নির্বাচিত সরকার ছাড়া জনগণের সমস্যা সমাধান সম্ভব নয় – আবু সুফিয়ান

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেছেন, গত ১৬ বছরে বিএনপি কে ধবংস করার জন্য আওয়ামীলীগ অনেক ষড়যন্ত্র করেছিল। কিন্তু বিএনপির প্রতি জনগণের ভালোবাসা, আস্থা ও সমর্থন থাকায় বিএনপিকে তারা ভাঙ্গতে পারেনি। জনগণের শক্তিতে বিএনপি আরোও শক্তিশালী হয়েছে। জনগণ আওয়ামীলীগের সাথে ছিলনা। ক্ষমতায় ঠিকে থাকতে যুবলীগ, ছাত্রলীগ, গুন্ডালীগ, র‌্যাব, পুলিশ ও প্রশাসন ছিল তাদের একমাত্র ভরসা। জনগণের বিরুদ্ধে তারা অনেক বাহিনী নামিয়েছিল। কিন্তু জনগণের প্রতিরোধের মুখে তাদের কোন বাহিনী দাঁড়াতে পারেনি। বরঞ্চ ক্ষমতা ছেড়ে আওয়ামীলীগ পালাতে বাধ্য হয়েছে। যারা ছাত্র-জনতার বুকে গুলি চালিয়েছিল, নিরীহ ছাত্র-জনতার রক্তে নিজেদের হাতকে রঞ্জিত করেছিল সেসকল আওয়ামী সন্ত্রাসীদের কোন ছাড় নেই, কোন ক্ষমা নেই। যেখানে পালিয়ে যাকনা কেন, আইনের হাত থেকে তাদের রেহাই নেই। বাংলাদেশের মাটিতে তাদের সকল অপকর্মের বিচার হবে।
রোববার ওয়ার্ডস্থ শমসের পাড়া হাজী চাঁন মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে শমসের পাড়া ইউনিট বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন এর উদ্যোগে আয়োজিত ‘আলোচনা সভা ও শীতবস্ত্র বিতরণ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরোও বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে স্বৈরাচার সরকারকে হঠিয়ে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ পেলেও মানুষের দুর্ভোগ এখনো লাঘব হয়নি। এখনো নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম কমেনি। সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর দুর্নীতি কমেনি। সন্ত্রাসী কমেনি, চাঁদাবাজি কমেনি। আওয়ামীলীগ যেভাবে দুর্নীতির মাধ্যমে মানুষের পকেট কেটেছিল সে দুর্নীতি বন্ধ করে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য বিএনপি রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতে ৩১দফা প্রণয়ন করেছে। জনগণের মেন্ডেট নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে জনগণকে সাথে নিয়ে আমরা ৩১দফা বাস্তবায়িত করবো। আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। অন্তবর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। আমরা রাজনৈতিকগুলো তাদের সমর্থন দিয়েছি এবং সহযোগীতা করছি। অন্তবর্তীকালীন সরকারের কাছে আহবান- জনগণ নির্বাচন চায়। তাই অতী দ্রুত সংস্কার কাজ শেষ করে নির্বাচনের রোডম্যাপ দিন। মানুষ ধৈর্য্য ধরে আছে, এই ধৈর্য্য বেশিদিন থাকবেনা। কারণ নির্বাচিত সরকার ছাড়া জনগণের সমস্যা সমাধান কোনভাবে সম্ভব নয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন লিপু, সাবেক সহ-সভাপতি মাহবুবুল আলম, গিয়াস উদ্দিন ভুইয়া, ম. হামিদ, মনছুর আলম। বিএনপি নেতা রফিক কোং এর সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নুরুল আমিন, মোরশেদ কামাল মো. শহীদুজ্জামান, নাছির উদ্দিন, মো. আলমগীর, ইউসুফ আলী লিটন, নুরুল ইসলাম, মো. সরোয়ার, জহুরুল ইসলাম জহির, কামাল হোসেন খোকন, নাজিম উদ্দিন, আব্দুল্লাহ আল মুনির রাফি, মো. ইমরান,বাহাদুর আলম, সরোয়ার উদ্দিন, মো. সাহেদ প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পৃথক সড়ক দুর্ঘটনা চট্টগ্রাম মহানগরের ডবলমুরিং ও ইপিজেডে নারীসহ নিহত-৩

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নারীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। ডবলমুরিং ও ইপিজেড থানা এলাকায় গত বুধবার (৭ অক্টোবর) রাতে ডবলমুরিংয়ের ধনিয়ালাপাড়া এলাকায় এবং বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে সিইপিজেডের ৫ নম্বর সড়কে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে ইপিজেড থানাধীন সিইপিজেডের ৫ নম্বর সড়কে পিকআপভ্যানের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই শ্রমিক গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহতরা হলেন- তামান্না ও মো. খলিল। তামান্না শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি নগরের কলসির দীঘির পাড় এলাকার ওয়াসিম চৌধুরী পাড়ায় থাকতেন। তার স্থায়ী ঠিকানা বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে। নিহত মো. খলিলও শ্রমিক ছিলেন। তিনি ইপিজেডের ফ্রি পোর্ট, নিউমুরিং এলাকায় থাকতেন। তার বাবা মৃত গোলাম মোস্তফা ও মা নুর জাহান বেগম। ইপিজেডের দুর্ঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নিয়ে আসেন ‘স্মার্ট জ্যাকেট’র সুপারভাইজার ছোটন।

চমেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক বলেন, গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে, গত বুধবার রাত ১১টা ৩৩ মিনিটের দিকে ডবলমুরিং থানাধীন ডিটি রোডের ধনিয়ালাপাড়া রাস্তার মাথায় একটি ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেল আরোহী মাছুম গুরুতর আহত হন। পরে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত মাছুম ডবলমুরিংয়ের ধনিয়ালাপাড়ার মগবুল মঞ্জিল এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম মৃত রমজান আলী। বর্তমানে তার মরদেহ চমেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

নোয়াখালীতে এসিড পান করে যুবকের মৃত্যু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালীর সেনবাগে দুরারোগ্য রোগের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে রাসায়নিক পদার্থ (এসিড) পান করে দোলন কুমার বণিক (৩০) নামে এক শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের উত্তর মোহাম্মদপুর গ্রামের বণিক বাড়ির পাশের একটি বাগানে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত দোলন কুমার বণিক ওই গ্রামের মানিক লাল বণিকের ছেলে। তিনি শারীরিক প্রতিবন্ধী ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দোলন দীর্ঘদিন ধরে দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত ছিলেন। ভারতসহ বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা করিয়েও কোনো প্রতিকার পাননি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরে বাড়ির পাশের বাগানে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে, রোগের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে সবার অগোচরে তিনি সেখানে রাসায়নিক পদার্থ পান করেন। এতে তার পরনের কাপড়ও পুড়ে যায়।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হযরত আলী মিলন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে।

 

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ