আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রামে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে আরও একটি ফুটব্রিজ

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে আরো একটি ফুটব্রিজ তৈরি করা হচ্ছে। মহানগরীর দক্ষিণ পতেঙ্গা এলাকায় বাংলাদেশ নেভি রেডি রেসপন্স বার্থের (বিএনআরআরবি) সামনে দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে বিমানবন্দর সড়কের ১৫ নম্বর গুপ্তখালের অদূরে এ ফুট ব্রিজটি নির্মাণ করা হচ্ছে।বুধবার দুপুরে বিমানবন্দর সড়কে এই ফুট ব্রিজটির নির্মাণ কাজের ভিত্তির প্রস্তর স্থাপন করেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
ভিত্তি প্র্রস্তর স্থাপনের সময় মেয়র ডা. শাহাদাত বলেন, এ সড়কে ট্রাক-লরিসহ বিভিন্ন ভারী গাড়ি ও দ্রুত যানবাহনগুলো চলাচল করে। সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমিয়ে নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়তে এ ফুটব্রিজটি নির্মাণ করা হচ্ছে।
২০১৭ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত বন্দর নগরীর সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ও চট্টগ্রাম নগর পুলিশের সহযোগিতায় ব্লুমবার্গ ফিলানথ্রপিস ইনিশিয়েটিভ ফর গ্লোবাল রোড সেফটি (বিআইজিআরএস) সম্প্রতি একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত সাত বছরে বন্দর নগরীতে দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ৫৮ শতাংশই পথচারী। এই সময়ে এক হাজার ২৮ জন দুর্ঘটনায় হতাহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৫৬৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৪০৯ জন মারাত্মক আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে।
বিমানবন্দর সড়কে ফুটওভার ব্রিজটি নির্মাণ কাজ বিষয়ে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলাম জানান, ২১ মিটার দৈর্ঘ্যের ফুট ব্রিজটির নির্মাণ কাজ শেষ করার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী বছর ৩০ আগস্ট। নারায়ণগঞ্জ ড্রাইডক থেকে কাঠামো নির্মাণ করে এনে এখানে পাইলিং করে বসানো হবে।
তিনি আরও জানান, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের আওতায় বিমানবন্দর সড়কসহ বিভিন্ন সড়কসমূহ উন্নয়ন ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উন্নয়ন’ শীর্ষক আড়াই হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের অধীনে নগরীতে ৩৮টি ফুট ব্রিজ নির্মাণ করবে সিটি করপোরেশন। এতে খরচ হবে ৫৮ কোটি টাকা। এই প্রকল্পের অধীনে বিমানবন্দর সড়কের ফুট ব্রিজটি নির্মাণ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে কেইপিজেড এলাকা ও সানোয়ার স্কুলের সামনের ফুট ব্রিজের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। আরো ১০টি ফুট ব্রিজের কাজ চলছে। বাকিগুলোর নকশা শেষে টেন্ডারের অপেক্ষায় আছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ