আজঃ সোমবার ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬

আকাশ মন্ডল একাই সাতজনকে হত্যা করে : র‍্যাব

স ম জিয়াউর রহমান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁদপুরের হাইমচরে জাহাজে সাত খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার আকাশ মণ্ডল ওরফে ইরফান (২৬) ক্ষোভ থেকে জাহাজের মাস্টারকে হত্যা করেন। পরে ধরা পড়ার ভয়ে অন্যদেরও হত্যার পরিকল্পনা করেন। তিনি একাই এ ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। তাকে গ্রেপ্তারের পর আজ বুধবার দুপুরে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে র‍্যাবের পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়।

আজ ২৫ ডিসেম্বর বুধবার দুপুর ১২টায় কুমিল্লা নগরের শাকতলা এলাকায় র‍্যাব-১১-এর সিপিসি-২ কুমিল্লা কার্যালয়ে সংবাদ ব্রিফিং হয়।
সেখানে এ সব তথ্য জানান র‍্যাব-১১-এর উপ–অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন।
র‍্যাব জানান, নিয়মিত বেতন-ভাতা ও ছুটি না পাওয়ার জেরে এমভি আল-বাখেরা জাহাজের মাস্টারের প্রতি ক্ষিপ্ত ছিলেন আকাশ। ঘটনার সময় খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে প্রথমে মাস্টারকে হত্যা করেন তিনি। এরপর চিন্তা করেন, অন্যরা জীবিত থাকলে তিনি সহজেই ধরা পড়ে যাবেন। তখন জাহাজে থাকা বাকি সবাইকে হত্যার পরিকল্পনা করেন তিনি। জাহাজে থাকা অন্য সাতজনকে আঘাত করেন। এর মধ্যে একজন ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান।
চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার ইশানবালা খালের মুখে নোঙর করা জাহাজটিতে হত্যার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার রাতে র‍্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা, র‍্যাব-১১ ও র‍্যাব-৬ যৌথ অভিযান চালিয়ে বাগেরহাটের চিতলমারি থেকে আকাশকে গ্রেপ্তার করে। তিনি বাগেরহাটের ফকিরহাট এলাকার জগদীশ মণ্ডলের ছেলে। তিনি জাহাজটিতে প্রায় ৮ মাস ধরে লস্কর পদে কর্মরত ছিলেন।
এদিকে বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ নুরুল হুদা চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশনের পক্ষ থেকে পেশকৃত ১১ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে, আন্দোলন করছে। যদি মালিক পক্ষ শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি মেনে নিতেন, তাহলে হয়তো এ ধরনের নারকীয় ঘটনা ঘটতো না। চাকরি করে নিয়মিত বেতন ভাতা না পাওয়ার ফলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং ক্ষোভে পরবর্তীতে হত্যার মতো ঘটনা ঘটে। তিনি আরও বলেন, এ ধরনের নারকীয় ঘটনা কোন মতে কাম্য নয়। তিনি বলেন আরও অধিকতর তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে ঘটনার সাথে জড়িত ছিল যারা, তাদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দিতে হবে এবং নিহত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া সহ পরিবারের সদস্যকে চাকরি দিতে হবে, আহতদের কে সরকারি খরচে চিকিৎসা ও আর্থিক সহযোগিতা দেওয়া হউক। ক্ষোভ প্রকাশ করে মো : নুরুল হুদা চৌধুরী বলেন, মালিক পক্ষ শ্রমিকদের স্বার্থ চিন্তা করে না কখনো। মালিক পক্ষ আমাদের ১১ দফা দাবি না মানলে এ ধরনের নারকীয় ঘটনা আরও ঘটবে না তার নিশ্চয়তা কে দেবে?

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে পারিবারিক কলহের জের স্ত্রী খুন, স্বামী গ্রেফতার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামে তার স্ত্রী খুন হয়েছেন। রোববার মহানগরের চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার বি ব্লকের ১৪ নম্বর রোডের একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে। সালমা আক্তার ওই এলাকার জসিম উদ্দিনের স্ত্রী।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে রোববার সকালে জসিম উদ্দিন তার স্ত্রী সালমা আক্তারকে ছুরিকাঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর হোসেন মামুন বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত স্বামী জসিম উদ্দিনকে গ্রেফতার করেছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিটিও উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।
চমেক হাসপাতাল পুলিশ বক্সের ইনচার্জ এসআই নুরুল আলম আশেক বলেন, রোববার সকালে চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার বি ব্লকের ১৪ নম্বর গ্যারেজের সামনে এক নারীকে ছুরিকাঘাত করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা তাঁকে গুরুতর আহত অবস্থায় সকাল সাড়ে নয়টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বোয়ালখালী সমিতি-ঢাকা: দ্বিবার্ষিক সভায় সহ-সভাপতি নির্বাচিত মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালীর ঐতিহ্যবাহী সামাজিক সংগঠন বোয়ালখালী সমিতি-ঢাকা এর দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। সভায় সকলের সিদ্ধান্তে ও মতামতের ভিত্তিতে সংগঠনের নেতৃত্বের ওপর আস্থা ও বিশ্বাস রেখে সহ-সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব, যাত্রী আন্দোলনের প্রবক্তা ও যাত্রী সাধারণের একমাত্র সাহসী কণ্ঠস্বর, বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব এবং দক্ষিণ চট্টগ্রামের কৃতি সন্তান মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী।

এটি শুধু একটি পদ নয়, বরং দক্ষিণ চট্টগ্রাম তথা বোয়ালখালীর মানুষের জন্য একটি গৌরবময় অর্জন। যাত্রী কল্যাণ আন্দোলনে তার সাহসিকতা, ন্যায্যতার প্রতিফলন ও মানবিক মূল্যবোধ সব সময়ই অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন । তার এই অর্জন বোয়ালখালী সমিতি-ঢাকার সদস্যদের মধ্যে নতুন আশা ও অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করেছে।

মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী সামাজিক সংগঠন, যাত্রী কল্যাণ ও গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘদিন ধরে নিরলসভাবে কাজ করে আসছেন। তার দৃঢ় নেতৃত্ব, আত্মবিশ্বাস, অটল সংকল্প এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা তাকে সবার কাছে এক বিশ্বস্ত ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে। তিনি যাত্রীদের অধিকার আদায়ে যেসব পদক্ষেপ নিয়েছেন, তা শুধু একটি সংগঠনের নয়, সমগ্র সমাজের জন্য দৃষ্টান্ত।

এই নির্বাচনে তার নাম উঠেছে সদস্যদের উচ্চাভিলাষ ও আস্থা থেকেই। সদস্যদের বিশ্বাস, ভক্তি ও ভালোবাসার প্রতিফলন এই পদ অর্জনের মাধ্যমে স্পষ্টভাবে প্রকাশ পায়। বোয়ালখালী সমিতি-ঢাকার দ্বিবার্ষিক সভায় সংগঠনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, সামাজিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড আরও শক্তিশালীভাবে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরীর নির্বাচিত হওয়ায় বোয়ালখালী সমিতি-ঢাকা আরও নতুন দিগন্তে প্রবেশ করবে এটাই সবাই আশা করছেন। তার নেতৃত্বে সংগঠনটি আরও বেশি জনসেবামূলক কাজ, সামাজিক সহায়তা ও কল্যাণমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে।

এই গৌরবময় মুহূর্তে আমরা সবাই তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আলহামদুলিল্লাহ একজন নিষ্ঠাবান সমাজসেবী, নির্ভীক কণ্ঠস্বর ও উদ্যমী নেতাকে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নির্বাচিত হতে দেখে আমরা গর্বিত।আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে বোয়ালখালী সমিতি-ঢাকা আরও উজ্জ্বল ও শক্তিশালী হয়ে উঠবে।

আলোচিত খবর

নতুন রাজনৈতিক মুভমেন্ট এনপিএ’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গণতন্ত্র, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং প্রাণ, প্রকৃতি ও পরিবেশ সুরক্ষা এই পাঁচ মূলনীতি নিয়ে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন-এনপিএ’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে।আজ ১৬ জানুয়ারি শুক্রবার বিকেল চারটায় রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্ল্যাটফর্মটির ১০১ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কাউন্সিল ঘোষণা করা হয়।

কাউন্সিলের মুখপাত্র হয়েছেন ফেরদৌস আরা রুমী, নাজিফা জান্নাত ও তুহিন খান। তারা একেকজন একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পালাক্রমে এই দায়িত্ব পালন করবেন।কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- অনার্য মুর্শিদ, অনিক রায়, অনিকেত চার্বাক, অনিন্দ্য পন্ডিত, অনিরুদ্ধ রতন দাস, অনুপম সৈকত শান্ত, অপু সাহা, অমর্ত্য রায়, অলিউর সান, অলিক মৃ, আফজাল হোসেন, আতিকুর রহমান আতিক, আদ্রিতা কবির, আলমগীর কবির মিথুন, আসাদ রেহমান, আশিকুর রহমান অনিক, আহমেদ আন-নাবা, ইমতিয়াজ নাদভী, ইরফান আহমেদ, ইলোরা সুলতানা, ঋভু রহমান, কাওসার শাকিল, কাওসার হামিদ, কে এম সুফিয়ান, কৌশিক আহমেদ, খালিদ হাসান আলো, জাকারিয়া হোসেইন, জান্নাতুল মাওয়া আইনান, জাহিদ জামিল, জাহিদ হোসেন ইনকিয়াদ, টিপু গোস্বামী, তসলিম আহমেদ, তাসলিমা মিজি, তাহমীদুর আর চৌধুরী, তাহসিন আহমেদ অমি, নজরুল ইসলাম, নাজমুল আহমেদ, নাফিসা রায়হানা, নাশাদ ময়ুখ, নাসিরউদ্দিন টগর, নিসর্গ নিলয়, নীলা চাকমা, নূমান আহমাদ চৌধুরী, পারভেজ আলম, পুন্নি কবির, ফজলে রাব্বী খান তাজ, ফয়জুল্লাহ আনান, ফরহাদ নাইয়া, ফারিয়া জামান নিকি, ফেরদৌস আরা রুমী, বাকী বিল্লাহ, বিনয় আমিন, মঈনুল ইসলাম শুদ্ধ, মনোয়ার হোসেন নাইম, মাঈন আহমেদ, মাহবুবুর রহমান, মামুনুর রশিদ, মারুফ বিল্লাহ তন্ময়, মাসুদ রানা, মিম আরাফত মানব, মিতা নাহার, মীর মোকাররম শুভ, মীর হুযাইফা আল-মামদূহ, মুকুল ইসলাম, মুশফিকুর রহমান, মো. হাসিব, মোশফেক আরা শিমুল, মোহন বড়ুয়া, রঞ্জন কুমার দে, রহমত উল আলম, রাজীব চক্রবর্তী সুকান্ত, রাফসান আহমেদ, রাশেদুল কবীর রাফি, রাহাত মুস্তাফিজ, রাহুল দাস, রিয়াদুস সালেহীন জাওয়াদ, রেজওয়ান আমীন, রেজাউর রহমান রিন্টু, রৌদ্র তাপসী, শর্মী হোসেন, শামীম আরা নীপা, শেখ ফাতেমা খায়রুন, সমির সরকার, হাসান ইকবাল সজীব, সমির সরকার, সজীব তানভীর, সাখাওয়াত ফাহাদ, সাদ আহমেদ, সাদিক মোহাম্মদ আলম, সামি মোহাম্মদ, সালেহ রাব্বি, সেতু আরিফ, সৈয়দা নীলিমা দোলা, সোনিয়া আফরোজ যুথী, সৌরভ দেব, হাবিব ইমরান জনি, হাসান সালিহি এবং হাসান সোলাইমান।

নতুন মাত্রায় এফ্ল্যাটফর্মের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের মধ্যে রয়েছে: সর্বস্তরে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, সাম্য ও সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা, সংবিধান সংস্কার, মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণ, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের সংস্কার এবং অর্থনৈতিক রূপান্তর।এসময় স্বাগত বক্তব্যে কাউন্সিলের সদস্য অনিক রায় বলেন- আমরা রাজনীতিকে কেবল ভাবাদর্শিক লড়াইয়ে পরিণত করতে চাই না। আবার ওয়েলফেয়ারের নামে পেট্র-ক্লায়েন্ট ভিত্তিক রাজনীতিও আমাদের লক্ষ্য নয়। আমরা চাই রাষ্ট্র ও নাগরিকের সম্পর্কের একটি মৌলিক রূপান্তর। আমরা চাই একটি মানবিক রাষ্ট্র, শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, ন্যায্য অর্থনীতি এবং সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টন।তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি পুঁজির গণতান্ত্রিক বিকাশ, সামাজিক নিরাপত্তা এবং ন্যায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাই পারে এই দেশকে সত্যিকারের গণতান্ত্রিক ও মানবিক রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করতে। এই কারণেই আমরা বলছি আমাদের পথ একটি সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট, সামাজিক গণতন্ত্রের আন্দোলন। এটি কেবল ক্ষমতার লড়াই নয় বরং সমাজকে সুসংহত ও গণতান্ত্রিক করে তোলা এবং মানুষের আত্মসামাজিক মুক্তি নিশ্চিত করার সংগ্রাম। যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ একটি ন্যায্য ও মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ