আজঃ বুধবার ১৮ মার্চ, ২০২৬

রাজশাহীতে বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের নাম পরিবর্তন

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্মাণ চলাকালেই রাজশাহীর ‘বঙ্গবন্ধু স্কয়ার’ ভবনের নাম পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (আরডিএ)। নগরীর তালাইমারি মোড়ের এই ভবনের নাম হবে ‘রাজশাহী আরডিএ কমপ্লেক্স’।২০১৭ সালে আরডিএ এ প্রকল্পটি গ্রহণ করেছিল। এরপর ঢিমেতালেই প্রকল্পের কাজ চলেছে। এছাড়া এ প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী প্রকৌশলী কামরুজ্জামান দুর্নীতির মামলায় কারাগারে গেলে কাজে আরও ধীরগতি আসে।

আওয়ামী সরকার পতনের পর ভবনের নাম পরিবর্তনের কথা ভাবছে আরডিএ। অনুমতি চেয়ে শিগগিরই গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।আরডিএ’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু হায়াত মো. রহমতুল্লাহ্ বলেন, নবনির্মিত ভবনটির নাম পরিবর্তনের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠাচ্ছি। কারণ এটি আর শেখ মুজিবুর রহমানের নামে নামকরণ করা হবে না। আশা করছি, মন্ত্রণালয় নতুন নামের অনুমোদন দেবে। এরপর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে আমরা ভবনটি সাংস্কৃতিক কাজে ব্যবহার করব।

২০১৭ সালে এক দশমিক ৪২ একর জমির ওপর আরডিএ ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্কয়ার’ শীর্ষক প্রকল্প গ্রহণ করে, যার আনুমানিক ব্যয় ধরা হয় ৫৯ কোটি ২৮ লাখ টাকা। প্রকল্পের লক্ষ্য ছিল বঙ্গবন্ধুর চেতনাকে সমুন্নত রাখা এবং ‘শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা’। কাজ শুরুর পর ২০২২ সালে প্রকল্পের ব্যয় দ্বিগুণ হয়। তখন ব্যয় বেড়ে গিয়ে দাঁড়ায় ১২৫ কোটি টাকা।৫ আগস্ট শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ বাতিল করে।

এরপর শুধু ৬১ কোটি টাকা ব্যয়ে ১২ হাজার ৫১৮ দশমিক ৮ বর্গমিটার জমিতে নির্মিত ভবনটি গত ছয় মাস ধরে অকেজো পড়ে আছে। এ অবস্থায় নাম পরিবর্তনের কথা ভাবছে আরডিএ।প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু হায়াত আরও বলেন, ভবনটিতে একটি উন্মুক্ত মঞ্চ বা মুক্তমঞ্চ, আর্ট গ্যালারি, একটি ক্যাফেটেরিয়া এবং একটি সম্মেলন কক্ষ থাকবে। ভবনটি আরডিএ’র পক্ষ থেকে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে লিজ দেওয়ার পরিকল্পনা আছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ভোট চুরি করতে আসলে বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে আসতে হবে সারজিস আলম।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এবার যে ভোট চুরি করতে আসবে, তাকে বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে আসতে বলবেন বলে মন্তব্য করেছেন পঞ্চগড়-১ আসনের ১১ দলীয় জোটের এনসিপি দলের প্রার্থী সারজিস আলম। পঞ্চগড় উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী শেষ জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন-রক্ত দিয়ে দিবেন, জীবন দিয়ে দিবেন, একটা ভোট চুরি করতে দিবেন না। যে ভোট চুরি করার আশায় আসবে তার একমাত্র ঠিকানা হবে হাসপাতাল। তাকে বাড়ি থেকে শেষ বিদায় নিয়ে আসতে বলবেন। আমরা স্পষ্ট করে নির্বাচন কমিশনসহ সবাইকে বলতে চাই, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং কিংবা বিন্দুমাত্র কোনো ধরনের নীল নকশা কেউ যদি বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করে, সর্বশেষ প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পরিণতি যেন তারা মনে রাখে। তার গলায় জুতার মালা ছিল, আপনার গলায় কোন মালা থাকবে আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না। ১২ তারিখের লড়াই আমাদের মুক্তির লড়াই। ১২ তারিখের লড়াই ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লড়াই। আমরা জীবন দিয়ে, রক্ত দিয়ে এ লড়াইয়ে বিজয়ী হবো।

পাবনা-০৩ আসনে জামায়াতের এমপি পদপ্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কে সামনে রেখে পাবনা-০৩ (চাটমোহর,ভাঙ্গুড়া,ফরিদপুর) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী মাওলানা আলী আছগার তাঁর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন।উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মাওলানা মহি উদ্দিন সাহেব আমীরে জামায়াতে ইসলামী ভাঙ্গুড়া উপজেলা শাখা।

“চলো একসাথে গড়ি বাংলাদেশ” শিরোনামে ঘোষিত এ ইশতেহারে-শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, যোগাযোগ, কর্মসংস্থান, নারী ও শিশু কল্যাণ, সামাজিক নিরাপত্তা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং দুর্নীতিমুক্ত সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। ইশতেহারে বলা হয়, নির্বাচিত হলে চাটমোহর,ভাঙ্গুড়া,ফরিদপুর এই তিন উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। শিক্ষা খাতে নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষার প্রসার এবং শিক্ষার মানোন্নয়নের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো আধুনিকায়ন, চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করা হয়।
কৃষি খাতে কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত, আধুনিক কৃষি প্রশিক্ষণ, সার-বীজ সহজলভ্য করা এবং সরকারি উদ্যোগে কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। পাশাপাশি নদীভাঙন রোধ, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং পরিবেশ সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
ইশতেহারে আরও উল্লেখ করা হয়, স্থানীয় পর্যায়ে শিল্প স্থাপন ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণের কথাও বলা হয়েছে।

এমপি পদপ্রার্থী মাওলানা আলী আছগার বলেন, ৭০,পাবনা-০৩ এলাকায় “আমি নির্বাচিত হলে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে তিন এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে কাজ করব ইনশাল্লাহ।একটি ন্যায়ভিত্তিক, দুর্নীতিমুক্ত ও নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতেই আমার এই অঙ্গীকার।”তিনি উন্নয়ন ও সুশাসন বাস্তবায়নে এলাকাবাসীর দোয়া ও সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ