদ প্যানেলের লায়ন মোহাম্মদ হারুন ইউসুফ ১৪৮ ভোট এবং ইঞ্জিনিয়ার লায়ন মোহাম্মদ জাবেদ আবছার চৌধুরী ১৩৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। এই পদে অপর প্যানেলের ডা. দুলাল দাশ পেয়েছেন ৩১ ভোট।
এর আগে ভাইস প্রেসিডেন্ট (ডোনার) পদে মোরশেদ–আজাদ প্যানেলের ডা. কামরুন নাহার দস্তগীর, জয়েন্ট জেনারেল সেক্রেটারি (ডোনার) পদে মোহাম্মদ শহীদ উল্ল্যাহ এবং জয়েন্ট জেনারেল সেক্রেটারি পদে জাহিদুল হাসান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
এদিকে কার্যকরী পরিষদের ২৪টি লাইফ মেম্বারের ভোটে ২০টি এবং ডোনার মেম্বারের ভোটে ৪টি মিলে মোট ২৪ পদ থাকলেও তিনটি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় লাইফ মেম্বার ভোটাররা প্রেসিডেন্ট পদে একটি, ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে তিনটি, জেনারেল সেক্রেটারি পদে একটি, ট্রেজারার পদে একটি, জয়েন্ট ট্রেজারার পদে একটি, অর্গানাইজিং সেক্রেটারি পদে ১টি, স্পোর্টস অ্যান্ড কালচারাল সেক্রেটারি পদে একটি, সদস্য পদে ১০টি মিলে সর্বমোট ১৯টি ভোট এবং ডোনার মেম্বাররা একজন ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং জয়েন্ট জেনারেল সেক্রেটারি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় শুধু ডোনার সদস্য পদে ২টি ভোট প্রদান করেছেন।
এবারের মা ও শিশু হাসপাতালের কার্যকরী পরিষদ নির্বাচনে এবার দুটি পৃথক প্যানেল ছাড়াও লড়েন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। এর মধ্যে সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ, লায়ন অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সানাউল্ল্যাহ ও রেজাউল করিম আজাদ প্যানেল এবং প্রফেসর কামরুন নেছা (রুনা), ডা. এম মাহফুজুর রহমান ও ডা. এম এ মান্নান প্যানেলে প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
প্যানেলের বাইরে স্বতন্ত্র হিসেবেও কয়েকজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। দুই প্যানেল এবং স্বতন্ত্র মিলে ৬৫ জন প্রার্থীর মধ্যে তিনজন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় বাকি ৬২ জন নির্বাচনের মাঠে ছিলেন।
নির্বাচনে ৯ হাজার ৭৪৪ জন লাইফ মেম্বার ভোটারের মধ্যে ৩৬৫২ জন এবং ডোনার মেম্বারের ৩৯৪ জন ভোটারের মধ্যে ১৬০ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার গুঁড়া দুধ আমদানি করে : প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রেড চিটাগাং ক্যাটল (আরসিসি)-এর গুরুত্ব তুলে ধরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, লাল গরুর দেশ চট্টগ্রাম। দুধ হয়তো কিছুটা কম দেয়, কিন্তু মাংসের দিক থেকে এবং জাতগত বৈশিষ্ট্যে রেড চিটাগাং ক্যাটলের তুলনা পৃথিবীর কোথাও নেই। তাই এই জাত সংরক্ষণ করা আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। উপদেষ্টা বুধবার সকালে কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা এ কে এগ্রো এন্ড ডেইরি হাব সংলগ্ন মাঠে “চট্টগ্রাম অঞ্চলে ডেইরি খাতের উন্নয়ন: সম্ভাবনা ও করণীয়” -শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপষ্টো বলেন, বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে গুঁড়া দুধ আমদানি করে। এই টাকা যদি দেশীয় দুধ উৎপাদন বাড়াতে ব্যয় করা হয়, তাহলে আমদানির প্রয়োজন কমবে। গুঁড়া দুধ তরল দুধে ভেজালের ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে। তাই আমাদের শপথ নিতে আমদানি কমিয়ে দেশীয় তরল দুধের উৎপাদন বাড়াতে হবে।

বিদ্যুৎ বিল ও ভর্তুকি প্রসঙ্গে উপষ্টো বলেন, ব্যাপক আলোচনা ও প্রচেষ্টার পর মৎস্য ও প্রাণিসম্প খাতে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ বিল রেয়াত এবং ১০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়া সম্ভব হয়েছে। এটি প্রাথমিক উদ্যোগ হলেও ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে। তিনি খামারি নিবন্ধনের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, নিবন্ধন ছাড়া প্রকৃত চিত্র জানা সম্ভব নয়। অনলাইনে নিবন্ধন হলে সব তথ্য এক জায়গায় পাওয়া যাবে এবং নীতিনির্ধারণ সহজ হবে।

উপদেষ্টা বলেন, প্রাণিসম্প ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি)-এর মাধ্যমে খামারিরা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন, পিজি গ্রুপ গড়ে উঠেছে এবং অনেকের জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে ডেইরি কার্যক্রম। তিনি বলেন, অনেকে বলছেন, লাভ-ক্ষতির হিসাব না করেও এটি এখন তাদের জীবনের অংশ। এর মানে ভবিষ্যতে এখান থেকেই তারা টেকসইভাবে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবেন।
নারীরে উদ্দেশে তিনি বলেন, দুধ শুধু উৎপানের পরিসংখ্যান নয়-মানুষ কতটা দুধ গ্রহণ করছে সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য দুধ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, যা হাড়ের রোগ ও অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে সহায়ক।

এলডিডিপি’র মাধ্যমে স্কুল ফিডিং প্রোগ্রামের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, স্কুলে দুধ সরবরাহ শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের মেধা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দরিদ্র ও শহুরে শিশুদের জন্য যা কার্যকর উদ্যোগ। তিনি বলেন, বাংলাশে তরুণদের দেশ। ডেইরি ইন্ডাস্ট্রিতে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে। সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে। আমরা সংগ্রামী জাতি-দেশের উন্নয়নের জন্য এই সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে।

সেমিনারে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবু সুফিয়ানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাংলাশে ডেইরি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক মিজ শাহীনা ফেরদৌসী, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (কৃত্রিম প্রজনন) মোঃ শাহজামান খান তুহিন, পরিচালক (সম্প্রসারণ) ডা. বেগম শামছুননাহার, চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (পরিচালক) ডা. মোঃ আতিয়ার রহমান এবং এ কে এগ্রো এন্ড ডেইরি ফার্মের পরিচালক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেইন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোঃ বয়জার রহমান। এছাড়া এলডিডিপিথর আওতায় ডেইরি হাব কার্যক্রম: বাস্তবায়ন, অগ্রগতি ও সম্ভাবনা শীর্ষক উপস্থাপনা ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করেন প্রকল্প পরিচালক ডা. মোঃ মোস্তফা কামাল।

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমী ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমীতে উৎসব মূখর পরিবেশে ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া, নবীন বরণ, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণ-২০২৬ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দিনব্যাপী এ আয়োজনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আতিকুজ্জামান।

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং এমন আয়োজন নিয়মিতভাবে অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে শিক্ষার্থীরা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে অংশগ্রহণ করে এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য রাখেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আলহাজ্ব মোঃ হেদায়েতুল তিনি অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র প্রতিষ্ঠানের সকল ছাত্র-ছাত্রী,অভিভাবক এবং শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ