আজঃ শুক্রবার ১ মে, ২০২৬

পূর্ব পাহাড়তলী মুক্তিযোদ্ধা কলোনীতে মুক্তিযোদ্ধাদের নির্যাতন ও হুমকির অভিযোগ

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

চট্টগ্রাম নগরের পূর্ব পাহাড়তলীর মুক্তিযোদ্ধা কলোনীর লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। প্রায় সময় একটি ভূমিদস্যুচক্র ১৯৯৫ সালে গড়ে উঠা এ কলোনীটিতে হামলা, ভাংচুর ও মারধর করছে। মুক্তিযোদ্ধাদের বাড়ি ঘর ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে হুমকি দিচ্ছে। প্রতিরাতেই অস্ত্রের মহড়ার কারণে মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবার আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম শাহ আলম। তার পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মুক্তিযোদ্ধা প্রগতি বহুমুখী সমবায় সমিতির প্রধান উপদেষ্টা এ এম তাহের।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, যুদ্ধাহত গরীব অসহায় বীর মুক্তিযোদ্ধারা সরকারি খাস জমি বরাদ্ধপ্রাপ্ত হয়ে ১৯৯৫ সাল থেকে বসবাস করে আসছে। ২০১৯ সালের ১ ডিসেম্বর হাইকোর্ট সমিতির পক্ষে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। সমিতির আওতাভুক্ত জায়গাটি সম্প্রতি জবর দখলের চেস্টা চালিয়ে যাচ্ছে  একদল দুর্বৃত্ত। গত নভেম্বরের পর থেকেই প্রায় সময় ২০/২৫ জনের সন্ত্রাসীচক্র কলোনীতে ঘুমান্ত লোকজনের উপর হামলা,বাড়ি-ঘর ভাংচুর এবং বয়োবৃদ্ধ মুক্তিযোদ্ধাদের মারধর করছে। বাড়ি ঘর ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে হুমকি দিচ্ছে। তারা বেশ কিছু জায়গা জবরদখলও করে নিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বিষয়গুলো নিয়ে গত ৮ জানুয়ারি স্থানীয় থানায় সাধারণ ডায়েরি ও জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগও করা হয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের নিস্ক্রিয়তায় সন্ত্রাসীচক্রটি বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
এ এম তাহের বলেন, সমিতি মুক্তিযোদ্ধা, পঙ্গু, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ পরিবার ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। তাদের রক্ষার জন্য সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ সিদ্দিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউছুফ
বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুদ্দোহা আলী, কীর মুক্তিযোদ্ধা সামশুল হুদা, বীর মুক্তিযোদ্ধা লেয়াকত হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল বারী প্রমূখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মহান মে দিবসে চসিক জাতীয়তাবাদী শ্রমিক ইউনিয়ন ২১-এর আলোচনা সভা ও বিশাল র‍্যালি অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহান মে দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) জাতীয়তাবাদী শ্রমিক ইউনিয়ন ২১-এর উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও বিশাল র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে র‍্যালিটি নাসিমন ভবনে গিয়ে শেষ হয়।সংগঠনের সভাপতি দিদারুল আলম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় শ্রমিকদের অধিকার, ন্যায্য মজুরি এবং কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মোঃ সেলিম ভুইঞা, মোঃ বশির,শাহেদ আলম, মাবুদ, নাছির, শাহ আলম,মোঃজামশেদ, মহিউদ্দিন, মোঃমফজ্জল,হেদায়েত উল্ল্যা মোঃইসমাইলসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত সাইফুল ও সোমনাথ রাজু। এছাড়াও শ্রমিক ইউনিয়নের অসংখ্য নেতাকর্মী ও সমর্থক অংশগ্রহণ করেন।সভায় বক্তারা বলেন, মহান মে দিবস শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের প্রেরণার উৎস। শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আদায়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

বোয়ালখালীতে জামায়াতে ইসলামী’র কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উপজেলা ও পৌরসভা শাখার উদ্যোগে এক কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১ মে) সকাল ৯টায় স্থানীয় একটি কমিউনিটি সেন্টারে কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে জুমার নামাজ শেষে মেজবানের আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বোয়ালখালী উপজেলা শাখার আমীর মুহাম্মদ খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি ইমাম উদ্দিন ইয়াছিনের সঞ্চালনায় সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতে ইসলামী’র আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতে ইসলামী’র আমীর মুহাম্মদ আনোয়ারুল আলম চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা সহকারী সেক্রেটারি মোঃ জাকারিয়া, চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হাসপাতালের পরিচালক ও বোয়ালখালী উপজেলা নায়েবে আমীর ডা. আবু নাছের।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চান্দগাঁও জামায়াতের আমীর মোঃ ইসমাইল হোসেন, সেক্রেটারি জসিম উদ্দিন সরকার, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক মোঃ ইকবাল, বোয়ালখালী উপজেলা মহিলা জামায়াতের সভাপতি নাহিদ পারভিন, অঞ্চল পরিচালক এলিনা সুলতানা, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মাওলানা মফিজুর রহমান, ওলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা দিদারুল আলম, বোয়ালখালী পৌরসভা ও পোপাদিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দসহ অনেকে। অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন রেনেসা ও দিগন্ত শিল্পী গোষ্ঠী।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ