আজঃ শনিবার ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬

নতুনত্বের ছোঁয়া পাচ্ছে নগরের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের পাশে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ(চউক)’র ২২ একর জায়গা রয়েছে। এ জায়গা ঘিরে চউকের রয়েছে বৃহৎ পরিকল্পনা। যার ফলে নতুনত্বের ছোঁয়া পাচ্ছে নগরের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত। পর্যটকদের আকর্ষণ ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির জন্য ইতোমধ্যে পতেঙ্গা সৈকতের সৌন্দর্য বর্ধনের উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) সেখানে নতুন করে সড়ক বাতি লাগানো, ব্লকে রং, বাগান নির্মাণ এবং পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পর্যটকদের আর্কষণ বাড়াতে সিডিএ এমন উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) ২০০৫ সাল থেকে পতেঙ্গা হতে ফৌজদারহাট পর্যন্ত বেড়িবাঁধ কাম আউটার রিং রোড নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শুরু করে। ২০০৭ সালে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে চুক্তি করে। দুই বার সংশোধনের পর ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৪২৬ কোটি ১৪ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। এই প্রকল্পের আওতায় পতেঙ্গায় সাগরপাড়ে ৫ কি.মি এলাকাজুড়ে নির্মাণ করা হয়েছে পর্যটনকেন্দ্র।
এদিকে, আগামী বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘পতেঙ্গা সমুদ্র-তীরবর্তী এলাকায়’ আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন শিল্পের বিকাশের জন্য সৌন্দর্যবর্ধন ও অন্যান্য আনুষাঙ্গিক কাজের উদ্বোধন করবেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
এ সম্পর্কে জানতে চাইলে সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. নুরুল করিম বলেন, নগরে পর্যটকদের বিনোদনের অন্যতম জায়গা পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত। মূল সমুদ্র সৈকতের পাশে সিডিএ’র ২২ একর জায়গা রয়েছে। এটি নিয়ে আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, একটি মানসম্পন্ন পর্যটন এলাকায় যা যা সুবিধা থাকা প্রয়োজন পতেঙ্গায় সেসব রাখার আমরা চেষ্টা করছি। ভবিষ্যতে সেখানে ক্যাবলকার, টয়ট্রেন এবং সাইকেললেনও থাকবে। তবে সেখানে কোন স্ট্রাকচার থাকবে না। পুরোটা গার্ডেন এবং ওপেন স্পেস থাকবে। প্রয়োজনে এ ক্ষেত্রে আমরা সিটি কর্পোরেশন এবং জেলা প্রশাসনের সহযোগিতা নিবো।
এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. নুরুল করিম এবং চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম সিডিএর বাস্তবায়নাধীন রিং রোড ও পতেঙ্গা সি-বিচ সংলগ্ন ৬ কিলোমিটার এলাকা পরিদর্শন করেন। এসময় তারা পতেঙ্গা সি-বিচ সংলগ্ন এলাকা অধিকতর পর্যটনবান্ধব করার বিষয়ে একমত হন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ডিসি পার্কে ১৪০ প্রজাতির লক্ষাধিক ফুলের সমারোহে ফুল উৎসব শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাঁদা, জবা, কৃষ্ণচূড়া, চন্দ্রমল্লিকা, আরও আছে লিলিয়াম, ম্যাগনোলিয়া ও ক্যামেলিয়া— এমন ১৪০ প্রজাতির দেশি-বিদেশি লাখো ফুলে সেজেছে চট্টগ্রামে সাগরতীর। ফুল দিয়ে তৈরি ট্রেন, বক, ময়ূরসহ বিভিন্ন নান্দনিক স্থাপনা দিচ্ছে বাড়তি আকর্ষণ। আর এই ফুলের রাজ্যে হারাতে চাইলে যেতে হবে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার সলিমপুরে ডিসি পার্কে।

শুক্রবার চতুর্থবারের মতো আয়োজিত দেশের বৃহত্তম এ ফুল উৎসবের পর্দা উঠেছে। মাসব্যাপী উৎসব শেষে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি এর পর্দা নামবে। শুক্রবার সীতাকুণ্ড উপজেলাধীন সলিমপুর মৌজার সাগরপাড়ে ১৯৪ একর আয়তনের ডিসি পার্কে দেশের বৃহত্তম ফুল উৎসব উদ্বোধন করেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. এহছানুল হক।

এ সময় তিনি ফুল উৎসব শুধু চট্টগ্রামের জন্য নয়, বরং সারাদেশের মানুষের জন্য আনন্দের বিষয় বলে মন্তব্য করেন। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, শুধু চট্টগ্রাম নয়, দেশের অন্যান্য জেলার মানুষও ডিসি পার্কে এসে নির্মল আনন্দ উপভোগ করতে পারবেন। জেলা প্রশাসনের এমন উদ্যোগ দেশের অন্যান্য জেলার জন্য একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।বিশেষ অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি মো. আহসান হাবীব পলাশ, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খাঁন। সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

মাসব্যাপী এই ফুল উৎসবে দেশি-বিদেশি প্রায় ১৪০ প্রজাতির লক্ষাধিক ফুলের সমারোহ রয়েছে। এ বছর দর্শনার্থীদের জন্য নতুন আকর্ষণ হিসেবে যুক্ত হয়েছে জিপ লাইন, ক্লাইম্বিং ট্রি, ট্রি হার্ট, বিগ ফ্লাওয়ার ট্রি, আমব্রেলা ট্রি ও ফ্লাওয়ার টি। ফুলের সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীরা উপভোগ করতে পারবেন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
উৎসবের অংশ হিসেবে আয়োজন করা হয়েছে গ্রামীণ মেলা, বই উৎসব, ঘুড়ি উৎসব, পিঠা উৎসব, লেজার লাইট শো, ভিআর গেম, মুভি শো, ভায়োলিন শো, পুতুল নাচ ও মাল্টিকালচারাল ফেস্টিভ্যাল।

বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট- ২০২৬ উপলক্ষে একটি সচেতনতামূলক স্টল স্থাপন করা হয়েছে। স্থাপন করা হয়েছে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান কর্নার।

সাইফুদ্দিন খালেদ খসরু সমাজ বদলের স্বপ্ন দেখতেন-শোকসভা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাইফুদ্দিন খালেদ খসরু তাঁর কর্মের মাধ্যমে আমাদের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন। প্রগতিশীল আন্দোলনের কর্মী ও বিশিষ্ট পেশাজীবি সাইফুদ্দিন খালেদ খসরুর শোকসভার নগরীর থিয়েটার ইনিস্টিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সাইফুদ্দিন খালেদ খসরু এর নাগরিক শোকসভা কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক মহীবুল আজিজ এর সভাপতিত্বে এবং আবৃত্তিশিল্পী ও নাগরিক কমিটির সদস্য মো: মুজাহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় শোকসভায় বক্তব্য রাখেন, সাইফুদ্দিন খালেদ খসরু এর নাগরিক শোকসভা কমিটির সদস্য সচিব মোঃ আতিক, সাবেক ছাত্রনেতা ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডা. ফজলে এলাহী মিলাদ, কবি ও সাংবাদিক অভীক ওসমান, সমাজ সমীক্ষা সংঘের সভাপতি কাজী মাহমুদ ইমাম বিলু, কবি ও সাংবাদিক নাজিমুদ্দীন শ্যামল, শিক্ষাবিদ আজাদ বুলবুল, খেলাঘর চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিত বসু, যুব ইউনিয়ন চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সভাপতি মোঃ শাহ আলম, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর চট্টগ্রাম জেলার সাধারণ সম্পাদক এড. অসীম কুমার দাশ, সমাজ সমীক্ষা সংঘের নির্বাহী পরিচালক কল্লোল দাশ, নজরুল সংগীত শিল্পী সংস্থার সিনিয়র সহ সভাপতি এবং বাংলাদেশ সংগীত সংগঠন সমন্বয় পরিষদের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক দীপেন চৌধুরি, সম্মিলিত আবৃত্তি জোটের সহ সভাপতি প্রণব চৌধুরী, চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের ২১ ব্যাচের শিক্ষার্থী ইউসুফ হোসেন ভুইঁয়া, বিশিষ্ট ব্যাংকার অশ্রুত কুমার চক্রবর্তী, সমাজ সমীক্ষা সংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন পরিচালক সুমন চৌধুরী মনি, ২১ ব্যাচের শিক্ষার্থী জহিরুল আলম, সাইফুদ্দিন খালেদ খসরুর কন্যা যাহবা শবনম আভা প্রমুখ। সভায় বক্তারা সাইফুদ্দিন খালেদ খসরুর স্মৃতিচারণ করে বলেন, আমৃত্যু তিনি ছিলেন একজন অসাম্প্রদায়িক, বিজ্ঞানমনষ্ক, মানবিক মানুষ।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তার শৈশব কৈশোর ও ছাত্র জীবনে তিনি বিভিন্ন মননশীল, ঋদ্ধ, গুণী ব্যক্তিদের নিত্য সংস্পর্শে ছিলেন। একটি সুরুচি সম্পন্ন সাংস্কৃতিক আবহে গড়ে ওঠেছে তার প্রাথমিক বেড়ে ওঠার দিনগুলো। আমৃত্যু তিনি প্রগতিশীল আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন। সাইফুদ্দিন খালেদ খসরু বিশ্বাস করতেন মুক্ত মানুষের মুক্ত সমাজে। যুক্তি ও বুদ্ধির মুক্তিতে সাইফুদ্দিন খালেদ খসরুর আশাবাদ ছিল সবসময়।

বক্তারা আরো বলেন, আধুনিকতার নামে ভোগবাদী সমাজ, শোষণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যুক্ত থেকে সাইফুদ্দিন খালেদ খসরু সমাজ বদলের স্বপ্ন দেখতেন। প্রকৃত মানুষের মানবিকতা, উদারতা নিয়ে মানুষের জন্য কাজ করার স্বপ্ন ছিল সাইফুদ্দিন খালেদ খসরুর। তিনি সকলের কাছে একই সাথে আস্থা, ভালোবাসা ও নির্ভরতার মানুষ ছিলেন। স্মরণ সভার শুরুতে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে সাইফুদ্দিন খালেদ খসরুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পন করা হয় এবং তাঁর স্মৃতির স্মরণে একমিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

আলোচিত খবর

জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণায় বেশি সময় লাগতে পারে- ইসি সচিব।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের দুই ধরনের ব্যালটে ভোট দিতে হবে এবং প্রার্থীর সংখ্যাও তুলনামূলক বেশি হওয়ায় ভোটগ্রহণ ও গণনা—উভয় প্রক্রিয়াতেই স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে মোবাইল অপারেটর, ব্যাংক ও বিএনসিসি কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

তিনি আরও জানান, এবারের নির্বাচনে প্রবাসী ভোটার ও দেশের অভ্যন্তরীণ ভোটারদের জন্য আলাদা ব্যালট ব্যবহৃত হবে। এর সঙ্গে প্রার্থীর সংখ্যা বেশি থাকায় ভোট গণনায় অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন হবে। বিশেষ করে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পোস্টাল ব্যালট গণনা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

উদাহরণ হিসেবে সচিব বলেন, ফেনী-৩ আসনে পোস্টাল ভোটার ১৬ হাজার ৩৮ জন, চট্টগ্রাম-১৫ আসনে ১৪ হাজার ২৭৪ জন এবং কুমিল্লা জেলায় ১৩ হাজার ৯৩৯ জন ভোটার পোস্টাল পদ্ধতিতে নিবন্ধিত। একটি কেন্দ্রে সাধারণত তিন হাজার ভোটার থাকলেও পোস্টাল ব্যালটের চাপ পাঁচ থেকে ছয় গুণ বেশি, যা ফল প্রকাশে বিলম্ব ঘটাতে পারে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ