দ্বীপজেলা ভোলার সর্বকালের শ্রেষ্ঠ সন্তান বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল

ভোলা জেলা সরকারি গণগ্রণ্হাগার আয়োজন করে এক অনবদ্য আলোচনা সভা

রিপন শান, ভোলা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দ্বীপজেলা ভোলার সর্বকালের শ্রেষ্ঠ সন্তান বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালকে নিয়ে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ সকাল ১০ টায়, ভোলা জেলা সরকারি গণগ্রণ্হাগার আয়োজন করে এক অনবদ্য আলোচনা সভা।

জেলা পাবলিক লাইব্রেরির সহকারী পরিচালক মোঃ সবুজ খানের সভাপতিত্বে এবং আবৃত্তিশিল্পী কবি ফারজানা স্নিগ্ধার নান্দনিক সঞ্চালনায় এতে প্রধান আলোচক হিসেবে মূল্যবান আলোচনা করেন- বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও বীরের ভ্রাতুষ্পুত্র মোহাম্মদ সেলিম। বিশেষ আলোচক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন- বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ- ভোলা জেলা কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি ও জাতীয় কবিতা পরিষদ ভোলার সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক কবি রিপন শান । বক্তব্য রাখেন- প্রাবন্ধিক গবেষক সাধন চন্দ্র বসাক , বদ্বীপ ফোরামের সভাপতি সমাজকর্মী মীর মোশারফ অমি প্রমুখ। বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালকে নিবেদন করে কবিতা পাঠ করেন- আয়োজনটির প্রধান সমন্বয়ক প্রভাষক কবি মহিউদ্দিন মহিন, সহকারী অধ্যাপক কবি দিলরূবা জ্যাসমিন, প্রভাষক কবি মিলি বসাক, জাতীয় কবিতা পরিষদ ভোলার সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক কবি মোঃ জুলফিকার আলী, কবি মুনমুন আখতার প্রমুখ। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় কবিতা পরিষদ ভোলার সাংগঠনিক সম্পাদক কবি নীহার মোশারফ, সাংবাদিক ছোটন সাহা, সাংবাদিক তানজিল হোসেন প্রমুখ।

ভোলা জেলার লেখক সাহিত্যিক সংস্কৃতিকর্মী শিক্ষক শিক্ষার্থী পেশাজীবীদের অংশগ্রহণে একটি অন্যরকম মিলনমেলায় পরিণত হয় ভোলার সূর্যসন্তান বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল স্মরণায়োজন ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

খেজুরে তেল মেখে প্যাকেটজাত চট্টগ্রামের ফলমণ্ডিতে অভিযানে জরিমানা গুনল ৫ প্রতিষ্ঠান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে বাজার তদারকি অভিযানে পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।অভিযানে ফলমন্ডিতে খেজুরেৃ তেল মেখে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে প্যাকেটজাত করার চিত্র দেখতে পায়। এছাড়া

মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করা, ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার সংরক্ষণে অনিয়ম ও বাজারজাত এবং অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাদ্যদ্রব্য প্রক্রিয়াকরণের দায়ে এসব জরিমানা করা হয়। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ফয়েজ উল্ল্যাহর নেতৃত্বে নগরীর ফলমন্ডি, স্টেশন রোড ও দেওয়ানহাট এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানে মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করা এবং ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করায় মেসার্স আল্লাহওয়ালা এন্টারপ্রাইজকে ২ হাজার টাকা, মেসার্স এন্ড ব্রাদার্সকে ২ হাজার টাকা এবং মেসার্স রাউজান এন্টারপ্রাইজকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।এ ছাড়া মোড়কজাত বিধি অনুসরণ না করে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খেজুর রেখে তেল মিশিয়ে প্যাকেটজাত ও বাজারজাত করার দায়ে তুহিন এন্টারপ্রাইজকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অন্যদিকে, দেওয়ানহাট এলাকার তায়েফ রেস্তোরাঁয় রান্নায় ক্ষতিকর উপাদান হিসেবে উল্লেখ করা কাশ্মীরি মরিচ ব্যবহার এবং অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাদ্যদ্রব্য প্রক্রিয়াকরণের দায়ে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ফয়েজ উল্ল্যাহ জানান, বাজারে পণ্যের সঠিক মূল্য প্রদর্শন, খাদ্যপণ্যের মান বজায় রাখা এবং ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষায় এ ধরনের তদারকি অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ অব্যাহত রাখার দৃঢ় অঙ্গীকার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পণ্যের মান বজায় রাখা শুধু ব্যবসায়িক সুবিধাই বাড়ায় না, বরং পরিবেশ সুরক্ষায় ও টেকসই অর্থনীতি গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।বিশ্ব মান দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের আলোচনা সভার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইইটি পরিচালক ড. জামাল উদ্দিন আহমেদ এ কথা বলেন। বুধবার (১৪ অক্টোবর) আগ্রাবাদের জাম্বুরি মাঠ এলাকায় বিএসটিআইয়ের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় ‘উন্নত বিশ্বের জন্য অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি: সাশ্রয়ী ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানি।

আলোচনা সভার সভাপতি বিএসটিআই চট্টগ্রামের অফিস প্রধান ও উপপরিচালক (মেট্রোলজি) মো. মোমেন উস সাজ্জাদ বিশ্ব মান দিবসের তাৎপর্য ও পণ্যের গুণগতমান রক্ষা ও তদারকির ক্ষেত্রে বিএসটিআই, চট্টগ্রামের অবদান বিভিন্ন পরিসংখ্যানের মাধ্যমে তুলে ধরেন এবং আধুনিক ল্যাবরেটরি স্থাপনের মাধ্যমে ভোজ্যতেলের ভিটামিন-এ সহ অন্যান্য জরুরি পণ্যের মান পরীক্ষণ নিশ্চিতের ব্যাপারে জানান।
তিনি বলেন, ভোক্তাসাধারণের সুবিধার্থে ও সেবাপ্রাপ্তি সহজ করতে ডিজিটাল সেবা, কিউআর কোড এবং হেল্পলাইন (১৬১১৯) চালু করা হয়েছে। তিনি বাজারের গুণগতমান নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনাসহ অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ অব্যাহত রাখার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
প্রধান অতিথি চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) ও পরিচালক (স্থানীয় সরকার) মনোয়ারা বেগম বলেন, বিএসটিআই কোনো অবস্থাতেই মান বজায় রাখার ক্ষেত্রে ছাড় বা আপস যেন না করে। শতভাগ গুণগতমান নিশ্চিত করেই কেবল লাইসেন্স দিতে হবে।তিনি বলেন, দেশের প্রধান বাণিজ্যিক নগরী চট্টগ্রামে আধুনিক ল্যাবরেটরিসহ নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়েছে, যাতে সেবাগ্রহীতারা কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়া দ্রুততম সময়ে সেবা লাভ করতে পারেন।
পণ্যের মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখ পরিবর্তনসহ নানাবিধ প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড বন্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সামগ্রিক জনকল্যাণ ও মানবিক মূল্যবোধ ধারণ না করলে মান নিশ্চিত করা অসম্ভব।
বিএসটিআইর সেবা ও কার্যক্রম সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে অবহিত ও সচেতন করতে তিনি বড় বড় শপিং মলগুলোতে প্রচারণামূলক ব্যানার টাঙানোর পরামর্শ দেন।
ড. জামাল উদ্দিন আহমেদ এসডিজির ৭ নম্বর অভীষ্ট তথা সাশ্রয়ী ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানি নিশ্চিতকরণের জন্য বিভিন্ন প্রকার শক্তির সংমিশ্রণ ও নবায়নযোগ্য শক্তির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁর মতে সৌর প্যানেল, ইনভার্টার ও ব্যাটারির মতো নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রযুক্তিতে যথাযথ মান বজায় না থাকলে কাঙ্ক্ষিত দক্ষতা অর্জন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। বাংলাদেশে শতভাগ বিদ্যুৎ সুবিধার অগ্রগতি হলেও ২০৩০ সালের মধ্যে ২০ শতাংশ ও ২০৪১ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্য অর্জনে উন্নত মাননিয়ন্ত্রণ ও ল্যাবরেটরি সক্ষমতা বৃদ্ধি অপরিহার্য।
তিনি বিএসটিআইর সোলার মডিউল ও ইনভার্টার টেস্টিং ল্যাবের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং টেকসই ভবিষ্যৎ গঠনে মানভিত্তিক শিল্পায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, মান থেকেই টেকসই উন্নয়নের শুরু।
বিশেষ অতিথি পাঠান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো সাইদুজ্জামান বলেন. বিএসটিআইর লোগো আমাদের আস্থার প্রতীক; তাই দেশীয় পণ্যের আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং ও মান নিশ্চিতকরণে ব্যবসায়ীদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।
তিনি অপচয় রোধে এনার্জি অডিট চালু, ডিজিটাল সেবা কিউআর কোডের মাধ্যমে তথ্য প্রাপ্তি সহজীকরণ এবং ল্যাব স্যাম্পলের পাশাপাশি বাজারের পণ্যের মান নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বিশেষ অতিথি কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি এসএম নাজের হোসেন বলেন, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও সেবার ক্ষেত্রে ভেজাল রোধ এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সাধারণ মানুষকে সচেতন হতে হবে। পাশাপাশি, অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর বাজার তদারকি ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা অব্যাহত রাখতে হবে। ভোক্তাদের সঠিক ওজন ও পরিমাপ প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে বিএসটিআইর পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও সচেতন মহলের সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি। তিনি একটি বৈষম্যহীন ও নিরাপদ বাজার ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অংশীজনদের পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেন। সঞ্চালনায় ছিলেন সহকারী পরিচালক (সিএম) শিমু বিশ্বাস ও ফারহানা জাহান পারুল। বক্তব্য দেন উপপরিচালক (রসায়ন) ইব্রাহীম খলিল।

আলোচিত খবর

২৯ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ হতে পারে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে। আগামী ২৯ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। সংশ্লিষ্ট বোর্ড সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সোমবার আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান জানান, ২৯ অক্টোবরের মধ্যে ফল প্রকাশের প্রস্তুতি রয়েছে।
বোর্ডের এক কর্মকর্তা জানান, ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ফল প্রকাশের সম্ভাবনাই বেশি। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা গত ২ জুলাই শুরু হয়ে ৮ আগস্ট শেষ হয়।

এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করার কথা ছিল। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি লিখিত পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ায় ওই বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৯ সেপ্টেম্বর।
দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেয় ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ