নতুনত্বের ছোঁয়া পাচ্ছে নগরের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের পাশে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ(চউক)’র ২২ একর জায়গা রয়েছে। এ জায়গা ঘিরে চউকের রয়েছে বৃহৎ পরিকল্পনা। যার ফলে নতুনত্বের ছোঁয়া পাচ্ছে নগরের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত। পর্যটকদের আকর্ষণ ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির জন্য ইতোমধ্যে পতেঙ্গা সৈকতের সৌন্দর্য বর্ধনের উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) সেখানে নতুন করে সড়ক বাতি লাগানো, ব্লকে রং, বাগান নির্মাণ এবং পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পর্যটকদের আর্কষণ বাড়াতে সিডিএ এমন উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) ২০০৫ সাল থেকে পতেঙ্গা হতে ফৌজদারহাট পর্যন্ত বেড়িবাঁধ কাম আউটার রিং রোড নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শুরু করে। ২০০৭ সালে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে চুক্তি করে। দুই বার সংশোধনের পর ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৪২৬ কোটি ১৪ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। এই প্রকল্পের আওতায় পতেঙ্গায় সাগরপাড়ে ৫ কি.মি এলাকাজুড়ে নির্মাণ করা হয়েছে পর্যটনকেন্দ্র।
এদিকে, আগামী বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘পতেঙ্গা সমুদ্র-তীরবর্তী এলাকায়’ আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন শিল্পের বিকাশের জন্য সৌন্দর্যবর্ধন ও অন্যান্য আনুষাঙ্গিক কাজের উদ্বোধন করবেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
এ সম্পর্কে জানতে চাইলে সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. নুরুল করিম বলেন, নগরে পর্যটকদের বিনোদনের অন্যতম জায়গা পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত। মূল সমুদ্র সৈকতের পাশে সিডিএ’র ২২ একর জায়গা রয়েছে। এটি নিয়ে আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, একটি মানসম্পন্ন পর্যটন এলাকায় যা যা সুবিধা থাকা প্রয়োজন পতেঙ্গায় সেসব রাখার আমরা চেষ্টা করছি। ভবিষ্যতে সেখানে ক্যাবলকার, টয়ট্রেন এবং সাইকেললেনও থাকবে। তবে সেখানে কোন স্ট্রাকচার থাকবে না। পুরোটা গার্ডেন এবং ওপেন স্পেস থাকবে। প্রয়োজনে এ ক্ষেত্রে আমরা সিটি কর্পোরেশন এবং জেলা প্রশাসনের সহযোগিতা নিবো।
এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. নুরুল করিম এবং চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম সিডিএর বাস্তবায়নাধীন রিং রোড ও পতেঙ্গা সি-বিচ সংলগ্ন ৬ কিলোমিটার এলাকা পরিদর্শন করেন। এসময় তারা পতেঙ্গা সি-বিচ সংলগ্ন এলাকা অধিকতর পর্যটনবান্ধব করার বিষয়ে একমত হন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন প্রমিতি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এক দশক আগেও যে বিষয়টিকে নেহাত শখ বা সময় অপচয় হিসেবে সংজ্ঞায়িত করত সমাজ প্রযুক্তির দ্রুত প্রসার ও ইন্টারনেটের সহজলভ্যতায় তা-ই আজ দাঁড়িয়েছে অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা ও স্বাধীন পেশার নতুন দিগন্তে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের হাত ধরে বাংলাদেশে গড়ে উঠেছে এক নতুন অর্থনৈতিক ভিত্তি কনটেন্ট ক্রিয়েশন ও ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং। বিশেষ করে তরুণদের ভাবনা, পোশাকের রুচি ও জীবনযাত্রার নানা অনুষঙ্গ উপস্থাপনের মাধ্যমে তৈরি হচ্ছে ব্যক্তিগত ব্র্যান্ড। ডিজিটাল বাস্তবতার এই নতুন ধারায় ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল কেন্দ্রিক কনটেন্ট তৈরি করে তরুণ প্রজন্মের দৃষ্টি কাড়তে সক্ষম হয়েছেন তাসনিম হোসাইন প্রমিতি।

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে যাদের উপস্থিতি শুধুমাত্র ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও পোস্টের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও পেশাদার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে যারা এগোচ্ছেন, প্রমিতি তাদের মধ্য অন্যতম। সম্প্রতি তার এই দীর্ঘ যাত্রার চ্যালেঞ্জ ও সাফল্য নিয়ে কথা হয়। দীর্ঘ আলাপে উঠে আসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আজকের এই অবস্থানে পৌঁছানোর নেপথ্যের গল্প।

তাসনিম হোসাইন প্রমিতির সাফল্যের গল্প

বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের চারটি প্রধান প্ল্যাটফর্মেই তার শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরি হয়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, তার কন্টেন্টের মূল কেন্দ্রবিন্দু ভিডিও প্ল্যাটফর্ম টিকটক, যেখানে বর্তমানে তার অনুসারীর সংখ্যা প্রায় ১০ লাখের কাছাকাছি। এ ছাড়া ফেসবুকে আড়াই লাখের বেশি (২ লাখ ৫৪ হাজার), ইনস্টাগ্রামে প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার এবং তরুণদের দীর্ঘ ভিডিওর জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম ইউটিউবেও ৩৬ হাজারের বেশি গ্রাহক বা সাবস্ক্রাইবার রয়েছে তার।

তবে ১০ লাখেরও বেশি দর্শকের হৃদয়ে এই যে স্থান তৈরি তার পেছনের গল্পটি রাতারাতি কোনো অলৌকিক সাফল্যের নয় বলে জানান প্রমিতি। শুরুতে কোনো বিশাল দর্শকের সাড়া ছিল না, লাইক বা কমেন্টের সংখ্যাও ছিল হাতেগোনা। তবে সেই প্রাথমিক নিশ্চুপ পরিস্থিতি তাকে দমাতে পারেনি।

প্রথমদিকের কম সাড়ায় ভেঙে না পড়ে তিনি নজর দেন বিষয়বস্তুর গুণগত মান বাড়ানোর দিকে। কন্টেন্টের নান্দনিক উপস্থাপনা, ক্যামেরা অ্যাঙ্গেল, নিখুঁত এডিটিং এবং নিয়মিত কনটেন্ট প্রকাশের ওপর তিনি জোর দিতে শুরু করেন। সময়ের সাথে সাথে যা সাধারণ দর্শককে আকৃষ্ট করতে শুরু করে এবং প্রমিতির কাজকে করে তোলে আরও গোছানো। আজকের ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল ইন্ডাস্ট্রিতে যেখানে প্রতিনিয়ত হাজারো নতুন মুখ যুক্ত হচ্ছে, সেখানে নিজের একটি স্বতন্ত্র পরিচিতি টিকিয়ে রাখা অত্যন্ত কঠিন চ্যালেঞ্জ। ফ্যাশন সচেতনতার পাশাপাশি দৈনন্দিন জীবনের নানা ইতিবাচক দিক সাবলীলভাবে তুলে ধরার ক্ষমতাই তাকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করে তুলেছে।

বহুমুখী প্ল্যাটফর্মে প্রমিতির শক্ত অবস্থান

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর কাজের ধরন ও অ্যালগরিদম ভিন্ন। ফেসবুকের অডিয়েন্স যেভাবে কন্টেন্ট গ্রহণ করে, টিকটক বা ইনস্টাগ্রামের তরুণ দর্শক ঠিক সেভাবে গ্রহণ করে না। চার ধরনের প্রধান প্ল্যাটফর্মেই সমান ছন্দে কাজ করা তাই বেশ চ্যালেঞ্জিং। এই বিষয়ে আলাপকালে জানা যায়, বিভিন্ন বয়সের ও মানসিকতার অডিয়েন্সের রুচি বুঝে কনটেন্ট সমন্বয় করার দক্ষতাই তাকে এক প্ল্যাটফর্মের গণ্ডি পেরিয়ে পুরো ডিজিটাল অঙ্গনে একটি শক্ত ভিত্তি এনে দিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার : কণ্ঠশিল্পী জুলির বিবৃতি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র‌্যালিতে বিতর্কিত ঈদ রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতাযুক্ত শিল্পীকে দিয়ে গান পরিবেশন করানোর অভিযোগ তুলে একটি কুচক্রী মহল ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী জুলেখা আক্তার জুলি। এসব অপপ্রচার সর্বতোভাবে ‘মিথ্যা’ দাবি করে তিনি বিবৃতি দিয়েছেন। সম্প্রতি এ বিষয়ে নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি প্রতিবাদলিপি প্রকাশ করেন এই শিল্পী।


বিবৃতিতে কণ্ঠশিল্পী জুলেখা আক্তার জুলি বলেন, একজন পেশাদার শিল্পী হিসেবে বিভিন্ন রাজনৈতিক বা সামাজিক সংগঠনের অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করা তাঁর পেশাগত দায়িত্বের অংশ, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক রূপ দিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এতে তাঁর সম্মান ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, গণমাধ্যম এবং সামাজিকমাধ্যমে আমার ব্যাপারে ছড়নো বিভ্রান্তমূলক ও মিথ্যা তথ্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কিছু ব্যক্তি আমার সফলতায় ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা, ভিত্তিহীন, মানহানীর সংবাদসহ নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে। তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত অভিযোগ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং মানহানিকর। একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে আমার সম্মান ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করছে। আমি উক্ত অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সংবাদমাধ্যমের কাছে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে শিল্পী জুলেখা আক্তার জুলি বলেন, সংবেদনশীল কোনো সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নেওয়া সাংবাদিকতার মৌলিক দায়িত্ব। কিন্তু এ ক্ষেত্রে তা অনুসরণ করা হয়নি।

তিনি বলেন, আমি কখনোই কোনো রাজনৈতিক দলের দলীয় পদ-পদবীতে ছিলাম না এবং এখনো নেই। ১৭ বছর ধরে পেশাদার শিল্পী হিসেবে বিভিন্ন আয়োজনে গান গেয়ে আসছি। কিন্তু অতীতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সময় ধারণ করা ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে একটি কুচক্রী মহল আমাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হেনস্তা করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ ধরনের মানহানিকর মিথ্যাচার থেকে সকলকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে এই শিল্পী হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে মানহানি ও অপপ্রচারের ঘটনায় প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেন তিনি।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ