আজঃ সোমবার ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

রাজশাহীতে বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের নাম পরিবর্তন

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্মাণ চলাকালেই রাজশাহীর ‘বঙ্গবন্ধু স্কয়ার’ ভবনের নাম পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (আরডিএ)। নগরীর তালাইমারি মোড়ের এই ভবনের নাম হবে ‘রাজশাহী আরডিএ কমপ্লেক্স’।২০১৭ সালে আরডিএ এ প্রকল্পটি গ্রহণ করেছিল। এরপর ঢিমেতালেই প্রকল্পের কাজ চলেছে। এছাড়া এ প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী প্রকৌশলী কামরুজ্জামান দুর্নীতির মামলায় কারাগারে গেলে কাজে আরও ধীরগতি আসে।

আওয়ামী সরকার পতনের পর ভবনের নাম পরিবর্তনের কথা ভাবছে আরডিএ। অনুমতি চেয়ে শিগগিরই গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।আরডিএ’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু হায়াত মো. রহমতুল্লাহ্ বলেন, নবনির্মিত ভবনটির নাম পরিবর্তনের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠাচ্ছি। কারণ এটি আর শেখ মুজিবুর রহমানের নামে নামকরণ করা হবে না। আশা করছি, মন্ত্রণালয় নতুন নামের অনুমোদন দেবে। এরপর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে আমরা ভবনটি সাংস্কৃতিক কাজে ব্যবহার করব।

২০১৭ সালে এক দশমিক ৪২ একর জমির ওপর আরডিএ ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্কয়ার’ শীর্ষক প্রকল্প গ্রহণ করে, যার আনুমানিক ব্যয় ধরা হয় ৫৯ কোটি ২৮ লাখ টাকা। প্রকল্পের লক্ষ্য ছিল বঙ্গবন্ধুর চেতনাকে সমুন্নত রাখা এবং ‘শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা’। কাজ শুরুর পর ২০২২ সালে প্রকল্পের ব্যয় দ্বিগুণ হয়। তখন ব্যয় বেড়ে গিয়ে দাঁড়ায় ১২৫ কোটি টাকা।৫ আগস্ট শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ বাতিল করে।

এরপর শুধু ৬১ কোটি টাকা ব্যয়ে ১২ হাজার ৫১৮ দশমিক ৮ বর্গমিটার জমিতে নির্মিত ভবনটি গত ছয় মাস ধরে অকেজো পড়ে আছে। এ অবস্থায় নাম পরিবর্তনের কথা ভাবছে আরডিএ।প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু হায়াত আরও বলেন, ভবনটিতে একটি উন্মুক্ত মঞ্চ বা মুক্তমঞ্চ, আর্ট গ্যালারি, একটি ক্যাফেটেরিয়া এবং একটি সম্মেলন কক্ষ থাকবে। ভবনটি আরডিএ’র পক্ষ থেকে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে লিজ দেওয়ার পরিকল্পনা আছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের নবাগত জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোঃ মুসা জঙ্গী।বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুর ১২ টার সময় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভার শুরুতেই বক্তব্য রাখেন নবাগত জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোঃ মুসা জঙ্গী। এছাড়াও মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম মোস্তফা মন্টু, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি হোসেন শাহনেওয়াজ, সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন জুয়েল, দৈনিক চাঁপাই দর্পন এর প্রকাশক ও সম্পাদক মোঃ আশরাফুল ইসলাম রঞ্জু, সিনিয়র সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন দিলু, ডাবলু কুমার ঘোষ, রফিকুল আলম, মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি ফেরদৌস সিহানুক শান্ত, সাধারণ সম্পাদক বদিউজ্জামান রাজাবাবু, সিটি প্রেসক্লাবের সভাপতি কামাল শুকরানা, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান, সাংবাদিক জাকির হোসেন পিংকু, আজিজুর রহমান শিশির, জহুরুল ইসলাম, মনোয়ার হোসেন রুবেল,  আসাদুজ্জামান রিপন, আবুল বাসার মিলনসহ অন্যান্যরা। 

মতবিনিময় সভায় সংবাদকর্মীরা নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তলন, মাটি কাটা, মাদক, চোরাচালান, চাঁদাবাজি, বর্তমান মানে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট সহ বিভিন্ন অনিয়ম-দূর্নীতি ও নানান সমস্যার কথা তুলে ধরেন। এর পাশাপাশি চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমসহ সম্ভাবনাময়ী নানা খাতের উন্নয়নে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান জানান। 

জেলা প্রশাসক জনাব আবু ছালেহ মোঃ মুসা জঙ্গী বলেন, সাংবাদিকরা জাগ্রত এবং দূরদৃষ্টি সম্পন্ন। দেশের সকল সমস্যা, সম্ভাবনা উন্নয়নে মিডিয়া বড় ভূমিকা পালন করে চলেছে। তিনি আরো জানান, সমালোচনা একটি শিল্প তাই সঠিক সমোলচনা করা উচিত। প্রশাসন ও গনমাধ্যম এ জেলার উন্নয়নে পরিকল্পনা গ্রহণ করে এ জেলাকে মডেল হিসেবে গড়ে তোলার  জন্য আমি সবার সহযোগিতা চাই। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক উজ্জ্বল কুমার ঘোষ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নাকিব হাসান তরফদার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আনিসুর রহমান।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ হল রুমে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মারুফ আফজাল রাজন এর সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে বক্তব্য দেন, উপজেলা পরিষদের মূখ্য উপদেষ্টা ও সদর আসনের সাংসদ মোঃ নরুল ইসলাম বুলবুল, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ইকরামুল হক নাহিদ, সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: নূরে আলম, উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আজহার আলী উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা মোসাঃ শারমিন আক্তার সহ জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ।

সংসদ নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালু তোলা, মাটি কাটা এইসব প্রতিহত করা হবে, এ ব্যপারে উপজেলা প্রশাসন বন্ধ পরিকর। আমরা জানি এইসবের সাথে কারা জড়িত দুঃখের বিষয় এ ব্যাপারে আমরা মুখ খুলতে চাইনা। তিনি কারো কাছে তথ্য থাকলে উপজেলা প্রশাসনকে জানানোর আহ্বান জানান। এছাড়াও তিনি বলেন, সমাজ থেকে চিরতরে মাদককে দূর করতে না পারলে তরুণ ও যুব সমাজ ধ্বংসের পথে ধাবিত হবে। তাই মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত সমাজ গড়তে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একযোগে কাজ করতে হবে। মাদক নির্মূলে সকলের সহযোগিতা চান তিনি।

আলোচিত খবর

পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত ৩১ জন নাবিকের হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার অনুমতি পায়নি ‘বাংলার জয়যাত্রা’

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ ৪০ দিন আটকে থাকার পর যুদ্ধ পরিস্থিতির উন্নতি হলেও বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’ হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি না পেয়ে আবারও সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজা বন্দরে ফিরে যাওয়ার পথে রয়েছে।বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক বলেন, ইরানের নির্দেশনা অনুযায়ী অনুমতি চাওয়া হলেও তা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। কূটনৈতিকভাবে অনুমতি পাওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে জাহাজটি হরমুজের কাছাকাছি অবস্থান করছে এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় শারজায় ফিরে যেতে বলা হয়েছে।

তিনি জানান, জাহাজে থাকা ৩১ জন নাবিকের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে। প্রতিদিন ১৮ টন সামুদ্রিক পানি পরিশোধনের সক্ষমতা থাকলেও ইঞ্জিন চালু রাখতে হওয়ায় রেশনিং করে পানির ব্যবহার দৈনিক ৬ টনে নামিয়ে আনা হয়েছে। নাবিকদের মনোবল ধরে রাখতে জনপ্রতি দৈনিক খাবারের বরাদ্দ ৭ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১২ ডলার করা হয়েছে। পাশাপাশি বেসিক বেতনের সমপরিমাণ ওয়ার অ্যালাউন্স দেওয়া হচ্ছে।

বিএসসি সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন আটকে থাকার পর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে গত বুধবার সৌদি আরবের রাস আল খায়ের বন্দর থেকে হরমুজ প্রণালির উদ্দেশে রওনা দেয় জাহাজটি। টানা প্রায় ৪০ ঘণ্টা যাত্রা শেষে শুক্রবার সকালে প্রণালির কাছাকাছি পৌঁছে ইরান সরকারের কাছে পারাপারের অনুমতি চাওয়া হয়। তবে তেহরান সেই অনুমতি দেয়নি। ফলে জাহাজটিকে ঘুরিয়ে নিরাপদে শারজায় ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিএসসির তথ্য অনুযায়ী, ভারত থেকে পণ্য নিয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে ‘বাংলার জয়যাত্রা’। পরে কাতার থেকে স্টিল কয়েল নিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছে। পরদিনই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। ১১ মার্চ জেবেল আলীতে পণ্য খালাস শেষ হওয়ার পর কুয়েতে নতুন পণ্য বোঝাইয়ের পরিকল্পনা থাকলেও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জাহাজটি নিরাপদে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয় বিএসসি।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ